প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
দেশে পাসপোর্ট প্রথমবার হারালে, চুরি বা বিনষ্ট হলে নির্ধারিত ফি ছাড়া অতিরিক্ত কোনো জরিমানা দিতে হবে না। তবে পরবর্তী সময়ে অর্থাৎ দ্বিতীয়বার থেকে যদি পাসপোর্ট হারানো, চুরি বা বিনষ্ট হয়, তাহলে নির্ধারিত ফি ছাড়াও অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বহির্গমন-৭ শাখা থেকে এ বিষয়ে একটি পরিপত্র জারি করা হয়। উপসচিব মোহাম্মদ নুরুজ্জামান এ পরিপত্রে সই করেন।
পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের অভ্যন্তরে অনেক ব্যক্তি পাসপোর্ট হারানো, চুরি বা বিনষ্ট হওয়ার ঘোষণা দিয়ে পুনঃইস্যুর জন্য আবেদন করছেন। পাসপোর্ট একটি সংবেদনশীল ভ্রমণ দলিল হওয়ায় এর অপব্যবহারের ফলে মানবপাচার, অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপসহ গুরুতর নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, পাসপোর্ট হারানো, চুরি বা বিনষ্ট হওয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের নির্ধারিত ওয়েবসাইট বা অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে বিষয়টি রিপোর্ট করতে হবে। একই সঙ্গে নিকটস্থ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে হবে।
পাসপোর্ট প্রথমবার হারালে, চুরি বা বিনষ্ট হলে নির্ধারিত ফি ছাড়া অতিরিক্ত কোনো জরিমানা দিতে হবে না। তবে পরবর্তী সময়ে অর্থাৎ দ্বিতীয়বার থেকে যদি পাসপোর্ট হারানো, চুরি বা বিনষ্ট হয়, তাহলে নির্ধারিত ফি ছাড়াও অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বহির্গমন-৭ শাখা থেকে এ বিষয়ে একটি পরিপত্র জারি করা হয়। উপসচিব মোহাম্মদ নুরুজ্জামান এ পরিপত্রে সই করেন।
পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের অভ্যন্তরে অনেক ব্যক্তি পাসপোর্ট হারানো, চুরি বা বিনষ্ট হওয়ার ঘোষণা দিয়ে পুনঃইস্যুর জন্য আবেদন করছেন। পাসপোর্ট একটি সংবেদনশীল ভ্রমণ দলিল হওয়ায় এর অপব্যবহারের ফলে মানবপাচার, অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপসহ গুরুতর নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
পাসপোর্ট হারানো, চুরি বা বিনষ্ট হওয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের নির্ধারিত ওয়েবসাইট বা অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে বিষয়টি রিপোর্ট করতে হবে। একই সঙ্গে নিকটস্থ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন