ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০৩.৭৩ ডলারে পৌঁছেছে


বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০৩.৭৩ ডলারে পৌঁছেছে

মধ্যপ্রাচ্য থেকে অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক হতে শুরু করার ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম কিছুটা কমেছিল। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার সম্ভাবনা নাকচ করে দেওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে।

বাংলাদেশ সময় বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টা নাগাদ আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের প্রতি ব্যারেল ফিউচার প্রাইস ১ দশমিক ১৪ ডলার বা ১ দশমিক ১১ শতাংশ বেড়ে ১০৩ দশমিক ৭৩ ডলারে পৌঁছেছে। খবরটি এসেছে র‍য়টার্সের মাধ্যমে।

একই সময়ে মার্কিন বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুড অয়েলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৩৪ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৩৮ শতাংশ বেড়ে ৮৯ দশমিক ৭২ ডলারে পৌঁছেছে।

আরও পড়ুন: সরকারি কর্মচারীদের ভাতা নির্ধারণে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি

বর্তমান সেপ্টেম্বর মাসে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ১৪ শতাংশ বৃদ্ধির পথে রয়েছে, যা গত জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ বৃদ্ধি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। অন্যদিকে, মে মাসের পর প্রথমবারের মতো ১০৬ ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করা ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম চলতি মাসে প্রায় ৪ শতাংশ বৃদ্ধির পথে রয়েছে।

জ্বালানি বিশ্লেষক সংস্থা কেপলার জানাচ্ছে, গত ২৪ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিশ্চিত হওয়া দৈনিক তেল পরিবহনের পরিমাণে বড় ধরনের তারতম্য দেখা গেছে। এই দিনগুলোতে প্রতিদিন গড়ে ৬৫ লাখ থেকে ১ কোটি ২৬ লাখ ব্যারেল পর্যন্ত তেল সরবরাহ হয়েছে। সাম্প্রতিক দিনগুলোর প্রাথমিক তথ্য যাচাই ও চূড়ান্ত হিসাবের পর তেল পরিবহনের এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

গত সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) কেপলারের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, চলতি সেপ্টেম্বরে মধ্যপ্রাচ্যের তেল উৎপাদনকারী দেশগুলো থেকে অপরিশোধিত তেল রপ্তানি বেড়ে দৈনিক ১ কোটি ৬৩ লাখ ২৮ হাজার ব্যারেলে দাঁড়িয়েছে। গত ফেব্রুয়ারির শেষে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরুর পর এটিই সর্বোচ্চ রপ্তানি।

আরও পড়ুন: বিশ্ববাজারে সোনার দাম বেড়ে গেল, বিনিয়োগকারীদের নজর ফেডারেল রিজার্ভের সিদ্ধান্তে

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাকরিপ্রার্থী ও নিয়োগদাতার দূরত্ব কমাতে সরকার চালু করছে ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:১০ পি.এম


চাকরিপ্রার্থী ও নিয়োগদাতার দূরত্ব কমাতে সরকার চালু করছে ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ’

কোনো জেলা বা উপজেলায় চাকরিপ্রার্থীরা জানেন না তাদের এলাকায় কোন প্রতিষ্ঠানে দক্ষ কর্মীর প্রয়োজন রয়েছে। অন্যদিকে, প্রতিষ্ঠানগুলোও জানে না কোন এলাকায় দক্ষ কর্মী উপলব্ধ। এই সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ’ চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার।

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা যায়, প্রথমে কিছু নির্বাচিত জেলা ও উপজেলায় এই কার্যক্রমের পরীক্ষামূলক (পাইলট) শুরু হবে। পাইলট কার্যক্রমের ফলাফল বিশ্লেষণ করে পরবর্তীতে এটি দেশের অন্যান্য জেলা ও উপজেলায় সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

সরকারের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ চালুর বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় গত এপ্রিল মাসে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে একটি পরামর্শ সভার আয়োজন করা হয়। উদ্যোগটির বাস্তবায়ন কাঠামো নিয়ে আলোচনা এখনও চলমান রয়েছে।

এ বিষয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব কামরুন নাহার জানান, কার্যক্রম বর্তমানে চলমান রয়েছে। প্রথম পর্যায়ে আমরা পাইলট কার্যক্রম শুরু করব। এ ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু উপজেলা বা জেলা পর্যায়ে প্রাথমিকভাবে কাজ শুরু হতে পারে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, পরবর্তী মিটিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিনের উপস্থিতিতে পাইলট কার্যক্রমের বিষয়টি চূড়ান্ত হবে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নির্বাচিত এলাকায় পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের অভিজ্ঞতা নিয়ে পরে ধাপে ধাপে অন্যান্য এলাকাগুলোকে এর আওতায় আনা হবে।

এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জের মূল উদ্দেশ্য হলো চাকরিপ্রার্থী ও নিয়োগদাতার তথ্য একটি সিস্টেমের মাধ্যমে একত্রিত করা। চাকরিপ্রার্থীরা তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, দক্ষতা ও কাজের অভিজ্ঞতার তথ্য নিবন্ধন করতে পারবেন। অন্যদিকে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের শূন্য পদ ও প্রয়োজনীয় যোগ্যতার তথ্য প্রদান করতে সক্ষম হবে।

এরপর প্রার্থীর যোগ্যতা ও দক্ষতার সঙ্গে পদের প্রয়োজনীয়তা মিলিয়ে উপযুক্ত প্রার্থী খুঁজে বের করার ব্যবস্থা থাকবে। কোনো প্রতিষ্ঠানের কর্মী প্রয়োজন হলে, স্থানীয়ভাবে নিবন্ধিত চাকরিপ্রার্থীদের মধ্য থেকে উপযুক্ত ব্যক্তিকে খুঁজে বের করার সুযোগ তৈরি হবে।

সরকারের বাজেট বক্তৃতায় উল্লেখ করা হয়েছে, যদি কোনো চাকরিপ্রার্থীর প্রয়োজনীয় দক্ষতার ঘাটতি থাকে, তবে তাকে উপযুক্ত প্রশিক্ষণকেন্দ্রে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে। তবে, কোন শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রার্থীরা প্রথম ধাপে নিবন্ধনের সুযোগ পাবেন, স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে শূন্য পদের তথ্য দেবে এবং জেলা-উপজেলা পর্যায়ে কোন দপ্তর এটি সমন্বয় করবে—এসব বিষয়ে বিস্তারিত কাঠামো এখনও প্রকাশ করা হয়নি।

এ উদ্যোগের সঙ্গে শ্রমবাজারের চাহিদার তথ্য সংগ্রহের বিষয়টিও যুক্ত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) যৌথভাবে লেবার ডিমান্ড সার্ভিস সার্ভে নিয়ে কাজ করছে। এতে বিভিন্ন খাতে কী ধরনের কর্মীর চাহিদা রয়েছে, কী দক্ষতা প্রয়োজন এবং ভবিষ্যতে কোন ধরনের দক্ষতার চাহিদা বাড়তে পারে, তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে।

অর্থাৎ, একজন চাকরিপ্রার্থী হয়তো কাজ খুঁজছেন, কিন্তু তার এলাকায় যে কাজটি রয়েছে, তার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা তার নেই। আবার, তার যে দক্ষতার চাহিদা রয়েছে, সেই কাজ হয়তো অন্য জেলায়। এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে এই তথ্যের অমিল কমানোর চেষ্টা করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলেটে এআই ট্রেনিং সেন্টার স্থাপন করবে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:১০ পি.এম


সিলেটে এআই ট্রেনিং সেন্টার স্থাপন করবে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী

তরুণদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং তথ্যপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জনের জন্য সিলেটে একাধিক এআই ট্রেনিং সেন্টার প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

মন্ত্রী জানান, সিলেট থেকে এই কার্যক্রম শুরু করে ধাপে ধাপে বিভাগের অন্যান্য জেলাগুলোতে এটি সম্প্রসারিত করা হবে। এর মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের তরুণ-তরুণীদের ফ্রিল্যান্সিং এবং আন্তর্জাতিক আইটি খাতে কাজের জন্য প্রস্তুত করা হবে, পাশাপাশি দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) অডিটোরিয়ামে জালালাবাদ ছাত্রকল্যাণ সমিতি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নবীনবরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, দেশে বিশেষ করে সিলেটে ফ্রিল্যান্সিংয়ের বিশাল সম্ভাবনা বিদ্যমান। তিনি বলেন, বর্তমানে অনেক তরুণ মাসে ৫০০ থেকে ২ হাজার, ৪ হাজার অথবা ৫ হাজার ডলার পর্যন্ত আয় করছেন। কিছু উচ্চ পর্যায়ের ফ্রিল্যান্সারের আয় আরও বেশি।

এই সম্ভাবনাকে নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। মন্ত্রী বলেন, এআই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নতুন একঝাঁক তরুণ-তরুণীকে এমন পর্যায়ে পৌঁছাতে হবে, যেখানে তারা নিজেদের উপার্জনে সক্ষম হবেন। ফ্রিল্যান্সিং এবং তথ্যপ্রযুক্তির কাজে তারা দেশে বৈদেশিক মুদ্রা আনতে সক্ষম হবেন এবং বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর আইটি-সংশ্লিষ্ট কাজ বাংলাদেশে নিয়ে আসতে পারবেন।

মন্ত্রী দেশের উন্নয়নে শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং গবেষণায় বিনিয়োগের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, উন্নয়ন একটি সমন্বিত প্রক্রিয়া। বিশ্বের যেসব দেশ টেকসইভাবে এগিয়েছে, তাদের মৌলিক বিনিয়োগের প্রধান ক্ষেত্র ছিল স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং গবেষণা ও উদ্ভাবন।

তিনি আরও বলেন, গবেষণায় পর্যাপ্ত বিনিয়োগের স্তরে পৌঁছানোর আগে বাংলাদেশকে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের মৌলিক চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে হচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদী ও ধারাবাহিক বিনিয়োগ ছাড়া দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এবং টেকসই অর্থনৈতিক অগ্রগতি সম্ভব নয়।

সরকারের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষ্য সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা ও স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকারের দুটি ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, পর্যায়ক্রমে এ দুই খাতে বাজেট বরাদ্দ বাড়িয়ে প্রত্যেকটিতে জিডিপির ৫ শতাংশের সমপরিমাণ বিনিয়োগের লক্ষ্য রয়েছে।

তবে তিনি এটিকে দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, এ পর্যায়ে পৌঁছানো সহজ নয় এবং এজন্য দীর্ঘ পথ অতিক্রম করতে হবে।

সিলেট অঞ্চলের শিক্ষার অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, দেশের বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার ও শিক্ষার বিভিন্ন সূচকে সিলেট পিছিয়ে রয়েছে। শহর ও গ্রামীণ জনপদ— উভয় ক্ষেত্রেই জাতীয় গড়ের তুলনায় অঞ্চলটির অবস্থান প্রত্যাশিত নয়। বিদ্যালয়ের সংখ্যা, পাসের হার, প্রাথমিক শিক্ষার মান এবং শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও পিছিয়ে থাকার চিত্র রয়েছে। তবে তিনি মন্তব্য করেন, এ পিছিয়ে থাকার কারণ সিলেটের মানুষের মেধা বা সক্ষমতার ঘাটতি নয়।

মন্ত্রী বলেন, সিলেট অঞ্চলের বিপুলসংখ্যক মানুষ যুক্তরাজ্য, উত্তর আমেরিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শিক্ষা, রাজনীতি, ব্যবসা ও নানা পেশায় উল্লেখযোগ্য অবস্থান তৈরি করেছেন। ফলে অঞ্চলটির শিক্ষাগত পিছিয়ে পড়ার কারণ খুঁজতে হলে অবকাঠামো, প্রতিষ্ঠানগত সক্ষমতা, নেতৃত্ব ও অন্যান্য কাঠামোগত সীমাবদ্ধতার দিকে নজর দিতে হবে।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, জ্ঞানভিত্তিক সমাজ ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গঠনে উচ্চশিক্ষার ভূমিকা অপরিসীম। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনকে কেবল ডিগ্রি অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব, গবেষণা, উদ্ভাবন ও দেশ গঠনের উপযোগী দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে।

বক্তব্যে নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে এমন দক্ষতা অর্জন করতে হবে, যা শিক্ষার্থীদের নিজেদের পাশাপাশি সমাজ ও দেশের জন্যও কার্যকর ভূমিকা রাখার সক্ষমতা তৈরি করবে। একইসঙ্গে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের পেশাগত জীবনে সততা, দায়িত্বশীলতা ও দেশসেবার মানসিকতা নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ভর্তি হওয়া সিলেট বিভাগের তিন জেলার নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয়। একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাজীবন সফলভাবে সম্পন্ন করা কৃতি শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ বক্তা ও অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ড. আলী মোহাম্মদ কাওছার, দৈনিক ‘আগামীর সময়’ পত্রিকার সম্পাদক মোস্তফা মামুন, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মাহদীন চৌধুরী ও ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জালালাবাদ ছাত্রকল্যাণ সমিতি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান ও সহসভাপতি শাকেরা বখস।

