শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৩৯ পি.এম
ভারতের রাঁচির একটি মদের দোকানে ঢুকে একটি বানর বোতল থেকে মদ পান করে এবং পরে সেখানেই ঘুমিয়ে পড়ে। এই ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাঁচির ওরমানঝির ব্লক চৌক এলাকার একটি ওয়াইন শপে এই অদ্ভুত ঘটনাটি ঘটে।
দোকানে প্রবেশ করার পর বানরটিকে তাড়ানোর চেষ্টা করা হয়, কিন্তু একপর্যায়ে সেটি দোকানের ভেতরে থাকা একটি মদের বোতল নিয়ে পান করতে শুরু করে। স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, মদ পান করার পর বানরটি দোকানের মেঝেতে শুয়ে পড়ে।
ঘটনাটি দেখতে দোকানের সামনে বেশ কিছু মানুষ ভিড় করে। পরে বানরটি জেগে উঠে দোকানের ভেতরে কিছুটা তাণ্ডব চালায় এবং তাকে নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা এক কর্মীকে কামড় দেয়।
এই ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় পুলিশ ও বিরসা মুন্ডা জৈবিক উদ্যানের উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। অনেক চেষ্টা করার পর বানরটিকে নিরাপদে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয়।
ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এটি নিয়ে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতের তামিলনাড়ুর কন্যাকুমারী জেলায় একটি চুরির ঘটনা ঘটেছে। ইউটিউবে সোনা ও টাকার ভিডিও প্রচারের পর রাতে এই চুরির ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানায়, চোরেরা প্রায় ৮০ ভরি সোনার গহনা নিয়ে গেছে। চুরি হওয়া গহনার আনুমানিক মূল্য প্রায় এক কোটি রুপি।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মধুমিতার পুরোনো কিছু ভিডিও নতুন করে ছড়িয়ে পড়েছে। এসব ভিডিওতে তাকে সোনার গহনা ও পরিবারের বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী প্রদর্শন করতে দেখা যায়।
তবে, তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভিডিও দেখেই চোরেরা বাড়িতে হামলা করেছে কি না, সে বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো নিশ্চিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
কীভাবে ঘটল চুরি
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মধুমিতা এবং তার স্বামী বিনোদ কুমার বাড়ি থেকে বের হন। রাত ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে তারা বাড়িতে ফিরে আসেন। তখন সামনের দরজা খুলতে না পেরে তারা সন্দেহ করেন। পরে রাত ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে একজন কাঠমিস্ত্রিকে ডেকে আনা হয়।
তখন দেখা যায়, সামনের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। তবে বাড়ির পেছনের দরজা ভাঙা অবস্থায় পাওয়া যায়। বাড়ির ভেতরে ঢুকে তারা দেখতে পান, একটি আলমারিতে রাখা সোনার গহনা নেই। এরপর বিষয়টি রাজাক্কামঙ্গলম থানায় জানানো হয়।
তদন্তে পুলিশের ছয়টি দল
ঘটনার খবর পেয়ে শুক্রবার সকালে পুলিশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পুলিশ সুপার আনশুল নাগরও ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। চোরদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে ছয়টি বিশেষ দল কাজ করছে বলে জানা গেছে। এলাকার বিভিন্ন সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজও সংগ্রহ করে দেখা হচ্ছে।
পুলিশ চুরির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে অন্যান্য আলামতও পরীক্ষা করছে।
পুরোনো ভিডিও ঘিরে আলোচনা
মধুমিতা তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটোরের একজন ইউটিউবার। তিনি মূলত জীবনযাপন, পরিবার, সোনার গহনা ও কেনাকাটা নিয়ে ভিডিও প্রকাশ করেন। স্বামী বিনোদ কুমার ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। তারা প্রায় ১০ মাস আগে নাগেরকোইলের থাম্মাথু কোনামে একটি বাড়ি কিনে সেখানে বসবাস শুরু করেন।
মধুমিতার কয়েকটি পুরোনো ভিডিওতে পরিবারের সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী দেখানো হয়েছিল। এর মধ্যে একটি ভিডিওতে পূজার ঘরে রাখা সোনার গহনাও দেখা যায় বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে। চুরির খবর প্রকাশের পর এসব ভিডিও আবার ছড়িয়ে পড়েছে।
পুরোনো ভিডিওগুলো ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের মন্তব্য দেখা যাচ্ছে। কেউ কেউ অনলাইনে মূল্যবান সামগ্রী প্রদর্শনের বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্তব্য করেছেন যে, বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত। তিনি জানিয়েছেন, সরকার বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
