মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৬:০২ পি.এম
বান্দরবানের থানচি উপজেলার দুর্গম রেমাক্রী ইউনিয়নের বড় মদক ও আশপাশের প্রায় ৬০ গ্রামের ১০ হাজারের বেশি মানুষের জন্য স্থায়ী হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্র নেই। চিকিৎসা সেবা নিতে তাদের প্রায় ৭০ কিলোমিটার পাহাড়ি ও নৌপথ পারি দিতে হয়। এই পরিস্থিতিতে জরুরি চিকিৎসা পেতে বিলম্ব হচ্ছে, যা মৃত্যুঝুঁকি বাড়াচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও জনপ্রতিনিধিরা বড় মদকে সরকারি হাসপাতাল স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন।
বড় মদক, ছোট মদক, সাঙ্গু রিজার্ভ, আন্ধারমানিক ও তিন্দু ইউনিয়নের কিছু অংশে প্রতিবছর ম্যালেরিয়া, ডায়রিয়া, টাইফয়েড ও হামসহ বিভিন্ন রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। স্থায়ী চিকিৎসাকেন্দ্রের অভাবে অনেকেই প্রাথমিক চিকিৎসা, মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা এবং টিকাদান কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। দুর্গম যোগাযোগব্যবস্থার কারণে গুরুতর রোগীদের হাসপাতালে নিতে দেরি হওয়ায় মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে রেমাক্রী ও তিন্দু ইউনিয়নে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত শতাধিক রোগী চিকিৎসাকেন্দ্রে পৌঁছাতে না পেরে নদীপথে মারা গেছেন।
রেমাক্রী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুইশৈথুই মারমা (রনি) বলেন, "বড় মদক ও আশপাশে পর্যাপ্ত চিকিৎসাসেবা না থাকায় জরুরি চিকিৎসার অভাবে প্রতিবছর মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। সেখানে হাসপাতাল স্থাপন করা হলে সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকার মানুষ দ্রুত চিকিৎসা পাবেন।"
স্থানীয় বাসিন্দা চসিংমং মারমা বলেন, "অস্থায়ী চিকিৎসা কার্যক্রম দিয়ে দীর্ঘদিনের সংকটের সমাধান সম্ভব নয়। বড় মদকে হাসপাতাল স্থাপনের পাশাপাশি চিকিৎসক, ওষুধ ও জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।"
থানচি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. ওয়াহিদুজ্জামান মুরাদ বলেন, "স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, হেডম্যান, পাড়াপ্রধান ও শিক্ষিত তরুণেরা বড় মদকে হাসপাতাল স্থাপনের আবেদন করেছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত প্রস্তাব পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পাশাপাশি নব্বইয়ের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস অন্তর্ভুক্তির গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। জাতীয় তথ্যচিত্র নির্মাণের ক্ষেত্রে এই বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মাধ্যমে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্যচিত্র ও প্রামাণ্য দলিলে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচির সঙ্গে এ বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে বৈঠকে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে কমিটির সভাপতি আমানউল্লাহ আমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় বৈঠকে এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়।
বৈঠকে কমিটির সদস্য এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান, প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, সংসদ সদস্য মো. আশরাফ উদ্দিন, মো. মজিবুর রহমান, নিলোফার চৌধুরী মনি, ফাহমিদা হক, মো. শফিকুল ইসলাম এবং মোসা. নাজমুন নাহার উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) অনুষ্ঠান ও সংবাদ পরিবেশনের সামাজিক প্রভাবের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়।
এ সময় উল্লেখ করা হয়, বিটিভির দায়িত্ব ও ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিটিভির উদ্দেশ্য কোনো বাণিজ্যিক টেলিভিশন চ্যানেলে রূপান্তরিত হওয়া নয়; বরং রাষ্ট্র ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধ একটি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান হিসেবে দায়িত্ব পালন করা। তাই বিটিভির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সুনির্দিষ্ট করা প্রয়োজন।
