ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞে নিহত ৫৮ জনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে


শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞে নিহত ৫৮ জনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে

২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে অনুষ্ঠিত হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞে নিহত ৫৮ জনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে, এমনটি জানালেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

রোববার (১৯ জুলাই) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য প্রকাশ করেন।

এ সময় চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম মন্তব্য করেন, শাপলা চত্বরের নারকীয় হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা দীর্ঘদিন ধরে তদন্ত করেছে। তদন্ত কার্যক্রম শেষে চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে একটি খসড়া প্রতিবেদন দাখিল করেছেন তাঁরা।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, প্রতিবেদনটি এই মুহূর্তে চূড়ান্ত যাচাই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। যাতে একটি সঠিক তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করা যায় এবং স্বচ্ছ বিচার প্রক্রিয়া নিশ্চিত হয়। তিনি এও বলেন, প্রকৃত আসামিরা যেন বিচারের সম্মুখীন হন।

আসামী কাদের হতে পারে তা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে আমিনুল ইসলাম জানান, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক পুলিশ প্রধান এবং বিজিবি প্রধানসহ কয়েকজনের নাম এই প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে। আমরা এসব নাম যাচাই-বাছাই করছি। যাচাই-বাছাইয়ের পর আসামিদের নাম সংযোজন-বিয়োজন হতে পারে।

শাপলা চত্বর হত্যাযজ্ঞে নিহতদের সম্পর্কেও চিফ প্রসিকিউটর মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, আমরা ৬১ জন নিহতের একটি তালিকা পেয়েছিলাম। তবে এর মধ্যে ৫৮ জনের পরিচয় ইতিমধ্যেই শনাক্ত করা হয়েছে।

আজ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে হেফাজতে ইসলামের সিনিয়র নায়েবে আমির আব্দুল হামিদ, মাওলানা মামুনুল হক, মুফতি হারুন ইজহার ও মুফতি মীর ইদ্রিসসহ অনেকে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টেকনাফের পাহাড় অপহরণের ঘাঁটি, বিশেষ অভিযানে র‌্যাব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:০৯ পি.এম


টেকনাফের পাহাড় অপহরণের ঘাঁটি, বিশেষ অভিযানে র‌্যাব

কক্সবাজারের টেকনাফ-উখিয়ার দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলকে অপহরণকারীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে চিহ্নিত করেছে র‌্যাব। সংস্থাটির দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে অধিকাংশ অপহরণের ঘটনার পেছনে মাদক-সংশ্লিষ্ট স্বার্থ এবং অনলাইনের বিভিন্ন ফাঁদ জড়িত রয়েছে।

এদিকে, ফেনী থেকে চাকরির প্রলোভনে চার যুবককে টেকনাফে এনে অপহরণের ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুইজনকে গ্রেফতারের খবর জানিয়েছে র‌্যাব। অপহরণকারী চক্রের বিরুদ্ধে শিগগিরই একটি বড় পরিসরের বিশেষ অভিযানের আভাস দিয়েছে বাহিনী।

রোববার দুপুরে র‌্যাব-১৫ কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন কার্যালয়ে একটি সংবাদ সম্মেলনে ব্যাটালিয়নটির উপ-অধিনায়ক মেজর এইচ এম মারুফ জানান, ফেনী থেকে চাকরির প্রলোভনে ৪ যুবককে কক্সবাজারের টেকনাফ নিয়ে আসা অপহরণ ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুই দুর্বৃত্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন, টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গিখালী জুম্মাপাড়ার মৃত সুলতান আহমদের ছেলে মো. রাসেল (২৮) এবং একই এলাকার রশিদ আহমদের ছেলে মো. আরমান (২১)।

ভুক্তভোগীরা হলেন, ফেনী জেলার এমাম হোসেন (১৯), জিসান (২৩) ও তৌহিদুল ইসলাম (১৯) এবং হবিগঞ্জ জেলার সুমন মিয়া প্রকাশ হোসাইন (২২)।

