শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:০৭ পি.এম
বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে জনবল নিয়োগের লক্ষ্যে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এই বিজ্ঞপ্তিটি বিমানসেনা, শিক্ষা প্রশিক্ষক এবং সাইফার অ্যাসিস্ট্যান্ট পদে নিয়োগের জন্য প্রকাশিত হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিটি ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত হয়। যোগ্য নারী ও পুরুষ প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
পদ ও নিয়োগের তথ্য
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে বিমানসেনা এন্ট্রি নং-৫৫, শিক্ষা প্রশিক্ষক এন্ট্রি নং-৩৮ এবং সাইফার অ্যাসিস্ট্যান্ট এন্ট্রি নং-২৪। নিয়োগের জন্য মোট কতজন প্রার্থী নেওয়া হবে, সেই বিষয়টি বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়নি।
বাংলাদেশের সব জেলার প্রার্থীরা এই নিয়োগের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদনকারীদের অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। পদভেদ অনুযায়ী শিক্ষাগত যোগ্যতা ও বয়সসীমা বিজ্ঞপ্তিতে নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী প্রযোজ্য হবে।
আবেদন শুরুর ও শেষ সময়
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে। আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬। আবেদন করতে হবে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর https://joinairforce.baf.mil.bd/ অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে।
আবেদন ফি
এই নিয়োগের জন্য আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২০০ টাকা। আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে অনলাইনে।
যেভাবে আবেদন
আগ্রহী প্রার্থীদের বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর নিয়োগসংক্রান্ত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। প্রথমে ওয়েবসাইটে গিয়ে অ্যাকাউন্ট খুলে প্রোফাইল সম্পন্ন করতে হবে। এরপর বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে আবেদন ফরম পূরণ ও জমা দিতে হবে।
আবেদনের সময় প্রার্থীদের দেওয়া তথ্য সঠিক ও সত্য হতে হবে। যদি কোনো তথ্য মিথ্যা প্রমাণিত হয়, অযোগ্যতা ধরা পড়ে অথবা পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করা হয়, তাহলে প্রার্থিতা বাতিল হতে পারে। এমনকি নিয়োগের পরেও তথ্যের সত্যতা নিয়ে সমস্যা দেখা দিলে প্রার্থিতা বাতিল এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে।
এক নজরে
প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ বিমান বাহিনী
নিয়োগ: বিমানসেনা এন্ট্রি নং-৫৫, শিক্ষা প্রশিক্ষক এন্ট্রি নং-৩৮ ও সাইফার অ্যাসিস্ট্যান্ট এন্ট্রি নং-২৪
পদের সংখ্যা: অনির্দিষ্ট
চাকরির ধরন: সরকারি
প্রার্থী: নারী ও পুরুষ
জেলা: সব জেলার প্রার্থী
অভিজ্ঞতা: প্রয়োজন নেই
আবেদন শুরু: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আবেদনের শেষ সময়: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আবেদন ফি: ২০০ টাকা
আবেদন পদ্ধতি: অনলাইন
আবেদনের ওয়েবসাইট: https://joinairforce.baf.mil.bd/
বিজ্ঞপ্তিটি দেখুন...
