মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:২২ পি.এম
ইতালি সরকার বাংলাদেশ থেকে দক্ষ কর্মী নেওয়ার জন্য একটি বিশেষ কর্মসূচি চালু করতে যাচ্ছে, যা ভাষা শিক্ষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। আগামী মাসে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হবে, এমনটি জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত অ্যান্টোনিও আলেসান্দ্রো।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিনের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ উদ্যোগের কথা জানান।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও ইতালির দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বৈধ অভিবাসন, শিক্ষার্থী ভিসা এবং দক্ষ জনশক্তি রপ্তানির সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
ইতালির রাষ্ট্রদূত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা ও দায়িত্বশীলতার প্রশংসা করেন। তিনি দুই দেশের অংশীদারত্বকে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে ইতালিতে বসবাসরত বাংলাদেশিদের অবদানের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। বর্তমানে প্রায় আড়াই লাখ বাংলাদেশি ইতালিতে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। তাদের পাঠানো রেমিট্যান্স বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে বলে উল্লেখ করা হয়।
এ সময় অনিয়মিত অভিবাসন নিরুৎসাহিত করে বৈধ পথে ইতালিতে যাওয়ার সুযোগ বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ইতালির ভিসা পাওয়ার সংখ্যা বৃদ্ধি ও প্রক্রিয়া সহজ করার বিষয়েও আলোচনা করেন দুই পক্ষ।
দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং তৃতীয় ভাষা শিক্ষার ওপর বাংলাদেশের সরকারের গুরুত্বের কথা বিবেচনা করে বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির রূপরেখা তুলে ধরেন ইতালির রাষ্ট্রদূত।
তিনি জানান, এ কর্মসূচিতে আগ্রহী বাংলাদেশিদের ইতালীয় ভাষা, দেশটির নাগরিক সংস্কৃতি, সামাজিক রীতিনীতি এবং কর্মক্ষেত্রের প্রয়োজনীয় ব্যবহারিক ও কারিগরি দক্ষতা শেখানো হবে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের ইতালিতে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে দক্ষ জনশক্তি পাঠানো এবং তরুণদের তৃতীয় ভাষা শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অন্যতম অগ্রাধিকার।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে উঠবে এবং বাংলাদেশ ও ইতালির অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।
সাক্ষাৎকালে ইতালির প্রতিনিধিদলে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় দেশটির দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন ফেদেরিকো জাম্পারেলি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) শিক্ষার্থীরা গাজীপুরের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিতব্য আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় দাবা চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬ এ অংশগ্রহণের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এবারের দাবার টিমটি বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবা খেলোয়াড়দের সংগঠন ‘রুয়েট চেস ক্লাব’ এর উদ্যোগে তৈরি করা হয়েছে।
এ প্রতিযোগিতা বুধবার (১৪ অক্টোবর) থেকে শুরু হবে, যেখানে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবাড়ুরা অংশ নেবেন। রুয়েটের প্রতিনিধিত্ব করতে ছয় সদস্যের একটি দল গঠন করা হয়েছে। দলের নেতৃত্ব দেবেন তড়িৎ ও কম্পিউটার কৌশল (ইসিই) বিভাগের ২০২১–২০২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রিব্বি মোহাম্মদ ওমর।
দলের অন্যান্য সদস্যরা হলেন- ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের পুরকৌশল বিভাগের মো. কাওসার আলী, যন্ত্রকৌশল বিভাগের মো. নাজমুস শাহাদাত, ইসিই বিভাগের ২০২২–২০২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. সামিউল আলম, এস এম সাদমান আজিজ সিফাত এবং একই বিভাগের ২০২৪–২০২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নাঈমুর রহমান।
