শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:২০ পি.এম
এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের বাছাই পর্বে টানা দুই ম্যাচে পরাজয়ের ফলে বাংলাদেশ দলের মূল পর্বে খেলার আশা অনেকটাই ক্ষীণ হয়ে পড়েছে। লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা তৃতীয় ম্যাচে ভারতের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে। এরই মধ্যে চাকরি হারিয়েছেন বাংলাদেশ কোচ জেরাড জোন্স।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বাফুফের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। পাশাপাশি, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) তার সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি বাতিল করেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, আসন্ন এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপ কোয়ালিফায়ার্সের দায়িত্ব থেকে জেরাড জোন্সকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দল আগামী ম্যাচে ভারতের মুখোমুখি হবে।
এ ম্যাচে দলের অন্তর্বর্তীকালীন প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন সহকারী কোচ আতিকুর রহমান মিশু।
প্রথম ম্যাচে উজবেকিস্তানের বিরুদ্ধে হারের পর সিরিয়া ম্যাচে বাংলাদেশ দলের ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু সেই ম্যাচেও বাংলাদেশ দল বাজেভাবে পরাজিত হয়েছে। তাই কোচ জেরাড জোন্সকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছে বাফুফে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারত বাংলাদেশের সীমান্তের কাছে অবস্থিত ‘শিলিগুড়ি করিডোর’ বা ‘চিকেনস নেক’-এ নতুন একটি মহাসড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা করছে। এই অঞ্চলে প্রধান ধমনীতুল্য জাতীয় সড়ক ২৭-এর সমান্তরালে ৩১ কিলোমিটার দীর্ঘ, চার লেনের নতুন হাইওয়ে নির্মাণের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার প্রায় ২ হাজার কোটি রুপি বরাদ্দ করেছে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
‘শিলিগুড়ি করিডোর’ বা ‘চিকেনস নেক’ সড়কপথে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম। নেপাল ও বাংলাদেশ দ্বারা বেষ্টিত এবং চীন ও ভুটান সীমান্তের নিকটবর্তী এই সংকীর্ণ ভূখণ্ডটি ভারতের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
ভারতের কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক মন্ত্রী নিতিন গড়করি ফেসবুকে একটি বার্তায় জানিয়েছেন, নতুন হাইওয়ে নির্মাণের জন্য মোট ২০৭৭.১৮ কোটি রুপি অনুমোদন করা হয়েছে। ৩১.০২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কটি জাতীয় সড়ক ৩২৭ নামে পরিচিত হবে, যা পানিটাঙ্কি ও খড়িবাড়ি হয়ে বাগডোগরা থেকে বিহারের গলগলিয়াকে সংযুক্ত করবে এবং জাতীয় সড়ক ২৭ থেকে ২০-৩০ কিলোমিটার দূরত্ব বজায় রেখে সমান্তরালে চলবে।
শিলিগুড়ি করিডোরটি ৬০ কিলোমিটার দীর্ঘ, তবে এর সবচেয়ে সংকীর্ণ স্থানে এর প্রস্থ মাত্র ২০-২২ কিলোমিটার। মন্ত্রী গড়করি এই প্রকল্পের গুরুত্ব উল্লেখ করে লিখেছেন, "কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ি করিডোরে অবস্থিত এই প্রকল্পটি উত্তর-পূর্ব ভারতের সংযোগকে জোরদার করবে এবং নেপাল, ভুটান ও বাংলাদেশের দিকে যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নতি ঘটাবে।"
তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, চার লেনের এই মহাসড়ক চালু হলে বাগডোগরা, নকশালবাড়ি, খড়িবাড়ি ও পানিটাঙ্কির যানজট কমবে। এটি বাগডোগরা বিমানবন্দর ও অঞ্চলের প্রধান কেন্দ্রগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ উন্নত করবে এবং কৃষি, উদ্যানপালন, চা ও অন্যান্য স্থানীয় পণ্যের দ্রুত বাজারজাতকরণ নিশ্চিত করবে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রকল্পটির অধীনে তিনটি বড় সেতু, একটি রোড ওভারব্রিজ, পাঁচটি হাতি চলাচলের জন্য বিশেষ আন্ডারপাস এবং হাইওয়ের উভয় পাশে সার্ভিস রোড নির্মাণ করা হবে। কার্শিয়াং বন বিভাগের আওতাধীন বেশকিছু এলাকা হাতির প্রধান পারাপার অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত হওয়ায় এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যা দ্রুতগামী যানবাহনের ধাক্কায় বন্যহাতির প্রাণহানি ও আহত হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই কমাবে।
সাম্প্রতিক সময়ে, বিশেষ করে ২০২৪ সালের আগস্টে বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে শিলিগুড়ি করিডোরে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও অবকাঠামো জোরদার করতে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর আগে, বারাণসী থেকে নিউ জলপাইগুড়ি (এনজেপি) পর্যন্ত একটি হাই-স্পিড রেলওয়ে করিডোর, শিলিগুড়ির কাছে ৩৫ কিলোমিটার দীর্ঘ ভূগর্ভস্থ রেললাইন এবং মালদা থেকে নিউ জলপাইগুড়ি পর্যন্ত চতুর্থ রেললাইন পাতার অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।
প্রতিরক্ষা ও আঞ্চলিক বিশেষজ্ঞদের মতে, জাতীয় সড়ক ২৭-এর বিকল্প ও সমান্তরাল একটি নতুন চার লেনের মহাসড়ক নির্মাণের ফলে এই কৌশলগত অঞ্চলে ভারতের প্রতিরক্ষা পরিবহন ও পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থা সুরক্ষিত হবে। পাশাপাশি এতে ভারতের উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক অবকাঠামোও শক্তিশালী হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
‘রিচ ড্যাড, পুওর ড্যাড’ বইয়ের লেখক রবার্ট কিয়োসাকি নতুন করে আলোচনায় এসেছেন তার বিপুল ঋণের কারণে। একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই লেখকের রিয়েল এস্টেট বিনিয়োগের সঙ্গে প্রায় ১.২ বিলিয়ন ডলারের ঋণ জড়িত রয়েছে। কিয়োসাকি, যিনি আর্থিক সাফল্যের কৌশল শেখানোর জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত, দীর্ঘদিন ধরে তার ঋণের বিষয়টি তুলে ধরছেন।
৭৯ বছর বয়সী কিয়োসাকি দাবি করেন, তিনি ধনী ব্যক্তিদের জন্য আয় তৈরি করে এমন সম্পদ কেনার উদ্দেশ্যে ঋণ নেওয়ার একটি কৌশল ব্যবহার করছেন। সম্প্রতি ‘গেট রিচ এডুকেশন’ পডকাস্টে কিয়োসাকি বলেন, ‘আমি ১.২ বিলিয়ন ডলার ঋণে আছি।’ তবে তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ‘আমি যা করি, আপনারা তা করবেন না।’
কিয়োসাকির সাবেক স্ত্রী এবং ব্যবসায়িক অংশীদার কিম কিয়োসাকি জানিয়েছেন, ১.২ বিলিয়ন ডলারের ঋণের অঙ্কটি নিয়ে ব্যাপক ভুল বোঝাবুঝি রয়েছে। কিম বলেন, এটি রবার্ট কিয়োসাকির ব্যক্তিগত ঋণ নয়। ‘ভ্যানিটি ফেয়ার’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, তাদের অংশীদারদের সঙ্গে প্রায় ১ হাজার ৫০০ ইউনিটের অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে, যার বিপরীতে বিপুল ঋণ নেওয়া হয়েছে। ফলে যদিও ঋণের পরিমাণ ১.২ বিলিয়ন ডলার, এর খুব সামান্য অংশ কিয়োসাকির ব্যক্তিগত দায়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, কিয়োসাকির বিনিয়োগ কৌশলের কারণেই এই বিপুল ঋণের সৃষ্টি হয়েছে। সম্পত্তির মূল্য বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে তিনি সেই বর্ধিত মূল্যের বিপরীতে আরও ঋণ নেন। সম্পত্তি বিক্রি না করে ঋণ নেওয়ার কারণে এই অর্থ সাধারণত করমুক্ত ঋণ হিসেবে বিবেচিত হয়।
এছাড়া, কিয়োসাকি তার বিভিন্ন বিনিয়োগ আলাদা আলাদা ‘লিমিটেড লায়াবিলিটি কোম্পানি’ বা এলএলসির অধীনে রাখেন। এর ফলে, কোনো একটি বিনিয়োগে সমস্যা দেখা দিলে অন্য সম্পদগুলোকে তার প্রভাব থেকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব হয়। কিয়োসাকি তার কৌশল সম্পর্কে বলেন, সবকিছু যদি ‘নরকে’ও চলে যায়, তাহলে তার আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলতে হবে। ধনীরা এভাবেই ‘ফায়ারওয়াল’ তৈরি করে বিনিয়োগ করেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
