ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্সে ভর্তির আবেদন শুরু বুধবার


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্সে ভর্তির আবেদন শুরু বুধবার

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোতে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্স (নিয়মিত) প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য অনলাইনে প্রাথমিক আবেদন ১৪ অক্টোবর বিকেল ৪টা থেকে শুরু হবে। আবেদন প্রক্রিয়া চলবে ১৫ নভেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগ্রহী প্রার্থীদের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিবিষয়ক ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে প্রাথমিক আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে। আবেদন ফি সংশ্লিষ্ট কলেজে ১৬ নভেম্বরের মধ্যে জমা দিতে হবে। কলেজ কর্তৃপক্ষ ১৮ নভেম্বরের মধ্যে অনলাইনে আবেদন নিশ্চিত করবে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন ২০২০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত চার বছর মেয়াদি স্নাতক (সম্মান) পরীক্ষায় সনাতন পদ্ধতিতে ন্যূনতম ৪৫ শতাংশ নম্বর অথবা গ্রেডিং ও ক্রেডিট পদ্ধতিতে ন্যূনতম সিজিপিএ ২.২৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা এই প্রোগ্রামে আবেদন করার সুযোগ পাবেন। তবে চার বছর মেয়াদি স্নাতক (সম্মান) পরীক্ষার পরিবর্তে পাস ডিগ্রি অর্জনকারী শিক্ষার্থীরা এ কার্যক্রমে আবেদন করতে পারবেন না।

আরও পড়ুন: চুয়েটের অচলাবস্থা নিরসনে তদন্ত কমিটি গঠনের উদ্যোগ

এছাড়া, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন ২০২০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত প্রিলিমিনারি টু মাস্টার্স (নিয়মিত) অথবা মাস্টার্স প্রথম পর্ব (নিয়মিত) পরীক্ষায় ন্যূনতম ৪৫ শতাংশ নম্বর বা জিপিএ ২.২৫ এবং সংশ্লিষ্ট তিন বছর মেয়াদি স্নাতক (পাস) নিয়মিত পরীক্ষায় ন্যূনতম ৪৫ শতাংশ নম্বর বা সিজিপিএ ২.২৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন।

তবে প্রিলিমিনারি টু মাস্টার্স (প্রাইভেট) বা মাস্টার্স প্রথম পর্ব (প্রাইভেট) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন না। আবেদনকারীকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পূর্বে অধ্যয়ন ও উত্তীর্ণ হতে হবে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্স (নিয়মিত বা প্রাইভেট) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ অথবা অন্য কোনো প্রোগ্রামে বর্তমানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা এই ভর্তি কার্যক্রমে আবেদন করতে পারবেন না। দ্বৈত ভর্তি হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর উভয় ভর্তি ও রেজিস্ট্রেশন বাতিল বলে গণ্য হবে।

প্রাথমিক আবেদন ফি ১ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশ ৮৫০ টাকা এবং সংশ্লিষ্ট কলেজের অংশ ১৫০ টাকা। নির্ধারিত মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অথবা সরাসরি কলেজে এ ফি জমা দেওয়া যাবে।

আরও পড়ুন: ইবি প্রশাসনের চার পদে নতুন পরিচালক নিয়োগ

আবেদনের সব তথ্য পেতে এখানে ক্লিক করুন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদানী অ্যাভিনিউয়ের ১০০ ফুট সড়কের ৯০ ফুট বেদখল, স্থানীয়দের প্রতিবাদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২১ পি.এম


মাদানী অ্যাভিনিউয়ের ১০০ ফুট সড়কের ৯০ ফুট বেদখল, স্থানীয়দের প্রতিবাদ

রাজধানীর নতুন বাজার মাদানী অ্যাভিনিউয়ের ১০০ ফুট সড়কে বেপরোয়া অটোরিকশা, যত্রতত্র পার্কিং এবং টাফিক পুলিশের কার্যকর নিয়ন্ত্রণের অভাবের কারণে চলাচলকারীদের জন্য দূর্ভোগের শেষ নেই। এই সড়কটি প্রতিদিনের জনদুর্ভোগের পাশাপাশি জননিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিতে পরিণত হয়েছে। এখানে ১০০ ফুটের রাস্তার মধ্যে ৯০ ফুটই বেদখল হয়ে রয়েছে।