রুয়েটের দাবারু দল দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণকারী দলের সঙ্গে নিজেদের কৌশল, মেধা ও দক্ষতার লড়াইয়ে অবতীর্ণ হবে। টুর্নামেন্টটি স্ট্যান্ডার্ড সুইস পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে এবং দিনব্যাপী মোট ৭ রাউন্ড ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। পরবর্তী সময়ে অর্জিত পয়েন্টের ভিত্তিতে চ্যাম্পিয়ন, রানারআপ ও তৃতীয় স্থান নির্ধারণ করা হবে।
রুয়েট চেস ক্লাবের সভাপতি রিব্বি মোহাম্মদ ওমর জানান, "আমরা আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় দাবায় রুয়েটের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছি। টিম মেম্বারদের দক্ষ কৌশলে ভালো ফলাফল অর্জন এবং রুয়েটের সুনাম অক্ষুণ্ন রাখতে পারবো বলে বিশ্বাস করি। সর্বোপরি, খেলাধুলার প্রকৃত উদ্দেশ্য চিত্ত বিনোদন এবং শারীরিক ও মানসিক বিকাশ বজায় রাখা; আমাদের অংশগ্রহণমূলক কার্যক্রম অন্যদেরও উৎসাহিত করবে বলে প্রত্যাশা করি।"
প্রতিযোগিতার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ইতোমধ্যেই রুয়েট চেস টিমের আনুষ্ঠানিক জার্সি উন্মোচন করা হয়েছে। দাবাপ্রেমী শিক্ষার্থীরা আশা করছেন, আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রতিযোগিতার এই আসরে দক্ষতা ও কৌশলনির্ভর খেলায় সফলতার মাধ্যমে রুয়েটের প্রতিনিধিত্ব করবে দলটি। একই সঙ্গে, প্রতিযোগিতার উপলক্ষ্যে রুয়েট চেস ক্লাবের খেলোয়াড়দের মধ্যে প্রস্তুতি ও উৎসাহের আমেজ বিরাজ করছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে একটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন অসীমা চৌধুরী, যিনি প্রবাসী প্রকৌশলী স্বরূপ কান্তি বিশ্বাসের স্ত্রী এবং তাদের ১৫ বছর বয়সী ছেলে অরিত্র বিশ্বাস। দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত স্বরূপ বিশ্বাসকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কামুক্ত।
দুর্ঘটনাটি ঘটে সোমবার (১২ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে আবুধাবির আল আইন রোডের আল ওয়াতবা ব্রিজ এলাকায়। একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময় তাদের বহনকারী গাড়িটিকে পেছন থেকে দ্রুতগতির একটি গাড়ি ধাক্কা দেয়। এই ধাক্কায় গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের রেলিংয়ে আঘাত করে, ফলে গাড়িটি দুমড়েমুচড়ে যায়।
ঘটনার পর ঘটনাস্থলেই অসীমা চৌধুরী ও তার ছেলে অরিত্রের মৃত্যু ঘটে। গাড়িটি চালাচ্ছিলেন স্বরূপ কান্তি বিশ্বাস। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসা শেষে তার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে এবং তিনি এখন আশঙ্কামুক্ত।
নিহত অসীমা চৌধুরীর পৈতৃক বাড়ি চট্টগ্রামের রাউজানে অবস্থিত। স্বরূপ কান্তি বিশ্বাস ও অসীমা চৌধুরী দম্পতির একটি কন্যাসন্তানও রয়েছে।
এদিকে, মা ও ছেলের মরদেহ আবুধাবির বানিয়াস এলাকার কেন্দ্রীয় মর্গে রাখা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এই প্রক্রিয়ায় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি প্রবাসী কমিউনিটির নেতারাও সহযোগিতা করছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ সচিবালয়ের ৬ নম্বর ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিসের ধারণা অনুযায়ী, প্রাথমিকভাবে শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তবে, ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা ৪২ মিনিটে সচিবালয়ে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার রোজিনা আক্তার এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, সচিবালয়ের ৬ নম্বর ভবনের দ্বিতীয় তলার বাথরুমের ওপরের সিলিংয়ে আগুন লাগার খবর পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়। তবে, ইউনিটটি ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
আগুনের কারণ হিসেবে প্রাথমিকভাবে শর্ট সার্কিটকে সন্দেহ করা হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এর আগে, ২০২৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর রাত ১টা ৫২ মিনিটে সচিবালয়ের একটি ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে পাঁচটি মন্ত্রণালয়ের নথিপত্র, কম্পিউটার এবং আসবাবপত্র পুড়ে যায়। নয়তলা ভবনটিতে লাগা আগুন ফায়ার সার্ভিসের ১৯টি ইউনিটের প্রায় ছয় ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আসে।