রাজনীতিতে আসার আগে ব্যবসায় কর্মজীবন শুরু করার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সেখান থেকে তিনি একটি সহজ শিক্ষা পেয়েছেন- বিনিয়োগের জন্য আস্থা, পূর্বানুমেয়তা এবং প্রবৃদ্ধির উপযোগী সঠিক পরিবেশ প্রয়োজন।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে অংশ নিতে নিউইয়র্ক সফররত প্রধানমন্ত্রী শুক্রবার স্থানীয় সময় সকালে ম্যানহাটনে জেপি মর্গানের সদর দপ্তর ২৭০ পার্ক অ্যাভিনিউয়ে ওয়াল স্ট্রিটের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতা ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে এক প্রাতরাশ বৈঠকে এসব কথা বলেন।
বৈঠকের আয়োজক জেপি মর্গান এবং অংশগ্রহণকারী ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওয়াল স্ট্রিটের মানুষ নন; একজন বাংলাদেশি এবং রাজনৈতিক নেতা হিসেবে দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার দায়িত্ব নিয়ে এখানে এসেছি।
তিনি বলেন, "ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীরা তাদের ব্যবসা এবং বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করেন, আর আমি কাজ করি বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষায়। দায়িত্ব ভিন্ন হলেও উভয়ের মূলনীতি একই-সাফল্য নিশ্চিত করা।"
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে বাংলাদেশের অগ্রাধিকারগুলো তুলে ধরেছেন। আজ তিনি দেশের অর্থনীতি এবং বৈশ্বিক ব্যবসার জন্য বাংলাদেশে বিদ্যমান সুযোগগুলো সরাসরি তুলে ধরতে চান।
তারেক রহমান উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে ১৮ কোটিরও বেশি মানুষের বসবাস। দেশটির রয়েছে তরুণ ও কর্মঠ জনগোষ্ঠী, ক্রমবর্ধমান বাজার এবং কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থান।
তিনি বলেন, বিশ্ব বাংলাদেশকে বড় উৎপাদন ও তৈরি পোশাকের কেন্দ্র হিসেবে চেনে। এটি বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ শক্তি এবং তা অব্যাহত থাকবে। তবে আজকের বাংলাদেশ এর চেয়েও অনেক বেশি সম্ভাবনা ধারণ করে।
জ্বালানি, অবকাঠামো, লজিস্টিকস, প্রযুক্তি, ডিজিটাল সেবা, জলবায়ু অর্থায়ন, উৎপাদন, কৃষি ও স্বাস্থ্যসেবায় উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তোলা এবং বাংলাদেশকে বিশ্বব্যাপী সংযুক্ত উৎপাদন, বিনিয়োগ ও সেবা খাতের একটি কেন্দ্রে পরিণত করা সরকারের লক্ষ্য।
তিনি বলেন, এ লক্ষ্য অর্জনে বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশকে আরও সহজ, স্থিতিশীল ও নির্ভরযোগ্য করে তুলতে সরকার কাজ করছে। নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা সহজ করা, বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা জোরদার করা, বিধিবিধান সহজ করা, কর ও ভ্যাট প্রশাসনের উন্নয়ন, মুনাফা সহজে দেশে ফেরত নেওয়ার ব্যবস্থা এবং অবকাঠামোর উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায় তার সরকার। একই সঙ্গে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে নতুন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে নতুন অংশীদারত্বের উদ্যোগ এবং চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদারের কথা তুলে ধরেন তিনি।
বিশ্বের প্রধান অর্থনীতিগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের আরও ঘনিষ্ঠ সংযোগ স্থাপনে এসব পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বাংলাদেশের প্রথম সার্বভৌম বন্ড ইস্যুতে জেপি মর্গ্যানের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের জন্য একটি নতুন রেফারেন্স পয়েন্ট পেয়েছেন এবং দেশের পুঁজিবাজারকে বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থার সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীরা শেষ পর্যন্ত কোনো বক্তব্যের পর কী ঘটে, তার ভিত্তিতেই একটি দেশকে মূল্যায়ন করেন। বিধিবিধান কতটা পূর্বানুমেয়, বিনিয়োগ কতটা সুরক্ষিত, মূলধন কতটা দক্ষতার সঙ্গে স্থানান্তর করা যায় এবং মুনাফা কতটা সহজে দেশে ফেরত নেওয়া যায়-এসব তাঁদের যৌক্তিক প্রশ্ন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নীতির মাধ্যমে এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে তার কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে আস্থা তৈরি করাই সরকারের দায়িত্ব। সরকার স্বল্পমেয়াদি লেনদেন নয়, উভয় পক্ষের জন্য মূল্য সৃষ্টি করবে এমন দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্ব চায়।
ওয়াল স্ট্রিটের প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে এমন একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্মে পরিণত করতে চায় সরকার, যেখান থেকে বিনিয়োগকারীরা বৃহত্তর আঞ্চলিক বাজারে তাঁদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজারবিষয়ক বিশেষ সহকারী তানভীর গনি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবেন এবং তাঁদের স্বার্থ ও সুনির্দিষ্ট বিষয়গুলো সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করবেন।
তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য অত্যন্ত সরল- আরও বিনিয়োগ, আরও বাণিজ্য, আরও কর্মসংস্থান, আরও প্রযুক্তি এবং বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আরও শক্তিশালী অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব।
বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বিনিয়োগ এবং দীর্ঘমেয়াদি ভিত্তিতে ব্যবসা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "আপনাদের সঙ্গে কাজ করতে, আপনাদের কথা শুনতে এবং যেখানে সম্ভব বাধা দূর করতে আমরা প্রস্তুত। আশা করি, আপনাদের অনেককেই শিগগিরই বাংলাদেশে দেখতে পাব।"
বৈঠকে ওয়াল স্ট্রিটের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতা, বিনিয়োগকারী ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম হাটহাজারী উপজেলা থেকে পুলিশ মো. নাছির উদ্দীনকে গ্রেপ্তার করেছে, তার কাছে বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন, ওয়ান শুটারগান (এলজি) এবং ১১ রাউন্ড গুলি-কার্তুজ ছিল। তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত স্বেচ্ছাসেবক লীগের ধলই ইউনিয়নের সভাপতি।
পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম জানিয়েছেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার অভিযান চালিয়ে তার বসতঘর থেকে তাকে আটক করা হয়।
নাছির উদ্দীনের শয়নকক্ষের স্টিলের ওয়ারড্রবের ড্রয়ার থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন এবং ৭ দশমিক ৬৫ মিলিমিটারের চার রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, একই কক্ষের স্টিলের আলমারির নিচের ড্রয়ার থেকে একটি ওয়ান শুটারগান (এলজি) ও সাত রাউন্ড তাজা শটগানের কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া কার্তুজের গায়ে লেখা রয়েছে শক্তিমান এক্সপ্রেস মেড ইন ইন্ডিয়া।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদে নাছির অস্ত্রের উৎস সম্পর্কে তথ্য প্রদান করেছে। তার বন্ধু মো. তৈয়ব, যিনি রাউজানের বাসিন্দা, তিন-চার মাস আগে বিদেশে যাওয়ার সময় অস্ত্র ও গোলাবারুদগুলো তার কাছে রেখে যান। দেশে ফিরে তৈয়ব এগুলো নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন।
এ ঘটনায় নাছির উদ্দীন এবং পলাতক তৈয়বের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে হাটহাজারী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানী ঢাকার মাদানী অ্যাভিনিউতে অবস্থিত এসএফবিএল অ্যারেনায় স্যামসন এইচ. চৌধুরীর ১০১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে একটি বিশেষ স্মরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। স্কয়ার গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানের এই জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
অনুষ্ঠানে স্যামসন এইচ. চৌধুরীর জীবন, কর্ম ও আদর্শের ওপর ভিত্তি করে তৈরি বিশেষ স্মৃতিকথা সংকলন গ্রন্থ ‘Samson H. Chowdhury: Stories of Uncompromising Integrity’-এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়। এই বইটি স্যামসন এইচ. চৌধুরীর সান্নিধ্যে আসা ব্যবসায়ী নেতা, বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং পারিবারিক স্নেহভাজনদের স্মৃতিকথা ও অনুভূতির সংকলন।
স্মরণ অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য প্রদান করেন স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন চৌধুরী। এছাড়া, পরিবারের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন স্কয়ার ফ্যাশনস লিমিটেডের পরিচালক সানচিয়া চৌধুরী।
আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে আবেগঘন স্মৃতিচারণ করেন ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স (আইসিসি) বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট মাহবুবুর রহমান।
এই সময় স্যামসন এইচ. চৌধুরীর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে নির্মিত বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র ‘Samson: Through a Son's Lens’-এর একটি সংক্ষিপ্ত অংশও প্রদর্শিত হয়।
এছাড়া, স্যামসন এইচ. চৌধুরীর মানবিক আদর্শকে ধারণ করে অনিতা-স্যামসন ফাউন্ডেশন ও স্কয়ার পরিবার বিভিন্ন সামাজিক জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এর মধ্যে রয়েছে দেশব্যাপী মোবাইল স্বাস্থ্যসেবা উদ্যোগ ‘৫৬ হাজার স্কয়ার মাইল জুড়ে’, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা কার্যক্রম, পোশাক শ্রমিকদের বিনামূল্যে চক্ষু শিবির, কলসিন্দুরের নারী ফুটবলারদের সহায়তা এবং পাবনায় আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্প।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