বৈঠকে আরও বলা হয়, সংবাদ পরিবেশন করার সময় সংবাদটির গুরুত্ব অনুধাবন করা উচিত। প্রাসঙ্গিকতাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য অনুষ্ঠান নির্মাণ ও প্রচারের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করতে হবে।
বৈঠকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তর ও সংস্থাগুলোতে গত ১৭ বছরে অনৈতিকভাবে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো এবং পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত কর্মকর্তাদের নাম ও পদবিসহ তালিকা পরবর্তী বৈঠকে উপস্থাপনের বিষয়ে আলোচনা হয়। একই সময়ে বাতিল করা অনুষ্ঠান ও কর্মসূচির তালিকাও উপস্থাপনের কথা বলা হয়। মন্ত্রণালয়ের অধীন সব কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ও বিএফডিসি পরিদর্শনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষ্যে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে ও স্বাধীনভাবে ধর্মীয় উৎসব উদযাপন করতে পারে, সে লক্ষ্যে বৈঠকে উপস্থিত সবাইকে সহযোগিতা ও সক্রিয় ভূমিকা রাখার সুপারিশ করা হয়।
বৈঠকের শুরুতে কমিটির প্রথম বৈঠকের কার্যবিবরণী সংশোধনী সাপেক্ষে নিশ্চিত করা হয়।
বৈঠকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব, মন্ত্রণালয়ের অধীন অধিদপ্তরসমূহের মহাপরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, সংশ্লিষ্ট সংস্থাসমূহের প্রধানগণ এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ এবং এর সম্ভাব্যতা যথাযথভাবে যাচাই করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, প্রকল্প গ্রহণের সময় পরিকল্পনা এমনভাবে করতে হবে যাতে এর সুফল সর্বাধিক মানুষের কাছে পৌঁছায়।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) চিফ রিপ্রেজেনটেটিভ জুনকো তাকাহাশির সঙ্গে বৈঠকের সময় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এ সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জাইকার চলমান প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতা সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা হয়।
মন্ত্রী বলেন, জাপান বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন সহযোগী। তিনি জাপানের ক্রমবর্ধমান সহযোগিতার জন্য জাইকাকে ধন্যবাদ জানান এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও শক্তিশালী করতে নতুন প্রকল্প গ্রহণের আহ্বান জানান।
উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী মেট্রোরেল প্রকল্পের উদাহরণ দেন। তিনি বলেন, "মেট্রোরেল টঙ্গী বা জয়দেবপুর পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা গেলে আরও বেশি মানুষ এ সেবার সুফল ভোগ করতে পারত।" হাওর অঞ্চলের উন্নয়নে গৃহীত প্রকল্পগুলোর সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের ক্ষেত্রেও আরও সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানান তিনি।
বৈঠকে জাইকার পক্ষ থেকে জানানো হয়, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কমিউনিটি সেবা, পানি সরবরাহ, পয়ঃনিষ্কাশন, আঞ্চলিক উন্নয়ন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও হাওর অঞ্চলের উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে প্রকল্প চলমান রয়েছে। জাইকার চিফ রিপ্রেজেনটেটিভ ভবিষ্যতে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের আশ্বাস দেন।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) সঙ্গে বাস্তবায়নাধীন ‘আর্বান ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড সিটি গভর্নেন্স প্রজেক্ট (ইউডিসিজিপি)’ এবং সাউদার্ন চট্টগ্রাম রিজিয়নাল ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (এসসিআরডিপি)’র অগ্রগতি বৈঠকে তুলে ধরা হয়। এ সময় মন্ত্রী প্রকল্পগুলোর দ্রুত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন।
এ ছাড়া স্থানীয় সরকার বিভাগের মাধ্যমে দেশের সব উপজেলায় গৃহীতব্য ‘উপজেলা গভর্নেন্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট ফেজ-টু (ইউজিডিপি-টু)’-এর কার্যক্রমে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়।
