মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৪২ পি.এম
গুগল ম্যাপসে সঠিক গন্তব্য খুঁজে পাওয়ার জন্য রাস্তার নাম ভুল হলে তা সংশোধন করার পাশাপাশি নতুন রাস্তার নাম যুক্ত করার সুযোগ রয়েছে। এই কারণে অনেক ব্যবহারকারী অচেনা স্থান বা শহরে নির্দিষ্ট গন্তব্যে যাওয়ার জন্য গুগল ম্যাপসকে ব্যবহার করেন।
যদিও ব্যবহারকারীদের দেওয়া তথ্য যাচাই করে প্রকাশ করা হয়, তবুও কখনো কখনো ভুল তথ্য গুগল ম্যাপসে স্থান পেয়ে যায়। চীনের বেইজিংয়ে গে ইউলু নামের একজন ব্যক্তি ভুল তথ্য দিয়ে নিজের নামে রাস্তার নামকরণ করতে উদ্যত হন।
২০১৩ সালে বেইজিংয়ের চাওইয়াং এলাকায় একটি রাস্তার নামের সাইনবোর্ড না থাকার কারণে বিষয়টি গে ইউলুর দৃষ্টিগোচর হয়। প্রশাসনিক জটিলতার কারণে সাইনবোর্ডটি বসানো সম্ভব হয়নি। এরপর গে ইউলু নিজেই একটি সাইনবোর্ড তৈরি করে সেখানে স্থাপন করেন। সাইনবোর্ডে রাস্তার নাম লেখা হয় ‘গে ইউ লু’। চীনা ভাষায় ‘লু’ শব্দের অর্থ রাস্তা এবং এটি গে ইউলুর নামেরও অংশ। ফলে স্থানীয়দের কাছে সাইনবোর্ডে লেখা নামটি অস্বাভাবিক মনে হয়নি। সরকারি সাইনবোর্ডের মতো দেখতে হওয়ায় অনেকেই সেটিকে প্রকৃত রাস্তার নাম হিসেবে গ্রহণ করেন।
গে ইউলুর তৈরি সাইনবোর্ডটির প্রভাব সম্পর্কে হয়তো তিনি নিজেও ভাবেননি। ২০১৫ সালের মধ্যে ‘গে ইউ লু’ নামটি সরকারি নথিতে অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়। এরপর নামটি বিভিন্ন মানচিত্র ও নেভিগেশন সেবায় ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে গুগল ম্যাপসে রাস্তার নামটি দেখা যায়। পরে বিষয়টি ধরা পড়লে সাইনবোর্ডটি সরিয়ে ফেলা হয় এবং বিভিন্ন মানচিত্রে রাস্তার নাম সংশোধন করা হয়। তবে এর আগে গে ইউলু কয়েক বছর ধরে নিজের নামে একটি রাস্তার নাম সরকারি নথি ও অনলাইন মানচিত্রে থাকার বিরল অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।
অনলাইন মানচিত্রে রাস্তার নাম পরিবর্তন বা নতুন রাস্তা যুক্ত করার ক্ষেত্রে সরকারি সংস্থার তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে ব্যবহারকারীদেরও তথ্য সংশোধন বা নতুন তথ্য যোগ করার সুযোগ রয়েছে। গুগল ম্যাপসে প্লাস (+) আইকনে ক্লিক করে ব্যবহারকারীরা ভুল রাস্তার নাম সংশোধনের প্রস্তাব দিতে পারেন। মানচিত্রে কোনো রাস্তা না থাকলে সেটিও যোগ করার সুযোগ রয়েছে। তবে ব্যবহারকারীদের দেওয়া তথ্য সরাসরি মানচিত্রে প্রকাশ করা হয় না। ভুল বা ভুয়া তথ্য প্রতিরোধের জন্য গুগল মানবকর্মীর পাশাপাশি মেশিন লার্নিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে এসব তথ্য যাচাই করে।
গে ইউলুর দেওয়া রাস্তার নাম চীনের জনপ্রিয় মানচিত্র সেবা বাইদু ম্যাপসেও নথিভুক্ত হয়েছিল। রাস্তার নামের তথ্য যাচাইয়ের ক্ষেত্রে বাইদু মানুষ ও স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে। তবে গে ইউলুর তৈরি সাইনবোর্ডটি সরকারি সাইনবোর্ডের মতো হওয়ায় এটি ভুয়া, বিষয়টি যাচাইয়ের সময় ধরা পড়েনি বলে ধারণা করা হয়। বাইদু ম্যাপসে নামটি যুক্ত হওয়ার পর সেটি অন্যান্য মানচিত্র সেবাগুলোতেও ছড়িয়ে পড়ে। অ্যাপল ম্যাপস, গুগল ম্যাপস ও অটোনাভির মতো সেবাতেও একসময় ‘গে ইউ লু’ নামটি দেখা যায়।
সূত্র: বিজিআর ডটকম
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গর্ভধারণের পরিকল্পনা থাকলে প্রতিদিনের সকালের কফি একেবারে বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই—এমন একটি বিষয়। তবে, কতটা ক্যাফেইন গ্রহণ করা হচ্ছে, সে বিষয়ে নজর রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে, যদি একাধিক কাপ কফি, চা বা অন্যান্য ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় নিয়মিত পান করা হয়, তাহলে পরিমাণের হিসাব রাখা প্রয়োজন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, গর্ভধারণের চেষ্টা করার সময় প্রতিদিনের ক্যাফেইন গ্রহণ ২০০ মিলিগ্রামের মধ্যে রাখা উচিত। কারণ কেবল কফি বা চা থেকেই নয়, বিভিন্ন খাবার, পানীয় এবং কিছু খাদ্য-পরিপূরকের মাধ্যমেও শরীরে ক্যাফেইন প্রবাহিত হতে পারে।
ক্যাফেইন কি গর্ভধারণের ক্ষমতায় প্রভাব ফেলে?
