মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৩২ পি.এম
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের উদ্যোগে ক্যাম্পাসে এক বর্ণাঢ্য র্যালি অনুষ্ঠিত হয়।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে র্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্যারিস রোডে এসে শেষ হয়।
র্যালিতে ফোরামের সভাপতি প্রফেসর গোলাম ছাদিক এবং সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আমীরুল ইসলাম, ফোরামের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ এবং বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।
র্যালি-পরবর্তী সময়ে বক্তারা সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে উল্লেখ করেন, বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর থেকে দেশের বহুদলীয় গণতন্ত্র, জনগণের অধিকার, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। তাঁরা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, আইনের শাসন ও শিক্ষাঙ্গনে মুক্ত ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। শিক্ষকদের উচিত নিজেদের অবস্থান থেকে একটি সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে ইতিবাচক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা।
এ সময় রাবি জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো. আমীরুল ইসলাম বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা ও জাতীয় ঐক্যের যে রাজনৈতিক দর্শন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তা বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। বিএনপি দীর্ঘ রাজনৈতিক পথপরিক্রমায় গণতন্ত্র, জনগণের অধিকার এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
তিনি আরও বলেন, আজকের এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আমাদের প্রত্যয় হওয়া উচিত—বাংলাদেশে গণতন্ত্র, আইনের শাসন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, শিক্ষার পরিবেশ এবং মানুষের মৌলিক অধিকারকে আরও শক্তিশালী করা। বিশ্ববিদ্যালয় হলো মুক্তবুদ্ধি, জ্ঞানচর্চা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের কেন্দ্র। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম মনে করে, একটি মুক্ত, নিরাপদ ও দলনিরপেক্ষ শিক্ষাঙ্গনই পারে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে একটি উন্নত ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার নেতৃত্ব দিতে।
তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়। তাই সকল বিভেদ, সংকীর্ণতা ও স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করাই হোক আমাদের অঙ্গীকার। বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই দিনে আমাদের প্রত্যাশা—বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক, বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে এগিয়ে যাবে। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ এবং দেশের মর্যাদা ও সার্বভৌমত্ব সমুন্নত রাখতে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব।
প্রসঙ্গত, প্রয়াত সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর ঢাকার রমনা পার্কে দলটি প্রতিষ্ঠা করেন এবং তিনি ছিলেন দলের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। সেই দিনকে স্মরণ করেই বর্ণাঢ্য র্যালির মধ্য দিয়ে জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি পালন করছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কওমি-বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার শতাধিক মানুষ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন। তারা আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে যোগদান করেন একটি দাওয়াতি সমাবেশের মাধ্যমে, যা দলটির মাসব্যাপী গণসংযোগ কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত হয়।
