ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মেটার নতুন নিষেধাজ্ঞা: ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম ও টিকটকে টিকটক ও বাইটড্যান্সের বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ


মেটার নতুন নিষেধাজ্ঞা: ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম ও টিকটকে টিকটক ও বাইটড্যান্সের বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ

মেটা, প্রতিদ্বন্দ্বী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটক এবং এর মূল প্রতিষ্ঠান বাইটড্যান্সের বিজ্ঞাপন নিজেদের প্ল্যাটফর্মে নিষিদ্ধ করেছে। এই নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, মিসর, ইন্দোনেশিয়া, জাপান, থাইল্যান্ড এবং ভিয়েতনামে কার্যকর হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার আওতায় টিকটক ও বাইটড্যান্সের সরাসরি বিজ্ঞাপন ছাড়াও, ব্যবহারকারীদের ওই সেবাগুলোর দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য তৃতীয় পক্ষের বিজ্ঞাপনও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জানা যায়, শিশু-কিশোরদের অনলাইন নিরাপত্তা নিয়ে মেটার প্রচারণামূলক বিজ্ঞাপন প্রত্যাখ্যান করেছে টিকটক। এর পরপরই টিকটক ও বাইটড্যান্সের বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে মেটা।

মেটার মুখপাত্র ক্রিস স্ক্রো মন্তব্য করেন, "মেটা বাধ্য নয় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য, যা ব্যবহারকারীদের নিজেদের অ্যাপ থেকে সরিয়ে নিতে পারে।" প্রতিষ্ঠানটি আরও উল্লেখ করেছে, বিভিন্ন শিল্পে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন প্রচারের সুযোগ না দেওয়া একটি স্বাভাবিক ব্যবসায়িক চর্চা।

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

শিশু-কিশোরদের অনলাইন নিরাপত্তা নিয়ে চলমান বিরোধের মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত এসেছে। গত আগস্টে, যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের সঙ্গে ১৮ বিলিয়ন ডলারের সমঝোতায় রাজি হয় মেটা। ওই সমঝোতার আওতায় ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রামে শিশু-কিশোরদের নিরাপত্তা জোরদারে নতুন ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এরপর থেকে, টিকটক এবং ইউটিউবকেও একই ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে আসছে মেটা। প্রতিষ্ঠানটির বক্তব্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপ্রাপ্তবয়স্কদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব একটি প্রতিষ্ঠানের একার নয়; বরং সব প্ল্যাটফর্মকেই এ বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

অন্যদিকে, শিশু-কিশোরদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে যথেষ্ট ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগে টিকটকের ওপর চাপ বাড়ছে। ইউরোপীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো অভিযোগ করেছে, অপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যবহারকারীদের সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে টিকটক। এ ধরনের নিয়ম লঙ্ঘনের জন্য টিকটককে বার্ষিক আয়ের সর্বোচ্চ ৬ শতাংশ পর্যন্ত জরিমানার মুখে পড়তে হতে পারে।

এদিকে, বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তের আগে টিকটক মেটার সঙ্গে প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। গত মাসে, ব্যবহারকারীদের প্রোফাইল থেকে ইনস্টাগ্রামের সরাসরি লিংক সরিয়ে দেয় প্ল্যাটফর্মটি। একই সঙ্গে, শিশু-কিশোরদের অনলাইন নিরাপত্তা নিয়ে মেটার প্রচারণামূলক বিজ্ঞাপনও প্রত্যাখ্যান করে তারা।

আরও পড়ুন: ফেসবুকের ফ্রি ভেরিফায়েড ব্যাজ পাবেন না নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ না করা ব্যবহারকারীরা

সব মিলিয়ে, ব্যবহারকারী এবং বিজ্ঞাপনের বাজারে প্রতিযোগিতার পাশাপাশি শিশু-কিশোরদের অনলাইন নিরাপত্তা নিয়েও মেটা ও টিকটকের বিরোধ আরও তীব্র হয়ে উঠছে। নতুন এই নিষেধাজ্ঞা দুই প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠানের বাণিজ্যিক প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘প্রিয় প্রধানমন্ত্রী আম্বানি, আপনিই ভারতের আসল বস’—মাস্কের কটাক্ষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৯ পি.এম


