বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৯:৪৭ পি.এম
চবি, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী এবং চট্টগ্রামে কবির আগমনের শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে তিনটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) নজরুল গবেষণা কেন্দ্র।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে, চবির নজরুল গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ফরিদুদ্দিনের স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিযোগিতার বিষয়টি জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের আগামী ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নজরুল গবেষণা কেন্দ্রে নাম জমা দিতে হবে।
এছাড়া, আগামী ৬ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ হৃদয় চন্দ্র তরুয়া ভবনের ৩০০১ নম্বর কক্ষে (তৃতীয় তলা) প্রতিযোগিতাগুলো অনুষ্ঠিত হবে। আয়োজিত প্রতিযোগিতাগুলোর মধ্যে রয়েছে নজরুলগীতি, নজরুল কুইজ এবং নজরুলের নির্বাচিত কবিতা আবৃত্তি।
আবৃত্তি প্রতিযোগিতার জন্য ‘বিদ্রোহী’, ‘প্রলয়োল্লাস’, ‘ধূমকেতু’, ‘সাম্যবাদী’, ‘মোহররম’, ‘শাত-ইল-আরব’, ‘খেয়াপারের তরণী’, ‘অগ্নিবীণা’, ‘কুলি-মজুর’ ও ‘রক্তাম্বর-ধারিণী মা’ কবিতাগুলো নির্ধারণ করা হয়েছে।
নজরুল গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য, দর্শন ও সৃষ্টিকর্ম সম্পর্কে আগ্রহ ও সচেতনতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যেই এই আয়োজন করা হচ্ছে। নজরুলের সাহিত্য ও চিন্তাধারাকে নতুন প্রজন্মের কাছে আরও ব্যাপকভাবে তুলে ধরতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের নাম, বিভাগ ও সেশনসহ প্রয়োজনীয় তথ্য নজরুল গবেষণা কেন্দ্রে জমা দিতে হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : আদালত আরশাদ উল্লাহ, নভোথিয়েটার, ঢাকার সাবেক মহাপরিচালক এবং তার স্ত্রী রেবেকা আক্তারের বিদেশে যাওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন।
এই আদেশটি আজ (বৃহস্পতিবার) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. শাহজাহান কবির কর্তৃক প্রদান করা হয়।
দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদেশটি জারি করা হয়েছে। আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আরশাদ উল্লাহর বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং কানাডায় অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে। এই অভিযোগের তদন্তের জন্য একটি অনুসন্ধান টিম গঠন করা হয়েছে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে আশঙ্কা করা হচ্ছে যে, আরশাদ উল্লাহ এবং তার স্ত্রী রেবেকা আক্তার দেশ ত্যাগ করতে পারেন। তাই সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাদের বিদেশ গমন নিষিদ্ধ করা প্রয়োজন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : সামগ্রিক ব্যবসায়িক কার্যক্রমে কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করার পাশাপাশি কর প্রদানে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা এড়াতে অটোমেটেড রাজস্ব ব্যবস্থাপনা ও ডিজিটাল কার্যক্রমে উদ্যোক্তাদের আরও বেশি সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদ।
আজ বৃহস্পতিবার ডিসিসিআই মিলনায়তনে ‘২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ভ্যাট, ট্যাক্স, শুল্ক আইন এবং ব্যক্তিগত ই-রিটার্ন ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন ও পরিমার্জন’ শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, ঢাকা (পশ্চিম)-এর অতিরিক্ত কমিশনার নির্ঝর আহমেদ।
সূচনা বক্তব্যে তাসকীন আহমেদ বলেন, চলতি অর্থবছরের বাজেটে সরকার ভ্যাট, আয়কর, কাস্টমস ডিউটি এবং ই-রিটার্ন ব্যবস্থায় বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছে। সংশোধিত নীতিমালা সম্পর্কে সম্যক ধারণা নিয়ে ব্যবসায়িক কার্যক্রমে কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি বলেন, কর প্রদানে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা এড়ানোর পাশাপাশি জিডিপিতে করের অবদান বাড়াতে সরকারের প্রবর্তিত অটোমেটেড রাজস্ব ব্যবস্থাপনা ও ডিজিটাল কার্যক্রম সম্পর্কে উদ্যোক্তাদের জ্ঞান অর্জন জরুরি।
নির্ঝর আহমেদ বলেন, রাজস্ব প্রদানের মাধ্যমে দেশের উদ্যোক্তারা সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমে অর্থের জোগান দিয়ে থাকেন। তাই ব্যবসায়ের সব ক্ষেত্রে কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করতে রাজস্ব ব্যবস্থাপনার পরিবর্তিত নিয়মনীতি সম্পর্কে উদ্যোক্তাদের সচেতন থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন, চলতি বছরের বাজেটে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স গ্রহণ ও নবায়ন, ব্যাংক হিসাব খোলা, বাণিজ্য সংগঠনের সদস্যপদ গ্রহণ ও নবায়নসহ বেশ কিছু ক্ষেত্রে ভ্যাট নিবন্ধন (বিআইএন) বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যেসব উদ্যোক্তার এখনও ভ্যাট নিবন্ধন নেই, তাদের দ্রুত নিবন্ধন সম্পন্ন করার আহ্বান জানান।
নির্ঝর আহমেদ বলেন, ভ্যাট আইনের ৬৪ ধারায় প্রতি এক কর মেয়াদের পরিবর্তে তিন কর মেয়াদে ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যবসা পরিচালনা আরও সহজ হবে।
তিনি জানান, আপিলাত ট্রাইব্যুনালে আপিলের ক্ষেত্রে দাবিকৃত করের ১০ শতাংশ জমা দেওয়ার বিধান সংশোধন করে আপিলাত ট্রাইব্যুনালের ক্ষেত্রে ১ শতাংশ এবং হাইকোর্টের ক্ষেত্রে ২ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর ফলে ব্যবসায়িক ব্যয় অনেকাংশে কমবে।
কর্মশালায় আয়কর ও মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) বিষয়ে দুটি সেশন অনুষ্ঠিত হয়। এসব সেশনে ঢাকা চেম্বারের কাস্টমস ও ভ্যাট স্ট্যান্ডিং কমিটির উপদেষ্টা স্নেহাশীষ বড়ুয়া এবং যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শফিকুল আলম মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তারা অংশগ্রহণকারীদের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিস্তারিত ধারণা দেন।