মঙ্গলবার রাজধানীর কাকরাইলে অবস্থিত ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এই দাওয়াতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক, আইনজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। জামায়াতের নেতারা নতুন যোগদানকারী নেতাকর্মীদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানান এবং তাদের বরণ করে নেন। পরে, নতুন যোগদানকারীদের মধ্যে কয়েকজন সমাবেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য প্রদান করেন।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর আমির নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে একটি দৃঢ় বার্তা প্রদান করেন। তিনি বলেন, ‘কোনো বাতিলের সঙ্গে আপস করব না, কারও কাছে মাথানত করব না। চলার পথে বাধা আসবে, জীবন দেওয়ার সময় আসবে। ইনশাআল্লাহ, এ দেশে কোরআনের আইন কায়েম হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আজকে যেমন এক ছাদের নিচে আছি, পরকালে আল্লাহ যেন আমাদের গুনাহ মাফ করে এক ছাদের নিচে রাখেন।’
যুব সমাজের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে জামায়াতের আমির বলেন, যুগে যুগে যুব সমাজের ওপর ভর করেই আল্লাহর দ্বীন কায়েম হয়েছে। আল্লাহ যতদিন হায়াত দেবেন, ততদিন উদ্যমের সঙ্গে কাজ করে যেতে হবে।
এ সময় তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, ধর্মের ভিত্তিতে সমাজকে কোনোভাবেই বিভাজনের দিকে ঠেলে দেওয়া হবে না।
সমাবেশে অন্যান্য বক্তারা জামায়াতে ইসলামীকে আরও সুসংহত ও শক্তিশালী করার পাশাপাশি দেশ ও সমাজে ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশের পুঁজিবাজারে ডেরিভেটিভস মার্কেট ২০২৮ সালের মধ্যে চালু হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে 'ইনডেক্স ফিউচার' এর মাধ্যমে ডেরিভেটিভস লেনদেন শুরু হবে। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) দাখিলকৃত একটি বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা অনুমোদন করার মাধ্যমে এই সময়সীমা চূড়ান্ত করেছে।
মঙ্গলবার বিএসইসির চেয়ারম্যান মাসুদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আবুল কালাম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
কমিশন সভায় পুঁজিবাজারে সরাসরি তালিকাভুক্তি বিধিমালার খসড়া অনুমোদন, ‘জেড ক্যাটাগরির’ শেয়ার হস্তান্তরে শর্ত শিথিলকরণ এবং বিদেশি শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ বিতরণে জটিলতা নিরসনের বিষয়ে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কমিশনের এই সিদ্ধান্তগুলো দীর্ঘদিন ধরে চলমান সমস্যার সমাধান করবে এবং দেশের পুঁজিবাজারে গতিশীলতা আনবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
আর্থিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইনডেক্স ফিউচার চালুর ফলে বিনিয়োগকারীরা পুরো ইনডেক্সের উত্থান-পতনের ওপর ভিত্তি করে হেজিং করার সুযোগ পাবেন। এটি নিম্নমুখী বাজারে পোর্টফোলিও রক্ষায় কার্যকর সেফটি নেট হিসেবে কাজ করবে। ডেরিভেটিভস মার্কেট চালুর মাধ্যমে দেশের পুঁজিবাজারে আধুনিক বিনিয়োগ সরঞ্জামের সংযোজন এবং বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার পথ প্রশস্ত হবে।
ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের খসড়া অনুমোদন: বিএসইসির কমিশন সভায় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (ডাইরেক্ট লিস্টিং অব সিকিউরিটিজ বাই স্টক এক্সচেঞ্জ রুলস, ২০২৬) এর খসড়া অনুমোদন করা হয়েছে। এই নতুন বিধিমালার অধীনে যোগ্য কোম্পানিগুলো প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিও প্রক্রিয়া ছাড়াই সরাসরি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে পারবে। এই প্রক্রিয়ায় বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডারদের মালিকানাধীন মোট শেয়ারের ১০% থেকে ২০% শেয়ার অফলোড করার শর্ত আরোপ করা হয়েছে। নতুন বিধিমালার আওতায় নিম্নলিখিত ক্যাটাগরির প্রতিষ্ঠানগুলো সরাসরি তালিকাভুক্তির সুযোগ পাবে:
সরকারের সম্পূর্ণ বা সংখ্যাগরিষ্ঠ মালিকানাধীন কোম্পানি, যার পরিশোধিত মূলধনের কমপক্ষে ১০% সরকারের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মালিকানাধীন রয়েছে। বিদেশি শেয়ারহোল্ডারদের সম্পূর্ণ বা সংখ্যাগরিষ্ঠ মালিকানাধীন কোম্পানি। বিটিআরসি অনুমোদিত এবং কমপক্ষে ৫০০ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধনি টেলিকম, আইসিটি, অবকাঠামো সেবা প্রদানকারী অথবা উৎপাদনকারী কোম্পানি। তফসিলি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বিমা কোম্পানি যারা কমপক্ষে ৩ বছর ধরে ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। কমপক্ষে ৫০০ কোটি টাকা বার্ষিক টার্নওভার বা মোট সম্পদের অধিকারী কোম্পানি।
কমিশনে নিবন্ধিত স্টক এক্সচেঞ্জ, ডিপোজিটরি এবং সেন্ট্রাল কাউন্টারপার্টি।
বিদেশি শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ প্রেরণ: বিদেশি শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ প্রেরণ ও তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর বিদেশি বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ প্রেরণের দীর্ঘদিনের জটিলতা নিরসনে কমিশন একটি সময়সীমা নির্ধারণ করেছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) হতে ডাবল ট্যাক্সেশন অ্যাভয়েডেন্স (ডিটিএ) সার্টিফিকেট প্রাপ্তির ৩০ দিনের মধ্যে এবং সংশ্লিষ্ট অর্থবছরের মধ্যেই ঘোষিত লভ্যাংশ বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অনুকূলে প্রেরণ করতে হবে। পরবর্তীতে বিদেশি শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ প্রেরণের ৩০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত রিপোর্ট কমিশন ও স্টক এক্সচেঞ্জে জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বিদেশি পোর্টফোলিও বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ প্রত্যাবাসনে বিলম্ব সংক্রান্ত অভিযোগ নিরসনে এই পদক্ষেপ কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে কমিশন মনে করছে।
জেড-ক্যাটাগরির কোম্পানির শেয়ারসংক্রান্ত বিধিনিষেধ শিথিল: ‘জেড-ক্যাটাগরি’ ভুক্ত কোম্পানির স্পন্সর বা পরিচালকদের শেয়ার হস্তান্তরের ক্ষেত্রে বিশেষ দুটি পরিস্থিতিতে কমিশনের পূর্বানুমোদনের বাধ্যবাধকতা বিলোপ করা হয়েছে। এখন থেকে ঋণখেলাপির কারণে শেয়ার বাজেয়াপ্ত এবং মূল শেয়ারহোল্ডারের মৃত্যুর ক্ষেত্রে উত্তরাধিকারীদের অনুকূলে শেয়ার ট্রান্সমিশনের জন্য কমিশনের আলাদা অনুমতির প্রয়োজন হবে না। স্টক এক্সচেঞ্জগুলো লিস্টিং রেগুলেশন অনুযায়ী সরাসরি প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
