শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:২৪ পি.এম
গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, এই সময়ের মধ্যে নিশ্চিত হামে কারো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর হাম বিষয়ক নিয়মিত প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য প্রকাশ করেছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার তথ্য এই প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
মৃত শিশুদের মধ্যে ঢাকা, হবিগঞ্জ এবং কুষ্টিয়া জেলার বাসিন্দা রয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৮৪। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ১০১ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ৯৮৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় এক হাজার ২০১ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। ফলে মোট সন্দেহভাজন সংক্রমণের সংখ্যা ১ লাখ ৮৫ হাজার ৮৩৩ জনে পৌঁছেছে। একই সময়ে ৬৪ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে।
এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্তের সংখ্যা ২১ হাজার ১৫ জন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের সরকারি চাকরিতে দ্রুত নিয়োগের পাশাপাশি রাজনৈতিক পরিচয় বা মতাদর্শের ভিত্তিতে বৈষম্য বন্ধের দাবি জানিয়েছে।
সম্প্রতি কিছু প্রার্থীর নিয়োগ নিয়ে অনিশ্চয়তা ও বৈষম্যের অভিযোগ উঠেছে, বিশেষ করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগসহ বিভিন্ন সরকারি চাকরিতে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর পুলিশ ভেরিফিকেশন বা অন্যান্য যাচাইপ্রক্রিয়ার কারণে।
এ পরিস্থিতিতে জকসু বলছে, রাজনৈতিক পরিচয়, মতাদর্শ বা বৈধ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড কোনো প্রার্থীর সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে বাধা হতে পারে না।
জকসুর এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সরকারি চাকরিতে নিয়োগের প্রধান ভিত্তি হওয়া উচিত মেধা, যোগ্যতা, দক্ষতা এবং নির্ধারিত আইনগত শর্ত। নাগরিকদের রাজনৈতিক মতাদর্শ বা বৈধ রাজনৈতিক পরিচয়কে চাকরির যোগ্যতা নির্ধারণের মানদণ্ড হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়।
সংগঠনটি আরও উল্লেখ করেছে, যদি কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে অপরাধের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ থাকে, তবে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে রাজনৈতিক পরিচয় বা মতাদর্শের কারণে যোগ্য কোনো প্রার্থীকে নিয়োগ থেকে বঞ্চিত করা ন্যায়সংগত নয়।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিনের প্রস্তুতি ও কঠোর প্রতিযোগিতার পর চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েও অনেক চাকরিপ্রার্থী নিয়োগপত্রের অপেক্ষায় রয়েছেন। তাই সরকারি নিয়োগপ্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, পক্ষপাত বা বৈষম্যের সুযোগ না রেখে পুলিশ ভেরিফিকেশনসহ সব ধরনের যাচাইপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
জকসুর দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের দ্রুত নিয়োগপত্র দেওয়া, রাজনৈতিক পরিচয় বা বৈধ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে কাউকে নিয়োগ থেকে বঞ্চিত না করা এবং পুলিশ ভেরিফিকেশনসহ নিরাপত্তা যাচাই নির্দিষ্ট আইনগত মানদণ্ডের মধ্যে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করা।
এছাড়া চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের নিয়োগপ্রক্রিয়া অযথা বিলম্বিত না করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা এবং সরকারি চাকরিতে দলীয় প্রভাব ও রাজনৈতিক বৈষম্যের অবসান ঘটিয়ে মেধাভিত্তিক, স্বচ্ছ ও বৈষম্যহীন নিয়োগব্যবস্থা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
জকসুর ভাষ্য মতে, একজন নাগরিকের রাজনৈতিক মতাদর্শ নয়, তার যোগ্যতা ও কর্মদক্ষতাই সরকারি চাকরিতে নিয়োগের প্রধান বিবেচ্য হওয়া উচিত। এ কারণে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত সব প্রার্থীর নিয়োগ মেধা, যোগ্যতা ও আইনগত মানদণ্ডের ভিত্তিতে নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরের শিবচরে ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের পাশে একটি বাস বিকল হয়ে দাঁড়িয়ে থাকলে, পেছন থেকে আরেকটি বাস সেটিকে ধাক্কা দেয়। এই ঘটনায় ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন যাত্রী।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাখরেরকান্দি এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
ফায়ার সার্ভিস ও প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গোপালগঞ্জ থেকে যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে পালকী পরিবহনের একটি বাস। বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের মাদারীপুরের শিবচরের বাখরেরকান্দি এলাকায় এসে বাসটির চাকা বিকল হয়ে যায়। এ অবস্থায় হানিফ পরিবহনের আরেকটি বাস পালকী পরিবহনের বাসটিকে পেছন থেকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলে তিনজন নিহত হন। আহতদের মধ্যে অন্তত ১৫ জনকে উদ্ধার করে স্থানীয় ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। ফরিদপুরের ভাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
দুর্ঘটনার পর ঢাকামুখী লেনে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে শিবচর হাইওয়ে থানার পুলিশ গিয়ে কিছু সময় পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে।
ফরিদপুরের ভাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আবু জাফর সরদার জানান, দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু ঘটে। পালকী পরিবহন এক্সপ্রেসওয়ে পার্কিং করে রেখেছিল। এ সময় দ্রুতগতির হানিফ পরিবহনের বাসটি বিকল বাসটিকে ধাক্কা দেয়। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।
মাদারীপুরের শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এইচএম ইবনে মিজান জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসকে উদ্ধার কাজের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নিহতদের পরিচয় শনাক্তের প্রক্রিয়া চলছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য পদে অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমের যোগদানকে প্রত্যাখ্যান করে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল করেছেন।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) জুমার নামাজের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক মিলনায়তনের (টিএসসি) সামনে থেকে শুরু হয় এই মিছিল। পরে মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
মিছিলে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা ‘ভিসি হিসেবে কাকে চাই, সায়েম স্যারকেই আবার চাই’, ‘মোদের দাবি একটাই, সায়েম স্যারকে ভিসি চাই’—এমন বিভিন্ন স্লোগান দেন।
দুপুর ২টায় টিএসসি থেকে শুরু হয়ে মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা নতুন উপাচার্যের যোগদানকে কেন্দ্র করে তাদের অবস্থান প্রকাশ করেন এবং পরবর্তী কর্মসূচি-দেয়াল লিখন এর ঘোষণা দেন।
মিছিলে অংশ নেওয়া তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আকরাম হোসেন সুজন বলেন, "গতকাল আমরা জেনেছি, উপাচার্য পদে অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম যোগদানপত্র পাঠিয়েছেন। এর প্রতিবাদেই আজ আমরা বিক্ষোভ মিছিল করেছি। গতকাল আমাদের শিক্ষকরা রোববার থেকে পূর্ণ কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছেন। আমরা কোনোভাবেই অধ্যাপক শরীফুল আলমকে উপাচার্য হিসেবে চাই না।"
এর আগে বৃহস্পতিবার, উপাচার্য হিসেবে যোগদানের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে উপস্থিত না হয়ে রাষ্ট্রপতি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর লিখিত যোগদানপত্র পাঠান অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম।
ওই পত্রে তিনি চুয়েটের উপাচার্য পদে যোগদানের কথা উল্লেখ করেন। তার এই যোগদানকে প্রতিবাদ জানিয়ে আজ শুক্রবার বিক্ষোভ মিছিল করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) ছাত্রীদের আবাসন সংকট সমাধানের উদ্দেশ্যে নির্মিত ১০ তলা ভবনবিশিষ্ট বেগম খালেদা জিয়া হল গত বছর সেপ্টেম্বরে উদ্বোধন করা হয়। তবে, এক বছর পার হলেও এখনো লিফট ব্যবস্থা কার্যকর করা হয়নি। এই হলে ৩৫০ জন ছাত্রী নিয়ে যাত্রা শুরু হলেও বর্তমানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় হাজারে পৌঁছেছে।