ক্যাফেইন এবং গর্ভধারণের ক্ষমতার সম্পর্ক নিয়ে গবেষণার ফলাফল সব ক্ষেত্রে একরকম নয়। প্রজনন চিকিৎসাবিষয়ক আমেরিকান সংগঠনের তথ্য অনুযায়ী, পরিমিত ক্যাফেইন—যেমন দিনে প্রায় এক থেকে দুই কাপ কফির সমপরিমাণ—গর্ভধারণের ক্ষমতার ওপর উল্লেখযোগ্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলে, এমন শক্ত প্রমাণ নেই।
তবে, অতিরিক্ত ক্যাফেইন গ্রহণের সঙ্গে গর্ভধারণের ক্ষমতা কমে যাওয়ার সম্পর্ক কিছু গবেষণায় দেখা গেছে। বিশেষ করে, দিনে প্রায় ৫০০ মিলিগ্রাম ক্যাফেইন গ্রহণের ক্ষেত্রে এমন সম্পর্ক পাওয়া গেছে।
তাহলে, এক কাপ কফি পান করলে গর্ভধারণে সমস্যা হবে—এমনটি বলা যায় না। মূল বিষয় হলো দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত ক্যাফেইন গ্রহণ না করা।
গর্ভধারণের আগে ক্যাফেইন কমানোর পরামর্শ কেন?
ক্যাফেইন একটি উদ্দীপক পদার্থ। কফি, চা, কোমল পানীয়, শক্তিবর্ধক পানীয়, চকোলেট এবং কিছু খাদ্য-পরিপূরকেও ক্যাফেইন থাকতে পারে।
গর্ভধারণের চেষ্টা করার সময় পরিমিত ক্যাফেইন সাধারণত বড় উদ্বেগের কারণ নয়। তবে, অতিরিক্ত ক্যাফেইন এড়িয়ে চলার একটি কারণ হলো, গর্ভধারণের প্রথম দিকে অনেক নারী বুঝতেই পারেন না যে তারা গর্ভবতী হয়েছেন। তাই আগে থেকেই ক্যাফেইনের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখা সুবিধাজনক।
গর্ভাবস্থায় সাধারণত প্রতিদিন ২০০ মিলিগ্রামের বেশি ক্যাফেইন না নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। অতিরিক্ত ক্যাফেইন গ্রহণের সঙ্গে গর্ভপাতসহ কিছু গর্ভাবস্থাজনিত ঝুঁকির সম্পর্কও পাওয়া গেছে।
কফির বদলে চা বা সবুজ চা কি ভালো?