সংবাদ সম্মেলনে মেজর এইচ এম মারুফ বলেন, ফেনীতে চাকরির সুবাদে ভুক্তভোগী ৪ যুবকের সঙ্গে মো. রাসেলের পরিচয় ছিল। গত ২৬ জুন সেই যুবকদের চাকরির প্রলোভনে দেখিয়ে টেকনাফ নিয়ে আসে রাসেল। পরে তাদের অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে টেকনাফের গহীন পাহাড়ের আস্তানায় জিম্মি করে প্রত্যেকের পরিবারের কাছে ৫ লাখ টাকা করে মুক্তিপণ দাবি করে দুর্বৃত্তরা। মুক্তিপণ আদায় হলে জিম্মীদের উপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। ঘটনার খবর পাওয়ার পর অপহৃতদের উদ্ধারে অভিযান শুরু করে র‌্যাব ও পুলিশ।

এক পর্যায়ে গত ৩০ জুন র‌্যাব ও পুলিশের বিশেষ দল টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গিখালী জুম্মাপাড়া সংলগ্ন গহীন পাহাড়ে অভিযান চালায়। এতে দুর্বৃত্তদের আস্তানাটি ঘিরে ফেললে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে জিম্মিরা পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে অপহৃত ৪ জিম্মিকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার পর উদ্ধার ভুক্তভোগী জিসানের হয়ে টেকনাফ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।

র‌্যাবের এই ব্যাটালিয়নের উপ-অধিনায়ক জানান, মামলাটি নথিভুক্ত হওয়ার পর থেকে ঘটনায় জড়িত আসামিদের গ্রেফতারে র‌্যাব অভিযান শুরু করে। এক পর্যায়ে শনিবার রাতে টেকনাফের রঙ্গিখালী সংলগ্ন গহীন পাহাড়ি আস্তানার খবর পায় র‌্যাব। পরে র‌্যাবের একটি বিশেষ দল সেখানে অভিযানে গেলে ৪/৫ জন সন্দেহজনক ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা চালায়। এ সময় ধাওয়া দিয়ে ২ জনকে গ্রেফতার করা সম্ভব হলেও বাকি individuals পালিয়ে যায়।

গ্রেফতার আসামিদের টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান মেজর এইচ এম মারুফ।

সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে র‌্যাবের উপ-অধিনায়ক মেজর এইচ এম মারুফ বলেন, বর্তমানে ঘটে যাওয়া অধিকাংশ অপহরণের ঘটনা শুধুমাত্র মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে হচ্ছে না। এসব ঘটনার সঙ্গে মাদক সংশ্লিষ্টতা রয়েছে, পাশাপাশি অনলাইনের বিভিন্ন ফাঁদে পড়েও অনেকেই অপহরণের শিকার হচ্ছেন।

তিনি বলেন, ‘র‌্যাবের পক্ষ থেকে যে পরিসংখ্যান আপনাদের দেওয়া হয়েছে, সেটি খুবই স্বল্প সময়ের। সারা বছরজুড়েই প্রতি মাসে এ ধরনের অপহরণের ঘটনা ঘটে। আমরা সবসময় প্রতিটি ঘটনার বিষয়ে প্রেস ব্রিফিং করি না। তবে উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলো গণমাধ্যমের সঙ্গে শেয়ার করা হয়। ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।’

মেজর মারুফ জানান, টেকনাফ ও উখিয়া উপজেলায় অপহরণের ঘটনা তুলনামূলক বেশি ঘটছে। যদি এসব এলাকার বিষয়ে আরো সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়, তাহলে র‌্যাব অপরাধী চক্রকে গ্রেপ্তারে আরো বড় পরিসরে লক্ষ্যভিত্তিক অভিযান পরিচালনা করবে।

