বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
১১:৫৭ পি.এম
সন্ত্রাসবাদ-সংক্রান্ত কনটেন্ট অপসারণে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগে বার্তা বিনিময় প্ল্যাটফর্ম টেলিগ্রামের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার আদালতে মামলা করেছে অস্ট্রেলিয়ার সাইবার নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
অস্ট্রেলিয়ার অনলাইন নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী, এ অভিযোগের ভিত্তিতে টেলিগ্রাম সর্বোচ্চ ৫ কোটি ৪৬ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলার বা ৩ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার জরিমানার মুখে পড়তে পারে।
স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অস্ট্রেলিয়ার ই-সেফটি কমিশনার জুলি ইনম্যান গ্রান্ট বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) এই আইনি পদক্ষেপের বিষয়টি জানান। অনলাইন সেফটি অ্যাক্টের আওতায় টেলিগ্রাম তার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেছে কি না, তা নিয়ে এক বছরব্যাপী তদন্তের পর এ মামলা করা হয়েছে।
নিয়ন্ত্রক সংস্থার অভিযোগ, অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকদের অভিযোগের পরেও টেলিগ্রাম সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, মৃত্যুদণ্ডের ভিডিও এবং গণগুলির হামলার ফুটেজ সরাতে কয়েক সপ্তাহ সময় নিয়েছে। তাছাড়া এসব কনটেন্ট ছড়ানো অ্যাকাউন্ট, চ্যানেল ও গ্রুপ বন্ধ করতেও ব্যর্থ হয়েছে প্ল্যাটফর্মটি।
রাশিয়া টেলিগ্রামের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পাভেল দুরভকে গ্রেফতারের উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার একদিন পর এ পদক্ষেপ নেওয়া হলো। রাশিয়ার অভিযোগ, তিনি ‘সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে জড়িত থাকার’ ক্ষেত্রে সহযোগিতা করেছেন।
ই-সেফটির দাবি, টেলিগ্রাম ২০১৯ সালের নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চ মসজিদ হামলার সরাসরি সম্প্রচারিত ভিডিও এবং ২০২২ সালের যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের বাফেলোতে গণগুলির হামলার ভিডিওসহ কিছু পরিচিত সন্ত্রাসী কনটেন্ট শনাক্ত করতে পারেনি।
এসব কনটেন্ট প্রায় তিন মাস প্ল্যাটফর্মে থাকা অবস্থায় সরানো হয় বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
দুবাই ও ফ্রান্স—উভয় দেশেই বসবাস করেছেন ৪১ বছর বয়সী দুরভ। ২০২৪ সালে অবৈধ কনটেন্ট ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে ফরাসি পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। পরে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর ফরাসি কর্তৃপক্ষ তার ওপর আরোপিত ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলে তিনি ফ্রান্স ছেড়ে চলে যান।
ফরাসি এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের পাসপোর্টধারী দুরভের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি ইউক্রেনের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোকে টেলিগ্রাম ব্যবহার করে সদস্য সংগ্রহের সুযোগ দিয়েছেন।
অস্ট্রেলিয়ার ই-সেফটি কমিশনার জুলি ইনম্যান গ্র্যান্ট বৃহস্পতিবার বলেন, নোটিশ দেওয়ার পরেও টেলিগ্রাম সন্ত্রাসবাদ সমর্থনকারী বিভিন্ন কনটেন্ট সরিয়ে নেয়নি।
এর মধ্যে ছিল সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ভিডিও, গণহত্যার ভিডিও এবং 'সাম্প্রতিক ইতিহাসে পরিচিত উগ্রপন্থী সহিংসতার সবচেয়ে কুখ্যাত কয়েকটি ঘটনার' ভিডিও।
তিনি বলেন, এর মধ্যে ২০১৯ সালে নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চ মসজিদে সরাসরি সম্প্রচার করা হামলার ভিডিও এবং ২০২২ সালে নিউইয়র্কের বাফেলো শহরের গুলিবর্ষণের ভিডিও-সংক্রান্ত কনটেন্টও ছিল।
সিডনিতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, কোনো প্ল্যাটফর্মকে সন্ত্রাসবাদ-সংক্রান্ত কনটেন্টের বিষয়ে অবহিত করা হলে, তাদের অবশ্যই ব্যবস্থা নিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বন্ডি ট্র্যাজেডির সাম্প্রতিক ঘটনার পর অস্ট্রেলিয়া বর্তমানে উচ্চ নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এ সময়ে এ পদক্ষেপ নেওয়া হলো। তিনি গত বছর সিডনির একটি সমুদ্র সৈকতে ইহুদি বিদ্বেষীর নির্বিচারে গুলিবর্ষণের ঘটনাটি উল্লেখ করেন, যাতে ১৫ জন নিহত হয়েছে।
নিয়ন্ত্রক সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিবন্ধিত টেলিগ্রাম একটি বড় বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম। অস্ট্রেলিয়া থেকে প্রতি মাসে প্রায় ১৫ লাখ বার এটি ব্যবহার করা হয়। সূত্র: এএফপি, আনাদোলু এজেন্সির।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সভ্যতার সাথে তাল মিলিয়ে মানুষ হয়ে পড়ছে কর্মব্যস্ত। আর এই কর্মব্যস্ত জীবনে প্রযুক্তি সহজতা নিয়ে এসেছে। সংসারের বিভিন্ন বিষয়কে সহজতর করার জন্য প্রযুক্তির অবদান অনস্বীকার্য। রেফ্রিজারেটর হলো প্রযুক্তির একটি চমৎকার আবিষ্কার। এর ফলে আপনি নিয়মিত বাজার করার ঝামেলাও এড়াতে পারেন।
অনেকে একসাথে প্রচুর বাজার করে চিন্তিত হয়ে পড়েন, যে ফ্রিজে রাখা মাছ অনেক দিন পর্যন্ত ভালো থাকবে কি না! মাছ ফ্রিজে কতদিন রাখা যাবে? আদতে কতদিন এটি ভালো থাকবে? মাছকে নিরাপদে কতদিন পর্যন্ত রাখা যায় তা জানা প্রয়োজন। আজকের প্রতিবেদনেই এ বিষয়গুলো তুলে ধরা হবে। চলুন, বিস্তারিত জেনে নিই।
মাছ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে প্রথমত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সঠিক প্যাকেটজাত করার গুরুত্ব রয়েছে। মাছের টুকরোগুলো ভালোভাবে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে একটি এয়ারটাইট প্লাস্টিক ব্যাগে ভরে শক্তভাবে সিল করে রাখা উচিত। এতে বাতাস প্রবেশ করতে পারে না এবং মাছের দ্রুত নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি কমে যায়। ফ্রিজে রাখার সময় মাছটি বরফযুক্ত ঠাণ্ডা পরিবেশে রাখা হলে এটি কিছুটা বেশি সময় তাজা থাকে।
তাজা মাছ, চিংড়ি, স্ক্যালপ বা স্কুইড টাইপ সামুদ্রিক খাবার সাধারণভাবে এক থেকে দুই দিনের মধ্যে রান্না করে ফেলা নিরাপদ। তবে কিছু বড় আকারের মাছ, যেমন টুনা, স্যামন, ট্রাউট বা সোর্ডফিশ তুলনামূলকভাবে একটু বেশি সময়, প্রায় তিন থেকে পাঁচ দিন পর্যন্ত ভালো থাকতে পারে। তৈলাক্ত মাছ যেমন ম্যাকারেল, সার্ডিন বা ব্লুফিশ সাধারণত তিন দিনের বেশি ফ্রিজে না রাখাই ভালো। অতিরিক্ত সময় রাখলে স্বাদ, গন্ধ এবং নিরাপত্তা তিনটি বিষয়ই নষ্ট হতে শুরু করে।
যদি আপনার দুই দিনের মধ্যে মাছ রান্না করার পরিকল্পনা না থাকে, তাহলে তা ফ্রিজারে রাখা উত্তম। ফ্রিজারে রাখার আগে মাছকে আর্দ্রতা প্রতিরোধক ফ্রিজার পেপার বা অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলে শক্তভাবে মুড়িয়ে নিতে হবে এবং ভিতরে বাতাস প্রবেশ করতে দিতে হবে না। সঠিকভাবে মোড়ানো মাছ ফ্রিজারে দীর্ঘদিন ভালো থাকে, তবে ব্যবহারের সময় ধীরে ধীরে বরফ গলানো জরুরি। রান্নার আগের রাতে মাছটিকে ফ্রিজারের পরিবর্তে রেফ্রিজারেটরের নিচের তলাতে রেখে গলে নেয়ার পদ্ধতি সবচেয়ে ভালো।
রান্না করা মাছও ফ্রিজে সংরক্ষণ করা সম্ভব, তবে এরও একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা আছে। সাধারণত রান্না করা মাছ ফ্রিজের ঠাণ্ডা তাপমাত্রায় দুই থেকে তিন দিন পরিমাণ ভালো থাকে। এই সময়ের বেশি রাখলে স্বাদ খারাপ হয়ে যায় এবং খাদ্যবাহিত রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