সম্প্রতি ওই এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করে দেখা গেছে, সড়কের বিভিন্ন অংশে হকাররা এক বা দুই সারিতে সীমাবদ্ধ থাকছে না। কিছু স্থানে মূল সড়কের ভেতর পর্যন্ত তিন থেকে চার সারি দখল করে দোকান ও অস্থায়ী ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে। এর ফলে নতুন বাজার ও মাদানী অ্যাভিনিউয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ সড়কের কার্যকর চলাচলের জায়গা সংকুচিত হয়ে পড়েছে।

বিশেষ করে ব্যস্ত সময়ে যানবাহনের চলাচল বিঘ্নিত হয়ে প্রতিনিয়ত দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। সড়কের পাশ, ফুটপাথ ও হাঁটার জায়গা বেদখল হয়ে যাওয়ায় পথচারীদের বাধ্য হয়ে চলন্ত যানবাহনের একেবারে পাশে বা মূল সড়কের ওপর দিয়ে চলতে হচ্ছে। এতে নারী, শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং দৈনন্দিন পথচারীদের দুর্ঘটনার ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যাচ্ছে। সন্ধ্যা ও রাতের দিকে ভিড় বাড়লে পরিস্থিতি আরও অনিরাপদ হয়ে ওঠে।

রাজধানীর অন্যান্য এলাকার মতো ১০০ ফিট ওই রাস্তায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও অন্যান্য ছোট যানবাহনের নিয়ন্ত্রনহীন চলাচল লক্ষ্য করা গেছে। এসব যানবাহনের একটি বড় অংশ দৃশ্যত কোনো নির্দিষ্ট শৃঙ্খলা বা নিয়ম কানুন অনুসরণ করে না। ফলে তাদের চলাচল আরও বেশি বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

এরা সাধারণত হঠাৎ লেন পরিবর্তন, উলটো পথে চলা, যেখানে সেখানে থামা, যাত্রী তোলার জন্য মূল সড়কের মাঝামাঝি দাঁড়িয়ে পড়া এবং অনিয়ন্ত্রিত গতিতে চলাচল নিয়মিত দেখা যাচ্ছে। এসব আচরণ যানজটের পাশাপাশি সংঘর্ষ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি করছে।

এছাড়া সড়কের দুই পাশে এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশ ও সংযোগস্থলের কাছে ব্যক্তিগত গাড়ি, অটোরিকশা ও অন্যান্য যানবাহন দীর্ঘ সময় ধরে যত্রতত্র পার্ক করে রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি এই সড়কে হকাররা নিয়ম মানছে না বরং কয়েক সারি করে তারা তাদের পসরা সাজিয়ে বসেছে। হকারদের ফুটপাথ এবং রাস্তা দখলের সঙ্গে এই অনিয়ন্ত্রিত পার্কিং যুক্ত হয়ে সড়কে যান চলাচলের রাস্তা আরো সংকুচিত করে ফেলছে এবং স্বাভাবিক যান চলাচলকে বাধাগ্রস্ত করছে।

সরেজমিনে আরও দেখা যায়, হকারদের তিন-চার সারির দখল, অটোরিকশার বিশৃঙ্খল চলাচল এবং রাস্তার পাশে পার্ক করা গাড়ি একই জায়গায় একসঙ্গে উপস্থিত থাকায় অনেক অংশে পরিস্থিতি কার্যত অচল হয়ে পড়ে। স্বল্প দূরত্ব অতিক্রম করতেও পথচারী এবং যাত্রীদের অস্বাভাবিক সময় লাগছে। এতে প্রতিদিনের অফিসযাত্রী, শিক্ষার্থী, স্থানীয় বাসিন্দা এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াতকারী মানুষ ব্যাপক ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

স্থানীয়রা জানান, এ ধরনের স্থায়ী জট ও সংকুচিত চলাচলের জায়গা অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ বা অন্য জরুরি সেবার যানবাহন চলাচলকে বাধাগ্রস্ত করছে। কোনো জরুরি প্রয়োজন বা অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নিতে হলে স্থানীয়দের অনেক ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

