রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৫১ পি.এম
কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টে এই ঘটনার জন্য "হৃদয়বিদারক ও অগ্রহণযোগ্য" শব্দ ব্যবহার করেন।
সাদিয়া আয়মান তার পোস্টে উল্লেখ করেন, "সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে যা ঘটেছে তা অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ও অগ্রহণযোগ্য।" তিনি বলেন, "তার মতো একজন মানুষের সঙ্গে এমন ঘটনা কোনোভাবেই কাম্য নয়।"
অন্যদিকে, দেশে চাঁদাবাজি ও অশিক্ষিত মানুষের উপদ্রব বেড়ে যাওয়ার বিষয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন সাদিয়া। তিনি মন্তব্য করেন, "এতো অশিক্ষিত, চাঁদাবাজ দিয়ে দেশটা ভরে গেছে, যে ওরা ভালো কিছু জীবনে দেখেনি আর দেখলেও সেটা হজম করতে পারে না!"
ঘটনাটিকে লজ্জাজনক ও ধিক্কারজনক হিসেবে উল্লেখ করে সাদিয়া নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন। পোস্টের মন্তব্যের ঘরে তিনি কয়েকজন সমালোচকের মন্তব্যের জবাবও দেন। সেখানে সাদিয়া দাবি করেন, "যাদের উদ্দেশ্য করে আমি পোস্টটি দিয়েছি, তাদেরই কেউ কেউ চাঁদাবাজদের পক্ষে অবস্থান নিয়ে মন্তব্য করছেন।"
মন্তব্যকারীদের উদ্দেশে তিনি কঠোর ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানান। তার এসব বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
একই সঙ্গে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও করেছেন অনেকে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপি অঙ্গরাজ্যে ২৯ বছর বয়সী তাসিয়া ফরচুনের মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশ তৃতীয় সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করেছে। ৪৫ বছর বয়সী এরিক ক্লার্ক শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। তার বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
গত আগস্টে মিসিসিপির একটি পরিত্যক্ত বাড়ির পেছনে গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় ফরচুনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তদন্তে নতুন তথ্য সামনে এনে পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে মরদেহ ঝোলানোর ঘটনাটি এবং ঘটনাস্থলটি সাজানো হয়েছিল।
কিন্তু কীভাবে ঘটনাটি সাজানো হয়েছিল বা ফরচুনকে কীভাবে হত্যা করা হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ বিস্তারিত কিছু জানায়নি। ক্লার্ককে সোমবার আদালতে হাজির করার পরিকল্পনা রয়েছে।
ফরচুনের মৃত্যুর ঘটনায় এর আগে আর্নেস্ট লয়্ড জুনিয়র ও জারকুয়েস র্যাটলিফ নামে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাদের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, ৫১ বছর বয়সী র্যাটলিফের সঙ্গে ফরচুনের কোনো সম্পর্ক বা যোগাযোগ ছিল না। তবে সেই সম্পর্কের বিস্তারিত জানানো হয়নি। র্যাটলিফ আদালতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন এবং তার জামিন আবেদন নাকচ হয়েছে।
অন্যদিকে ২৫ বছর বয়সী লয়েডের সঙ্গে ফরচুনের মৃত্যুর কিছুদিন আগে অথবা মৃত্যুর কিছুক্ষণ আগে শারীরিক সংঘর্ষ হয়েছিল বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পুলিশের অভিযোগ, লয়েড কালো তারের সাহায্যে ফরচুনকে ঝুলিয়ে দেন। তার জামিনও নামঞ্জুর করা হয়েছে।
ফরচুনের মৃত্যুর কারণ ও ঘটনার পেছনের রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। তদন্তকারীরা এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫ জনের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং ফরেনসিক আলামত সংগ্রহ করে বিভিন্ন সূত্র যাচাই করা হচ্ছে।
পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তে বেশ কয়েকটি সূত্র অনুসরণ করা হয়েছে। তবে ফরচুনের মৃত্যুর আগে ঠিক কী ঘটেছিল, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি কর্তৃপক্ষ।
সূত্র: দ্য এনবিসি নিউজ
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানিয়েছেন, সরকারি দল বা প্রশাসনের প্রভাব খাটিয়ে যদি কেউ অপকর্ম বা ভাঙচুর করে, তবে তাকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি সতর্ক করে বলেন, অপরাধী যে-ই হোক, আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ মন্তব্য করেন।
