ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বহুদলীয় গণতন্ত্রই নয়, সংসদীয় গণতন্ত্রও বিএনপির হাত ধরে এসেছে: প্রধানমন্ত্রী


বহুদলীয় গণতন্ত্রই নয়, সংসদীয় গণতন্ত্রও বিএনপির হাত ধরে এসেছে: প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উল্লেখ করেছেন যে, বিএনপি শুধু বহুদলীয় গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনেনি, বরং সংসদীয় গণতন্ত্রও এই দলের হাত ধরে এসেছে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা এবং জনগণের প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) সেক্রেটারি আন্দা ফিলিপ সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে আসলে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন এ তথ্য জানান।

সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন আন্দা ফিলিপ।

তিনি মন্তব্য করেন, প্রধানমন্ত্রীর নিয়মিত জাতীয় সংসদ অধিবেশনে অংশগ্রহণ সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রতি তাঁর দৃঢ় অঙ্গীকারের শক্তিশালী বার্তা বহন করে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

এ সময় তারেক রহমান বলেন, "আমরা অত্যন্ত আনন্দিত যে দীর্ঘ সংগ্রামের পর দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি। গণতন্ত্রের জন্য আমরা দীর্ঘদিন ধরে সংগ্রাম করেছি।"

তিনি আরও বলেন, "আমাদের দলের অসংখ্য নেতা-কর্মী গুম ও হত্যার শিকার হয়েছেন এবং প্রায় ৪০ লাখ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। অবশেষে গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আমরা দেশে গণতান্ত্রিক ধারাকে সুগম করতে পেরেছি।"

প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বিএনপি শুধু বহুদলীয় গণতন্ত্রই ফিরিয়ে আনেনি, সংসদীয় গণতন্ত্রও এ দলের হাত ধরে এসেছে। আমাদের সামনে এখনও কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তবে আমরা আশাবাদী এবং গণতন্ত্রের প্রতি দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। গণতন্ত্র নিয়ে মানুষের প্রত্যাশা অনেক।"

তিনি আরও বলেন, "আমরা বিশ্বাস করি, একটি কার্যকর ও শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই দেশের টেকসই অগ্রগতি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব।"

আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইলেন ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বলা এমপি রতন

প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, "তাঁর সরকার প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা এবং জনগণের প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে।"

আইপিইউ সেক্রেটারি জানান, তিনি বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার পড়েছেন। ইশতেহারে শিক্ষা খাতে গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ এবং কমিউনিটিভিত্তিক কর্মসূচির প্রশংসা করেন তিনি।

বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রারও প্রশংসা করে আন্দা ফিলিপ বলেন, "এ ধারা অব্যাহত থাকলে জনগণের মধ্যে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি আস্থা আরও শক্তিশালী হবে।"

আন্দা ফিলিপ আরও বলেন, আইপিইউ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সহযোগিতা আরও জোরদার করতে আগ্রহী।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

তিনি আশা প্রকাশ করেন, তানজানিয়ায় অনুষ্ঠেয় আইপিইউর ১৫৩তম সম্মেলনে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকার অংশ নিচ্ছেন। তাঁর অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে আইপিইউর সঙ্গে বাংলাদেশের সংসদের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।

গণতন্ত্রকে আরও কার্যকর ও টেকসই করতে নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্বারোপ করেন আইপিইউ সেক্রেটারি।

সাক্ষাতে নারীর ক্ষমতায়নের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। তরুণ ও নারী সংসদ সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে আন্দা ফিলিপ বলেন, "তাঁরা অত্যন্ত উদ্যমী ও আগ্রহী।"

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন তাঁর সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। নারীদের জন্য অনার্স পর্যায় পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা এবং নারী শিক্ষার্থীর জন্য উপবৃত্তি চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

আরও পড়ুন: প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে ৫ বিষয়ে অগ্রাধিকার ঘোষণা প্রতিমন্ত্রীর

এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য হলো নারীদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করা এবং পরিবারে সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের অংশগ্রহণ বাড়ানো।