‘ক্যাপ্টেন অফ দ্য শিপ’ সৃজিত একটি নাচের ভিডিয়োতে নেতৃত্ব দিয়েছেন। যীশু এবং অনুজয় সৃজিতের সঙ্গে মাথায় ঝুড়ি নিয়ে নাচের ছন্দে পা মেলান। শঙ্কর চক্রবর্তী ‘কিশোরী’ ইধিকার পাশে এসে দেবকে টেক্কা দেন।
নেটদুনিয়ায় ‘কিশোরী’ গানের নতুন ভার্সন নিয়ে উন্মাদনা চলছে। সম্প্রতি পুদুচেরিতে ‘কুইন ভিক্টোরিয়া এবং গোয়েন্দা কানাইচরণ’-এর শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। সেখানেই পুরো টিম মিলে একটি ভিডিয়ো শুট করেছেন, যা ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সৃজিত নিজেই এই ভিডিয়োতে নেতৃত্ব দিয়েছেন। যীশু এবং অনুজয় সৃজিতের সঙ্গে নাচের ছন্দে অংশগ্রহণ করেছেন। এরপরই এসেছে একটি চমক। শঙ্কর চক্রবর্তী ‘কিশোরী’ ইধিকার পাশে এসে দেবকে যথেষ্ট টেক্কা দিয়েছেন। তিনি ‘কিশোরী’ গানের স্টেপ হুবহু তুলে সকলকে অবাক করে দিয়েছেন।
‘কুইন ভিক্টোরিয়া এবং গোয়েন্দা কানাইচরণ’-এর আউটডোর শুটিংয়ে পুরো টিম উপস্থিত ছিল। সেখানে সৃজিত মুখোপাধ্যায়, যীশু সেনগুপ্ত এবং অনুজয় চট্টোপাধ্যায় ঝুড়ি নিয়ে একটি বিশেষ গানের সঙ্গে নাচ করেছেন। গানটি ‘খাদান’ ছবির ‘কিশোরী’, যেখানে ইধিকা দেবের সঙ্গে নাচেন। পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগ করার পর সৃজিত বলেন, “আমাদের আউটডোর শুটিং শেষ হয়েছে। তখনই মাথায় এল, একটি মজা করে ভিডিয়ো তৈরি করা যাক। ইধিকা সঙ্গে থাকায় এই আইডিয়া মাথায় এল। ‘কিশোরী গার্ল’ ছিলই যখন, তখন এই গানটাই মাথায় এল। আর শঙ্কর চক্রবর্তী দারুণ পারফর্ম করেছেন। আমি, যীশু আর অনুজয় শুরু করলাম, শঙ্করদা-ইধিকা বাকিটা ফাটিয়ে দিয়েছেন।”
‘দেব আগেই শঙ্করের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এবার দেব হলেন শঙ্কর।’ নেটপ্রভাবীরা মজা করে এমন মন্তব্য করছেন। অর্থাৎ দেব ‘চাঁদের পাহাড়’ ছবিতে শঙ্কর সেজেছিলেন এবং এবার শঙ্কর চক্রবর্তী দেবের জায়গা নিয়েছেন।
‘কিশোরী’ গানের দৃশ্যে দেব-ইধিকা। ছবি: সংগৃহীত
এ প্রসঙ্গে শঙ্কর বলেন, “পুরোটাই সৃজিতের ভাবনা। গানটা ‘খাদান’ ছবির। আমি তো ওই লোকেশনে গিয়ে নাচটা তুলেছি। আমি খুব ভাল করতে পারিনি। বহুকাল আগে ঘাটশিলাতে একবার নেচেছিলাম একটি ছবিতে। আর তারপর তাপস পালের মেয়ে (সোহিনী) র একটি ছবিতেও নেচেছিলাম, কিন্তু সেই ছবিটি মুক্তি পায়নি। আগে আমি আইপিটিএ (ইন্ডিয়ান পিপলস থিয়েটার অ্যাসোসিয়েশন)-র নাচের দলে নাচতাম। তখন অনেক সচল ছিলাম। দেব তো শঙ্করের চরিত্রে অভিনয় করেছিল, সেই থেকেই মজা করে সকলে বলছেন। আমাকেও অনেকেই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।”
সৃজিতের সঙ্গে ইধিকার এটি প্রথম কাজ। ছবি: সংগৃহীত
‘কিশোরী’র অভিজ্ঞতা কেমন? জানতে যোগাযোগ করা হয়েছিল ইধিকা পালের সঙ্গেও। তিনি বলেন, “আসলে আগে থেকে কোনও প্রস্তুতি ছিল না। কথায় কথায় আমরাই বলেছিলাম শঙ্করদাকে। যীশুদা প্রথম শঙ্করদাকে এই স্টেপটা চেষ্টা করে দেখতে বলেন। এরপর সৃজিতদাই আইডিয়া দেন এই রিল তৈরি করার। সেখান থেকেই ভাবনা আসে। প্রথমে বুঝতে পারিনি, বিষয়টি এতটা গুরুগম্ভীর। তো পরের দিন তো সকলে তৈরি হয়ে যায়। এবং তারপর এর শুটিংয়ে যাওয়া হয়। আপলোড হতেই প্রচুর শেয়ার হয়েছে।”
প্রসঙ্গত, পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের হাত ধরে প্রদোষচন্দ্র মিত্র ওরফে ফেলুদা, ব্যোমকেশ বক্সী, কাকাবাবুর পরে এবারে বড়পর্দায় নতুন গোয়েন্দা আসছে। তিনি এর আগে শার্লক হোমসকেও পর্দায় এনেছেন। এবারে পালা রাজর্ষি দাশ ভৌমিকের সৃষ্ট কাল্পনিক গোয়েন্দা চরিত্র কানাইচরণের। যীশু সেনগুপ্ত, ইধিকা ছাড়াও এই ছবিতে অভিনয় করছেন টোটা রায়চৌধুরী, অনুজয় চট্টোপাধ্যায়, সুজয়প্রসাদ চট্টোপাধ্যায়, সুমন্ত মুখোপাধ্যায়-সহ আরও অনেকে। ছবির প্রযোজনার দায়িত্বে রয়েছে ‘ক্যামেলিয়া প্রোডাকশন’।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মাত্র কিছু মাস আগে হঠাৎ করে সমাজমাধ্যমে কিছু ছবি এবং ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়ে, যা দেখে অনুরাগীরা ধারণা করতে শুরু করেন যে বাদশা এবং ঈশা বিয়ে করেছেন। তবে এতদিন গায়ক এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি।