রাজধানীর মিরপুরে একটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র এবং কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে সাম্প্রতিক হামলা ও ভাঙচুরের বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে মাহদী আমিন বলেন, কোনো রাজনৈতিক দলের নাম বা সরকারের উচ্চপদস্থ ব্যক্তির পরিচয় ব্যবহার করে কেউ পার পাবে না। মিরপুরের ঘটনায় ইতোমধ্যে ৯ জনকে দ্রুত গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা আরও জানান, যেকোনো অস্থিতিশীলতা ও বিশৃঙ্খলা রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে শুরু থেকেই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের মুখোমুখি করতে কাজ করছে।
দেশের শান্তি বজায় রাখার ক্ষেত্রে সরকারের কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে মাহদী আমিন বলেন, দুষ্কৃতকারীরা যেকোনো পরিচয় ব্যবহারের চেষ্টা করুক না কেন, তাদের অপরাধের বিরুদ্ধে সরকার সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থান গ্রহণ করবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর ইসিবি চত্বরে হামলার শিকার হয়েছেন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও। এই ঘটনায় ব্যাপক ভাঙচুর ও মালামাল লুটের ঘটনা ঘটেছে।
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এই ঘটনার জন্য ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
তিনি রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই ক্ষোভ জানান।
ফেসবুক পোস্টে তিনি একটি ভিডিও আপলোড করেন, যেখানে সালমান মুক্তাদির তার স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের বর্ণনা দিচ্ছেন।
ভিডিওর ক্যাপশনে জামায়াত আমির উল্লেখ করেন, গভীর রাতে জুলাইযোদ্ধা ও সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্সার সালমান মুক্তাদিরের বাসা ও স্টুডিওতে চাঁদাবাজদের হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। তিনি চাঁদাবাজদের উদ্দেশে বলেন, ‘মাঝে মাঝে মধু আহরণকারী চাঁদাবাজরা মৌচাক মনে করে ভিমরুলের চাকেও ঢিল ছুড়ে দেয়। তখন সেই ঢিল বুমেরাং হয়ে তাদের দিকেই ফিরে আসে।’
শফিকুর রহমান আরও বলেন, কর্তৃত্বশালীরা নিজেদের চাঁদাবাজদের কীভাবে সামলাবেন? একের পর এক ঘটনা ঘটেই চলেছে। তিনি বলেন, হ্যাঁ, এর শেষ হবে একদিন, ইনশাআল্লাহ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
এক ব্যক্তি ৩০ বছর ধরে বাড়ির দরজার চৌকাঠ হিসেবে ব্যবহার করে আসা একটি ধাতব খণ্ডকে সম্প্রতি বিরল উল্কাপিণ্ড হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। জানা গেছে, সাধারণ দেখতে ওই বস্তুটির সম্ভাব্য মূল্য ১ লাখ ডলার বা প্রায় ১ কোটি টাকা।
ঘটনাটি যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানের এডমোর এলাকার। প্রায় ৩০ বছর আগে, ওই ব্যক্তি নিজের বাড়ির বাগানে একটি পাথরের মতো শক্ত বস্তু দেখতে পান। ধাতব খণ্ডটির দৃঢ়তা দেখে তিনি সেটিকে বাড়িতে নিয়ে আসেন এবং পরে সেটিকে দরজার চৌকাঠ হিসেবে ব্যবহার করতে শুরু করেন।
বছরের পর বছর ধরে এভাবে বস্তুটি পড়ে ছিল। हाल ही में, স্থানীয় এক ব্যক্তি সেটি দেখে সন্দেহ প্রকাশ করেন। এরপর তিনি বিষয়টি একজন বিজ্ঞানীকে জানান। পরীক্ষার পর বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হন, এটি সাধারণ কোনো ধাতব খণ্ড নয়; বরং এটি একটি উল্কাপিণ্ড।
প্রায় ১০ কেজি ওজনের এই খণ্ডটির গঠনও বেশ বিরল। বিশেষজ্ঞদের পরীক্ষায় এতে প্রায় ৮৮ শতাংশ লোহা এবং ১২ শতাংশ নিকেল পাওয়া যায়। পৃথিবীতে পতিত অনেক লৌহ উল্কাপিণ্ডে সাধারণত প্রায় ৯৫ শতাংশ পর্যন্ত লোহা থাকতে পারে। এই উল্কাপিণ্ডের গঠন বিজ্ঞানীদের কাছে বিশেষ আগ্রহের বিষয় হয়ে উঠেছে।
বিজ্ঞানীদের ধারণা, এই উল্কাপিণ্ড সৌরমণ্ডলের প্রাথমিক পর্যায় সম্পর্কে গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করতে পারে। তাই এটি শুধু মূল্যবানই নয়, বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের প্রাথমিক মূল্যায়ন অনুযায়ী, উল্কাপিণ্ডটির দাম প্রায় ১ লাখ ডলার, যা ভারতীয় মুদ্রায় ৯৫ লাখ টাকারও বেশি। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর মূল্য প্রায় ১ কোটি টাকার কাছাকাছি।
অর্থাৎ, তিন দশক ধরে যে বস্তুটি একটি বাড়ির দরজার চৌকাঠ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, সেটিই শেষ পর্যন্ত হয়ে উঠেছে বিরল ও মূল্যবান এক মহাজাগতিক সম্পদ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