বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৮:৫১ পি.এম
ঢাকা, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : প্রখ্যাত চিত্রনায়ক সালমান শাহকে (চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন) পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় গ্রেফতার খলনায়ক আশরাফুল হক ডনের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
আজ ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা শুনানি শেষে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে গত ৯ আগস্ট ভোরে বিমানবন্দর এলাকা থেকে ইমিগ্রেশন পুলিশ ডনকে আটক করে। একই দিন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। গত ২৩ আগস্ট মামলার তদন্ত সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন। এ বিষয়ে শুনানির জন্য আজ বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দিন ধার্য করেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা।
এর আগে, গত বছরের ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করেন সালমান শাহের মামা মোহাম্মদ আলমগীর। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলার আসামিরা হলেন- সালমান শাহের স্ত্রী সামিরা হক, শিল্পপতি ও সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ, লতিফা হক লুছি, খলনায়ক ডন, ডেবিট, জাভেদ, ফারুক, মে-ফেয়ার বিউটি সেন্টারের রুবি, আব্দুস ছাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ফরহাদ (১৭)। এছাড়া এ মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও অনেককে আসামি করা হয়েছে।
১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহের মৃত্যুর পর, রমনা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়।
তবে গত ২০ অক্টোবর ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক বাদী পক্ষের করা রিভিশন মঞ্জুর করে মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে ২১ অক্টোবর সালমান শাহের মামা মোহাম্মদ আলমগীর রমনা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার অভিযোগে মোহাম্মদ আলমগীর উল্লেখ করেন, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তার বোন নিলুফার জামান চৌধুরী (নীলা চৌধুরী), বোনের স্বামী কমর উদ্দীন আহমদ চৌধুরী এবং তাদের ছোট ছেলে শাহরান শাহ নিউ ইস্কাটনের বাসায় সালমান শাহের সঙ্গে দেখা করতে যান। সেখানে গিয়ে তারা জানতে পারেন যে সালমান ঘুমাচ্ছেন। কিছুক্ষণ পর প্রডাকশন ম্যানেজার সেলিম ফোন করে জানান, সালমানের কিছু হয়েছে। তখন দ্রুত তারা বাসায় ফিরে দেখেন যে, সালমান শয়নকক্ষে নিথর পড়ে আছেন এবং কয়েকজন বহিরাগত নারী তার হাত-পায়ে তেল মালিশ করছেন। পাশের কক্ষে সামিরার আত্মীয় রুবি বসেছিলেন। সালমানের মা চিৎকার করে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার অনুরোধ করেন। পথে তারা সালমানের গলায় দড়ির দাগ এবং মুখমণ্ডল ও পায়ে নীলচে দাগ দেখতে পান। তারা সালমান শাহকে প্রথমে হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল নিয়ে যান। সেখান থেকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, সালমান শাহ অনেক আগেই মারা গেছেন।
মোহাম্মদ আলমগীর এজাহারে আরও জানান, সালমানের পিতা কমর উদ্দীন আহমদ চৌধুরী তার মৃত্যুর আগে ছেলের মৃত্যুকে হত্যা বলে সন্দেহ করে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি দরখাস্ত দাখিল করেন। এতে তিনি রমনা থানার অপমৃত্যু মামলাটি দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণ এবং সিআইডির মাধ্যমে তদন্তের আবেদন জানান।
সালমানের পিতার মৃত্যুর পর তিনি তার বোনের পক্ষ থেকে মামলাটি পরিচালনা করছেন। মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে কেউ মৃত্যুবরণ করে থাকলে, প্রমাণ সাপেক্ষে তারা মামলার দায় থেকে অব্যাহতি পাবেন। এজাহারনামীয় ও অজ্ঞাতনামা পলাতক আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে পরস্পর যোগসাজশে সালমান শাহকে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : প্রখ্যাত চিত্রনায়ক সালমান শাহকে (চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন) পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার খলনায়ক আশরাফুল হক ডনের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
আজ ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা শুনানি শেষে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
গত ৯ আগস্ট ভোরে বিমানবন্দর এলাকা থেকে ইমিগ্রেশন পুলিশ ডনকে আটক করে। একই দিন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
গত ২৩ আগস্ট মামলার তদন্ত সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন। এ বিষয়ে শুনানির জন্য আজ বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দিন ধার্য করেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা।