বেশ কিছুদিন ধরে ব্যক্তিগত জীবনের কারণে আলোচনায় রয়েছেন র্যাপার-গায়ক বাদশা। চলতি বছরের মার্চ মাসে পঞ্জাবি অভিনেত্রী ঈশা রিখীর সঙ্গে তাঁর বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আসে। সোমবার, তাঁরা বিচ্ছেদের ঘোষণা দেন। বিয়ের বেশ কিছু ছবি এবং ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেও, বাদশা এতদিন বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে তেমন কিছু বলেননি। অন্যদিকে, ঈশা আগেই তাঁদের সম্পর্ক এবং বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন।
বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আসার কয়েক মাসের মধ্যেই সোমবার সন্ধ্যায় বাদশা নিজেই জানিয়ে দেন, ঈশার সঙ্গে তাঁর পথ আলাদা হয়ে গেছে। সমাজমাধ্যমে একটি বিবৃতি দিয়ে র্যাপার জানান, তাঁরা দু’জনেই পারস্পরিক সম্মতিতে আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একই সঙ্গে অনুরাগী এবং সংবাদমাধ্যমের কাছে তাঁদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তাকে সম্মান করার আবেদন জানিয়েছেন তিনি।
ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে বাদশা লেখেন, “পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সময়ে সকলের কাছে আমাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তাকে সম্মান করার অনুরোধ করছি।” এটি ছিল তাঁদের দাম্পত্যের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বাদশার প্রথম প্রকাশ্যে মন্তব্য। বেশ কিছুদিন ধরেই তাঁদের বিচ্ছেদ নিয়ে আলোচনা চলছিল। এবার সেই আলোচনা সত্যি হয়ে উঠল।
সমাজমাধ্যমে বিচ্ছেদের ঘোষণা করেন বাদশা। ছবি: ইনস্টাগ্রাম।
এর আগে জুলাই মাসে ঈশা সমাজমাধ্যমে একটি আবেগঘন পোস্ট করেছিলেন। তাঁর সেই পোস্টের পরেও ব্যক্তিগত জীবনে সমস্যা নিয়ে আলোচনা আরও বৃদ্ধি পায়। ঈশা জানিয়েছিলেন, তিনি দীর্ঘদিন ভয় এবং মানসিক চাপের মধ্যে ছিলেন। তাঁর স্বামীর ‘প্রভাব এবং ক্ষমতা’র কারণেই তিনি এমন পরিস্থিতির মধ্যে ছিলেন বলে ইঙ্গিত করেছিলেন অভিনেত্রী।
নীরব থাকা যে পরিস্থিতিকে মেনে নেওয়ার লক্ষণ নয়, বরং টিকে থাকার একটি উপায় ছিল— সেই ইঙ্গিতও দিয়েছিলেন ঈশা। পাশাপাশি, সবকিছু ঠিকঠাক রয়েছে এমন ভান না করে নিজের বক্তব্য প্রকাশ্যে জানানোর জন্য তিনি প্রস্তুত বলেও ইঙ্গিত করেছিলেন।
বাদশা এবং ঈশার বিয়ের জল্পনা প্রথম জোরালো হয় মার্চ মাসে। ঈশার মা পুনম রিখী সমাজমাধ্যমে কয়েকটি ছবি পোস্ট করেছিলেন, যেগুলি দেখে মনে হয়েছিল সেগুলি কোনো ঘরোয়া বিয়ের অনুষ্ঠানের। ছবিগুলি প্রকাশ্যে আসতেই সমাজমাধ্যমে জোর আলোচনা শুরু হয় এবং খবর ছড়িয়ে পড়ে যে বাদশা ও ঈশা বিয়ে করেছেন। যদিও তাঁরা নিজেদের সম্পর্ক বরাবরই ব্যক্তিগত রেখেছিলেন।
এটি বাদশার দ্বিতীয় বিয়ে। এর আগে জৈস্মীন মসীহের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন তিনি। সমাজমাধ্যমে আলাপের পর ২০১২ সালে তাঁদের বিয়ে হয়। ২০১৭ সালে তাঁদের কন্যাসন্তানের জন্ম হয়। পরবর্তী সময়ে ২০২০ সালে তাঁদের বিচ্ছেদ ঘটে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