বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:১৪ পি.এম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চেয়েছেন মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তচ্যুত রোহিঙ্গাদের সম্মানজনক প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করার জন্য। এই সহযোগিতা তিনি জাতিসংঘ মহাসচিবের মিয়ানমার বিষয়ক বিশেষ দূত জুলি বিশপের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে কামনা করেন।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় নিউইয়র্কের হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল হোটেলে প্রধানমন্ত্রীর আবাসস্থলে এই দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি আরও জানান, সাক্ষাৎকালে রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয় উভয় পক্ষের মধ্যে।
এ সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের সম্মানজনকভাবে নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চান।
উল্লেখ্য, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগদান উপলক্ষে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন তারেক রহমান। সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের বাজারে সোনার দাম নির্ধারণ করে থাকে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সর্বশেষ নির্ধারিত দাম অনুযায়ী দেশের বাজারে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে।
সর্বশেষ শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বাজুস সোনার দাম ভরিতে ১ হাজার ৬৯১ টাকা বৃদ্ধি করেছে। এর আগে এক দফা দাম বাড়ানো হয়েছিল। দুই দফায় ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম মোট ২ হাজার ৭৪১ টাকা বেড়েছে।
বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনা বা পিওর গোল্ডের দাম বাড়ানোর কারণে সোনার নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন মূল্য অনুযায়ী, দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯২ হাজার ৩৯৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৫৭ হাজার ১৭২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজুসের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নির্ধারিত সোনার দামের সঙ্গে ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ হবে। তবে গহনার নকশা ও মানের ওপর ভিত্তি করে মজুরির পরিমাণ কম-বেশি হতে পারে।
এদিকে, দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ১৩২ টাকা। ২১ ক্যারেটের রুপা ৪ হাজার ৯৫৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, ১৮ ক্যারেটের দাম ৪ হাজার ২৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৩ হাজার ২০৮ টাকা প্রতি ভরি।
অর্থাৎ, আজকের হিসাবে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার মূল দাম ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা। ভ্যাট ও মজুরি যোগ হলে গহনা কিনতে ক্রেতাকে অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশের সাতটি জেলায় ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে, এসব অঞ্চলে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংশ্লিষ্ট নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া সতর্কবার্তায় এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এই সময় এসব এলাকায় বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে, মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু এলাকায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।
এছাড়া, রংপুর, দিনাজপুর ও সৈয়দপুরের ওপর দিয়ে যে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, তা প্রশমিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সারা দেশে দিনের ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমার সম্ভাবনাও রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
অনেকেই ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন। কিছু ব্যক্তি দ্রুত ফলাফল চান, আবার অন্যরা স্বাস্থ্যকরভাবে দীর্ঘমেয়াদে ওজন কমাতে আগ্রহী। তবে, সকলের ক্ষেত্রে ওজন কমানোর গতি সমান নয়। বয়স, লিঙ্গ, শুরুর ওজন, খাদ্যাভ্যাস, শরীরচর্চা এবং ঘুমের মতো বিভিন্ন বিষয় এ প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলে।
স্বাস্থ্যকরভাবে ওজন কমাতে সাধারণত প্রতি সপ্তাহে প্রায় আধা কেজি থেকে এক কেজি ওজন কমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। দ্রুত ওজন কমানোর চেষ্টা শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
ওজন কীভাবে কমে?