অনুষ্ঠানে সমিতির বর্তমান ও সাবেক নেতৃবৃন্দ এবং সিলেট অঞ্চলের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোপালগঞ্জে মামা বাড়ির এলাকায় রেজার কপাল পুড়ল, মরদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:১১ পি.এম


গোপালগঞ্জে মামা বাড়ির এলাকায় রেজার কপাল পুড়ল, মরদেহ উদ্ধার

গোপালগঞ্জে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে সদর উপজেলার উলপুর এলাকার একটি পরিত্যক্ত ধানের মিলের ঘরের জানালার সঙ্গে বেল্ট দিয়ে ঝুলিয়ে রাখা অবস্থায় উদ্ধার করা হয় মরদেহটি।

নিহত ইমাম রেজার (১৮) বরিশাল জেলায় জন্মগ্রহণ করলেও বর্তমানে তিনি সদর উপজেলার উলপুর পূর্বপাড়া গ্রামে মামা বাড়ির এলাকায় মায়ের সঙ্গে বসবাস করতেন। তার বাবার নাম জহিরুল মৃধা। ইমাম রেজা গোপালগঞ্জ শহরের একটি শাড়ির দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন।

স্বজনদের অভিযোগ, ইমামকে হত্যা করে পরিত্যক্ত ঘরের জানালার সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন এবং রক্তের দাগ রয়েছে।

এ বিষয়ে বৌলতলী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক শফিউল আলম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে জানা যাবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্তন ক্যান্সারের ৫ ধাপ: কোন পর্যায়ে কতটা ছড়ালে শরীরে কি ঘটে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:১২ পি.এম


স্তন ক্যান্সারের ৫ ধাপ: কোন পর্যায়ে কতটা ছড়ালে শরীরে কি ঘটে

স্তন ক্যান্সার বিশ্বব্যাপী নারীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি শনাক্ত হওয়া ক্যান্সারগুলোর একটি। প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক নারী এই রোগে আক্রান্ত হন এবং অনেকেই মারা যান। আন্তর্জাতিক ক্যান্সার গবেষণা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, যদি বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকে, তবে ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বে প্রতিবছর নতুন স্তন ক্যান্সার রোগীর সংখ্যা ৩২ লাখ এবং মৃত্যুর সংখ্যা ১১ লাখে পৌঁছাতে পারে।

বাংলাদেশেও নারীদের জন্য স্তন ক্যান্সার একটি বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক ক্যান্সার গবেষণা সংস্থার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে প্রতিবছর নারীদের মধ্যে সাড়ে নয় হাজারের বেশি নতুন স্তন ক্যান্সারের ঘটনা শনাক্ত করা হয়।

যখন স্তন ক্যান্সার ধরা পড়ে, তখন রোগটি শরীরের কতটা অংশে ছড়িয়েছে তা জানা চিকিৎসার ধরন নির্ধারণের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। টিউমারের আকার, কাছাকাছি লসিকাগ্রন্থিতে ক্যান্সার ছড়িয়েছে কি না এবং শরীরের অন্য কোথাও ছড়িয়েছে কি না—এসব বিষয় বিবেচনা করে রোগের পর্যায় নির্ধারণ করা হয়।

চিকিৎসাবিজ্ঞানে স্তন ক্যান্সারকে সাধারণত পাঁচটি পর্যায়ে ভাগ করা হয়—শূন্য থেকে চার। শূন্য পর্যায়ে ক্যান্সার কোষ নির্দিষ্ট জায়গায় সীমাবদ্ধ থাকে, আর চতুর্থ পর্যায়ে তা শরীরের দূরবর্তী অংশেও ছড়িয়ে পড়ে।

যেভাবে স্তন ক্যান্সারের পর্যায় নির্ধারণ করা হয়

স্তন ক্যান্সারের পর্যায় নির্ধারণের জন্য টিউমার, লসিকাগ্রন্থি ও শরীরের অন্য অংশে ক্যান্সার ছড়িয়েছে কি না—এই তিনটি বিষয় বিশেষভাবে দেখা হয়।

এছাড়া ক্যান্সারের হরমোন গ্রহণকারী অংশের অবস্থা, এইচইআর২ নামের একটি বিশেষ প্রোটিনের উপস্থিতি, ক্যান্সারের প্রকৃতি এবং কিছু ক্ষেত্রে বংশগত বৈশিষ্ট্যভিত্তিক পরীক্ষার ফলও বিবেচনা করা হয়।