তিনি বলেন, ‘সংসদ সদস্যদের সঙ্গেও আমাদের নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। এত বড় একটি অপরাধ নির্মূলে শুধুমাত্র একটি বাহিনীর পক্ষে কাজ করা সম্ভব নয়। অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করছে। এই অপরাধকে সমূলে নির্মূল করতে চাইলে সব বাহিনীর চলমান কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে। সেই সঙ্গে র‌্যাব এলিট ফোর্স হিসেবে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের উপর ভিত্তি করে যেসব টার্গেটেড অপারেশন পরিচালনা করে,Future-এ তা অব্যাহত থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে নিয়মিত নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষেরও স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। তবে অপহরণ পুরোপুরি নির্মূল করতে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মেজর মারুফের ভাষ্য, যেসব এলাকায় এ ধরনের ঘটনা বেশি ঘটছে, সেখানকার মানুষের কাছ থেকে সময়মতো তথ্য পাওয়া প্রয়োজন। কিন্তু তথ্য প্রদানের ক্ষেত্রে এখনও কিছুটা দুর্বলতা রয়েছে। আমরা সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করার চেষ্টা করছি। আশা করি, জনগণের সহযোগিতা পেলে এ অপরাধ দমনে আরও সফল হওয়া সম্ভব হবে।

মেজর মারুফ আরও বলেন, টেকনাফের পাহাড়ি এলাকাগুলো দুর্গম হওয়ায় সেখানে চলাচল ও অভিযান পরিচালনা তুলনামূলকভাবে কঠিন। অনেক স্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি কম থাকায় অপরাধীরা এসব এলাকা ব্যবহার করার সুযোগ পায়। তবে সব ধরনের বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে।

তিনি বলেন, টেকনাফ উপজেলায র‌্যাবের দুটি ক্যাম্প রয়েছে। এখানে প্রতিনিয়ত অভিযান ও গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। পাশাপাশি অন্যান্য স্থান থেকেও প্রয়োজন অনুযায়ী অভিযান চালানো হচ্ছে। সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া গেলে এসব এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা আমাদের জন্য কঠিন হবে না।

মেজর মারুফ জানান, অপহরণের অধিকাংশ ঘটনায় অপরাধীরা পাহাড়ি অঞ্চলকে আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহার করছে বলে র‌্যাবের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে। এই প্রবণতা বিবেচনায় নিয়ে ভবিষ্যতে বড় পরিসরের বিশেষ অভিযানের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এ মুহূর্তে সেই বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

রোহিঙ্গাদের সম্পৃক্ততা নিয়ে তিনি বলেন, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের ভাষা রোহিঙ্গারা তুলনামূলক দ্রুত রপ্ত করে ফেলতে পারে। ফলে অনেক ক্ষেত্রে তারা স্থানীয় বাঙালিদের সঙ্গে মিশে অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা করে। তবে সব অপহরণের ঘটনায় রোহিঙ্গাদের সম্পৃক্ততা রয়েছে-এমন ধারণা সঠিক নয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোমে বাংলাদেশ দূতাবাসে জুলাই শহীদ দিবসটি পালন করা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:১১ পি.এম


রোমে বাংলাদেশ দূতাবাসে জুলাই শহীদ দিবসটি পালন করা হয়েছে

ইতালির রোমে বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬’ পালন করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

দিবসটির উদযাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানের সূচনা পর্বে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিটের নীরবতা পালন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে ‘জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬’ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়।

এরপর ‘জুলাই শহীদ দিবস’-এর তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট এবং এ আন্দোলনকে সর্বজনীন ও গণমানুষের আন্দোলন হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে দেশের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও শ্রমিকসহ সর্বস্তরের জনগণের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা স্মরণ করেন।

রাষ্ট্রদূত রকিবুল হক তার বক্তৃতায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মদানকারী শহীদ আবু সাঈদ, শহীদ ওয়াসিম আকরাম, শহীদ মুগ্ধসহ সকল শহীদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি শহীদদের রুহের মাগফিরাত এবং আহত জুলাই যোদ্ধাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার শহীদ ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের সম্মান-স্বীকৃতি, তাদের পরিবারের কল্যাণ, আহতদের পুনর্বাসন এবং এ সম্পর্কিত হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিতকল্পে অঙ্গীকারবদ্ধ রয়েছে। 

জুলাইয়ের চেতনা এবং আত্মত্যাগ থেকে শক্তি ও প্রেরণা নিয়ে একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে সকল দল, মত, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে একত্রিত হয়ে কাজ করার জন্য রাষ্ট্রদূত সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহীদের রুহের শান্তির জন্য এবং আহতদের পূর্ণ সুস্থতা ও বাংলাদেশের অব্যাহত শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নয়ন কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

