বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০২:৪৩ পি.এম
রাজধানী ঢাকায় অপরাধ পরিস্থিতি নিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) সদ্য প্রকাশিত প্রতিবেদনের সঙ্গে পুলিশের নিজস্ব তথ্য-উপাত্তের মধ্যে কোন মিল নেই বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর গত দুই মাসের পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে দাবি করেছেন যে, রাজধানীর সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের তুলনায় উন্নত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে শাহবাগ থানা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ডিএমপি কমিশনার এসব মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, টিআইবির প্রতিবেদনে রাজধানীতে অপরাধ বৃদ্ধির যে চিত্র উপস্থাপন করা হয়েছে, তা পুলিশের তথ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। পুলিশ জরিপ এবং মাঠ পর্যায়ের পর্যবেক্ষণের দ্বারা ভিন্ন চিত্র পাওয়া যাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
কমিশনার জানান, রাজধানীর অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে পুলিশি উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ইউনিফর্ম পরিহিত সদস্যদের পাশাপাশি সাদা পোশাকের পুলিশ সদস্যরাও ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এর ফলে চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে বলে তিনি দাবি করেছেন।
ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, অপরাধ দমনের পাশাপাশি পুলিশ সদস্যদের কর্মপরিবেশ ও মানসিক সুস্থতার বিষয়েও যথেষ্ট গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। দায়িত্ব পালনের চাপ কমাতে এবং মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। পুলিশ সদস্যদের কাছে আহ্বান জানান, যদি তারা ব্যক্তিগত বা পারিবারিক কারণে মানসিক চাপে থাকেন, তবে সেটি গোপন না রেখে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে সহায়তা নেবেন।
সম্প্রতি পুলিশ সদস্যদের আত্মহত্যার ঘটনা সম্পর্কে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ব্যক্তিগত সমস্যাগুলি অনেক সময় মানসিক চাপের কারণ হতে পারে। এই ধরনের পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট সদস্যদের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করার জন্য তিনি পরামর্শ দেন।
এ ছাড়া, তিনি জানান, রাজধানীর বিভিন্ন থানার অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজও চলমান রয়েছে। থানাগুলোর অফিসার্স মেস এবং ফোর্স ব্যারাক আধুনিকায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, যাতে পুলিশ সদস্যদের উন্নত কর্মপরিবেশ ও আবাসন সুবিধা নিশ্চিত করা যায়।
শাহবাগ থানার পরিদর্শনে তিনি থানার সার্বিক কার্যক্রম, সেবার মান এবং সদস্যদের কর্মপরিবেশ সম্পর্কেও খোঁজ-খবর নেন এবং জনসেবামুখী পুলিশিংকে আরও কার্যকর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যশোরে নিখোঁজের দুই দিন পর এক ভ্যানচালকের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে মনিরামপুর উপজেলার পারখাজুরা বাঁওড়ের রামপুর ঘাট থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত মহাসিন মোল্লা (২৩) উপজেলার চালুয়াহাটি ইউনিয়নের চালুয়াহাটি গ্রামের জাহেদ মোল্লার ছেলে। গত মঙ্গলবার তিনি সন্ধ্যা থেকে নিখোঁজ ছিলেন।
পুলিশ ও স্বজনদের ধারণা, দুর্বৃত্তরা মহাসিনকে হত্যা করে তার ইঞ্জিনচালিত ভ্যান ও সঙ্গে থাকা দুটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে মরদেহ বাঁওড়ে ফেলে দেয়। পরে মরদেহটি ভেসে এসে রামপুর ঘাটের একটি বাঁশঝাড়ে আটকে যায়। তবে এ বিষয়ে পুলিশ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু নিশ্চিত করেনি।
নিহতের বড় ভাই মিলন মোল্লা বলেন, মঙ্গলবার বিকেলে মহাসিন ভ্যান নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়। সন্ধ্যার আগে শয়লা বাজারে তার সঙ্গে আমার শেষ দেখা হয়। তখন সে আমাকে বলে, ‘বড় ভাড়া ধরে আসি’। এরপর তার আর কোনো খোঁজ পাইনি।