এর আগে, গত বছরের ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করেন সালমান শাহের মামা মোহাম্মদ আলমগীর। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলার আসামিরা হলেন- সালমান শাহের স্ত্রী সামিরা হক, শিল্পপতি ও সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ, লতিফা হক লুছি, খলনায়ক ডন, ডেবিট, জাভেদ, ফারুক, মে-ফেয়ার বিউটি সেন্টারের রুবি, আব্দুস ছাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ফরহাদ (১৭)। এছাড়া এ মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও অনেককে আসামি করা হয়েছে।
১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহের মৃত্যুর পর, রমনা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়।
তবে গত ২০ অক্টোবর ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক বাদী পক্ষের করা রিভিশন মঞ্জুর করে মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে ২১ অক্টোবর সালমান শাহের মামা মোহাম্মদ আলমগীর রমনা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার অভিযোগে মোহাম্মদ আলমগীর উল্লেখ করেন, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তার বোন নিলুফার জামান চৌধুরী (নীলা চৌধুরী), বোনের স্বামী কমর উদ্দীন আহমদ চৌধুরী এবং তাদের ছোট ছেলে শাহরান শাহ নিউ ইস্কাটনের বাসায় সালমান শাহের সঙ্গে দেখা করতে যান। সেখানে গিয়ে তারা জানতে পারেন যে সালমান ঘুমাচ্ছেন। কিছুক্ষণ পর প্রডাকশন ম্যানেজার সেলিম ফোন করে জানান, সালমানের কিছু হয়েছে। তখন দ্রুত তারা বাসায় ফিরে দেখেন যে, সালমান শয়নকক্ষে নিথর পড়ে আছেন এবং কয়েকজন বহিরাগত নারী তার হাত-পায়ে তেল মালিশ করছেন। পাশের কক্ষে সামিরার আত্মীয় রুবি বসেছিলেন। সালমানের মা চিৎকার করে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
পথে তারা সালমানের গলায় দড়ির দাগ এবং মুখমণ্ডল ও পায়ে নীলচে দাগ দেখতে পান। তারা সালমান শাহকে প্রথমে হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, সালমান শাহ অনেক আগেই মারা গেছেন।
মোহাম্মদ আলমগীর এজাহারে আরও জানান, সালমানের পিতা কমর উদ্দীন আহমদ চৌধুরী তার মৃত্যুর আগে ছেলের মৃত্যুকে হত্যা বলে সন্দেহ করে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি দরখাস্ত দাখিল করেন। এতে তিনি রমনা থানার অপমৃত্যু মামলাটি দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণ এবং সিআইডির মাধ্যমে তদন্তের আবেদন জানান।
সালমানের পিতার মৃত্যুর পর তিনি তার বোনের পক্ষ থেকে মামলাটি পরিচালনা করছেন। মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে কেউ মৃত্যুবরণ করে থাকলে, প্রমাণ সাপেক্ষে তারা মামলার দায় থেকে অব্যাহতি পাবেন। এজাহারনামীয় ও অজ্ঞাতনামা পলাতক আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে পরস্পর যোগসাজশে সালমান শাহকে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : কোর অব মিলিটারি পুলিশ বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন-২০২৬ এবং রিমাউন্ট ভেটেরিনারি এন্ড ফার্ম (আরভিএন্ডএফ) কোরের বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন-২০২৬ আজ সাভারের কোর অব মিলিটারি পুলিশ সেন্টার এন্ড স্কুল (সিএমপিসিএন্ডএস) এবং রিমাউন্ট ভেটেরিনারি এন্ড ফার্ম (আরভিএন্ডএফ) ডিপোতে পৃথকভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান উভয় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
কোর অব মিলিটারি পুলিশের বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলনে সেনাবাহিনী প্রধান উপস্থিত অধিনায়কগণ ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন। তিনি কোরের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, গবেষণা, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন।
এ সময় তিনি সেনাবাহিনীর শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা রক্ষায় কোর অব মিলিটারি পুলিশের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য এবং দেশমাতৃকার সেবায় এ কোরের অবদানের কথা উল্লেখ করেন। এছাড়াও, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে কোর অব মিলিটারি পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং কোরের প্রতিটি সদস্যকে অভিনন্দন জানান।
পরবর্তীতে, আরভিএন্ডএফ কোরের ৪র্থ বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলনে সেনাবাহিনী প্রধান উপস্থিত অধিনায়কগণ ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য প্রদান করেন।
এ সময় তিনি আরভিএন্ডএফ কোরের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য এবং দেশের সেবায় এ কোরের অবদানের কথা উল্লেখ করেন।
সেনাবাহিনীর পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে এ কোরের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরে তিনি প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, গবেষণা, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে মতবিনিময় করেন এবং ফার্মসমূহের উৎপাদন বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।