‘প্রিয় প্রধানমন্ত্রী আম্বানি, আপনিই ভারতের আসল বস’—মাস্কের কটাক্ষ

ভারতের শীর্ষ ধনকুবের মুকেশ আম্বানির প্রতি তীব্র বিদ্রূপ করেছেন বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনকুবের ইলন মাস্ক, কারণ দেশটিতে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা চালুর অনুমতি পেতে বিলম্ব হচ্ছে। মাস্ক আম্বানিকে ভারতের প্রকৃত বস হিসেবে উল্লেখ করার পর, প্রধানমন্ত্রী সম্বোধন করে ব্যঙ্গাত্মকভাবে ক্ষমা চেয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, স্টারলিংককে ভারতের বাজারে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না, কারণ আম্বানি নিজেদের টেলিযোগাযোগ ব্যবসার আধিপত্য ধরে রাখতে চান।

মার্কিন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক টেসলা ও স্পেসএক্স-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং স্টারলিংকের প্রতিষ্ঠাতা। স্টারলিংক মূলত মার্কিন মহাকাশ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স (SpaceX)-এর একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান।

একটি পোস্টে মাস্ক লেখেন, ‘প্রিয় প্রধানমন্ত্রী আম্বানি, আপনিই যে ভারতের আসল বস, তা বুঝতে না পারার জন্য দয়া করে আমার বিনীত ক্ষমা গ্রহণ করুন।’ এরপর তিনি প্রশ্ন তোলেন, রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান কি স্টারলিংককে প্রতিযোগিতার সুযোগ দেবেন? মাস্কের অভিযোগ, ভারতের বাজারে নিজেদের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে চান আম্বানি।

স্পেসএক্সের স্যাটেলাইটভিত্তিক ইন্টারনেট সেবা স্টারলিংক কয়েক বছর ধরে ভারতের বাজারে প্রবেশের চেষ্টা করে আসছে। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ইন্টারনেট বাজারটিতে সেবা চালুর অনুমতি না পাওয়ায় মাস্ক ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি দাবি করেন, বিশ্বের ১৬৫টিরও বেশি দেশে স্টারলিংক সেবা দেওয়ার অনুমতি পেয়েছে। পাঁচ বছর ধরে ভারত সরকারের আইন ও শর্ত মেনে চলার পরও কেন এখনো পূর্ণ অনুমোদন পাওয়া যায়নি, সেই প্রশ্নও তিনি তুলেছেন।

মাস্কের মতে, স্টারলিংক চালু হলে প্রচলিত নেটওয়ার্কের আওতার বাইরে থাকা প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। এতে শিক্ষা ও ব্যবসার নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে। পাশাপাশি প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রচলিত যোগাযোগব্যবস্থা অচল হয়ে পড়লে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট জরুরি যোগাযোগ সচল রাখতে এবং মানুষের জীবন বাঁচাতে সহায়তা করতে পারে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) গভীর রাতে দেওয়া আরেক পোস্টে মাস্ক বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় অন্য যোগাযোগব্যবস্থা অচল হয়ে পড়লে স্টারলিংক জীবন রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ভারতের মানুষের জীবন বাঁচাতেও এই সেবা সহায়তা করতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তবে ভারত সরকার স্টারলিংকের প্রতি বৈষম্যের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। সরকারের বক্তব্য, অন্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের মতো স্টারলিংককেও একই ধরনের নিয়ন্ত্রণমূলক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) ভারতের টেলিযোগাযোগমন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া বলেন, কোনো খাতেই একচেটিয়া আধিপত্য অনুমোদন করে না ভারত। স্টারলিংক স্যাটেলাইট যোগাযোগের প্রাথমিক অনুমোদন পেলেও বাণিজ্যিকভাবে সেবা চালুর জন্য এখনো নিরাপত্তা ছাড়পত্র ও তরঙ্গ বরাদ্দ প্রয়োজন। কর্মকর্তাদের ভাষ্য, স্টারলিংক, রিলায়েন্সের জিও স্যাটেলাইট কমিউনিকেশনস এবং ভারতী এয়ারটেল-সমর্থিত ইউটেলসাত ওয়ানওয়েব প্রায় একই পর্যায়ে রয়েছে।

চলতি সপ্তাহে দিল্লিতে এক শিল্প সমাবেশে স্টারলিংকের কর্মকর্তারা জানান, ভারত প্রস্তুত হলেই তারা সেবা চালু করতে প্রস্তুত। স্যাটেলাইট ইন্টারনেটের অনুমোদন নিয়ে ভারতের উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে জাতীয় নিরাপত্তা, যোগাযোগ অবকাঠামোর ওপর নিয়ন্ত্রণ এবং বিদেশি প্রতিষ্ঠানের ওপর দেশটির আইন প্রয়োগের বিষয়টি।

ভারতের মোবাইল ও ব্রডব্যান্ড বাজারের ৮০ শতাংশের বেশি নিয়ন্ত্রণ করে রিলায়েন্স জিও ও ভারতী এয়ারটেল। সরকারি অনুমোদন সাপেক্ষে স্টারলিংকের সরঞ্জাম ও সেবা বিতরণের জন্য গত বছর প্রতিষ্ঠান দুটির সঙ্গে চুক্তি করেছিল স্পেসএক্স।

তবে জিও ও এয়ারটেল নিজেরাও স্যাটেলাইট ইন্টারনেট ব্যবসায় এগোচ্ছে। রিলায়েন্স লাক্সেমবার্গভিত্তিক এসইএসের সঙ্গে অংশীদারত্বে জিও স্যাটেলাইট সেবা গড়ে তুলছে। অন্যদিকে, স্টারলিংকের বৈশ্বিক প্রতিদ্বন্দ্বী ইউটেলসাত ওয়ানওয়েবে বড় বিনিয়োগ রয়েছে এয়ারটেলের।

আম্বানির সঙ্গে মাস্কের এই বিরোধ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তার আগের সুসম্পর্কের বিপরীত চিত্র তুলে ধরেছে। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ওয়াশিংটনে মোদি ও মাস্কের বৈঠকের পর ভারতে টেসলার গাড়ি কারখানা স্থাপন এবং স্টারলিংকের সেবা চালুর অনুমতি পাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছিল।

কিন্তু ভারতে মাস্কের ব্যবসায় প্রত্যাশিত অগ্রগতি হয়নি। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে মুম্বাইয়ে প্রথম বিক্রয়কেন্দ্র খুলে আমদানি করা গাড়ি বিক্রি শুরু করে টেসলা। তবে ভারত সরকার চেয়েছিল, প্রতিষ্ঠানটি দেশটিতে কারখানা স্থাপন করে কর্মসংস্থান তৈরি করুক।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথম ১৫ মাসে ভারতে টেসলার গাড়ি বিক্রি হয়েছে মাত্র এক হাজারটি। উচ্চ আমদানি শুল্কের কারণে গাড়িগুলোর দাম বেশি হলেও চীনের বিওয়াইডি এবং ভিয়েতনামের ভিনফাস্টের মতো তুলনামূলক কম দামের গাড়ি নির্মাতারা দেশটিতে ব্যবসা বাড়াচ্ছে।

এছাড়া অনলাইন কনটেন্ট সরানোর বিষয়ে ভারত সরকারের নির্দেশ নিয়ে মাস্কের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সের সঙ্গে আইনি বিরোধ চলছে। ২০২৪ ও ২০২৫ সালে মাস্কের সম্ভাব্য দুটি ভারত সফরও বাতিল হয়েছিল।

মাস্কের মন্তব্য ভারতের রাজনীতিতেও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এর আগে ব্যবসায়িক আধিপত্য নিয়ে মাস্কের এক মন্তব্যের জবাবে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী নাম উল্লেখ না করে লিখেছিলেন, ‘ভারতে স্বাগতম, ইলন। আপনি অন্য ব্যক্তির সন্ধান না পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।’

রাহুলের এই মন্তব্যকে আরেক ধনকুবের গৌতম আদানির প্রতি ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হয়েছিল। জবাবে মাস্ক লিখেছিলেন, ‘ধন্যবাদ, রাহুল। এটি সত্যিই উদ্বেগজনক।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদিতে মাদকসহ পাঁচ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৯ পি.এম


সৌদিতে মাদকসহ পাঁচ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

সৌদি আরবের জেদ্দায় পাঁচ বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে সাড়ে ৮ কেজি মেথামফেটামিন বা শাবু মাদক বিক্রি ও প্রচারের। দেশটির মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এই গ্রেপ্তার অভিযান পরিচালনা করেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে চারজন পুরুষ এবং একজন নারী অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সৌদি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মোট ৮ দশমিক ৫ কেজি মেথামফেটামিন মাদক বিক্রি ও প্রচারের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তবে, জেদ্দার কোন নির্দিষ্ট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