ফলস্বরূপ, বহুতল এই ভবনে নিয়মিত সিঁড়ি ভেঙে ওঠানামা করতে গিয়ে শিক্ষার্থীরা দৈনন্দিন যাতায়াত ও জরুরি চিকিৎসাসেবায় ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, "কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ তলা আবাসিক হলে লিফট নাই এরকম দেখি নাই।" লিফটের অভাবে শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন জীবন চরম দুর্ভোগের সম্মুখীন হচ্ছে। প্রতিদিন সকালে ও বিকালে ক্লাস শেষে এবং অন্তত তিন বেলা খাবারের জন্য এই দীর্ঘ সিঁড়ি ভাঙা শারীরিক ও মানসিক পরিশ্রান্তির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
তবে, সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়তে হচ্ছে যখন ১০ তলার কোনো শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েন। সেক্ষেত্রে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামিয়ে স্বাস্থ্যসেবা নিতে নিয়ে যাওয়া এবং চিকিৎসা শেষে পুনরায় উপরে তুলতে অনেক কষ্ট হয়। তাই শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার স্বার্থে এমন ভবনে লিফট সুবিধা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।
পশুপালন অনুষদের দ্বিতীয় বর্ষের এবং হলের ৮ম তলায় অবস্থানরত এক শিক্ষার্থী বলেন, "ক্লাস শেষে অনেক ক্লান্ত থাকি। এরপর এত ওপরে উঠতে গিয়ে আরও কাহিল হয়ে পড়ি।" অনেক সময় ক্লাসের ফাঁকে এক থেকে দুই ঘণ্টা বিরতি থাকলেও রুমে ফিরতে পারেন না।
তত্ত্বীয় ও ব্যবহারিক ক্লাস দিনে দুই সময়ে হওয়ায় হলে আসা-যাওয়া করতে অনেক কষ্ট হয়। ক্যান্টিন নিচতলায় অবস্থিত, খাবার নিতে নিচতলা পর্যন্ত যেতে হয়, যা শিক্ষার্থীদের জন্য অনেক কষ্টের। আবার ক্যান্টিনের খাবারের মানও তেমন ভালো নয়।
ভবনের ১০ম তলায় অবস্থানরত প্রথম বর্ষের এক শিক্ষার্থী ভোগান্তির কথা উল্লেখ করে বলেন, "১০ তলায় সিট বরাদ্দ পাওয়ায় অনেক ভোগান্তির শিকার হচ্ছি।" একবার ওপরে উঠলে আবার নিচে নামতে ইচ্ছা করে না। এ কারণে অনেক সময় দিনে এক বেলা খাবার খেতে হয়। একবার নিচে নেমে খাবার নিয়ে আসতে হয়। সকালের খাবার তো খাওয়াই হয় না।
তিনি বলেন, "শুক্রবার ও শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস বন্ধ থাকায় খাবারের কষ্ট আরও বেশি হয়।" এছাড়া রান্নার কোনো সুযোগ নেই। জরুরি পরিস্থিতিতে রান্না করে খাওয়ারও উপায় থাকে না। তাই অনেক সময় না খেয়েই থাকতে হয়।
শিক্ষার্থীদের এই উদ্বেগের বিষয়ে জানতে চাইলে হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, "শিক্ষার্থীদের মাঝে এ বিষয়ে উদ্বেগ থাকাটা স্বাভাবিক। এজন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এটি সমাধানের জন্য অত্যন্ত দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন।"
নতুন দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে শিক্ষক ও হাউজ টিউটররা দফায় দফায় মিটিং করেছেন। লিফট স্থাপনের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে অন্তত একটি লিফট চালু হয়ে যাবে। লিফট চালু হলে ছাত্রীদের উঠানামার কষ্ট অনেকখানি কমে যাবে। ১০ তলা পর্যন্ত সিঁড়ি দিয়ে উঠানামা করা কতটা কষ্টের এবং অমানবিক তা অভিভাবক ও শিক্ষক হিসেবে গভীরভাবে অনুভব করেন।
লিফট চালুর অগ্রগতি নিয়ে প্রধান প্রকৌশল মুহ. এনামুল হক বলেন, "খালেদা জিয়া হলের জাপানি প্রযুক্তির নতুন লিফটটির মেশিনসহ এটি স্থাপনের যাবতীয় কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং তিন তলা পর্যন্ত পরীক্ষামূলকভাবে চালু রয়েছে।" কাজ পুরোপুরি শেষ হতে প্রায় এক সপ্তাহ সময় লাগবে।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীরাও পরীক্ষামূলকভাবে এটি ব্যবহার করার পর লিফটটি স্থায়ীভাবে চালু করা হবে। আপাতত আমরা একটি লিফট চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। অন্য লিফটগুলোর যন্ত্রাংশ আসলেও কাজ শুরু হয়নি এবং নিয়মিত সার্ভিসিং বজায় রেখে এটি চালুর বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি আমরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