ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘খাম খুইলেন না, প্রশ্ন ফাঁস হয়ে গেছে’


‘খাম খুইলেন না, প্রশ্ন ফাঁস হয়ে গেছে’

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে চাকরির জন্য পরীক্ষার্থীরা যখন তাদের নির্ধারিত কেন্দ্রের আসনে বসে প্রশ্নপত্রের জন্য অপেক্ষা করছিলেন, তখন তারা একটি উদ্বেগজনক ঘোষণা শুনতে পান- 'প্রশ্নের খাম খোলার দরকার নেই, প্রশ্ন ফাঁস হয়ে গেছে।'

শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ১১ টায় রাজধানীর তিতুমীর কলেজ কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে আরটিভি নিউজকে এভাবে ঘটনার বিবরণ দেন কয়েকজন পরীক্ষার্থী।

এক পরীক্ষার্থী জানান, "অনেক টাকা খরচ করে এসেছি। এখন বিপদে পড়ে গেলাম। কক্ষে বসে শুনি পরীক্ষা স্থগিত হয়ে গেছে।"

আরও পড়ুন: চাকরির সাক্ষাৎকারে নারীর কাছে এইচআরের প্রশ্ন, ‘শিগগিরই সন্তান নেবেন?’

অন্য এক পরীক্ষার্থী বলেন, "এক শিক্ষক খাম খোলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, এমন সময় অন্য একজন শিক্ষক গিয়ে তাকে থামান এবং বলেন প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।"

খলিল নামের এক পরীক্ষার্থী হতাশা প্রকাশ করে বলেন, "এরচেয়ে হতাশার আর কী হতে পারে। আমি বাকরুদ্ধ।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাম্পের প্রশাসনের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের ওপর নিষেধাজ্ঞা, কূটনৈতিক বিরোধ বাড়ার আশঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:০৩ পি.এম


ট্রাম্পের প্রশাসনের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের ওপর নিষেধাজ্ঞা, কূটনৈতিক বিরোধ বাড়ার আশঙ্কা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে, যা নোবেল শান্তি পুরস্কার ঘোষণার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ঘটে। এই পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের ইউরোপীয় মিত্রদের সঙ্গে কূটনৈতিক বিরোধ আরও বাড়ানোর সম্ভাবনা তৈরি করেছে। আদালত এই নিষেধাজ্ঞাকে আন্তর্জাতিক আইনের শাসনের ওপর আঘাত হিসেবে নিন্দা জানিয়েছে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত জানায়, এই নিষেধাজ্ঞা শুধুমাত্র একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নয়, বরং আন্তর্জাতিক আইনভিত্তিক ব্যবস্থার জন্যও একটি হুমকি। আদালতটির ১২৫টি সদস্যদেশকে এর কার্যক্রম রক্ষায় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার বিচার করে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র আদালত প্রতিষ্ঠার রোম সংবিধিতে স্বাক্ষর করেছে, তবে তা অনুমোদন করেনি। ট্রাম্প প্রশাসন দীর্ঘদিন ধরে আদালতটির বিরোধিতা করে আসছে। এর আগে আদালতের কয়েকজন বিচারক ও আইনজীবীদের ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল।

এবারের নিষেধাজ্ঞা আরও বিস্তৃত। আদালতকে সেবা প্রদানকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওপরও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এর ফলে ব্যাংক, বিমা, সফটওয়্যার এবং অন্যান্য সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আদালতের লেনদেন বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও আদালতটিকে নিয়ন্ত্রণহীন আদালত হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, "ট্রাম্প কোনোভাবেই আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতকে আমেরিকানদের বিচার করতে দেবেন না।" তিনি জানান, আদালতের সম্পদ ও কার্যক্রম সীমিত করতেই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

ছয় মাসের ছাড়, এরপর কঠোর ব্যবস্থা

মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের আগে প্রাথমিকভাবে ছয় মাসের সময় দেওয়া হবে। এছাড়া টেলিযোগাযোগ, সফটওয়্যার, পেনশন পরিশোধ এবং আটক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কিত কিছু লেনদেনের ক্ষেত্রে ছাড় রাখা হয়েছে।