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ এবং ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজের ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।
ঢাকা কমিউনিটি মেডিকেল কলেজের ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিসেবে জিহাদুল মোতালেব মার্শালকে মনোনীত করা হয়েছে। সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পদে রায়হান আমিন ফাহিম এবং সদস্য সচিব হিসেবে জোবায়েল আলম পাভেল দায়িত্ব পালন করবেন।
অন্যদিকে, ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজের ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিসেবে মো. মহিবুর রহমানের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মো. হাসান আল বান্না, আমির হাসনাত খান, জোবায়ের ইবনে আলম, জান্নাতুল ফেরদৌস প্রীতি, সাবরিনা ইসলাম তরী, আশরাফুল ইসলাম ইমন এবং ফাতেমা তুজ জোহুরা।
এই শাখার সদস্য সচিব হিসেবে গোলাম সরোয়ার হিমেলকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ইশতিয়াকুর রহমান, মো. এমরামুল ইসলাম (নাবিল), ইয়ামিন সরকার, ঐশ্বর্য মৃধা, সিনথিয়া ইসলাম এবং এস এম ইয়াসিন আহমেদ।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) তারিখে বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক তানজীম রুবাইয়াত আফিফ এবং সদস্য সচিব মোস্তাফিজুল কবীর (মমি আলসারী) স্বাক্ষরিত পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আহ্বায়ক, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং সদস্য সচিবের যৌথ স্বাক্ষরে শাখাটির সকল সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে। পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি গঠনের জন্য আগামী ৩০ দিনের মধ্যে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকা থেকে নিখোঁজ হয়েছে ১৩ বছর বয়সী এক কিশোর, যার নাম অপ্রতিম। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তার পরিবার এ ঘটনায় কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে।
অপ্রতিম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান। সে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। অপ্রতিমের উচ্চতা প্রায় ৫ ফুট এবং গায়ের রং শ্যামলা। নিখোঁজ হওয়ার সময় তার পরনে ছিল পাঞ্জাবি।
পরিবারের সূত্রে জানা যায়, অপ্রতিম তার মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলার জন্য বাসা থেকে বের হয়েছিল। এরপর সে আর বাসায় ফেরেনি। ফোনের লোকেশন ট্র্যাক করে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কুমিল্লার কোটবাড়ির গন্ধমতি এলাকায় তার অবস্থান শনাক্ত করা যায়। এরপর থেকে তার আর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও পুলিশ তাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন। তবে এখন পর্যন্ত তার সন্ধান মেলেনি।
অপ্রতিমের মা ড. নাহিদা বেগম আরটিভিকে জানান, "আমার ছেলেকে আমি বিকেল তিনটা থেকে খুঁজে পাচ্ছি না। আমার আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে গিয়ে আর ফিরে আসেনি। আপনারা যে যেখান থেকে পারেন, সহায়তা করেন। আপনাদের কাছে হাতজোড় করছি, আমার ছেলেকে বাঁচান। থানায় জানিয়েছি। ফোন নম্বর ট্র্যাক করে পাওয়া যায়নি। সম্ভবত ফোনটি তার সঙ্গে নেই। আপনারা দয়া করে আমার ছেলেকে খুঁজে পেতে চেষ্টা করেন।"
অপ্রতিমকে খুঁজে পেতে তার পরিবার সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে। কেউ যদি তার সন্ধান পান, তাহলে নিচের নম্বরগুলোতে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে—
শাহরিয়ার (বাবা): ০১৭১৯-৬২৫৬৯০
ড. নাহিদা বেগম (মা): ০১৭১৯-৯০০৭৬৯
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (আইআইটি) বোম্বের একটি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পাওয়াই ক্যাম্পাসের আবাসিক কক্ষ থেকে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। জানা গেছে, গত ছয় মাসে এই ক্যাম্পাসে এটি তৃতীয় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার ঘটনা।
মৃত শিক্ষার্থীর নাম সাহিল ওয়াকোড়ে। তিনি এনার্জি সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
আইআইটি বোম্বে কর্তৃপক্ষ জানায়, সাহিল একটি পরীক্ষার সময় উত্তর খুঁজতে প্রশ্নপত্রের ছবি চ্যাটজিপিটিতে আপলোড করেছিলেন। মোবাইল ফোন ব্যবহারের কারণে তিনি ধরা পড়েন। তবে, এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি বলে দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
