প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
লক্ষ্মীপুরের পৌরসভার আটিয়াতলি এলাকায় অহরহ চুরির ঘটনা ঘটিতেছে। চুরির ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা সুজন নামে এক যুবকের সম্পর্কে অভিযোগ করছেন।
বুধবার (২২ জুলাই) সন্ধ্যায় লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের আটিয়াতলি মামুনের দোকান এলাকায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে স্থানীয় বাসিন্দারা সুজনের বিরুদ্ধে চুরির বিষয়ে অভিযোগ করেছেন।
অভিযুক্ত সুজন একই এলাকার বাসিন্দা। এলাকাবাসীর দাবি, সুজন এলাকা ঢুকলেই চুরির ঘটনা ঘটে থাকে। তিনি বাড়ির হাঁড়ি-পাতিল থেকে শুরু করে অন্যান্য জিনিসপত্র চুরি করেন। সাম্প্রতিক সময়ে পুকুরের মাছ, একটি ঘরের হাঁড়ি-পাতিল, মোবাইল ও মোটরসাইকেল চুরির ঘটনাও ঘটেছে।
মানববন্ধনে ভুক্তভোগীরা জানান, স্থানীয় খাসের বাড়ির কামাল হোসেনের মোটরসাইকেল, মোবাইল ও স্বর্ণালংকার, আব্দুল গফুরের অটোরিকশা, তামান্নার মোবাইল, ইব্রাহিমের বাইসাইকেল এবং শাহাদাতের পুকুরের মাছ চুরির ঘটনা ঘটেছে। মাছ চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে অভিযুক্ত সুজন নাজিম উদ্দিন নামে এক দোকানিকে মারধর করেন। পরে স্থানীয় লোকজনও সুজনকে মারধর করেছেন।
ভুক্তভোগী মো. ইব্রাহিম বলেছেন, "সুজন এলাকায় এলেই চুরির ঘটনা ঘটছে। আমার বাইসাইকেলটি চুরি হয়ে গেছে।" দোকানি নাজিম উদ্দিন বলেন, "সুজন মাদকসেবী এবং ব্যবসা করে। মানুষের বাড়ির হাঁড়ি-পাতিল থেকে শুরু করে চোখের সামনে যা পায় সবই চুরি করে। তার যন্ত্রণায় মানুষ অতিষ্ঠ।" অটোরিকশাচালক আব্দুল গফুর জানিয়েছেন, "আমার নতুন অটোরিকশাটি চুরি করে নিয়ে গেছে। স্থানীয় গণ্যমান্যদের কাছে বিচার দিয়েও কোনো লাভ হয়নি।"
এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে মো. সুজনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করলেও সংযোগ পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মারধরের কারণে সুজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজ বলেছেন, "চোর-ডাকাত ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। যদি সুজন চুরির ঘটনায় জড়িত থাকে, তবে তদন্তের মাধ্যমে অবশ্যই তাকে আটক করে আইনের আওতায় আনা হবে।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন