মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৩৯ পি.এম
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান বাংলাদেশ-ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার আশাবাদ প্রকাশ করেছেন। তিনি এই মন্তব্য করেছেন পারস্পরিক স্বার্থ, সহযোগিতা এবং জনগণের কল্যাণকে ভিত্তি করে।
আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর অফিস কক্ষে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমও উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকের শুরুতে, হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ড. আবদুল মঈন খানকে শুভেচ্ছা জানান। একইসঙ্গে, নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে তার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার প্রশংসা করেন।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের মধ্যে বিদ্যমান ঐতিহাসিক এবং ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়েও আলোচনা হয়, বিশেষ করে মুক্তবাণিজ্যের সম্ভাবনা নিয়ে। এ ক্ষেত্রে, পিপল-টু-পিপল যোগাযোগকে আরও জোরদার করার মাধ্যমে পারস্পরিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন মন্ত্রী।
হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী স্থানীয় সরকার খাতে দক্ষতা উন্নয়ন এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ে ভারতের আগ্রহের কথা তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, ভারতের হায়দ্রাবাদে অবস্থিত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণ এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ তৈরি করা যেতে পারে। তিনি দুই দেশের সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের আশাবাদও ব্যক্ত করেন।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের জন্য বাংলাদেশ সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি জানান, চলতি অর্থবছরের মধ্যে স্থানীয় সরকারের পাঁচটি স্তরের নির্বাচন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জানান, ভারত সরকার বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রক্রিয়ার অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে আগ্রহী এবং আলোচনা সাপেক্ষে পর্যবেক্ষক পাঠানোর বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো শহীদুল হাসান, ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনার পাওয়ান কুমার তুলশি দাসসহ মন্ত্রণালয় ও হাইকমিশনের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী মন্তব্য করেছেন যে, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের উন্নয়ন, সমৃদ্ধি এবং আত্মমর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই স্বপ্নের বাস্তবায়নই ছিল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য। প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিএনপি শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও দর্শনকে ধারণ করে অগ্রসর হচ্ছে।
আজ ১ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার সকালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রথম মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে তিনি সাংবাদিকদের কাছে এ মন্তব্য করেন।
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দেশপ্রেম, গণতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ এবং মানুষের কল্যাণের রাজনীতি বিএনপির শক্তির মূল উৎস। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে আমরা তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি এবং তাঁর আদর্শকে সামনে রেখে দেশ ও জনগণের জন্য কাজ করে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করছি।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী উল্লেখ করেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও রাজনৈতিক দর্শনকে আরও গভীরভাবে ধারণ করে বিএনপিকে ভবিষ্যতে আরও সুসংগঠিত, শক্তিশালী এবং সমৃদ্ধ করে এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তাঁর দেখানো পথে গণতন্ত্র, মানুষের অধিকার এবং দেশের উন্নয়নের জন্য বিএনপি কাজ করে যাবে। জিয়াউর রহমান যে স্বপ্ন নিয়ে বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, সেই স্বপ্নের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা আমাদের প্রধান লক্ষ্য।
এ সময় রাউজানের সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইদ্রিস মিয়া, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
নেতৃবৃন্দ জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে দোয়া-মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভোলা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : আজ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ভোলায় উদ্যাপন করা হয়েছে। এই উদ্যাপনটি বর্ণাঢ্য র্যালি, দলীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং আলোচনা সভার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