কর্তৃপক্ষের মতে, ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও বিভাগের প্রধান সাহিলের সঙ্গে কথা বলেন। তাকে পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি আশ্বস্ত করা হয় যে, এ ঘটনার কারণে তার শিক্ষাজীবনে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না। আলোচনা শেষে সাহিল নিজ কক্ষে ফিরে যান। পরে সন্ধ্যায় সেখান থেকেই তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
সাহিলের মৃত্যুতে আইআইটি বোম্বে শোক প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি এক বিবৃতিতে জানায়, তার বন্ধু, সহপাঠী, শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। একই সঙ্গে মৃত্যুর কারণ ও ঘটনার পুরো প্রেক্ষাপট খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এদিকে, সাহিলের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেন। তাদের অভিযোগ, ঘটনার প্রকৃত পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রশাসন পুরো তথ্য প্রকাশ করেনি।
বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীদের দাবি, পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে সাহিলকে এক বছরের জন্য বহিষ্কারের হুমকি দেওয়া হয়েছিল। তাদের মতে, এমন সিদ্ধান্ত হলে তাকে আবাসিক হল ছাড়তে হতো এবং ক্যাম্পাসের বাইরে থাকতে হতো। তাদের আরও দাবি, এতে চার বছরের প্রকৌশল কোর্স দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা ছিল।
তবে এসব দাবি আইআইটি বোম্বের প্রকাশিত বক্তব্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, শাস্তির আশঙ্কা ও মানসিক চাপ সাহিলের মৃত্যুর পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে। তারা প্রশাসনের কাছে জবাবদিহি ও স্বচ্ছতার দাবি জানান।
বিক্ষোভের কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পুলিশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা দত্তাত্রেয় নালাওয়াড়ে জানান, ঘটনাটি তদন্তাধীন। শিক্ষার্থীদের দাবির বিষয়ে প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং পরিস্থিতি শান্ত রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।
ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং পরীক্ষাকেন্দ্রিক শাস্তিমূলক কোনো সিদ্ধান্ত সাহিলের মৃত্যুর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত ছিল কি না, তা তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।
সূত্র: এনডিটিভি
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
৩৪ দিন পর শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারে চতুর্থবারের মতো দানের টাকা গণনা করা হবে। এর আগে সর্বশেষ ১৫ আগস্ট দানের ডেগ ও দানবাক্স খুলে অর্থ গণনা করা হয়েছিল।
সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মাসুদ রানা গণমাধ্যমকে জানান, শনিবার সকাল থেকে ১৩ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটির তত্ত্বাবধানে দানবাক্সের টাকা গণনা অনুষ্ঠিত হবে। এই কমিটি মাজারের আয়-ব্যয় ব্যবস্থাপনা নির্ধারণে গঠিত হয়েছে। গণনা শেষে, দানের টাকাগুলি জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সোনালী ব্যাংকে মাজারের নামে খোলা নির্ধারিত হিসাব নম্বরে জমা রাখা হবে।
প্রসঙ্গত, গত ১২ জুন সিলেটের তৎকালীন জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলম হযরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরান (রহ.) মাজার পরিদর্শনকালে আয়-ব্যয়ের ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনার উদ্যোগ ঘোষণা করেন। এর ধারাবাহিকতায়, ১৮ জুন মাজারে নতুন চারটি দানবাক্স স্থাপন করা হয় এবং ঐতিহ্যবাহী তিনটি দানের ডেগ ও একটি দানবাক্স সিলগালা করা হয়।
পরবর্তীতে, ২২ জুন প্রায় সাতশ বছরের প্রচলিত প্রথা ভেঙে ঐতিহাসিক দানের ডেগ ও দানবাক্স খুলে অর্থ গণনা করা হয়। ওইদিন মোট ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা পাওয়া যায়। সাথে কিছু স্বর্ণও পাওয়া যায়। জেলা প্রশাসনের তহবিল থেকে ৫ লাখ টাকার একটি চেক যুক্ত হলে মোট অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় ২২ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা, যা সোনালী ব্যাংকের একটি নতুন হিসাবে জমা রাখা হয়।
মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘমেয়াদি, আধুনিক ও স্বচ্ছ কাঠামো প্রণয়নের লক্ষ্যে ২৬ জুন ১৩ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রশাসক রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, বিভাগীয় কমিশনার মশিউর রহমান, জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের শামীম, সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি, সিলেট মহানগর পুলিশের কমিশনার, মাজারের মোতাওয়াল্লি পরিবারের দুই সদস্য এবং মাজার মাদ্রাসা ও মসজিদের দুই প্রতিনিধি। জেলা প্রশাসক এ কমিটির সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