শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:২৩ পি.এম
রাজধানীর বনানী এলাকায় একটি বহুতল ভবনে আগুনের ঘটনা ঘটেছে। খবর পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর জন্য রওনা দিয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
তবে, আগুনের সূত্রপাত কিভাবে হয়েছে সে সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া, অগ্নিকাণ্ডের কারণে এখন পর্যন্ত হতাহত হওয়ার খবর নেই।
ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার রোজিনা আক্তার গণমাধ্যমকে অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, বিকেল ৫টা ৩৬ মিনিটের দিকে বনানীর ২৬ তলা ভবনে আগুনের খবর পাওয়া যায়। ইতোমধ্যে ফায়ার সার্ভিসের দু’টি ইউনিট ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আমেরিকার কলেজ ভর্তির অন্যতম প্রধান প্রবেশদ্বার স্যাট (SAT) পরীক্ষায় ১৬০০ এর মধ্যে ১৬০০ বা নিখুঁত স্কোর অর্জন করে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোর সবাইকে অবাক করে দিয়েছে। জর্জিয়ার ফুলটন কাউন্টির মিডল স্কুলের ছাত্র আশ্রিত তাল্লুরি এই অসাধারণ অ্যাকাডেমিক মাইলফলক অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।
সাধারণত, ১৬ অথবা ১৭ বছর বয়সে শিক্ষার্থীরা হাই স্কুলের জুনিয়র ইয়ারের বসন্তকালে স্যাট পরীক্ষা দিয়ে থাকে। কিন্তু আশ্রিত এত কম বয়সে এই কঠিন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে এবং সফলতার সঙ্গে তা পাস করে। ফক্স ৫ আটলান্টা-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সে জানায়, স্কোর কার্ডে ১৬০০ দেখার পর নিজের চোখকে কয়েকবার কচলে বিশ্বাস করতে হয়েছে।
মিডল স্কুলে পড়ার সময়েই আশ্রিত সাড়ে চৌদ্দটি হাই স্কুল ক্রেডিট অর্জন করে, যার ফলে সে হার্ভার্ড ও রাইসে কলেজ পর্যায়ের সামার প্রোগ্রামে অংশ নেওয়ার সুযোগ পায়। বাবার ও মিডল স্কুলের কাউন্সেলরের উৎসাহে সে গত জানুয়ারিতে পরীক্ষার জন্য নাম রেজিস্ট্রি করে এবং একজন টিউটরের সঙ্গে পাঁচ মাস ধরে পড়াশোনা ও মক টেস্ট দিয়ে প্রস্তুতি নেয়। ফলাফল হাতে পাওয়ার পর কিশোর আশ্রিত অবাক হয়ে আবিষ্কার করে যে সে নিখুঁত স্কোর অর্জন করেছে।
পরীক্ষায় সফল হওয়ার পরও স্যাট নিয়ে তার ব্যস্ততা শেষ হয়নি। অন্য শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতির সহায়তার জন্য সে নিজে স্যাট প্র্যাকটিস প্রশ্ন তৈরি করে অবসর সময় কাটায়। সে জানায়, অন্য কেউ তাকে যেভাবে সাহায্য করেছে, ঠিক তেমনি সেও সমাজের অন্য শিক্ষার্থীদের একাডেমিক স্বপ্ন পূরণে সাহায্য করতে চায়।
ভালো ফলাফলের পাশাপাশি মানুষের কল্যাণে বড় কিছু করার স্বপ্নও রয়েছে তার। আশ্রিত জানায়, সে ভবিষ্যতে একজন নিউরোসার্জন হতে চায়। তবে এর পাশাপাশি সে নিজেই একটি ব্যবসা পরিচালনা করছে।
তার লিংকডইন প্রোফাইল অনুযায়ী, সে সেরেব্রোএগিস (CerebroAegis) নামের একটি কোম্পানির প্রধান নির্বাহী (সিইও)। কোম্পানিটিকে সে একটি এআই-চালিত স্ট্রোক স্ক্রিনিং এবং স্বাস্থ্য-নিরাপত্তা প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বর্ণনা করেছে, যা স্মার্টফোনের সেন্সর ব্যবহার করে স্ট্রোকের সম্ভাব্য লক্ষণ শনাক্ত করতে এবং দ্রুত স্ক্রিনিং সহায়তা দিতে পারে। এছাড়া, লিংকডইন তথ্য অনুযায়ী, সে আরও দুটি কোম্পানির প্রধান নির্বাহী হিসেবে যুক্ত আছে।