শূন্য পর্যায়: ক্যান্সার নির্দিষ্ট জায়গায় সীমাবদ্ধ

শূন্য পর্যায়ে ক্যান্সার কোষ সাধারণত স্তনের দুধ বহনকারী নালির মধ্যে থাকে। তবে তা আশপাশের স্তন টিস্যুতে ছড়িয়ে পড়ে না। এই অবস্থাকে দুধনালির ভেতরে সীমাবদ্ধ ক্যান্সার বলা হয়।

প্রথম পর্যায়: ক্যান্সার ছড়ানো শুরু

প্রথম পর্যায় হলো আক্রমণাত্মক স্তন ক্যান্সারের শুরুর পর্যায়। এই সময় ক্যান্সার কোষ স্তনের স্বাভাবিক টিস্যুতে ছড়াতে শুরু করে।

প্রথম পর্যায় ক: টিউমারের আকার ২ সেন্টিমিটার বা তার কম থাকে। এই সময় স্তনের বাইরে বা কাছাকাছি লসিকাগ্রন্থিতে ক্যান্সার ছড়ায় না।

প্রথম পর্যায় খ: কখনো স্তনে স্পষ্ট কোনো টিউমার নাও থাকতে পারে। টিউমার থাকলে সেটি ২ সেন্টিমিটার বা তার কম হতে পারে। একই সঙ্গে কাছাকাছি লসিকাগ্রন্থিতে অল্প পরিমাণ ক্যান্সার কোষ পাওয়া যেতে পারে।

দ্বিতীয় পর্যায়: কাছাকাছি লসিকাগ্রন্থিতে ছড়াতে পারে

দ্বিতীয় পর্যায় ক: স্তনে টিউমার নাও থাকতে পারে। টিউমার থাকলে তা ২ সেন্টিমিটারের কম হতে পারে এবং বগলের নিচে বা স্তনবোনের কাছাকাছি সর্বোচ্চ তিনটি লসিকাগ্রন্থিতে ক্যান্সার ছড়াতে পারে।

কিছু ক্ষেত্রে টিউমারের আকার ২ থেকে ৫ সেন্টিমিটার হতে পারে। তবে তখন কাছাকাছি লসিকাগ্রন্থিতে ক্যান্সার ছড়ানোর প্রমাণ থাকে না।

দ্বিতীয় পর্যায় খ: টিউমারের আকার ২ থেকে ৫ সেন্টিমিটার হতে পারে। এই সময় কাছাকাছি লসিকাগ্রন্থিতে অল্প পরিমাণ ক্যান্সার কোষ পাওয়া যেতে পারে। আবার বগলের নিচে বা স্তনবোনের কাছাকাছি সর্বোচ্চ তিনটি লসিকাগ্রন্থিতেও ক্যান্সার ছড়াতে পারে।

কিছু ক্ষেত্রে টিউমার ৫ সেন্টিমিটারের চেয়েও বড় হতে পারে। তবে তখন কাছাকাছি লসিকাগ্রন্থিতে ক্যান্সার ছড়ানোর প্রমাণ থাকে না।

তৃতীয় পর্যায়: স্তন ও আশপাশে বেশি ছড়িয়ে পড়ে

তৃতীয় পর্যায়ে ক্যান্সার স্তনের আশপাশের টিস্যু ও লসিকাগ্রন্থিতে আরও বেশি ছড়িয়ে পড়তে পারে।

তৃতীয় পর্যায় ক: টিউমার দৃশ্যমান নাও হতে পারে। টিউমার থাকলে সেটি যেকোনো আকারের হতে পারে এবং বগলের নিচে বা স্তনবোনের কাছাকাছি চার থেকে নয়টি লসিকাগ্রন্থিতে ক্যান্সার ছড়াতে পারে।

অন্য ক্ষেত্রে টিউমার ৫ সেন্টিমিটারের বেশি হতে পারে এবং সর্বোচ্চ তিনটি কাছাকাছি লসিকাগ্রন্থিতে ক্যান্সার ছড়াতে পারে।

তৃতীয় পর্যায় খ: টিউমার যেকোনো আকারের হতে পারে। এই সময় ক্যান্সার স্তনের বুকের দেয়াল, ত্বক অথবা উভয় জায়গায় ছড়িয়ে পড়তে পারে। বগলের নিচে সর্বোচ্চ নয়টি লসিকাগ্রন্থি বা কলারবোনের আশপাশের লসিকাগ্রন্থিতেও ক্যান্সার ছড়াতে পারে।