মঙ্গলবার বেলা ১১টা থেকে জেলার বিভিন্ন উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন বিএনপি এবং তাদের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো এই কর্মসূচি আয়োজন করে। কর্মসূচিতে বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী অংশগ্রহণ করেন। এ সময় দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।
আজ বেলা ১১টায় জেলা বিএনপি’র কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে এবং একই স্থানে এসে শেষ হয়। র্যালির অংশগ্রহণকারীরা হাতে দলীয় পতাকা, ব্যানার এবং নানা রঙের ফেস্টুন নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
এর আগে জেলা সদরের কালীনাথ রায়ের বাজারের দলীয় কার্যালয়ের সামনে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন দলের জেলা আহ্বায়ক আলহাজ্ব গোলাম নবী আলমগীর, সদস্য সচিব মো. রাইসুল আলম, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও ভোলা পৌরসভার সাবেক মেয়র মো. সফিউর রহমান কিরন, যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন অর রশিদ ট্রুম্যান, হুমায়ুন কবির সোপান, লোকমান হোসেনসহ দলের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ফেনী, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : ফেনীতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি, দলের প্রয়াত নেতা ও জুলাই শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়ারও ব্যবস্থা করা হয়।
শহরের মিড টাউন রেস্টুরেন্টে জেলা বিএনপির উদ্যোগে আজ দুপুরে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন ভিপি।
অনুষ্ঠানের শুরুতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং জুলাই শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।
অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন এমপি তার বক্তব্যে বলেন, "বেগম খালেদা জিয়া আমাকে ২০০১ সালে নমিনেশন দিয়েছিলেন। আমি এমপি নির্বাচিত হয়েছিলাম। ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত এমপি ছিলাম। আমি তখন ফেনীর উন্নয়নে কাজ করেছি। ফেনী শহরকেও সাজিয়েছি। আমি দোকানপাট ভেঙে সড়ক প্রশস্ত করেছি। জহিরিয়া মসজিদ ও বড় মসজিদের দোকানও ভেঙে ফেলেছি। জীবনে কারো ক্ষতি করি নাই। পরে ২০০৯ এ আপনাদের ভোটেই আমি আবার এমপি নির্বাচিত হয়েছিলাম।"
তিনি আরও বলেন, "ইতোমধ্যে মাদক ব্যবসা বেড়েছে। অনেককে আমরা ধরেছি। আরো অনেককে ধরা হচ্ছে। যারা মাদক ব্যবসায় জড়িত এবং চোর-ডাকাত, তাদের ধরে পুলিশে সোপর্দ করুন।"
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহারের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলালের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক এম এ খালেক, গাজী হাবিবউল্লাহ মানিক, আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারী, সদর উপজেলার আহ্বায়ক ফজলুর রহমান বকুল ও সদস্য সচিব আমান উদ্দিন কায়সার সাব্বির, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন বাবুল, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব নইম উল্লাহ চৌধুরী বরাত, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সাইদুর রহমান জুয়েল, সাধারণ সম্পাদক এস এম কায়সার এলিন, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সালাউদ্দিন মামুন, সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আলম মিলন, কৃষক দলের জেলা সভাপতি জসিম উদ্দিন, মহিলা দলের সভাপতি জুলেখা আক্তার ডেইজি এবং জেলা তাঁতী দলের সভাপতি সরোয়ার জাহান শ্রাবণ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের মিশন প্রধান জ্যাঁ পেসমে’র সঙ্গে পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এমপি’র মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে। এটি আজ সচিবালয়ে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় মন্ত্রণালয় ও বিশ্বব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পানিসম্পদ মন্ত্রী উল্লেখ করেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বন্যা, নদী ভাঙ্গন, জলবদ্ধতা, লবণাক্ততা এবং খরার মতো চ্যালেঞ্জগুলো ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব চ্যালেঞ্জের মোকাবেলায় একটি সমন্বিত এবং দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি।
মন্ত্রী আরও জানান, সরকার নদী-খাল ও জলাশয় খনন ও পুনঃখননের পাশাপাশি নদী ভাঙ্গন এবং বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কমানোর জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করছে। তিনি পানিসম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে বিশ্বব্যাংকের অংশীদারিত্বকে আরও জোরদার করার আহ্বান জানান।
জ্যাঁ পেসমে বাংলাদেশের পানিসম্পদের উন্নয়ন এবং জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধিতে বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি পানিসম্পদের সমন্বিত পরিকল্পনা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এছাড়া সভায় পানিসম্পদ খাতে চলমান প্রকল্পের অগ্রগতি, ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ক্ষেত্র এবং পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