কফির পরিবর্তে চা পান করলে অনেক ক্ষেত্রে ক্যাফেইন গ্রহণের পরিমাণ কমতে পারে। তবে, চা পুরোপুরি ক্যাফেইনমুক্ত নয়। কালো চা ও সবুজ চা—দুটিতেই ক্যাফেইন থাকে।
চায়ের ধরন, কতটা পাতা ব্যবহার করা হচ্ছে এবং কতক্ষণ পানিতে রাখা হচ্ছে, তার ওপর ক্যাফেইনের পরিমাণ পরিবর্তিত হতে পারে। তাই, দিনে কয়েক কাপ কফি বা চা পান করার অভ্যাস থাকলে ধীরে ধীরে কিছু কাপ ক্যাফেইনমুক্ত পানীয় দিয়ে তা প্রতিস্থাপন করা যেতে পারে।
প্যাকেটজাত পানীয় বা খাদ্য-পরিপূরক কেনার সময়ও সতর্ক থাকা দরকার। প্যাকেটের গায়ে থাকা তথ্য দেখে এতে ক্যাফেইন আছে কি না এবং থাকলে কতটা আছে, তা জেনে নেওয়া ভালো।
তাহলে, গর্ভধারণের পরিকল্পনা করলেই কফি পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে, প্রতিদিনের মোট ক্যাফেইনের পরিমাণ হিসাব করে তা পরিমিত রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুরের টঙ্গীতে পূর্ব শত্রুতার কারণে জয় (২৩) নামের এক যুবককে দুর্বৃত্তরা এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করেছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১টার দিকে টঙ্গী রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত জয় টঙ্গীর ব্যাংক মাঠ বস্তি এলাকার সিরাজুল ইসলামের পুত্র।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, জয় সোমবার দিবাগত রাতে বাসায় ফিরছিলেন। এ সময় কয়েকজন যুবক ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায়। পরে, এলাকাবাসী টঙ্গী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে জয় এর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
এই ঘটনার পর, পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে কাউকেই আটক করতে পারেনি। তবে, পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে যে পূর্ব শত্রুতার কারণে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।
এছাড়া, আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে হত্যাকারীদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এদিকে, ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন টঙ্গী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (উপ-পরিদর্শক) নূর আলম হোসেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাগেরহাট জেলায় বায়োমেট্রিক তথ্যের অপব্যবহারের মাধ্যমে সিম রিপ্লেসমেন্ট ও অর্থ হাতানোর চক্রের ৯ সদস্যকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা গ্রাহকের আঙুলের ছাপ সংরক্ষণ, স্ক্রিনে প্রদর্শিত ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্রিন রেকর্ডিংয়ের মাধ্যমে ধারণ, ফিঙ্গারপ্রিন্টের দৃশ্যমান প্যাটার্ন আলাদা করা, ডিজিটাল প্যাটার্নকে পুনরুৎপাদন করা, কৃত্রিমভাবে তৈরি ও ছাপ ব্যবহার করে সিম রিপ্লেসমেন্ট করে এবং রিপ্লেস হওয়া সিমের এমএফএস হিসেবে প্রবেশ করে গ্রাহকের ফান্ড ট্রান্সফার করে অর্থ হাতিয়ে নিত। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ৪ জন কারাগারে রয়েছে এবং ৫ জনকে আদালতে সোপর্দের প্রস্তুতি চলছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে বাগেরহাটের পুলিশ সুপারের কনফারেন্স কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য তুলে ধরেন পুলিশ সুপার মো. জামিরুল ইসলাম।
পুলিশ জানায়, গত ২৭ জুন ভোরে ৩টি সিমে থাকা ২ লাখ ৫০ হাজার ৮৬৮ টাকা ই-ট্রানজেকশনের মাধ্যমে প্রতারকরা নিয়ে যায়। মোংলা থানায় এ সংক্রান্ত একটি মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তদন্তের মাধ্যমে আরও ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এদের কাছ থেকে ১১ টি মুঠোফোন ও বিকাশ প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া ৮০ হাজার ৭৪০ টাকা উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও এ চক্রের সঙ্গে অন্য যারা রয়েছে, তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন- বাগেরহাট জেলার ইয়াছিন সওদাগর (২১), মো. শামীম মেখ (২৭), রাশেদ মোড়ল (২০), এহসানুল হাসান রাকিব (৩২), পটুয়াখালীর ফেরদাউস (২১), মুন্সিগঞ্জের আশরাফুল ইসলাম (২৬), মেহেদী হাসান (২৯), বরগুনার মো. নাজমুল হাসান (২০) ও পটুয়াখালীর মো. মামুন গাজী (২১)।
পুলিশ জানিয়েছে, এসব আসামিরা এর আগেও এ ধরনের জালিয়াতির মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অপরাধে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী জানিয়েছেন, বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে তাড়াহুড়ো করার কোনো প্রয়োজন নেই। তিনি উল্লেখ করেছেন, এ বিষয়ে আলোচনা এখনও অত্যন্ত ইতিবাচক রয়েছে এবং উভয় দেশের সরকারপ্রধানদের সুবিধাজনক সময়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ভারতীয় হাইকমিশনার। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত প্রায় ঘণ্টাব্যাপী এই বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
দীনেশ ত্রিবেদী সাংবাদিকদের জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য ভারতের দেওয়া আমন্ত্রণের দরজা সবসময় উন্মুক্ত রয়েছে। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী যখনই উপযুক্ত মনে করবেন, তখনই এই বহুল প্রতীক্ষিত সফরটি অনুষ্ঠিত হবে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে তিনি জানান, বৈঠকটি একটি চমৎকার পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে, যেখানে ব্যক্তিগত ও কূটনৈতিক সম্পর্ক পর্যালোচনা করা হয়েছে। কোনো একক সুনির্দিষ্ট ইস্যুর বদলে সার্বিক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে তাদের আলোচনা হয়েছে।
পরে দেওয়া এক বিবৃতিতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ভারতের সঙ্গে সুদূরপ্রসারী, টেকসই এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাপূর্ণ মনোভাব বজায় রেখে কাজ করে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