এই অনুষ্ঠানে ইতালিতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যবৃন্দ, ইতালির নাগরিক, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিগণ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সদস্যবৃন্দ এবং দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ অংশগ্রহণ করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রংপুরে দুই কারবারিকে মাদকসহ গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:১৪ পি.এম


রংপুরে দুই কারবারিকে মাদকসহ গ্রেপ্তার

রংপুর, ১৯ জুলাই ২০২৬ : জেলার গঙ্গাচড়া উপজেলা থেকে ২ হাজার ৪০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

এসময়, মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল এবং দুটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার সুমন মিয়া (২৮) এবং লালমনিরহাট সদর উপজেলার লুনা আক্তার সুমি (২৫)।

জেলা পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোজাম্মেল হকের নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) এর তত্ত্বাবধানে ডিবির ওসি মো. সোহেল রানার নেতৃত্বে গতকাল শনিবার দিবাগত রাতে গঙ্গাচড়া উপজেলার গজঘন্টা ইউনিয়নের তালুকহাবু এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

এসময় কাকিনা-রংপুর সড়কে একটি মোটরসাইকেলের গতি রোধ করে তল্লাশি চালানোর পর সিটের নিচে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ২ হাজার ৪০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ট্যাবলেটের আনুমানিক মূল্য ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান বাসসকে জানিয়েছেন, এ ঘটনায় গঙ্গাচড়া মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। মাদকের উৎস ও এর সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর উদ্যোগে গণজানাজার আয়োজন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:১৬ পি.এম


দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর উদ্যোগে গণজানাজার আয়োজন

 দক্ষিণ লেবাননের মাজদাল সেলমে শনিবার হিজবুল্লাহ কয়েক ডজন মানুষের গণজানাজার আয়োজন করেছে। এই গণজানাজার বেশিরভাগই ছিল ইসরাইলের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাতে নিহত যোদ্ধাদের।

ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ গত ২ মার্চ ইসরাইলে হামলা চালিয়ে লেবাননকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলে। তবে তাদের কতজন যোদ্ধা সংঘাতে নিহত হয়েছেন, সেই সংখ্যা তারা প্রকাশ করেনি।

লেবাননের মাজদাল সেলম থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

বিশেষ করে, ১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের পর সংঘাতে বিরতি আসার সময়ের মধ্যে হিজবুল্লাহ কয়েকটি জানাজার আয়োজন করেছে।

মাজদাল সেলম গ্রামে শনিবার ৪৪ জনকে দাফন করা হয়। তাদের মধ্যে ৩৯ জন যোদ্ধা এবং ৪ জন বেসামরিক ব্যক্তি। তাদের ইসরাইলি অভিযানে নিহত হওয়ার তথ্য দেওয়া হয়েছে। এছাড়া একজন স্বাভাবিক কারণে মারা গেছেন।

এএফপির এক প্রতিবেদক দেখেছেন, কফিন বহনকারী ট্রাকগুলো দাফনস্থলের দিকে যাচ্ছে। সেই সময়ে শোকবিহ্বল নারীরা নিহতদের ছবি ও ফেব্রুয়ারিতে তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির প্রতিকৃতি বাহন করছিলেন।

সংঘাত চলাকালে অনেক লেবাননবাসী শহরে স্বজনদের দাফন করতে পারেননি।

শিয়া মুসলিমদের ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী, যথাযথ জানাজার আয়োজন সম্ভব না হলে বা মৃত ব্যক্তিকে তার স্বপ্ন অনুযায়ী স্থানে দাফন না করতে পারলে, তখন অস্থায়ীভাবে দাফনের বিধান রয়েছে।

হিজবুল্লাহর সমর্থকদের উদ্দেশ্যে দেওয়া এক ঘোষণায় বলা হয়েছে, ‘মাজদাল সেলমের শহীদদের বরকতময় জানাজায় অংশগ্রহণের জন্য আপনাদের আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে।’

এই ঘোষণায় নিহতদের নামগুলোও উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া একটি ঘোষণায় ১২৯ জনের নাম ছিল। তবে মাজদাল সেলম পৌরসভা এই সংখ্যাকে ‘ভুল ও ভিত্তিহীন’ হিসেবে প্রত্যাখ্যান করেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%