ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

অবৈধ অভিবাসী সরবরাহ চক্রের মূলহোতা মালয়েশিয়ায় গ্রেফতার


অবৈধ অভিবাসী সরবরাহ চক্রের মূলহোতা মালয়েশিয়ায় গ্রেফতার

মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে বৈধ স্থায়ী বাসিন্দার (মাইপিআর) আড়ালে অবৈধ অভিবাসী সরবরাহ ও মানবপাচারের অভিযোগে এক বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায় দেশটির অভিবাসন বিভাগ।

বিবৃতিতে বলা হয়, গত বুধবার দুপুরে পুত্রজায়া ইমিগ্রেশনের গোয়েন্দা ও বিশেষ অভিযান শাখার একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টানা এক মাস নজরদারি শেষে দুটি পৃথক স্থানে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। এই অভিযানে মূলহোতার পাশাপাশি আরও চার বাংলাদেশি পুরুষ, একজন বাংলাদেশি নারী এবং একজন থাই নারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক জাকারিয়া শাবান জানান, গ্রেফতারদের মধ্যে ‘মূলহোতা’ বাংলাদেশির মালয়েশিয়ার স্থায়ী বসবাসের অনুমতি (মাইপিআর) রয়েছে। আটকদের অন্যদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি ছাত্র ভিসা এবং থাই নারী রেস্তোরাঁ কর্মী হিসেবে সাময়িক কাজের পাস (পিএলকেএস) ব্যবহার করছিলেন। বাকিদের কাছে মালয়েশিয়ায় থাকার মতো কোনো বৈধ পাসপোর্ট বা ভ্রমণ নথি ছিল না। অভিযান চলাকালীন আইন প্রয়োগকারী সংস্থাটি ৩১টি বাংলাদেশি পাসপোর্ট, ১টি থাই পাসপোর্ট, ব্যবসায়ী নিবন্ধন নথির কপি এবং নগদ ৪৮ হাজার ৫২৪ রিঙ্গিত জব্দ করে।

ইমিগ্রেশন বিভাগের সূত্রে জানা যায়, চক্রটি মূলত ক্ল্যাং ভ্যালি এলাকার স্থানীয় নিয়োগকর্তাদের টার্গেট করে অবৈধভাবে বিদেশি কর্মী সরবরাহ করে আসছিল। আইনি চোখ ফাঁকি দিতে তারা একটি রেস্তোরাঁ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের আড়ালে এই সিন্ডিকেট চালাত এবং প্রতিটি কর্মীর ভিসা নবায়ন ও ব্যবস্থাপনার নামে ৪ হাজার রিঙ্গিত করে হাতিয়ে নিত। বর্তমানে আটকদের পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য পুত্রজায়া ইমিগ্রেশন অফিসে রাখা হয়েছে।

এছাড়া তদন্তে সহায়তার জন্য আরও চার স্থানীয় নাগরিক এবং একজন বাংলাদেশিকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। মূল অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পাসপোর্ট আইন ১৯৬৬ এবং ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩ এর অধীনে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে ইমিগ্রেশন বিভাগ।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খাল থেকে শিশু সাজ্জাদের মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজের দুই দিন পর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০৬ পি.এম


খাল থেকে শিশু সাজ্জাদের মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজের দুই দিন পর

কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের ধনপুর গ্রামে নিখোঁজের দুই দিন পর বাড়ির পাশে একটি খাল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে সাজ্জাদ হোসেন (৫) নামে এক শিশুর মরদেহ। পুলিশ এই উদ্ধার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে। বিশেষ করে, এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহত শিশুটি হলো ওই গ্রামের সানজু মিয়ার ছেলে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায় যে, গত বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেল থেকে সাজ্জাদ নিখোঁজ ছিল। এই অবস্থায় পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি চালানোর পরও তার কোনো সন্ধান পাননি। তখন তারা কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। নিখোঁজ শিশুকে উদ্ধারের জন্য স্বজনদের পাশাপাশি স্থানীয়রাও বিভিন্ন স্থানে অনুসন্ধান চালান।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে, বাড়ির পাশে একটি খালে স্থানীয়রা সাজ্জাদের মরদেহ ভাসতে দেখে চিৎকার করতে থাকে, যার ফলে আশপাশের লোকজন সেখানে জড়ো হন। এরপর খবর পেয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুতসহ প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারে হস্তান্তর করা হয়।

এদিকে, একমাত্র ছেলে সন্তানের মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে মা শাকিলা বেগম কান্নায় ভেঙে পড়েন। তার বুকফাটা আহাজারিতে উপস্থিত সবার চোখ অশ্রুসিক্ত হয়ে ওঠে।

কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শিশুটির মা যখন দোকানে যান, তখন সাজ্জাদ খেলতে খেলতে বাড়ির পাশের খালের পাড়ে চলে যায়। এক পর্যায়ে অসাবধানতাবশত পানিতে পড়ে ডুবে তার মৃত্যু হয়। পরিবারের সদস্যরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে না পেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। শেষ পর্যন্ত, শুক্রবার সকালে খাল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উৎসবের আমেজে বরিশালের রথযাত্রা, নিরাপত্তায় বিএনপি-ছাত্রদলের ভূমিকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:১২ পি.এম


উৎসবের আমেজে বরিশালের রথযাত্রা, নিরাপত্তায় বিএনপি-ছাত্রদলের ভূমিকা

বরিশালে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই উৎসবে অংশ নেয়া হাজারো ভক্ত-অনুরাগীর মাঝে বিশুদ্ধ পানি বিতরণ ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে নগরীর শ্রীশ্রী শংকর মঠ প্রাঙ্গণ থেকে রথযাত্রার মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। উৎসবটি ঘিরে নগরীতে যেন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেজন্য রথযাত্রার শুরু থেকেই মাঠে থেকে সার্বিক তদারকি করেন তারা।

একই সঙ্গে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও সড়কের শৃঙ্খলার দায়িত্ব সামলেছেন মহানগর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। তীব্র গরমে ভক্তদের তৃষ্ণা মেটাতে তাদের পক্ষ থেকে দিনভর পানি বিতরণ কর্মসূচিও পরিচালনা করা হয়।

কেন্দ্রীয় নির্দেশনার কথা উল্লেখ করে বরিশাল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য মাকীম আবেদিন প্রিম বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সুনির্দিষ্ট নির্দেশনায় আমরা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশে দাঁড়িয়েছি। ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং যেকোনো উৎসবকে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর করতে আমরা সর্বদা কাজ করছি এবং ভবিষ্যতেও আমাদের এই সেবা ও তদারকি অব্যাহত থাকবে।’

বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. এনামুল হাসান তাসনিম বলেন, ‘ছাত্রদল সবসময় জনগণের অধিকার ও ধর্মীয় স্বাধীনতার পক্ষে রাজপথে রয়েছে। রথযাত্রার মতো একটি বড় উৎসবে যাতে সাধারণ মানুষের কোনো ভোগান্তি না হয় এবং ভক্তরা যেন শান্তিতে উৎসব পালন করতে পারেন, সেজন্য আমাদের নেতাকর্মীরা ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে সব ধরনের শৃঙ্খলার কাজে যুক্ত ছিলেন।’

রথযাত্রায় জগন্নাথ দেব, বলদেব ও সুভদ্রা দেবীকে পৃথক তিনটি সুসজ্জিত রথে বসিয়ে নগরীর প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করানো হয়। এ সময় হাজারো পুণ্যার্থী দড়ি টেনে রথ এগিয়ে নেন, যা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র ও সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।

শ্রীশ্রী শংকর মঠ পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি লিমন কৃষ্ণ সাহা কানু জানান, শংকর মঠ থেকে যাত্রা শুরু করে রথগুলো নতুনবাজার, অমৃত লাল দে সড়ক, বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক, নগর ভবন, চকবাজার, বাজার রোড, নাজিরপুল ও জেলখানা মোড় ঘুরে নতুনবাজারের অমৃতাঙ্গনে গিয়ে শেষ হয়।

তিনি আরও জানান, আগামী শুক্রবার (২৪ জুলাই) অনুষ্ঠিত হবে উল্টো রথযাত্রা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চেতনানাশক পদার্থ মিশ্রিত দধি খাইয়ে কি-শোরীর উপর ধর্ষণচেষ্টার অ-ভি-যুক্ত গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:১৮ পি.এম


চেতনানাশক পদার্থ মিশ্রিত দধি খাইয়ে কি-শোরীর উপর ধর্ষণচেষ্টার অ-ভি-যুক্ত গ্রেপ্তার

গাজীপুরের জয়দেবপুরে চেতনানাশক পদার্থ মিশ্রিত দধি খাইয়ে এক মা ও তার কিশোরী মেয়েকে অচেতন করে কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় পুলিশ একজন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রাতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে, গাজীপুর মহানগরের কোনাবাড়ী এলাকার একটি রেস্টুরেন্ট থেকে অভিযুক্ত মো. রাশিদুল পালোয়ানকে (৪৫) আটক করা হয়। তিনি জয়দেবপুর থানার আরগড়িয়া এলাকার বাসিন্দা। এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জয়দেবপুর থানার এসআই মাইকেল বনিক। এ সময় জিএমপি কোনাবাড়ী থানার এসআই মো. আব্দুল হামিদ মিয়াও অভিযানে অংশ নেন।

তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মাইকেল বনিক জানিয়েছেন, এই ঘটনায় মো. রাশিদুল পালোয়ান এবং অভি কুমার দাসের বিরুদ্ধে জয়দেবপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। অন্য আসামিকে গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, বাদী সুমতি মজুমদারের ছেলে সজল মজুমদারের সঙ্গে অভিযুক্তদের দীর্ঘদিনের পরিচয় ছিল। সেই পরিচয়কে কাজে লাগিয়ে গত ৭ জুলাই গভীর রাতে অভিযুক্তদের একজন তাদের বাড়িতে দধি পাঠান। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই দধির সঙ্গে চেতনানাশক পদার্থ মিশিয়ে দেওয়া হয়েছিল। দধি খাওয়ার পর সুমতি মজুমদার ও তার কিশোরী মেয়ে অচেতন হয়ে পড়েন।

এজাহার অনুযায়ী, ভোররাতে মা-মেয়ে অচেতন থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা বাড়িতে প্রবেশ করে কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। তবে কিশোরীর চিৎকারে পরিবারের অন্য সদস্যরা জেগে উঠলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

পরে অসুস্থ অবস্থায় মা ও মেয়েকে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সব দিক গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং মামলার বাকি আসামিকে আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন হামলায় ইরানের সড়ক সেতুতে নিহত ৭

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:২০ পি.এম


মার্কিন হামলায় ইরানের সড়ক সেতুতে নিহত ৭

যুক্তরাষ্ট্র টানা ষষ্ঠ রাতের মতো ইরানের বিভিন্ন স্থানে বিমান হামলা চালিয়েছে। হামলায় দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের বেশ কয়েকটি সেতুসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এতে অন্তত ৭ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং আরও ৯ জন আহত হয়েছেন।

বিমান হামলার সময় স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টা (পূর্বাঞ্চলীয় সময় দুপুর ২টা) ছিল। এই হামলার লক্ষ্য হলো ইরানের সামরিক সক্ষমতাকে আরও দুর্বল করা।

সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে যে, মার্কিন সেনাবাহিনী ফাইটার জেট, ড্রোন এবং একাধিক যুদ্ধজাহাজ নিয়ে নির্ভূল অস্ত্র ব্যবহার করে আঘাত হেনেছে। এই হামলায় ইরানের উপকূলীয় নজরদারি ও বিমান প্রতিরক্ষা কেন্দ্র, সামরিক রসদ অবকাঠামো এবং সামুদ্রিক সক্ষমতার মতো কয়েক ডজন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে।

হামলার তথ্য নিশ্চিত করে ইরানি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, কেশম দ্বীপ, বন্দর আব্বাস, চাবাহার, ইরানশাহর এবং বন্দর-ই খামির এলাকায় একাধিক বিস্ফোরণ ও হামলার ঘটনা ঘটেছে।

হরমোজগান প্রদেশের বন্দর-ই খামির সড়ক সেতুতে মার্কিন হামলায় অন্তত সাতজন নিহত এবং আরও নয়জন আহত হয়েছেন। উল্লেখযোগ্য ওই সড়ক সেতুটি বন্দর আব্বাসকে দেশের অভ্যন্তরের অন্যান্য শহরের সাথে সংযুক্ত করছিল।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প কয়েক দিন আগে ইরানের অবকাঠামোতে হামলার হুমকি দিয়েছিলেন। গত মাসে স্বাক্ষরিত অন্তর্বর্তী যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক নিয়ে দুদেশ পরস্পরকে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ করার পর থেকেই উত্তেজনা ক্রমেই বেড়ে চলেছে।

এদিকে সেন্টকম দাবি করেছে, ওমান উপসাগরে ইরানের ওপর আরোপিত মার্কিন অবরোধ এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজকে তাদের বাহিনী বাধা দেয়। নির্দেশ অমান্য করায় একটি জাহাজ অচল করে দেওয়া হয় এবং আরেকটিতে অভিযান চালিয়ে নিয়ন্ত্রণ নেওয়া হয় বলে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে।

আল জাজিরার দোহাভিত্তিক প্রতিবেদক আকসেল জাইমোভিচ জানান, চলমান অনিশ্চয়তার মধ্যে উপসাগরীয় দেশগুলো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষায় বিমান প্রতিরক্ষা ও সামরিক প্রস্তুতি জোরদার করছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%