সৌদি আরবের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের বর্তমানে হেফাজতে রাখা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর মামলাটি পাবলিক প্রসিকিউশনে পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় অভিযুক্তদের নাম, পরিচয়, বয়স এবং পেশা সম্পর্কে কোনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। একইভাবে, মামলার পরবর্তী অগ্রগতি বা আদালতের সিদ্ধান্ত সম্পর্কেও কিছু জানানো হয়নি।

সৌদি আরবের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নিয়মিতভাবে মাদক পাচার, বিক্রি এবং প্রচারের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে থাকে। মাদকসংক্রান্ত অপরাধের তথ্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর জন্য নাগরিক ও প্রবাসীদের প্রতি কর্তৃপক্ষ আহ্বান জানিয়েছে।

সূত্র: সৌদি সংবাদমাধ্যম আর-রিয়াদ, সাবক এবং আজেল

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েও পুতিনের কাছ থেকেই ডিজেল কিনছেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:০০ পি.এম


রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েও পুতিনের কাছ থেকেই ডিজেল কিনছেন ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির উচ্চমূল্য কমানোর উদ্দেশ্যে রাশিয়ার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ ডিজেল কেনার চুক্তি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি এই ঘোষণা দেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ফোনালাপের পর। ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে মস্কোর ওপর চাপ বাড়ানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের নীতির সঙ্গে এই সিদ্ধান্তের একটি বড় ধরনের বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে জ্বালানির দাম কমানোর চেষ্টা হিসেবেও এ পদক্ষেপকে দেখা হচ্ছে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টে ট্রাম্প জানান, রাশিয়া অবিলম্বে ৩ লাখ টনের বেশি ডিজেল সরবরাহ করবে। এরপর নভেম্বরে আরও ৫ লাখ টন এবং পরবর্তীতে ১০ লাখ টন ডিজেল সরবরাহ করা হবে। তিনি আরও জানান, অল্প সময়ের মধ্যে আরও ৩০ লাখ টন ডিজেল সরবরাহ করা হবে।

ট্রাম্পের এই ঘোষণা গত মাসে রাশিয়ার বিরুদ্ধে সই করা নতুন নিষেধাজ্ঞা আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ওই আইনের উদ্দেশ্য ছিল ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অর্থ জোগাতে রাশিয়ার তেল ও গ্যাস থেকে আয় কমিয়ে আনা।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এ সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে একে শক্তিশালী অংশীদারদের দুর্বল সিদ্ধান্ত বলে অভিহিত করেছেন। তার মতে, এ পদক্ষেপ রাশিয়াকে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করার সুযোগ দেবে।

ট্রাম্পের প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফ ও তার জামাতা জ্যারেড কুশনার যখন ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাব নিয়ে মায়ামিতে বৈঠক করছিলেন, তখনই রাশিয়ার সঙ্গে ডিজেল সরবরাহের চুক্তির ঘোষণা আসে। জেলেনস্কি বলেন, তাদের প্রতিনিধিদলকে আড়াল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে তার মনে হচ্ছে। অংশীদারদের সঙ্গে এমন আচরণ ন্যায্য নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা নিয়ে প্রশ্ন

ট্রাম্পের এ সিদ্ধান্তের ফলে রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কংগ্রেসে বিপুল সমর্থনে পাস হওয়া আইনে রাশিয়ার তেল ও গ্যাস কেনা দেশগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ রয়েছে।

মার্কিন সিনেটের ডেমোক্র্যাট নেতা চাক শুমারসহ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ ডেমোক্র্যাট নেতা ট্রাম্পের ঘোষণাকে ইউক্রেন, ইউরোপের মিত্র দেশগুলো এবং যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা বলে অভিহিত করেছেন। সিনেটর রিচার্ড ব্লুমেনথাল বলেন, ট্রাম্পের এ সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রকে পুতিনের ইউক্রেনবিরোধী যুদ্ধে পরোক্ষভাবে জড়িয়ে ফেলছে। প্রতিনিধি পরিষদের জ্যেষ্ঠ ডেমোক্র্যাট সদস্য ডন বেয়ারও এ ঘোষণায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