তৃতীয় পর্যায় গ: টিউমার যেকোনো আকারের হতে পারে এবং বুকের দেয়াল বা স্তনের ত্বকে ছড়িয়ে পড়তে পারে। একই সঙ্গে বগলের নিচে বা স্তনবোনের কাছাকাছি লসিকাগ্রন্থি, কলারবোনের আশপাশের লসিকাগ্রন্থি কিংবা বগলের নিচে ১০ বা তার বেশি লসিকাগ্রন্থিতে ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়তে পারে।

চতুর্থ পর্যায়: শরীরের দূরবর্তী অংশে ছড়িয়ে পড়ে

চতুর্থ পর্যায়কে ছড়িয়ে পড়া স্তন ক্যান্সারও বলা হয়। এই পর্যায়ে ক্যান্সার স্তন ও কাছাকাছি লসিকাগ্রন্থির বাইরে শরীরের দূরবর্তী অংশে ছড়িয়ে পড়ে।

স্তন ক্যান্সার সাধারণত হাড়, মস্তিষ্ক, যকৃৎ ও ফুসফুসে ছড়িয়ে পড়তে পারে। ক্যান্সার শরীরের কোন অংশে ছড়িয়েছে, তার ওপর উপসর্গও নির্ভর করে।

সাধারণভাবে অতিরিক্ত ক্লান্তি, দুর্বলতা, অনিচ্ছাকৃত ওজন কমে যাওয়া এবং ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়া জায়গার আশপাশে ব্যথা দেখা দিতে পারে।

যেসব লক্ষণ দেখা দিতে পারে

স্তন ক্যান্সারের লক্ষণ ব্যক্তি ও রোগের ধরন অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে। কারও আবার শুরুতে কোনো স্পষ্ট উপসর্গ নাও থাকতে পারে।

তবে সবচেয়ে পরিচিত লক্ষণগুলোর একটি হলো স্তনে ব্যথাহীন গাঁট। এ ছাড়া বগলের নিচে বা কলারবোনের কাছে লসিকাগ্রন্থি ফুলে যেতে পারে। স্তন বা বোঁটায় ব্যথা, স্তনের কোনো অংশ ফুলে যাওয়া, ত্বকে গর্তের মতো হয়ে যাওয়া, ত্বক মোটা বা লালচে হওয়া এবং খসখসে পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।

বোঁটা দিয়ে রক্তমিশ্রিত তরল বের হওয়া কিংবা বোঁটা ভেতরের দিকে ঢুকে যাওয়াও স্তন ক্যান্সারের সম্ভাব্য লক্ষণ হতে পারে।

কোন পর্যায়ে বেঁচে থাকার হার কত

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ক্যান্সার ইনস্টিটিউটের তথ্যভান্ডারে স্তন ক্যান্সার শরীরে কতটা ছড়িয়েছে, তার ভিত্তিতে তিনটি ভাগ করা হয়—স্তনের মধ্যে সীমাবদ্ধ, কাছাকাছি অংশে ছড়ানো এবং শরীরের দূরবর্তী অংশে ছড়ানো।

তথ্য অনুযায়ী, স্তনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকা ক্যান্সারের ক্ষেত্রে পাঁচ বছর পর বেঁচে থাকার হার ৯৯ দশমিক ৩ শতাংশ। কাছাকাছি লসিকাগ্রন্থি বা টিস্যুতে ছড়িয়ে পড়লে এই হার ৮৬ দশমিক ৩ শতাংশ। আর শরীরের দূরবর্তী অংশে ছড়িয়ে পড়লে পাঁচ বছর পর বেঁচে থাকার হার ৩১ শতাংশ।

সব ধরনের স্তন ক্যান্সার মিলিয়ে পাঁচ বছর পর বেঁচে থাকার গড় হার ৯০ দশমিক ৮ শতাংশ।

তবে এসব পরিসংখ্যান বড় জনগোষ্ঠীর ওপর ভিত্তি করে তৈরি। একজন নির্দিষ্ট রোগীর ক্ষেত্রে বয়স, সামগ্রিক স্বাস্থ্য, ক্যান্সারের ধরন এবং চিকিৎসায় সাড়া দেওয়ার মতো বিভিন্ন বিষয় ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে।

স্তন ক্যান্সারের পর্যায় জানা রোগটি কতটা ছড়িয়েছে এবং চিকিৎসার ধরন সম্পর্কে ধারণা পেতে সাহায্য করে। তবে একই পর্যায়ের সব রোগীর অবস্থা এক রকম নয়। তাই স্তনে অস্বাভাবিক কোনো পরিবর্তন দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করানো জরুরি।

সূত্র: হেলথলাইন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%