সাক্ষাৎকালে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-২ শামা ওবায়েদ ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাবুল মৃধার মৃত্যু: হাসিনা-কাদেরসহ ৩৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৩৬ পি.এম


বাবুল মৃধার মৃত্যু: হাসিনা-কাদেরসহ ৩৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : চব্বিশের আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী রাজমিস্ত্রী বাবুল মৃধা আন্দোলনের সময় তার ছেলেকে খুঁজতে ঘর থেকে বের হওয়ার পর গুলিবিদ্ধ হন।

গুলিবিদ্ধ হওয়ার ৫২ দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় একই বছরের ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা সিএমএইচ হাসপাতালে বাবুল মৃধা মারা যান। এই ঘটনার পর দায়ের করা মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ ৩৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছে পুলিশ।

আজ যাত্রাবাড়ী থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মহিউদ্দিন চৌধুরী বাসসকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা যাত্রাবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক মাহমুদুল হাসান ইরফান গত ১৩ আগস্ট আদালতে এ চার্জশিট দাখিল করেন। আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর মামলার চার্জশিট গ্রহণের বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

চার্জশিটে উল্লেখযোগ্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন— সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ, সাবেক সংসদ সদস্য এস এম শাহজাদা ও মহিউদ্দিন মহারাজ, পুলিশের সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদullah আল-মামুন এবং সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, বাবুল মৃধা চব্বিশের জুলাই আন্দোলন চলাকালে ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই যাত্রাবাড়ীর দনিয়া ও লাকি কমিউনিটি সেন্টার এলাকায় আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী তার কলেজ পড়ুয়া বড় ছেলে আবু তালেবকে খুঁজতে ঘর থেকে বের হন।

এ সময় যাত্রাবাড়ী লাকি কমিউনিটি সেন্টার এলাকায় পিঠে গুলিবিদ্ধ হন বাবুল মৃধা। পরে পথচারীরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে এক মাস চিকিৎসার পর তাকে বিজিবি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখান থেকে গত ২২ আগস্ট সিএমএইচ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

গুলিবিদ্ধ হওয়ার ৫২ দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় একই বছরের ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা সিএমএইচ হাসপাতালে মো. বাবুল মৃধা মারা যান। এ ঘটনার পর তার স্ত্রী সীমা বেগম ২০২৪ সালের ১৯ নভেম্বর রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুন্দরবনে জলদস্যু বাহিনীর প্রধানসহ ৫২ সদস্যের আত্মসমর্পণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৩৭ পি.এম


সুন্দরবনে জলদস্যু বাহিনীর প্রধানসহ ৫২ সদস্যের আত্মসমর্পণ

খুলনা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : গতকাল সোমবার র‌্যাবের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে সুন্দরবনের ৪ জলদস্যু বাহিনীর প্রধানসহ ৫২ সদস্য।

মঙ্গলবার র‌্যাব-৬ এর এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। র‌্যাব-৬ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল নিস্তার আহমেদ বিষয়টি বাসস’কে নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গতকাল সোমবার সুন্দরবনে সক্রিয় ৪টি জলদস্যু বাহিনীর মোট ৫২ জন সদস্য আত্মসমর্পণ করেন র‌্যাবের কাছে।

র‌্যাব-৬ এর মিডিয়াসেল সূত্র জানায়, আত্মসমর্পণকারী বাহিনীগুলোর মধ্যে রয়েছে বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর ১৬ জন, দুলাভাই ও আফজাল বাহিনীর ১৫ জন, আনারুল বাহিনীর ১৩ জন এবং আফতাব বাহিনীর ৮ জন সদস্য।