তিনি আরও বলেন, বুধবার এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে আজ সকালে বাড়ি থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে রামপুর ঘাট এলাকায় বাঁওড়ে মহাসিনের মরদেহ ভেসে থাকার খবর পাই।
এ বিষয়ে মনিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাঈদ গণমাধ্যমকে বলেন, বাঁওড় থেকে এক ভ্যানচালকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার ব্যবহৃত ভ্যানটি এখনও উদ্ধার হয়নি।
তিনি আরও বলেন, মরদেহ ফুলে গেছে। প্রাথমিকভাবে শরীরে আঘাতের স্পষ্ট কোনো চিহ্ন বোঝা যাচ্ছে না।
ওসি বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হচ্ছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নরসিংদীর বেলাবো উপজেলায় সেফটি ট্যাংক খননের সময় প্রায় ২০ ফুট গভীর গর্তে মাটি ধসে আটকে পড়া এক শ্রমিককে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর ফোনকলের পরে জীবিত উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর গণমাধ্যম ও জনসংযোগ কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক আনোয়ার সাত্তার এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বুধবার (২২ জুলাই) রাত ৮টা ৫৭ মিনিটে বেলাবো থানার বাড়িচা কুকুরমারা এলাকার শান্তিপুরে হারুন মিয়ার বাড়িতে সেফটি ট্যাংক খননের সময় এক শ্রমিক মাটি ধসে ২০ ফুট গভীরে আটকা পড়েন। পরে স্থানীয় একজন জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে দ্রুত উদ্ধারের সহায়তা চান।
খবর পেয়ে ৯৯৯ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে নরসিংদী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনকে বিষয়টি জানানো হয়। এ সময় ৯৯৯-এর কলটি গ্রহণ করেন কল টেকার কনস্টেবল উজ্জ্বল মিয়া। উদ্ধার কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট ফায়ার স্টেশনের সঙ্গে সমন্বয় ও তদারকি করেন ৯৯৯-এর ফায়ার ডিসপাচার ফায়ার ফাইটার মো. মেহেদী হাসান।
সংবাদ পেয়ে নরসিংদী ও বেলাবো ফায়ার স্টেশনের ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে ডিএম শিমুল মোহাম্মদ রাফির নেতৃত্বে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। পরে এক্সকাভেটরের সাহায্যে মাটি সরিয়ে প্রায় ২০ ফুট গভীর থেকে মোশারফ হোসেন (৪০) নামে ওই শ্রমিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারের পর তাকে বেলাবো উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। মোশারফ হোসেন নরসিংদীর বেলাবো উপজেলার বাসিন্দা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চিত্রনায়ক মোহাম্মদ শাহরিয়ার (ইমন) ওরফে সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আদালত নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) মামলাটির জন্য তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন নির্ধারিত ছিল। তবে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক জিয়াউল মোর্শেদ ওই দিনে প্রতিবেদন দাখিল করতে সক্ষম হননি। তাই ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা নতুন তারিখ ৩০ আগস্ট নির্ধারণ করেন।
এ সম্পর্কিত বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) শাহ আলম।
এর আগে, ২০ মে সালমান শাহর মৃত্যুর সঠিক কারণ উদঘাটনের উদ্দেশ্যে তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে আবেদন করেন যাতে তার মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনের অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। ২৪ মে, আদালত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে মরদেহ উত্তোলন এবং ময়নাতদন্তের জন্য অনুমতি প্রদান করে।
পরে, ওই আদেশ বাতিল চেয়ে বাদীপক্ষ আবেদন করলে আদালত ওই আবেদনটি নথিভুক্ত করে।
২২ জুন, সালমান শাহর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিরূপণের জন্য তার দেহাবশেষ উত্তোলনে সিলেট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যালয়ের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পিংকি সাহাকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এই সংক্রান্ত অফিস আদেশের অনুলিপি ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হলে তা নথিভুক্ত করা হয়।