শরীর প্রতিদিন খাবার ও পানীয় থেকে শক্তি গ্রহণ করে। অন্যদিকে, শ্বাস নেওয়া, রক্ত সঞ্চালন, হজম এবং শরীরের অন্যান্য স্বাভাবিক কাজেও শক্তি ব্যয় হয়। হাঁটা, ব্যায়াম এবং দৈনন্দিন অন্যান্য কাজেও শরীরের শক্তি খরচ হয়।
যত বেশি ক্যালরি শরীর খরচ করে, তার চেয়ে কম ক্যালরি খাবার থেকে গ্রহণ করলে ক্যালরির ঘাটতি তৈরি হয়। দীর্ঘদিন ধরে এই ঘাটতি বজায় থাকলে শরীরের ওজন কমতে শুরু করে।
তবে, খুব বেশি ক্যালরি কমিয়ে দেওয়া ঠিক নয়। এতে পুষ্টির ঘাটতি ও পেশির পরিমাণ কমে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
প্রথম দিকে দ্রুত ওজন কমতে পারে
ওজন কমানোর প্রথম কয়েক সপ্তাহে তুলনামূলকভাবে দ্রুত ওজন কমতে দেখা যায়। শরীর নতুন খাদ্যাভ্যাস ও অধিক শরীরচর্চার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার কারণে এটি ঘটে।
কিন্তু কয়েক মাস পর ওজন কমানোর গতি ধীর হয়ে যেতে পারে। এক পর্যায়ে ওজন কমা সাময়িকভাবে বন্ধও হতে পারে, যা ওজন কমার স্থবিরতা হিসেবে পরিচিত।
শরীর যখন ওজন ধরে রাখার চেষ্টা করে, তখন বিপাকক্রিয়া ও হরমোনে কিছু পরিবর্তন ঘটতে পারে। তাই প্রতি সপ্তাহে একই পরিমাণ ওজন কমবে—এমনটি আশা করা ঠিক নয়।
বয়সেও প্রভাব পড়ে
বয়স বাড়ার সঙ্গে শরীরের গঠন ও পেশির পরিমাণে পরিবর্তন আসে। বয়স্কদের ক্ষেত্রে পেশির পরিমাণ কমে এবং শরীরে চর্বির পরিমাণ বাড়তে পারে। এসব পরিবর্তন ওজন কমানোর গতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে।
এছাড়া, বয়স বাড়ার সঙ্গে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়, যা অনিচ্ছাকৃত ওজন কমার কারণও হতে পারে।
শুরুর ওজনও গুরুত্বপূর্ণ
যার শুরুতেই ওজন বেশি, তার ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে একই সময়ে বেশি পরিমাণ ওজন কমতে পারে। আবার, কম ওজনের কারও ক্ষেত্রে একই পরিমাণ ওজন কমানো সম্ভব নাও হতে পারে।
তাহলে, শুধু কত কেজি ওজন কমেছে, তা দিয়ে অগ্রগতি বিচার না করে, নিজের শুরুর ওজনের তুলনায় কত শতাংশ ওজন কমেছে, সেটিও দেখা গুরুত্বপূর্ণ।
নারী ও পুরুষের ক্ষেত্রে পার্থক্য দেখা যেতে পারে।
কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, পুরুষদের শরীরে পেশি ও চর্বিবিহীন অংশের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে বেশি হওয়ায় বিশ্রামের সময় তারা কিছুটা বেশি ক্যালরি খরচ করতে পারেন।
একটি আট সপ্তাহের গবেষণায় খুব কম ক্যালরির খাদ্য গ্রহণকারী দুই হাজারের বেশি মানুষের মধ্যে পুরুষদের ওজন কমার হার নারীদের তুলনায় কিছুটা বেশি ছিল।
তবে, এর অর্থ এই নয় যে সবার ক্ষেত্রে একই ফল হবে। ব্যক্তিভেদে ওজন কমানোর গতি আলাদা হতে পারে।
ঘুম কম হলেও সমস্যা
যদি পর্যাপ্ত ঘুম না হয়, তাহলে ক্ষুধা ও শরীরের বিভিন্ন হরমোনে পরিবর্তন আসতে পারে। এর ফলে বেশি খাওয়ার প্রবণতা তৈরি হতে পারে এবং ওজন কমানোর প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হতে পারে।
সুতরাং, ওজন কমানোর পরিকল্পনায় শুধু খাবার ও শরীরচর্চা নয়, পর্যাপ্ত ঘুমের দিকেও নজর দেওয়া জরুরি।
কোন খাবার সবচেয়ে ভালো?
ওজন কমানোর জন্য একটি নির্দিষ্ট খাদ্যতালিকাই সবার জন্য সবচেয়ে ভালো—এমন প্রমাণ নেই। বিভিন্ন ধরনের খাদ্যতালিকায় ওজন কমানো সম্ভব হতে পারে।
মূল বিষয় হলো এমন খাদ্যাভ্যাস বেছে নেওয়া, যা দীর্ঘদিন ধরে মেনে চলা সম্ভব। খাদ্যতালিকায় ফল, শাকসবজি, কম চর্বিযুক্ত প্রোটিন, কম চর্বিযুক্ত দুধজাত খাবার ও পূর্ণ শস্য রাখা যেতে পারে।
অন্যদিকে, অতিরিক্ত চিনি, লবণ, মদ্যপান এবং বেশি পরিমাণ সম্পৃক্ত ও ট্রান্স চর্বি কমানো দরকার।
শুধু খাবার কমালেই হবে না
স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি নিয়মিত শরীরচর্চা ও পর্যাপ্ত ঘুম ওজন কমাতে সহায়তা করতে পারে। তবে দীর্ঘদিন খুব কম ক্যালরি গ্রহণ করা ঠিক নয়। এতে পরে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়ে আবার ওজন বেড়ে যেতে পারে।
দ্রুত ওজন কমানোর ঝুঁকি
খুব অল্প সময়ে অনেকটা ওজন কমানোর চেষ্টা শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। এতে পুষ্টির ঘাটতি, শরীরে লবণ ও খনিজের ভারসাম্য নষ্ট হওয়া, বিপাকক্রিয়া ও হাড়ের ঘনত্বে পরিবর্তন এবং মানসিক চাপের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
সুতরাং, দ্রুত ফল পাওয়ার বদলে ধীরে ধীরে, স্বাস্থ্যকর ও টেকসইভাবে ওজন কমানোর লক্ষ্য রাখা ভালো।
পেটের মেদ কি আলাদাভাবে কমানো যায়?