‘ভ্যানিটি ফেয়ার’-এর হিসাব অনুযায়ী, কিয়োসাকি বছরে প্রায় ৩০ লাখ ডলার আয় করেন। এই হিসাব সঠিক হলে মোট ঋণের মধ্যে তার ব্যক্তিগত অংশ আনুমানিক ৩ থেকে ৬ কোটি ডলার হতে পারে।
‘ট্যাক্স মাভেরিক এআই’-এর প্রতিষ্ঠাতা ও রিয়েল এস্টেট বিনিয়োগকারী ডেভিড এ. পেরেজ কিয়োসাকির কৌশলকে ‘ভালো কৌশল’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার মতে, সম্পত্তির বিপরীতে বড় অঙ্কের ঋণ নেওয়া রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় অস্বাভাবিক নয়। তবে এতে বন্ধকের কিস্তি ও সুদের খরচ বাড়তে পারে এবং নগদ প্রবাহ কমে যেতে পারে।
অন্যদিকে ‘জেপিটিডি পার্টনার্স’-এর প্রতিষ্ঠাতা জন পুল আরও সতর্ক করে বলেন, ঋণ ভালোও হতে পারে, খারাপও হতে পারে। তবে ১.২ বিলিয়ন ডলারের ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে একজনকে অবশ্যই জানতে হবে তিনি কী করছেন। তার মতে, ঋণের মাধ্যমে বিনিয়োগের কৌশল সম্পদের মূল্য বাড়ার সময় ভালো কাজ করে। কিন্তু সেই ঊর্ধ্বমুখী ধারা থেমে গেলে এটি ভয়াবহ আর্থিক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
রবার্ট কিয়োসাকি ‘রিচ ড্যাড, পুওর ড্যাড’ বইকে কেন্দ্র করে বিশাল আর্থিক শিক্ষা সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন। ১৯৯৭ সালে প্রথম প্রকাশিত বইটি বিশ্বজুড়ে ৪ কোটি ৪০ লাখের বেশি কপি বিক্রি হয়েছে বলে ‘ভ্যানিটি ফেয়ার’ জানিয়েছে। বইটিতে কিয়োসাকি তার নিজের বাবাকে ‘পুওর ড্যাড’ এবং শৈশবের বন্ধুর বাবাকে ‘রিচ ড্যাড’ হিসেবে তুলে ধরে অর্থ ও বিনিয়োগ সম্পর্কে দুই ধরনের দৃষ্টিভঙ্গির তুলনা করেছেন।
কিয়োসাকি দীর্ঘদিন ধরে রিয়েল এস্টেটের মতো আয়-উৎপাদনকারী সম্পদে বিনিয়োগ, কর কমানো এবং বিনিয়োগের জন্য নেওয়া ঋণ ও দৈনন্দিন খরচ মেটাতে নেওয়া ঋণের মধ্যে পার্থক্য করার পরামর্শ দিয়ে আসছেন।
সূত্র: নিউইয়র্ক পোস্ট
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, "আপনারা নির্বিঘ্নে আপনাদের ধর্ম পালন করবেন। আমরা আমাদের ধর্ম পালন করব। কেউ বাধা দেবে না। এই সমাজ থেকে অপশক্তি দূর করতে চাই। সেই সংগ্রামে আপনাদের পাশে পাবো বলে আশা রাখি।"
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় ঝিনাইদহের শৈলকুপা রামগোপাল মন্দির চত্বরে পূজা উদযাপন পরিষদের আয়োজনে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, ‘ধর্ম যার যার, উৎসব সবার’- এই চেতনা ধারণ করে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রেখে একটি সুন্দর সমাজ গড়ে তুলতে হবে।
আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মজিদ।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন— জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নোমান হোসেন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজ, বিশিষ্ট শিল্পপতি বিদ্যুৎ কুমার বিশ্বাসসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
আলোচনা সভা শেষে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে ভক্তদের মধ্যে প্রসাদ বিতরণ করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন ও বিশ্ববাজারে মূল্যবৃদ্ধির কারণে বোতলজাত তেলের দাম লিটারে ৫ টাকা বৃদ্ধি করেছে সরকার। তবে, দাম বৃদ্ধির পরও বাজারে বোতলজাত তেলের সরবরাহ সংকট এখনও কাটেনি। পাশাপাশি, পুরনো দামের তেলও রাজধানীর বাজারে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
এ পরিস্থিতিতে নিম্ন আয়ের মানুষের সংসারে ব্যয়ের চাপ নতুন করে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে সবজি ও মসলার বাজার নিয়ে ক্রেতাদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি দেখা যাচ্ছে। অন্যদিকে, পোল্ট্রি মুরগির দাম ডাবল সেঞ্চুরি হাকাচ্ছে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর খিলক্ষেত কাপ্তান বাজার, রায়সাহেব বাজার, বাবু বাজার ও কাওরান বাজার পরিদর্শন করে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরকার সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ৫ টাকা বাড়ানোর পরও রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে তেল বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
খিলক্ষেতের বাসিন্দা মো. রহিম বলেন, "সরকার সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ৫ টাকা বাড়িয়েছে। এতে ব্যবসায়ীদের লাভ হবে। কিন্তু আমাদের মতো নিম্ন আয়ের মানুষের তো আয় বাড়েনি। এমনিতেই সংসারে সব সময় চাপ থাকে। কোনো পণ্যের দাম বাড়লেই সেই চাপ আরও বেড়ে যায়। সরকার আসে, সরকার যায়; কিন্তু তেলের দাম আর কমে না।"
শান্তিনগর, মৌচাক, মালিবাগ, রামপুরা ও কারওয়ান বাজারে ঘুরে দেখা যায়, এসব বাজারে সয়াবিন তেল সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে ৫ টাকা বেশি, প্রতি লিটার ২০৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে, আজ প্রতি কেজি পেঁপে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পটল, ঢেঁড়স, কাঁকরোল, ঝিঙে ও জালি ৬০ টাকা, করলা ৭০ টাকা এবং লাউ ও ধুন্দল ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। শসার দাম ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে।
দেশি শসার দাম তুলনামূলক বেশি। প্রতি কেজি দেশি শসা ৮০ থেকে ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে বেগুন ও টমেটোর দাম এখনও বেশ চড়া। বাজারে লম্বা বেগুন ১০০ টাকা, গোল বেগুন ১২০ টাকা এবং টমেটো ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি দামের সবজির তালিকায় রয়েছে শিম। বাজারভেদে প্রতি কেজি শিম ১৮০ থেকে ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
সরবরাহ বাড়ায় কাঁচা মরিচের দামও কিছুটা কমেছে। মানভেদে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ১২০ থেকে ১৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি এলেও মাছ-মাংসের বাজারে সেই স্বস্তির ছাপ নেই।
রাজধানীর বাজারে ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৯০ থেকে ২০০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা, খাসির মাংস ১১৫০ থেকে ১৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
ডিমের দামও আগের মতই রয়েছে। প্রতি ডজন ডিম ১৫০ টাকা এবং হালি ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
মাছের বাজারেও সপ্তাহের ব্যবধানে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা যায়নি। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাশ ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা, রুই-কাতল ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকা এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
পাবদা ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, বড় আকারের রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা এবং ট্যাংরা ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, বাইন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা এবং পোয়া ২৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ইলিশ বিক্রি হচ্ছে সাইজ অনুযায়ী ১২০০ থেকে ২৪০০ টাকা কেজি দরে।
এ ছাড়া চাষের শিং মাছ আকারভেদে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা এবং মাঝারি আকারের রুই ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গুণতে হচ্ছে হাজার টাকার বেশি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