স্থানীয়রা গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটিকে দখলমুক্ত করে নিরাপদ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার দাবি জানাচ্ছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেঙ্গু রোধে প্রধানমন্ত্রীর পাড়া-মহল্লায় জনসচেতনতা বাড়াতে মাইকিংয়ের নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২১ পি.এম


ডেঙ্গু রোধে প্রধানমন্ত্রীর পাড়া-মহল্লায় জনসচেতনতা বাড়াতে মাইকিংয়ের নির্দেশ

ডেঙ্গু প্রতিরোধের লক্ষ্যে জনসচেতনতা বাড়ানোর জন্য পাড়া-মহল্লায় মাইকিং এবং জুমার নামাজের খুতবায় সচেতনতার বক্তব্য দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত এক সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব নির্দেশনা প্রদান করেন।

সভায় প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, "ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আগামী কয়েক মাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।" তিনি বলেন, এই সময়ে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে সংশ্লিষ্ট সকল সরকারি সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। বিশেষ করে, যেসব এলাকায় মানুষ বেশি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হচ্ছেন, সেসব এলাকায় প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমকে জোরদার করতে হবে।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্ব আরোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, পাড়া-মহল্লায় নিয়মিত মাইকিংয়ের মাধ্যমে সচেতনতা সৃষ্টি করা এবং জুমার নামাজের খুতবায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে বক্তব্য দেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করেন।

সভায় সরকারি আবাসিক কোয়ার্টার ও হাসপাতাল প্রাঙ্গণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম কার্যকর করার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।

এছাড়া সভায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিশুদের ক্যানসারের ৭টি লক্ষণ, যা এড়িয়ে যাচ্ছেন অভিভাবকরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২২ পি.এম


শিশুদের ক্যানসারের ৭টি লক্ষণ, যা এড়িয়ে যাচ্ছেন অভিভাবকরা

শিশুদের শরীরে ক্যানসারের প্রাথমিক লক্ষণ অনেক সময় সাধারণ অসুস্থতার মতো মনে হতে পারে। এর ফলে রোগটি শুরুতেই শনাক্ত করা অভিভাবকদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। তবে যদি দীর্ঘস্থায়ী জ্বর, অকারণে শরীরে কালশিটে দাগ, হাড়ে ব্যথা, অস্বাভাবিক ফোলাভাব অথবা চোখের মণিতে সাদা প্রতিফলন দেখা দেয়, তাহলে সতর্ক হওয়া জরুরি। এসব লক্ষণ দেখা দিলেই ক্যানসার হয়েছে, এমন নয়। তবে উপসর্গ যদি স্থায়ী হয় বা বাড়তে থাকে, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুদের ক্যানসারের লক্ষণ রোগের ধরন অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে। যদি প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্ত করা যায়, তাহলে উপযুক্ত চিকিৎসার মাধ্যমে অনেক শিশুর সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা থাকে।

শিশুদের ক্যানসার শনাক্ত করা কঠিন কেন? প্রাপ্তবয়স্কদের ক্যানসারের সঙ্গে শিশুদের ক্যানসারের কিছু পার্থক্য রয়েছে। বড়দের ক্ষেত্রে বয়স, জীবনযাপন ও পরিবেশগত বিভিন্ন বিষয় ক্যানসারের ঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। অন্যদিকে, শিশুদের অধিকাংশ ক্যানসারের সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায় না।

এছাড়া শিশুরা অনেক সময় তাদের শারীরিক সমস্যার কথা স্পষ্টভাবে বলতে পারে না। ফলে ক্লান্তি, ব্যথা কিংবা শরীরের অন্য কোনো পরিবর্তনকে সাধারণ অসুস্থতা ভেবে অভিভাবকরা উপেক্ষা করতে পারেন।

শিশুদের ক্যানসারের ৭টি সম্ভাব্য লক্ষণ

১. অস্বাভাবিক ক্লান্তি ও ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া

যদি শিশু আগের তুলনায় বেশি ক্লান্ত থাকে, খেলাধুলায় আগ্রহ হারায় অথবা ত্বক ও ঠোঁট ফ্যাকাশে হয়ে যায়, তাহলে বিষয়টি খেয়াল করা প্রয়োজন। লিউকেমিয়া বা রক্তের ক্যানসারে রক্তস্বল্পতা দেখা দিতে পারে। এছাড়া অকারণে শরীরে কালশিটে দাগ, ত্বকে ছোট লালচে বিন্দু কিংবা নাক ও মাড়ি থেকে রক্তপাতও সতর্কসংকেত হতে পারে।