শুধু পেটের মেদ কমানোর নির্দিষ্ট কোনো উপায় নেই। শরীরের কোন অংশে আগে বা বেশি চর্বি জমবে, তা ব্যক্তিভেদে আলাদা হয়। তাই শুধু পেটের ব্যায়াম করলেই পেটের মেদ কমবে—এমনটা নয়।
সুষম খাবার, নিয়মিত শরীরচর্চা ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের মাধ্যমে সামগ্রিক শরীরের চর্বি কমাতে পারলে পেটের মেদও ধীরে ধীরে কমতে পারে।
ওজন কমাতে ধৈর্যই গুরুত্বপূর্ণ
ওজন কমার প্রক্রিয়া সবসময় একই গতিতে চলে না। কোনো সপ্তাহে বেশি ওজন কমতে পারে, আবার কোনো সপ্তাহে কমতে পারে বা একেবারেই কমতে নাও পারে। এটি স্বাভাবিক।
সুতরাং, দ্রুত ওজন কমানোর পেছনে না ছুটে স্বাস্থ্যকর খাবার, নিয়মিত শরীরচর্চা ও পর্যাপ্ত ঘুমের অভ্যাস ধরে রাখাই গুরুত্বপূর্ণ। ব্যক্তিগত ওজন কমানোর লক্ষ্য ও প্রয়োজনীয় ক্যালরি নিয়ে সন্দেহ থাকলে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।
সূত্র: হেলথলাইন
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশে পাসপোর্ট প্রথমবার হারালে, চুরি বা বিনষ্ট হলে নির্ধারিত ফি ছাড়া অতিরিক্ত কোনো জরিমানা দিতে হবে না। তবে পরবর্তী সময়ে অর্থাৎ দ্বিতীয়বার থেকে যদি পাসপোর্ট হারানো, চুরি বা বিনষ্ট হয়, তাহলে নির্ধারিত ফি ছাড়াও অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বহির্গমন-৭ শাখা থেকে এ বিষয়ে একটি পরিপত্র জারি করা হয়। উপসচিব মোহাম্মদ নুরুজ্জামান এ পরিপত্রে সই করেন।
পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের অভ্যন্তরে অনেক ব্যক্তি পাসপোর্ট হারানো, চুরি বা বিনষ্ট হওয়ার ঘোষণা দিয়ে পুনঃইস্যুর জন্য আবেদন করছেন। পাসপোর্ট একটি সংবেদনশীল ভ্রমণ দলিল হওয়ায় এর অপব্যবহারের ফলে মানবপাচার, অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপসহ গুরুতর নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, পাসপোর্ট হারানো, চুরি বা বিনষ্ট হওয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের নির্ধারিত ওয়েবসাইট বা অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে বিষয়টি রিপোর্ট করতে হবে। একই সঙ্গে নিকটস্থ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে হবে।
পাসপোর্ট প্রথমবার হারালে, চুরি বা বিনষ্ট হলে নির্ধারিত ফি ছাড়া অতিরিক্ত কোনো জরিমানা দিতে হবে না। তবে পরবর্তী সময়ে অর্থাৎ দ্বিতীয়বার থেকে যদি পাসপোর্ট হারানো, চুরি বা বিনষ্ট হয়, তাহলে নির্ধারিত ফি ছাড়াও অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বহির্গমন-৭ শাখা থেকে এ বিষয়ে একটি পরিপত্র জারি করা হয়। উপসচিব মোহাম্মদ নুরুজ্জামান এ পরিপত্রে সই করেন।
পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের অভ্যন্তরে অনেক ব্যক্তি পাসপোর্ট হারানো, চুরি বা বিনষ্ট হওয়ার ঘোষণা দিয়ে পুনঃইস্যুর জন্য আবেদন করছেন। পাসপোর্ট একটি সংবেদনশীল ভ্রমণ দলিল হওয়ায় এর অপব্যবহারের ফলে মানবপাচার, অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপসহ গুরুতর নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
পাসপোর্ট হারানো, চুরি বা বিনষ্ট হওয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের নির্ধারিত ওয়েবসাইট বা অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে বিষয়টি রিপোর্ট করতে হবে। একই সঙ্গে নিকটস্থ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