কর্মশালায় ডিসিসিআইয়ের সদস্যভুক্ত শতাধিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এ সময় ডিসিসিআই পরিচালক এম মোশাররফ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : জাতীয় পুরস্কার প্রদানের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে প্রাপ্ত প্রস্তাবগুলো পরীক্ষা ও সুপারিশ প্রদানের জন্য সরকার ‘জাতীয় পুরস্কার সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’ পুনর্গঠন করেছে।
সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. হুমায়ুন কবির (কমিটি ও অফিসিয়েটিং)।
প্রজ্ঞাপনের নির্দেশনা অনুযায়ী, ১০ সদস্যের কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। কমিটির সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, শিল্প, বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান, পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক নূর এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী।
কমিটিকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করার জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে সভাপতি করে নয় সদস্যের একটি সচিবালয় গঠন করা হয়েছে। এতে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবং অর্থ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বাণিজ্য, তথ্য ও সম্প্রচারসহ বিভিন্ন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবরা সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।
কমিটির কার্যপরিধিতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে জাতীয় পুরস্কারের জন্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে প্রাপ্ত প্রস্তাবগুলো পরীক্ষা করা, বিভিন্ন জাতীয় পুরস্কার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদান করা এবং এ-সংক্রান্ত পরিকল্পনার বিষয়ে সুপারিশ করা। এছাড়া নতুন জাতীয় পুরস্কারের প্রয়োজনীয়তা যাচাই করে সুপারিশ প্রদান এবং কমিটির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সার্বিক সহায়তা নিশ্চিত করার বিষয়গুলোও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২৬ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি জারি করা জাতীয় পুরস্কার সংক্রান্ত কমিটি গঠনসংক্রান্ত পূর্বের প্রজ্ঞাপনটি বাতিল করা হয়েছে। নতুন এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটি গঠন করা যথেষ্ট নয়, এমন মন্তব্য করে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেছেন, যৌন হয়রানি সংক্রান্ত সকল অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করতে হবে এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তিনি সতর্ক করেছেন যে, দায়িত্ব পালনে কোনো গাফিলতি হলে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আজ বৃহস্পতিবার ইউজিসি ভবনে ইউজিসি ও ইউএন উইমেনের মধ্যে এক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কর্মক্ষেত্র, জনপরিসর ও উচ্চশিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন ও লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে পরিচালিত একটি প্রকল্পের আওতায় এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।
ইউজিসির সচিব ড. মো. ফখরুল ইসলাম এবং ইউএন উইমেনের পক্ষে বাংলাদেশ প্রতিনিধি গীতাঞ্জলি সিং সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, ‘হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কমিটি গঠন করা হলেও ইউজিসির পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, অনেক ক্ষেত্রেই এসব কমিটি প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করছে না। নারী শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য প্রতিটি ক্যাম্পাসে নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি যৌন হয়রানির বিরুদ্ধে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি কার্যকর করতে হবে।’
তিনি আরও জানান, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অভিযোগ গ্রহণ, প্রতিকার এবং প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম সমন্বয় ও তদারকির জন্য শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ইউজিসির প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে জাতীয় পর্যায়ে একটি তদারকি কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলের ডেপুটি হেড বেইবা জেরিনা বলেন, গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত ও উচ্চশিক্ষাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে ক্যাম্পাসে নারী শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মীদের জন্য নিরাপদ ও বৈষম্যহীন পরিবেশ গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। ইউজিসি ও ইউএন উইমেনের এই যৌথ উদ্যোগ প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় প্রাথমিক পর্যায়ে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এবং আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি)-এ প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০২৪ সালের জরিপ অনুযায়ী, ২০ থেকে ২৪ বছর বয়সী তরুণীদের ১৬ শতাংশই প্রদেয় প্রযুক্তির মাধ্যমে সংঘটিত লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার শিকার হয়েছেন।
ইউজিসির আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিভাগের পরিচালক ড. সুলতান মাহমুদ ভূঁইয়ার পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যবৃন্দ, যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটির প্রধান, ইউজিসি এবং ইউএন উইমেনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