মন্ত্রী স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, "দেশে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে হলে তৃণমূল পর্যায়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে।" তিনি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বাড়ানোর বিকল্প নেই বলে উল্লেখ করেন। জাইকার গৃহীত ও সমাপ্ত বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি এ ধরনের উদ্যোগ আরও সম্প্রসারণের আহ্বান জানান।
বৈঠকে মন্ত্রী দাতা সংস্থার প্রতিনিধি ও মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন। এই কমিটি উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের পরিকল্পনা ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের মধ্যে সমন্বয় সাধনে কাজ করবে।
বৈঠকে জাইকার সিনিয়র রিপ্রেজেনটেটিভ মরিকাওয়া ইয়োকো, লোকাল গভর্নেন্স উপদেষ্টা আকিরা মুনাকাতা, পরিকল্পনা, পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ন ও পরিদর্শন অনুবিভাগের মহাপরিচালক শিবির বিচিত্র বড়ুয়া এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধার সাঘাটায় প্রেমের বিয়ে পরিবারের সদস্যদের অমতে বিষাক্ত গ্যাস ট্যাবলেট সেবনের ফলে নবদম্পতির মৃত্যু ঘটেছে। নববধূ তানিশা বেগম সোমবার (১২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় মারা যান। পরবর্তী দিন মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার স্বামী মো. আলামিনের মৃত্যু হয়।
মৃত আলামিন সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া কলেজমোড় এলাকার আজাদুল ইসলামের পুত্র। তার স্ত্রী তানিশা বেগম।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরিচয়ের সূত্রে আলামিন ও তানিশার মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। দীর্ঘ চার বছরের সম্পর্কের পর, তারা ১২ অক্টোবর পরিবারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে বিয়ে করেন।
তবে, আলামিন অবিবাহিত থাকলেও তানিশার পূর্বে বিয়ে হয়েছিল এবং তার একটি দুই বছর বয়সী সন্তান রয়েছে। এই কারণে দুই পরিবারের কেউই তাদের বিয়েতে সম্মতি দেয়নি। পারিবারিক অসম্মতি এবং স্বজনদের অসন্তোষের কারণে, একপর্যায়ে সোমবার বিকেলে তারা দুজন বিষাক্ত গ্যাস ট্যাবলেট সেবন করেন।
পরে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে তানিশার মৃত্যু ঘটে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় আলামিনকে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে, মঙ্গলবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দরুল হুদা জানান, প্রেমঘটিত কারণে দুজনের মৃত্যুর ঘটনায় পৃথক দুটি অপমৃত্যুর (ইউডি) মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় একটি সোনার দোকানের শোকেসে ঝুলন্ত অবস্থায় প্রায় ১৪ ফুট লম্বা অজগর পাওয়া গেছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) রাত আটটার দিকে উপজেলার চন্দ্রঘোনা থানার দোভাষী বাজারে এ ঘটনা ঘটে। পরে দোকানিরা এটি উদ্ধার করে বন বিভাগের কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, অজগরটি সন্ধ্যা জুয়েলার্স নামক দোকান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। ওই বাজারের পাশে একটি সংরক্ষিত বনাঞ্চল রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, প্রায়ই অজগরটি সেখান থেকে বাজারে চলে আসে। দোকানিরা কৌশলে অজগরটিকে নিচে নামিয়ে আনেন। এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
সন্ধ্যা জুয়েলার্সের স্বত্বাধিকারী রাজিব বণিক বলেন, ‘হঠাৎ রাতে দোকানের শোকেসে অজগর দেখে ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। পরে সবার সহযোগিতায় এটি নিচে নামিয়ে আনা হয়। মঙ্গলবার সকালে বন বিভাগের কর্মকর্তাদের কাছে অজগরটি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।’
কাপ্তাই বন বিভাগের রেঞ্জের মামুনুর রশিদ জানান, অজগরটি প্রায় ১৪ ফুট লম্বা। সেটিকে আজ স্থানীয় রাম পাহাড়ে অবমুক্ত করা হয়েছে। বাজারের পাশে সংরক্ষিত বন থাকায় অজগরটি সেখানে থেকে চলে এসেছে। এর আগে এ ধরনের ঘটনা ঘটলেও আগের অজগরগুলো ছোট ছিল। এ বারই প্রথম ১৪ ফুট লম্বা অজগর পাওয়া গেল।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