গত মাসে সই করা নিষেধাজ্ঞা আইনে রাশিয়ার কর্মকর্তা, ব্যাংক ও তেল পরিবহনে ব্যবহৃত ছায়া নৌবহরের ওপর নিষেধাজ্ঞার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি রাশিয়ায় নতুন মার্কিন বিনিয়োগ এবং দেশটির সরকারি ঋণসংক্রান্ত লেনদেন নিষিদ্ধ করার বিধানও রয়েছে।

আইনে রাশিয়ার তেল বা প্রাকৃতিক গ্যাসের শীর্ষ পাঁচ আমদানিকারক দেশের ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। তবে রাশিয়ার গ্যাস আমদানি কমাতে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নেওয়া কিছু দেশের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম রাখা হয়েছে।

২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের পর তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন রাশিয়ার তেল ও গ্যাস আমদানি নিষিদ্ধ করে। এরপর থেকে যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়া থেকে এসব জ্বালানি আমদানি করেনি বলে জানিয়েছে দেশটির জ্বালানি তথ্য প্রশাসন।

ছয় মাসের ছাড় দিল মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়

ট্রাম্পের ঘোষণার পরপরই মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় রাশিয়ার ডিজেল বিশ্ববাজারে সরবরাহের জন্য অস্থায়ী অনুমতিপত্র দেওয়ার কথা জানায়।

এই অনুমতির ফলে শুক্রবারের (৯ অক্টোবর) মধ্যে জাহাজে তোলা রাশিয়ার ডিজেল সরবরাহের ক্ষেত্রে ২০২৭ সালের এপ্রিল পর্যন্ত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে না। ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর রাশিয়ার জ্বালানি সরবরাহের ক্ষেত্রে সাধারণত ৩০ দিনের জন্য ছাড় দেওয়া হলেও এবার ছয় মাসের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

চলতি বছরের শুরুতে ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর বিশ্বজুড়ে জ্বালানি খাতে অস্থিরতা বেড়েছে। এর প্রভাবেই রাশিয়ার জ্বালানি রপ্তানি থেকে আয় বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

ডিজেলের দাম কি কমবে?

রাশিয়ার কাছ থেকে ডিজেল কেনার ফলে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে বিশেষজ্ঞদের।

কৌশলগত ও আন্তর্জাতিক অধ্যয়নবিষয়ক কেন্দ্রের জ্বালানি বিশ্লেষক ক্লেটন সিগল মনে করেন, এ চুক্তির কারণে দামে খুব বেশি পরিবর্তন নাও আসতে পারে। তবে রাশিয়া ও পুতিনের জন্য এটি বড় সুবিধা হতে পারে।

জ্বালানি ও অর্থনীতি নিয়ে গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান এনার্জি পলিসি রিসার্চ ফাউন্ডেশনের মাইকেল লিঞ্চের মতে, যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার কাছ থেকে ডিজেল কিনলে রাশিয়ার বর্তমান ক্রেতারা হয়তো সেই জ্বালানি পাবেন না। তখন তাদের অন্য দেশ থেকে ডিজেল কিনতে হবে। ফলে বিশ্ববাজারে দাম খুব বেশি কমার সম্ভাবনা নেই।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেলের দাম এখনো অনেক বেশি। মার্কিন অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (৯ অক্টোবর) প্রতি গ্যালন ডিজেলের গড় দাম ছিল ৬ দশমিক ২৮ ডলার। গত ২২ সেপ্টেম্বর তা রেকর্ড ৬ দশমিক ৫২ ডলারে পৌঁছেছিল।

ট্রাম্প অবশ্য বলেছেন, আমেরিকানদের, বিশেষ করে কৃষক, খামারি ও পণ্যবাহী গাড়িচালকদের জন্য জ্বালানির দাম কমানো তার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। হোয়াইট হাউস ছাড়ার সময়ও রাশিয়ার কাছ থেকে ডিজেল পাওয়ার চুক্তির জন্য পুতিনকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

তবে চুক্তির অর্থ কে পরিশোধ করবে কিংবা ডিজেল ঠিক কবে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাবে, সে বিষয়ে হোয়াইট হাউস বিস্তারিত জানায়নি। পুতিনের সহকারী ইউরি উশাকভও এ সরবরাহের বিনিময়ে রাশিয়া কোনো ছাড় পেয়েছে কি না, সে বিষয়ে কিছু জানাননি।