আশ্রিত সম্প্রতি ইনোভেশন একাডেমিতে তার নবম শ্রেণির জীবন শুরু করেছে এবং সেখানে দ্বৈত ভর্তির (ডুয়াল এনরোলমেন্ট) মাধ্যমে দুটি কলেজ পর্যায়ের কোর্স সম্পন্ন করছে। পড়াশোনার বাইরে সে দাবা খেলা, বিমান চালনা (ফ্লাইং) এবং আটলান্টা এলাকার বিভিন্ন হ্যাকাথনে অংশ নিয়ে অবসর সময় কাটাচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মানিকগঞ্জের শিবালয়ে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের টেপড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গোল্ডেন লাইন পরিবহনের একটি বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী এক নারী ও তার ১০ মাস বয়সী কন্যার মৃত্যু ঘটেছে। নিহতের স্বামী মো. আবুল হোসেন টাঙ্গাইল জেলা কারাগারের কারারক্ষী হিসেবে কর্মরত।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বেলা পৌনে ১২টার দিকে টেপড়া বাসস্ট্যান্ডের নিকটবর্তী স্থানে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন সনিয়া (২৬) এবং তার ১০ মাস বয়সী মেয়ে জান্নাত। সনিয়া শিবালয় উপজেলার জাফরগঞ্জ পয়লা গ্রামের আরফান আলী শেখের কন্যা। তিনি মানিকগঞ্জের দেবেন্দ্র কলেজের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ছিলেন।
নিহতের স্বামী আবুল হোসেন জানান, তিনি সাত দিনের ছুটিতে স্ত্রী ও কন্যাকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে গিয়েছিলেন। স্ত্রীর মাস্টার্স ইনকোর্স পরীক্ষার সমাপ্তির পর শনিবার সকালে পরিবার নিয়ে মোটরসাইকেলে কর্মস্থল টাঙ্গাইলের উদ্দেশে রওনা দেন। টেপড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছালে উল্টো পথে বিপরীত দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা গোল্ডেন লাইন পরিবহনের একটি বাস তাদের মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়।
তিনি আরও জানান, বাসটি উল্টোপথে আসায় আতঙ্কিত হয়ে মোটরসাইকেল থেকে স্ত্রী কোলে থাকা শিশুসহ পড়ে যান। এ সময় বাসের আঘাতে স্ত্রী ও কন্যা গুরুতর আহত হন। দ্রুত তাদের শিবালয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক স্ত্রীকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটিও মারা যায়।
তিনি বলেন, "বাসটি উল্টোপথে না এলে আজ স্ত্রী ও মেয়েকে হারাতে হতো না। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।"
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, টেপড়া বাসস্ট্যান্ডের আইল্যান্ডের উত্তর পাশে মোটরসাইকেলটি যাওয়ার সময় আইল্যান্ডের উল্টো পথে বিপরীত দিক থেকে আসা গোল্ডেন লাইন পরিবহনের বাসটি ধাক্কা দেয়।
এ বিষয়ে বরংগাইল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন অর রশিদ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে আহত দুজনকে উদ্ধার করে শিবালয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। দুর্ঘটনাকবলিত গোল্ডেন লাইন পরিবহনের (ঢাকা মেট্রো-ব ১২-২০০১) বাসটি উথলী এলাকা থেকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে। তবে বাসের চালক ও হেলপার পলাতক রয়েছেন। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।
শিবালয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সাম্মি বলেন, নারীটিকে হাসপাতালে মৃত অবস্থায় আনা হয়। ১০ মাস বয়সী শিশুটি তখনও জীবিত ছিল। চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতের রাঁচির একটি মদের দোকানে ঢুকে একটি বানর বোতল থেকে মদ পান করে এবং পরে সেখানেই ঘুমিয়ে পড়ে। এই ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাঁচির ওরমানঝির ব্লক চৌক এলাকার একটি ওয়াইন শপে এই অদ্ভুত ঘটনাটি ঘটে।
দোকানে প্রবেশ করার পর বানরটিকে তাড়ানোর চেষ্টা করা হয়, কিন্তু একপর্যায়ে সেটি দোকানের ভেতরে থাকা একটি মদের বোতল নিয়ে পান করতে শুরু করে। স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, মদ পান করার পর বানরটি দোকানের মেঝেতে শুয়ে পড়ে।