অনুষ্ঠানসমূহে মিলিটারি পুলিশের কর্নেল কমান্ড্যান্ট ও কমান্ড্যান্ট, ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ; ভারপ্রাপ্ত জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, আর্মি ট্রেনিং এন্ড ডকট্রিন কমান্ড; সেনাবাহিনীর এ্যাডজুটেন্ট জেনারেল; কর্নেল কমান্ড্যান্ট, আরভিএন্ডএফসি ও কমান্ড্যান্ট, ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড এন্ড স্টাফ কলেজ; জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, ৯ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, সাভার এরিয়া; সেনাসদর ও সাভার এরিয়ার ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাগণ এবং সংশ্লিষ্ট কোরসমূহের অধিনায়ক ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও তুরাগ থানার এলাকা বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ ২১ জনকে গ্রেফতার করেছে, যারা বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ছিল। গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এ দুই থানার অপরাধ প্রবণ স্থানগুলোতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
আজ ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, যাত্রাবাড়ী থানার পুলিশ ১৩ জন এবং তুরাগ থানার পুলিশ ৮ জনকে গ্রেফতার করেছে।
যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন- রিফাত ইসলাম (২১), হৃদয় ইসলাম (২৩), বিপ্লব, মো. সিয়াম (১৯), সাজেদুল ইসলাম (২৭), আফনান শেখ, মো. রিফাত ইসলাম (২১), মো. মোস্তফা (৩৫), মো. আল মামুন হাসান, ওমর আলী মিন্টু ওরফে নওশাদ, মো. সাইফুল উদ্দিন মিয়া, হেনা (৪৫) এবং মো. গোলাপ মিয়া।
তুরাগ থানা এলাকায় গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছে- সাকিব (২৫), মো. আসাদুল্লাহ ওরফে শুভ (২৮), ফিরোজ মাহবুব (৩৩), সিরাজুল ইসলাম (২৫), মো. হারুন (৩৮), মো. ইব্রাহীম (২২), মো. সুজন মিয়া (২৮) এবং আইনগত সংঘাতে জড়িত একজন শিশু।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে নিয়মিত ও পরোয়ানাভুক্ত মামলার আসামি এবং অন্যান্য অপরাধের সাথে জড়িত ব্যক্তিরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সংসদ ভবন, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : সাবেক ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি, স্পিকার, মন্ত্রী এবং সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মুহাম্মদ জমির উদ্দিন সরকার সহ ১৪ জন সাবেক সংসদ সদস্যের মৃত্যুতে সর্বসম্মতিক্রমে শোক প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে।
আজ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের প্রথম কার্য দিবসে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এই শোক প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
যাদের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে, তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি, স্পিকার, মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মুহাম্মদ জমির উদ্দিন সরকার; মো. রুস্তম আলী মোল্লা, সাবেক সংসদ সদস্য; ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য; অ্যাড, হারুন আল রশীদ, সাবেক চিফ হুইপ, প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য; মোশারফ হোসেন মিয়া, সাবেক সংসদ সদস্য; সেলিমা আহমাদ, সাবেক সংসদ সদস্য; শরফউদ্দিন খসরু, সাবেক সংসদ সদস্য; নজরুল ইসলাম চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য; গোলাম সরোয়ার হিরু, সাবেক সংসদ সদস্য; বীর মুক্তিযোদ্ধা সতীশ চন্দ্র রায়, সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য; মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, সাবেক সংসদ সদস্য; মেজর জেনারেল (অব.) মহব্বত জান চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী; আবু সাদত মোহাম্মদ আবু সাঈদ, সাবেক সংসদ সদস্য; মাওলানা আব্দুল আজিজ; এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রী ফজলুর রহমান।
এছাড়া একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি আল মুজাহিদী, একুশে পদকপ্রাপ্ত চিত্রশিল্পী মুস্তফা মনোয়ার; বিশিষ্ট রাজনৈতিক চিন্তাবিদ, লেখক ও গবেষক, শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক, এবং বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ডা. মকবুল হোসেনের মৃত্যুতে জাতীয় সংসদ গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করে।
এছাড়াও নেপালের আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানিতে জাতীয় সংসদ গভীর শোক প্রকাশ করে। নিহতদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয় এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়। দেশের এবং বিদেশের বিভিন্ন স্থানে দুর্ঘটনায় প্রাণহানিতে জাতীয় সংসদ গভীর শোক প্রকাশ করে, নিহতদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয় এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানানো হয়।
পরে সর্বসম্মতিক্রমে শোক প্রস্তাবটি গ্রহণ করা হয়।
মৃত্যুবরণকারীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সংসদে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং তাদের আত্মার শান্তি কামনা করে মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