২. কোনো আঘাত ছাড়াই হাড় ও গিঁটে ব্যথা

শিশুদের বেড়ে ওঠার সময় মাঝে মাঝে পায়ে ব্যথা হতে পারে। তবে যদি ব্যথা দীর্ঘস্থায়ী হয়, ক্রমে বাড়তে থাকে, রাতে ঘুম ভাঙিয়ে দেয় অথবা শিশুর হাঁটাচলায় সমস্যা হয়, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। কিছু ক্ষেত্রে হাড়ের ক্যানসার বা লিউকেমিয়ার সঙ্গে এ ধরনের উপসর্গের সম্পর্ক থাকতে পারে।

৩. শরীরের কোনো অংশে অস্বাভাবিক ফোলাভাব বা গুটি

যদি শিশুর পেট অস্বাভাবিকভাবে ফুলে যায় অথবা শরীরের কোনো অংশে গুটি দেখা দেয়, তাহলে অবহেলা করা উচিত নয়। বিশেষ করে পেটে শক্ত চাকা বা গলা, ঘাড় ও বগলে দীর্ঘস্থায়ী গুটি দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন। কিছু ক্ষেত্রে এসব লক্ষণ উইলমস টিউমার, নিউরোব্লাস্টোমা বা লিম্ফোমার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। তবে সংক্রমণসহ বিভিন্ন সাধারণ কারণেও গুটি বা ফোলাভাব দেখা দেয়।

৪. চোখের মণিতে সাদা প্রতিফলন বা টেরা ভাব

যদি ফ্ল্যাশ দিয়ে ছবি তোলার সময় শিশুর চোখের মণিতে স্বাভাবিক লালচে প্রতিফলনের বদলে সাদা আভা দেখা যায়, তাহলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে। চোখে নতুন করে টেরা ভাব দেখা দেওয়া বা দৃষ্টিশক্তিতে পরিবর্তনও সতর্কসংকেত হতে পারে। এসব লক্ষণ রেটিনোব্লাস্টোমা বা চোখের ক্যানসারের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। এমন পরিবর্তন দেখা গেলে দ্রুত চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

৫. সকালে মাথাব্যথা ও বমি

শিশুর বারবার মাথাব্যথা হওয়া, বিশেষ করে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর মাথাব্যথার সঙ্গে বমি হওয়া, চিকিৎসকের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। পাশাপাশি হাঁটার সময় ভারসাম্য হারানো, কথা জড়িয়ে যাওয়া কিংবা আচরণে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে। এসব উপসর্গের পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে; কিছু ক্ষেত্রে মস্তিষ্কের টিউমারও এর কারণ হতে পারে।

৬. দীর্ঘস্থায়ী জ্বর, ওজন কমা ও রাতে অতিরিক্ত ঘাম

যদি কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়াই জ্বর দীর্ঘদিন স্থায়ী হয়, শিশুর ওজন কমতে থাকে অথবা রাতে অতিরিক্ত ঘামে পোশাক ভিজে যায়, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। বিশেষ করে এসব লক্ষণ একসঙ্গে দেখা দিলে বিষয়টি আরও গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করতে হবে। কিছু ধরনের ক্যানসার, যেমন লিউকেমিয়া ও লিম্ফোমায় এ ধরনের উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তবে সংক্রমণসহ অন্যান্য রোগেও এসব লক্ষণ হতে পারে।

৭. দীর্ঘস্থায়ী কান থেকে তরল পড়া বা রক্তপাত

যদি শিশুর কান থেকে দীর্ঘদিন ধরে পানি, পুঁজ বা দুর্গন্ধযুক্ত তরল পড়তে থাকে অথবা এর সঙ্গে রক্ত দেখা যায়, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। সাধারণ কানের সংক্রমণেও এ ধরনের সমস্যা হতে পারে। তবে চিকিৎসার পরও উপসর্গ না কমলে বা বারবার ফিরে এলে নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে পরীক্ষা করানো প্রয়োজন।

কখন দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাবেন?