র‌্যাব-৬ এর সূত্র জানায়, বাংলাদেশের অমূল্য প্রাকৃতিক সম্পদ সুন্দরবনকে নিরাপদ ও জলদস্যুমুক্ত রাখতে র‌্যাব দীর্ঘদিন ধরে নিরলসভাবে অভিযান চালিয়ে আসছে। সুন্দরবনে জেলে, বাওয়ালি, মৌয়ালসহ হাজার হাজার মানুষ জীবিকা নির্বাহের জন্য সরাসরি এই বনের ওপর নির্ভরশীল। তবে দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলে জলদস্যু ও বনদস্যুদের অপহরণ, মুক্তিপণ আদায় এবং অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বনজীবি ও স্থানীয়দের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযান এবং সরকারের পুনর্বাসন উদ্যোগের ফলে পূর্ববর্তী সময়ে সুন্দরবনের বিভিন্ন জলদস্যু ও বনদস্যু বাহিনীর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সদস্য ইতিপূর্বে আত্মসমর্পণ করেছিলেন। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে নতুন দস্যুচক্রের তৎপরতা এবং পূর্বে আত্মসমর্পণকারী কয়েকজন দস্যুর পুনরায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়। একই সঙ্গে জেলে ও বনজীবীদের অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি এবং অন্যান্য অপরাধমূলক তৎপরতার ঘটনাও সামনে আসে।

এ প্রেক্ষাপটে সুন্দরবনের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জলদস্যু ও বনদস্যুদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে র‌্যাব এর গোয়েন্দা নজরদারি ও আভিযানিক কার্যক্রম জোরদার করে। র‌্যাব-৬ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধারাবাহিক তৎপরতা, বনের প্রতিকূল পরিবেশ এবং অপরাধমূলক জীবনের অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন দস্যু বাহিনীর সদস্যরা অপরাধের পথ পরিহার করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার প্রত্যয় ব্যক্ত করে এবং আত্মসমর্পণের আগ্রহ প্রকাশ করে। এরই ধারাবাহিকতায় একযোগে চারটি জলদস্যু বাহিনীর ৫২ জন সদস্যের আত্মসমর্পণ সুন্দরবনের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। এর ফলে সংশ্লিষ্ট দস্যু বাহিনীগুলোর সাংগঠনিক সক্ষমতা ও অপরাধমূলক তৎপরতা হ্রাস পাওয়ার পাশাপাশি সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল জেলে, বাওয়ালি, মৌয়াল ও অন্যান্য বনজীবীদের নিরাপদে জীবিকা নির্বাহের পরিবেশ আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সুন্দরবনকে জলদস্যু ও বনদস্যুদের অপতৎপরতা থেকে মুক্ত রাখা এবং বননির্ভর জনগোষ্ঠীর জীবন ও জীবিকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা র‌্যাবের অন্যতম অগ্রাধিকার। সুন্দরবনে জলদস্যুতা, অপহরণ, মুক্তিপণ আদায় এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংঘবদ্ধ অপরাধ প্রতিরোধে র‌্যাব-৬ এর আভিযানিক কার্যক্রম ও গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত থাকবে।

র‌্যাব-৬ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আত্মসমর্পণকারী ব্যক্তিদের বিষয়ে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক যথাসময়ে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

উল্লেখ্য, সুন্দরবনের বন্যপ্রাণীর প্রজনন ও বিচরণ নির্বিঘ্ন রাখা এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত তিন মাস সুন্দরবনে পর্যটক ও বনজীবীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর ছিল। তিন মাসের এ নিষেধাজ্ঞা শেষে ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে প্রযোজ্য বিধিবিধান ও অনুমতি সাপেক্ষে সুন্দরবন পুনরায় পর্যটক ও বনজীবীদের জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে।

সুন্দরবন পুনরায় উন্মুক্ত হওয়ার ঠিক আগের দিন চারটি জলদস্যু বাহিনীর ৫২ জন সদস্যের আত্মসমর্পণ বনজীবীদের নিরাপদে জীবিকা নির্বাহ, পর্যটকদের নিরাপদ চলাচল এবং সুন্দরবনকেন্দ্রিক স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে সুন্দরবনকেন্দ্রিক সংঘবদ্ধ অপরাধ নিয়ন্ত্রণে থাকলে অবৈধভাবে কাঠ ও অন্যান্য বনজ সম্পদ আহরণ, বন্যপ্রাণী শিকার ও পাচারসহ পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য ক্ষতিকর অপরাধ প্রতিরোধেও তা সহায়ক হবে।