রাশিয়ায় ডিজেল রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা শিথিল

রাশিয়া একসময় বিশ্বের অন্যতম বড় ডিজেল রপ্তানিকারক ছিল। তবে নিজেদের বাজারে চাহিদা পূরণে সমস্যার কারণে গত জুলাই থেকে দেশটি ডিজেল রপ্তানি বন্ধ রেখেছে। ইউক্রেনের বারবার হামলায় রাশিয়ার তেল শোধনাগার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উৎপাদনও কমেছে।

আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার হিসাবে, রাশিয়ায় ডিজেল উৎপাদন প্রায় ৩০ শতাংশ কমেছে।

রাশিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার নোভাক রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাসকে জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ের আগেই ডিজেল রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। চলতি মাসেই যুক্তরাষ্ট্রে সরবরাহ শুরু হতে পারে বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ বাজারেও ডিজেলের চাহিদা পূরণ করা হবে বলে আশ্বাস দেন নোভাক।

সূত্র: এপি

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দাঁত পড়ে গেলে আর চিন্তা নেই, ওষুধেই গজাবে নতুন দাঁত!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:০০ পি.এম


দাঁত পড়ে গেলে আর চিন্তা নেই, ওষুধেই গজাবে নতুন দাঁত!

একবার স্থায়ী দাঁত পড়ে গেলে বা তুলে ফেলতে হলে সাধারণত প্রাকৃতিকভাবে সেই দাঁত ফিরে আসা সম্ভব হয় না। এই পরিস্থিতিতে ডেন্টাল ইমপ্ল্যান্ট, ব্রিজ অথবা কৃত্রিম দাঁতের উপর নির্ভর করতে হয়। তবে ভবিষ্যতে দাঁত হারানোর চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনা আসতে পারে। জাপানের একটি গবেষকদল এমন একটি পরীক্ষামূলক ওষুধ নিয়ে কাজ করছে, যা মানুষের শরীরে নতুন দাঁত গজাতে সহায়তা করতে পারে।

গবেষকদের তৈরি এই ওষুধের নাম ‘টিআরজি০৩৫’। এর লক্ষ্য ‘ইউএসএজি-১’ নামক একটি প্রোটিনের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করা। গবেষকদের ধারণা, এই প্রোটিন দাঁতের বিকাশে বাধা সৃষ্টি করে। ফলে প্রোটিনটিকে নিষ্ক্রিয় করতে পারলে শরীরে নতুন দাঁত গজানোর প্রক্রিয়া সক্রিয় হতে পারে।

এর আগে প্রাণীর উপর পরিচালিত গবেষণায় ইউএসএজি-১ প্রোটিনের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করে নতুন দাঁত গজানোর সম্ভাবনাময় ফল পাওয়া গিয়েছিল। সেই গবেষণার ভিত্তিতে মানবদেহে এই পদ্ধতির কার্যকারিতা যাচাইয়ের উদ্যোগ গ্রহণ করেন বিজ্ঞানীরা।

মানবদেহে ওষুধটির নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা যাচাই করার জন্য ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করা হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ের পরীক্ষায় মূলত ওষুধটির নিরাপত্তা, সহনশীলতা এবং সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তবে মানুষের হারানো দাঁত নতুন করে গজানোর ক্ষেত্রে ওষুধটি কতটা কার্যকর, তা নিশ্চিত করতে আরও গবেষণা ও পরবর্তী ধাপের পরীক্ষার ফল প্রয়োজন।

গবেষকদের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য হলো, ভবিষ্যতে এই চিকিৎসাপদ্ধতি মানুষের ব্যবহারের উপযোগী করে তোলা। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে চিকিৎসাটি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ লক্ষ্য বাস্তবায়ন নির্ভর করবে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের ফলাফল, ওষুধটির নিরাপত্তা এবং সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদনের ওপর।

গবেষণাটি সফল হলে দাঁতের চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে। বিশেষ করে জন্মগতভাবে দাঁতের ঘাটতি রয়েছে অথবা দাঁত হারিয়েছেন এমন মানুষের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। তবে এখনই দাঁত পড়ে গেলে ওষুধ খেয়ে নতুন দাঁত গজানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে, এমনটি বলা যাবে না। চিকিৎসাটি এখনো গবেষণাধীন এবং এর কার্যকারিতা নিশ্চিত হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%