শিশুর শরীরে কোনো অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা দিলে কেবল ক্যানসারের আশঙ্কায় আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত-

* শরীরে অস্বাভাবিক গুটি বা ফোলাভাব দীর্ঘদিন স্থায়ী হলে কিংবা বাড়তে থাকলে।

* কোনো আঘাত ছাড়াই হাড়ে ব্যথা হলে বা শিশু খুঁড়িয়ে হাঁটলে।

* বারবার জ্বর, অস্বাভাবিক ক্লান্তি বা অকারণে ওজন কমতে থাকলে।

* ত্বকে অস্বাভাবিক কালশিটে দাগ বা বারবার রক্তপাত হলে।

* চোখের মণিতে সাদা প্রতিফলন বা নতুন করে টেরা ভাব দেখা দিলে।

* সকালে মাথাব্যথার সঙ্গে বারবার বমি হলে।

শিশুর হঠাৎ খিঁচুনি, শরীরের একপাশ দুর্বল হয়ে যাওয়া, চেতনা কমে যাওয়া বা শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে অবিলম্বে জরুরি চিকিৎসা নিতে হবে।

আতঙ্ক নয়, সচেতনতাই জরুরি

শিশুদের শরীরে এসব লক্ষণ দেখা দিলেই ক্যানসার হয়েছে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক নয়। অনেক সাধারণ রোগেও একই ধরনের উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তবে যদি কোনো লক্ষণ দীর্ঘস্থায়ী হয়, বারবার ফিরে আসে কিংবা সময়ের সঙ্গে বাড়তে থাকে, তাহলে তা উপেক্ষা করা উচিত নয়।

অভিভাবকদের সচেতনতা, সময়মতো চিকিৎসকের পরামর্শ এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষা রোগ শনাক্তকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্ত করে উপযুক্ত চিকিৎসা শুরু করা গেলে অনেক শিশুর সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার সুযোগ থাকে। তাই ভয় নয়, সন্তানের শারীরিক পরিবর্তনের প্রতি সচেতন থাকুন।

সূত্র: বিবিসি, অ্যাকিবাডেম ইন্টারন্যাশনাল

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছাত্রীর মাকে নিজের ‘আসল রূপ’ দেখালেন মাদরাসাশিক্ষক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২২ পি.এম


ছাত্রীর মাকে নিজের ‘আসল রূপ’ দেখালেন মাদরাসাশিক্ষক

টাঙ্গাইলের গৃহবধূকে ধর্ষণ এবং আপত্তিকর ছবি ধারণ করে ব্লাকমেইল করার অভিযোগে এসআরবি-১৪ কর্তৃক এক মাদরাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার হয়েছেন।

গ্রেপ্তার হওয়া খাইরুল ইসলাম (৩৩) সদর উপজেলার গালা গ্রামের অধিবাসী।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে এসআরবি-১৪ এর মিডিয়া অফিসার নাদিয়া ফারজানা এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য প্রকাশ করেন।

এসআরবি এবং এজাহারের বিবরণ থেকে জানা যায়, ভুক্তভোগী গৃহবধূর মেয়ে একটি মাদরাসায় পড়াশোনা করে। সেই কারণে গৃহবধূর মেয়েকে পড়াতে খাইরুল ইসলাম প্রায়ই ওই বাড়িতে যাতায়াত করতেন। ছাত্রীর পড়াশোনার খোঁজখবর নেওয়ার অজুহাতে তিনি সেখানে উপস্থিত হতেন।

৮ আগস্ট বিকেলে, ভুক্তভোগীর বাড়িতে গিয়ে তিনি গৃহবধূর মেয়েকে বাইরে খেলতে দেখে সুযোগ গ্রহণ করেন। বাড়িতে একা পেয়ে খাইরুল ইসলাম ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। একইসঙ্গে তিনি কিছু আপত্তিকর ছবি ধারণ করেন। পরবর্তীতে, সেই ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে পুনরায় ধর্ষণ করেন।

ভুক্তভোগী ২ অক্টোবর টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন। মামলার পর এসআরবি-১৪ সিপিসি-৩ তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে আসামির অবস্থান নিশ্চিত করে।

এরপর সোমবার (১২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা কলেজ মোড় থেকে খাইরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%