সুন্দরবনের নিরাপত্তা, বনজীবীদের জীবন ও জীবিকার সুরক্ষা এবং দেশের অমূল্য প্রাকৃতিক সম্পদ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে র‌্যাব সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও জোরদারের আশাবাদ স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৩৯ পি.এম


বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও জোরদারের আশাবাদ স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর

ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান বাংলাদেশ-ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার আশাবাদ প্রকাশ করেছেন। তিনি এই মন্তব্য করেছেন পারস্পরিক স্বার্থ, সহযোগিতা এবং জনগণের কল্যাণকে ভিত্তি করে।

আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর অফিস কক্ষে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমও উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকের শুরুতে, হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ড. আবদুল মঈন খানকে শুভেচ্ছা জানান। একইসঙ্গে, নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে তার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার প্রশংসা করেন।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের মধ্যে বিদ্যমান ঐতিহাসিক এবং ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়েও আলোচনা হয়, বিশেষ করে মুক্তবাণিজ্যের সম্ভাবনা নিয়ে। এ ক্ষেত্রে, পিপল-টু-পিপল যোগাযোগকে আরও জোরদার করার মাধ্যমে পারস্পরিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন মন্ত্রী।

হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী স্থানীয় সরকার খাতে দক্ষতা উন্নয়ন এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ে ভারতের আগ্রহের কথা তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, ভারতের হায়দ্রাবাদে অবস্থিত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণ এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ তৈরি করা যেতে পারে। তিনি দুই দেশের সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের আশাবাদও ব্যক্ত করেন।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের জন্য বাংলাদেশ সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি জানান, চলতি অর্থবছরের মধ্যে স্থানীয় সরকারের পাঁচটি স্তরের নির্বাচন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জানান, ভারত সরকার বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রক্রিয়ার অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে আগ্রহী এবং আলোচনা সাপেক্ষে পর্যবেক্ষক পাঠানোর বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো শহীদুল হাসান, ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনার পাওয়ান কুমার তুলশি দাসসহ মন্ত্রণালয় ও হাইকমিশনের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শহীদ জিয়ার আদর্শ ও দর্শন ধারণ করেই পথ চলছে বিএনপি: অর্থমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৪৩ পি.এম


শহীদ জিয়ার আদর্শ ও দর্শন ধারণ করেই পথ চলছে বিএনপি: অর্থমন্ত্রী

চট্টগ্রাম, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী মন্তব্য করেছেন যে, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের উন্নয়ন, সমৃদ্ধি এবং আত্মমর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই স্বপ্নের বাস্তবায়নই ছিল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য। প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিএনপি শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও দর্শনকে ধারণ করে অগ্রসর হচ্ছে।

আজ ১ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার সকালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রথম মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে তিনি সাংবাদিকদের কাছে এ মন্তব্য করেন।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দেশপ্রেম, গণতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ এবং মানুষের কল্যাণের রাজনীতি বিএনপির শক্তির মূল উৎস। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে আমরা তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি এবং তাঁর আদর্শকে সামনে রেখে দেশ ও জনগণের জন্য কাজ করে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করছি।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী উল্লেখ করেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও রাজনৈতিক দর্শনকে আরও গভীরভাবে ধারণ করে বিএনপিকে ভবিষ্যতে আরও সুসংগঠিত, শক্তিশালী এবং সমৃদ্ধ করে এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তাঁর দেখানো পথে গণতন্ত্র, মানুষের অধিকার এবং দেশের উন্নয়নের জন্য বিএনপি কাজ করে যাবে। জিয়াউর রহমান যে স্বপ্ন নিয়ে বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, সেই স্বপ্নের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা আমাদের প্রধান লক্ষ্য।

এ সময় রাউজানের সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইদ্রিস মিয়া, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নেতৃবৃন্দ জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে দোয়া-মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%