ভবনটির চারটি তলায় অবস্থিত স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়; সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়; ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ; যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন নথিপত্র ও সরঞ্জাম আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ওই অগ্নিকাণ্ডের সময় আগুন নেভানোর কাজে অংশ নিতে গিয়ে ট্রাকচাপায় ফায়ার সার্ভিসের সদস্য মো. সোহানুর জামান নিহত হন।
রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর (কেপিআই) অন্যতম বাংলাদেশ সচিবালয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রশান্ত মহাসাগরে শক্তিশালী হয়ে ওঠা ‘সুপার এল নিনো’র প্রভাবে ২০২৬ সাল ইতিহাসের উষ্ণতম বছরে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) জলবায়ু পর্যবেক্ষণ সংস্থা কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিসের পরিচালক কার্লো বুয়োনতেম্পো এ বিষয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, ২০২৭ সালেও তাপমাত্রার নতুন রেকর্ড গড়ার আশঙ্কা বিদ্যমান।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ডনের প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এর আগে সোমবার (১২ অক্টোবর) বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বুয়োনতেম্পো এই আশঙ্কার কথা উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, অতীতের এল নিনো ঘটনাগুলোর ধরন অনুসরণ করলে ২০২৬ সালে তাপমাত্রার নতুন রেকর্ড হতে পারে। এমনকি ২০২৭ সালেও নতুন রেকর্ড হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ডনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিশ্বজুড়ে আবহাওয়াবিদরা কয়েক মাস ধরে সতর্ক করে আসছেন যে, এবারের এল নিনো সম্ভবত এযাবৎকালের অন্যতম শক্তিশালী ঘটনা হতে পারে। বছরের শেষ দিকে এটির সর্বোচ্চ তীব্রতায় পৌঁছানোর আশঙ্কা থাকলেও এরই মধ্যে তাপমাত্রায় নতুন রেকর্ডের তথ্য পাওয়া গেছে।
কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, প্রশান্ত মহাসাগরের ‘নিনো ৩.৪’ অঞ্চলে গত মাসে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা ২৯ দশমিক ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে, যা ওই অঞ্চলের জন্য সর্বোচ্চ বলে জানানো হয়েছে। এল নিনো পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে অঞ্চলটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সংস্থাটির তথ্যমতে, এ তাপমাত্রা ১৯৮২-৮৩, ১৯৯৭-৯৮ এবং ২০১৫-১৬ সালের শক্তিশালী এল নিনো ঘটনাগুলোর সর্বোচ্চ তাপমাত্রাকেও ছাড়িয়ে গেছে।
তবে এবারের এল নিনো এযাবৎকালের সবচেয়ে শক্তিশালী কি না, তা নিশ্চিত করে বলার সময় এখনো আসেনি বলে জানিয়েছেন বুয়োনতেম্পো। তাঁর ভাষায়, জুনে শুরু হওয়া এবারের ঘটনাটি ‘অত্যন্ত ব্যতিক্রমী’। সামগ্রিক জলবায়ু আগের তুলনায় অনেক বেশি উষ্ণ থাকায় এর প্রভাবও বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, প্রশান্ত মহাসাগরে সঞ্চিত তাপ বায়ুমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়ার পাশাপাশি মানুষের কর্মকাণ্ডজনিত জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বৈশ্বিক তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে। এর ফলে ২০২৭ সালও ইতিহাসের উষ্ণতম বছর হয়ে ওঠার ঝুঁকিতে রয়েছে।
এল নিনো একটি প্রাকৃতিক জলবায়ুগত ঘটনা, যার ফলে নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য ও পূর্বাঞ্চলের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায়। এর প্রভাবে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপপ্রবাহ, খরা, অতিবৃষ্টি ও অন্যান্য চরম আবহাওয়ার ঘটনা তীব্র হতে পারে। তবে এল নিনোর প্রকৃত শক্তি ও বৈশ্বিক তাপমাত্রার ওপর এর প্রভাব নির্ভর করবে পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি কীভাবে পরিবর্তিত হয়, তার ওপর।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