১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর, জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহ মৃত্যু বরণ করেন। ওই সময়ে তাঁর বাবা প্রয়াত কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী রমনা থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করেন। পরে, ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই, তিনি অ্যাসিডের মাধ্যমে হত্যার অভিযোগ তুলে মামলাটিকে হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের আবেদন করেন। আদালতের নির্দেশে সিআইডি অপমৃত্যুর মামলার সঙ্গে হত্যার অভিযোগও তদন্ত করে। ১৯৯৭ সালের ৩ নভেম্বর, সংস্থাটি আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদনে সালমান শাহের মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করে, এবং ২৫ নভেম্বর আদালত ওই চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে।
তবে সিআইডির প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে সালমান শাহের বাবা রিভিশন মামলা করেন। তাঁর মৃত্যুর পর মামলাটি পরিচালনা করেন সালমান শাহের মামা মোহাম্মদ আলমগীর। শেষ পর্যন্ত আদালত বাদীপক্ষের রিভিশন মঞ্জুর করে ঘটনাটি হত্যামামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন।
এ প্রসঙ্গে, রাজধানীর রমনা থানায় সালমান শাহের স্ত্রী সামীরা হক, তাঁর মা লতিফা হক লিও (লুসি), অভিনেতা আশরাফুল হক ডন, শিল্পপতি ও সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাইসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। বর্তমানে মামলাটির তদন্ত করছে সিআইডি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
লক্ষ্মীপুরের পৌরসভার আটিয়াতলি এলাকায় অহরহ চুরির ঘটনা ঘটিতেছে। চুরির ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা সুজন নামে এক যুবকের সম্পর্কে অভিযোগ করছেন।
বুধবার (২২ জুলাই) সন্ধ্যায় লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের আটিয়াতলি মামুনের দোকান এলাকায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে স্থানীয় বাসিন্দারা সুজনের বিরুদ্ধে চুরির বিষয়ে অভিযোগ করেছেন।
অভিযুক্ত সুজন একই এলাকার বাসিন্দা। এলাকাবাসীর দাবি, সুজন এলাকা ঢুকলেই চুরির ঘটনা ঘটে থাকে। তিনি বাড়ির হাঁড়ি-পাতিল থেকে শুরু করে অন্যান্য জিনিসপত্র চুরি করেন। সাম্প্রতিক সময়ে পুকুরের মাছ, একটি ঘরের হাঁড়ি-পাতিল, মোবাইল ও মোটরসাইকেল চুরির ঘটনাও ঘটেছে।
মানববন্ধনে ভুক্তভোগীরা জানান, স্থানীয় খাসের বাড়ির কামাল হোসেনের মোটরসাইকেল, মোবাইল ও স্বর্ণালংকার, আব্দুল গফুরের অটোরিকশা, তামান্নার মোবাইল, ইব্রাহিমের বাইসাইকেল এবং শাহাদাতের পুকুরের মাছ চুরির ঘটনা ঘটেছে। মাছ চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে অভিযুক্ত সুজন নাজিম উদ্দিন নামে এক দোকানিকে মারধর করেন। পরে স্থানীয় লোকজনও সুজনকে মারধর করেছেন।
ভুক্তভোগী মো. ইব্রাহিম বলেছেন, "সুজন এলাকায় এলেই চুরির ঘটনা ঘটছে। আমার বাইসাইকেলটি চুরি হয়ে গেছে।" দোকানি নাজিম উদ্দিন বলেন, "সুজন মাদকসেবী এবং ব্যবসা করে। মানুষের বাড়ির হাঁড়ি-পাতিল থেকে শুরু করে চোখের সামনে যা পায় সবই চুরি করে। তার যন্ত্রণায় মানুষ অতিষ্ঠ।" অটোরিকশাচালক আব্দুল গফুর জানিয়েছেন, "আমার নতুন অটোরিকশাটি চুরি করে নিয়ে গেছে। স্থানীয় গণ্যমান্যদের কাছে বিচার দিয়েও কোনো লাভ হয়নি।"
এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে মো. সুজনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করলেও সংযোগ পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মারধরের কারণে সুজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজ বলেছেন, "চোর-ডাকাত ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। যদি সুজন চুরির ঘটনায় জড়িত থাকে, তবে তদন্তের মাধ্যমে অবশ্যই তাকে আটক করে আইনের আওতায় আনা হবে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