ঘটনাটি দেখতে দোকানের সামনে বেশ কিছু মানুষ ভিড় করে। পরে বানরটি জেগে উঠে দোকানের ভেতরে কিছুটা তাণ্ডব চালায় এবং তাকে নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা এক কর্মীকে কামড় দেয়।
এই ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় পুলিশ ও বিরসা মুন্ডা জৈবিক উদ্যানের উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। অনেক চেষ্টা করার পর বানরটিকে নিরাপদে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয়।
ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এটি নিয়ে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতের তামিলনাড়ুর কন্যাকুমারী জেলায় একটি চুরির ঘটনা ঘটেছে। ইউটিউবে সোনা ও টাকার ভিডিও প্রচারের পর রাতে এই চুরির ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানায়, চোরেরা প্রায় ৮০ ভরি সোনার গহনা নিয়ে গেছে। চুরি হওয়া গহনার আনুমানিক মূল্য প্রায় এক কোটি রুপি।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মধুমিতার পুরোনো কিছু ভিডিও নতুন করে ছড়িয়ে পড়েছে। এসব ভিডিওতে তাকে সোনার গহনা ও পরিবারের বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী প্রদর্শন করতে দেখা যায়।
তবে, তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভিডিও দেখেই চোরেরা বাড়িতে হামলা করেছে কি না, সে বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো নিশ্চিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
কীভাবে ঘটল চুরি
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মধুমিতা এবং তার স্বামী বিনোদ কুমার বাড়ি থেকে বের হন। রাত ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে তারা বাড়িতে ফিরে আসেন। তখন সামনের দরজা খুলতে না পেরে তারা সন্দেহ করেন। পরে রাত ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে একজন কাঠমিস্ত্রিকে ডেকে আনা হয়।
তখন দেখা যায়, সামনের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। তবে বাড়ির পেছনের দরজা ভাঙা অবস্থায় পাওয়া যায়। বাড়ির ভেতরে ঢুকে তারা দেখতে পান, একটি আলমারিতে রাখা সোনার গহনা নেই। এরপর বিষয়টি রাজাক্কামঙ্গলম থানায় জানানো হয়।
তদন্তে পুলিশের ছয়টি দল
ঘটনার খবর পেয়ে শুক্রবার সকালে পুলিশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পুলিশ সুপার আনশুল নাগরও ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। চোরদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে ছয়টি বিশেষ দল কাজ করছে বলে জানা গেছে। এলাকার বিভিন্ন সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজও সংগ্রহ করে দেখা হচ্ছে।
পুলিশ চুরির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে অন্যান্য আলামতও পরীক্ষা করছে।
পুরোনো ভিডিও ঘিরে আলোচনা
মধুমিতা তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটোরের একজন ইউটিউবার। তিনি মূলত জীবনযাপন, পরিবার, সোনার গহনা ও কেনাকাটা নিয়ে ভিডিও প্রকাশ করেন। স্বামী বিনোদ কুমার ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। তারা প্রায় ১০ মাস আগে নাগেরকোইলের থাম্মাথু কোনামে একটি বাড়ি কিনে সেখানে বসবাস শুরু করেন।
মধুমিতার কয়েকটি পুরোনো ভিডিওতে পরিবারের সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী দেখানো হয়েছিল। এর মধ্যে একটি ভিডিওতে পূজার ঘরে রাখা সোনার গহনাও দেখা যায় বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে। চুরির খবর প্রকাশের পর এসব ভিডিও আবার ছড়িয়ে পড়েছে।
পুরোনো ভিডিওগুলো ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের মন্তব্য দেখা যাচ্ছে। কেউ কেউ অনলাইনে মূল্যবান সামগ্রী প্রদর্শনের বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