অনেকের ধারণা রয়েছে, ফ্রিজে রাখা মাছের পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়। বাস্তবে, সঠিকভাবে হিমায়িত করলে মাছের প্রোটিন, চর্বি এবং ভিটামিন এ ও ডি-র মতো চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিনগুলোর তেমন কোনো ক্ষতি হয় না। তবে হিমায়িত করার কারণে মাছের স্বাদ এবং গঠনে কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো একবার মাছ গলে গেলে তা আর কখনোই পুনরায় ফ্রিজে জমায়েত করা উচিত নয়। এতে ক্ষতিকর ব্যাক্টেরিয়া বেড়ে যেতে পারে এবং খাবারটি নিরাপদ থাকে না।
সবশেষে, ভালো মাছ সংরক্ষণের শুরু সঠিকভাবে ভালো মাছ কেনার মাধ্যমে হয়। তাজা মাছের রং উজ্জ্বল থাকে, গন্ধ স্বাভাবিক এবং ফিলে আর্দ্র ও টানটান দেখায়। তাই ধূসর, নিস্তেজ বা শুকনা দেখতে মাছ থেকে এড়িয়ে চলাই সবচেয়ে ভালো। সঠিকভাবে সংরক্ষণ করলে তাজা এবং হিমায়িত- দুই ধরনের মাছই পুষ্টিকর এবং নিরাপদে খাওয়া সম্ভব।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৩০ জুলাই, ২০২৬ : সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান ইরানের হামলার পর বাংলাদেশের সমর্থন প্রদর্শনের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন এবং শিগগির ঢাকা সফরের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।
ঢাকাস্থ ইউএই দূতাবাস আজ জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে তিনি বাংলাদেশের এই সমর্থনের জন্য কঠিন সময়ে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
হামলায় ইউএইতে বসবাসরত দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুর ঘটনায় শেখ মোহাম্মদ শোক প্রকাশ করেন। তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর জন্য এবং বাংলাদেশের জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
অর্থনৈতিক, মানবিক এবং উন্নয়ন খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন ইউএই প্রেসিডেন্ট।
এছাড়া, বাংলাদেশ সফরের জন্য প্রধানমন্ত্রী আমন্ত্রণকে তিনি আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান এবং সুবিধাজনক প্রথম সুযোগেই সরকারি সফরে বাংলাদেশে আসার মনে প্রয়াস প্রকাশ করেন।
শেখ মোহাম্মদ আশা করেন, এই সফর দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের বিদ্যমান সুদৃঢ় সম্পর্ককে আরও গভীর করার মধ্যে ভূমিকা রাখবে।
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্পর্কিত বন্ধুত্ব এবং আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির প্রতি অভিন্ন অঙ্গীকারের ভিত্তিতে বাংলাদেশ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে একটি শক্তিশালী ও বহুমাত্রিক সম্পর্ক বিদ্যমান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৩০ জুলাই, ২০২৬ : জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জুলাইযোদ্ধারা ক্ষমতার পরিবর্তন নয়, সিস্টেমের পরিবর্তন চেয়েছেন। তিনি বলেন, জুলাইয়ের চেতনাই ছিল রাষ্ট্র কাঠামোর সংস্কারের মাধ্যমে বৈষম্যহীন, ন্যায়বিচারের বাংলাদেশ। সেই চেতনায় জামায়াতে ইসলামী পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে জুলাইয়ের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত আপসহীন ভূমিকা রেখে আসছে। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সের কাউন্সিল হলরুমে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তর ও দক্ষিণের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবার ও আহত জুলাইযোদ্ধাদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জুলাই চেতনা থেকে সরে আসতে আপসের যত প্রস্তাব এসেছে, জামায়াতে ইসলামী তা ঘৃণার সঙ্গে প্রত্যাখ্যাত করেছে। আমরা বলেছি, আমরা গণভোটের পক্ষের কথা আজও স্বীকার করছি, আগামীতেও করবো। আমরা রাষ্ট্র সংস্কারের দাবি থেকে একচুলও পিছিয়ে যাবো না। জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, শহীদের রক্ত কখনো বৃথা যায় না। যে দেশে জালিম শাসক, ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে শিশুরা পর্যন্ত জীবন উৎসর্গ করে দেয়, সেই দেশে শহীদদের রক্ত বৃথা যাবে না। শহীদের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে জামায়াতে ইসলামী আপসহীন ভূমিকা অব্যাহত রাখবে। শহীদ জাবির ইব্রাহিমের মা রোকেয়া বেগম এমপি বলেন, আমি যখন শহীদ পরিবারের পক্ষে সংসদে গণহত্যার বিচারের দাবি তুলেছি এবং ট্রাইবুনালের চিফ প্রসিকিউটরকে স্মারকলিপি দিয়েছি, তখন তারা আমার বক্তব্য শুনেছেন এবং এক বছরের মধ্যে বিচার সম্পন্ন করার আশ্বাস দিয়েছেন। ট্রাইব্যুনালে লোকবল এবং বেঞ্চের অভাবে বিচার ধীরগতিতে চলছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, গণহত্যার বিচার দ্রুত নিষ্পত্তি করতে ট্রাইব্যুনালে বেঞ্চ ও জনবল বৃদ্ধি করতে হবে। বাংলাদেশ জামায়াতে Islamীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপির সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি দেলাওয়ার হোসেন এবং মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি ডা. ফখরুদ্দিন মানিকের যৌথ পরিচালনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন রাষ্ট্রচিন্তক মিসেস দিলারা চৌধুরী, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি, বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান, সাবেক সচিব মাহবুবুল হক, সাবেক রাষ্ট্রদূত সাকিব আলী, ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির, বাংলাদেশ জুলাইযোদ্ধা সংসদের সভাপতি আহত জুলাইযোদ্ধা নেছার উদ্দিন নাঈম, দুই চোখ হারানো জুলাইযোদ্ধা মো. রাকিব, শহীদ মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধের বাবা মীর মোস্তাফিজুর রহমান, শহীদ শাহরিয়ার খান আনাসের নানা সাইদুর রহমান খান, শহীদ পারভেজ মিয়ার মা কানিজ ফাতেমা, শহীদ ফারহান ফাইয়াজের বাবা শহিদুল ইসলাম, শহীদ সৈয়দ মুনতাসির রহমান আলিফের বাবা সৈয়দ গাজী উর রহমান, শহীদ শেখ মেহেদী হাসান জুনায়েদের বাবা শেখ জামাল হাসান, শহীদ মেহেরুন্নেসার বাবা মো. মোশাররফ হোসেন, শহীদ আব্দুল হান্নানের ছেলে ডা. সাইফ আহমেদ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম, ড. ফয়জুল হক, জুলাইযোদ্ধা আল নুর মোহাম্মদ আয়াশ ও মাসুম বিল্লাহ প্রমুখ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা ও বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সারাদিন ব্যস্ত সময় পার করার পর রাতে তিনি হঠাৎ এ সফরে বের হন।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই ২০২৬) রাত ৯ টা ১০ টার দিকে তিনি এ পরিদর্শন শুরু করেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনকে পাশে বসিয়ে নিজে গাড়ি চালিয়ে ফার্মগেট এলাকার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এরপর সংসদ ভবন এলাকায় যান। সেখান থেকে ক্যান্টনমেন্ট হয়ে মহাখালি যান। তারপর বনানী চেয়ারম্যান বাড়ি ঘুরে বনানী হয়ে গুলশানে বাসায় ফেরেন প্রধানমন্ত্রী।
এসময় গাড়িতে বসে উত্তর সিটির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনকে বিভিন্ন বিষয়ে দিক নির্দেশনা দেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তার গাড়ি বহরে ছিলেন।
সুজন মাহমুদ জানান, প্রধানমন্ত্রী সকাল থেকে সারাদিন সচিবালয়ে কর্মব্যস্ত সময় পার করেন। রাতে সেখান থেকে উত্তর সিটির প্রশাসককে সঙ্গে নিয়ে রাস্তা ঘাটের পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার অবস্থা দেখতে বের হন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