রুবিওর ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ দূর করার জন্য আদালত ও এর সদস্যদেশগুলোকে সুযোগ দিতেই এই সময়সীমা রাখা হয়েছে। মার্কিন দাবি পূরণ না হলে নিষেধাজ্ঞার ব্যবস্থা পরিবর্তন করা হতে পারে।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সহ দেশটির কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করায় যুক্তরাষ্ট্র আগে থেকেই আদালতটির সমালোচনা করে আসছে। আফগানিস্তানে মার্কিন সেনাদের কর্মকাণ্ড নিয়ে আদালতের তদন্তের বিষয়েও ওয়াশিংটনের আপত্তি রয়েছে। তবে আদালত মার্কিন সেনা, সীমান্তরক্ষী বা নির্বাচিত নেতাদের বিচারের উদ্যোগ নিয়েছে—এমন কোনো পদক্ষেপের কথা জানায়নি।

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের আইনি পরামর্শক নাজহাত শামীম খান রয়টার্সকে বলেন, "নিষেধাজ্ঞার উদ্দেশ্য আন্তর্জাতিক আইনের শাসন এবং একটি স্বাধীন বিচারিক প্রতিষ্ঠানের কাজকে দুর্বল করা।" তবে তিনি জানান, তদন্ত ও বিচারসহ আদালতের সব কার্যক্রম চলবে।

ইউরোপের উদ্বেগ, পাল্টা ব্যবস্থার ভাবনা

ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান কাজা কালাস বলেন, ছয় মাসের সময়সীমা আলোচনার সুযোগ তৈরি করেছে। তবে আদালতের গুরুত্বপূর্ণ কাজ অব্যাহত রাখতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের হাতে বিভিন্ন ব্যবস্থা রয়েছে।

বেলজিয়ামের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আদালতটিকে সুরক্ষা দিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ‘ব্লকিং আইন’ কার্যকর করার আহ্বান জানিয়েছেন। এ ধরনের আইন ইউরোপীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিদেশি নিষেধাজ্ঞার প্রভাব থেকে রক্ষায় সহায়তা করতে পারে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাত ও যুদ্ধাপরাধের ঘটনায় ৭০ জনেরও বেশি ব্যক্তির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। তাদের মধ্যে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, নেতানিয়াহু, হামাসের কয়েকজন নেতা, সুদানের সাবেক প্রেসিডেন্ট ওমর আল-বশির এবং লিবিয়ার সাবেক নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফির নাম রয়েছে। কেনিয়ার প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম রুটো ও দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট উহুরু কেনিয়াট্টার বিরুদ্ধে অভিযোগ পরে প্রত্যাহার করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন দেশকে আদালতটি থেকে সরে যাওয়ার আহ্বান জানালেও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সব সদস্যদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্ক ছাড়া ন্যাটোর অন্য সদস্যদেশগুলো আদালতটির প্রতি সমর্থন জানিয়ে আসছে। আদালতটির সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসে অবস্থিত।

নোবেল শান্তি পুরস্কারেও আন্তর্জাতিক বিচারব্যবস্থার প্রসঙ্গ

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের ওপর নিষেধাজ্ঞার ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগে দক্ষিণ আফ্রিকার আইনজ্ঞ নাভি পিল্লাই নোবেল শান্তি পুরস্কার পান। তিনি ২০০৩ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের আপিল বিভাগে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

নোবেল কমিটি জানায়, আন্তর্জাতিক আইনের বিচারক ও প্রতিষ্ঠানগুলো যখন রাজনৈতিক আক্রমণের মুখে, তখন এ পুরস্কার আন্তর্জাতিক বিচারব্যবস্থার প্রতি সমর্থনের বার্তা বহন করছে।

কমিটির বক্তব্য, যুদ্ধাপরাধীদের জবাবদিহির আওতায় আনা এবং নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা শান্তিপূর্ণ বিশ্বের জন্য অপরিহার্য।

মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটির প্রতিষ্ঠানগুলো সাধারণত নিষিদ্ধ সংস্থার সঙ্গে কাজ করতে পারে না। ফলে ব্যাংক হিসাব বন্ধ, বিমা সেবা প্রত্যাহার এবং সফটওয়্যার ব্যবহারে বাধা তৈরি হতে পারে।

এমন পরিস্থিতির আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত কয়েক মাস ধরেই প্রস্তুতি নিচ্ছে। আদালতের কর্মকর্তারা মাইক্রোসফটের সফটওয়্যার থেকে মুক্ত উৎসের বিকল্প ব্যবস্থায় কম্পিউটার স্থানান্তর এবং ব্যাংকিং ও স্বাস্থ্যবিমার বিকল্প ব্যবস্থা তৈরির কাজ করেছেন।

ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে আদালতের কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হলেও জো বাইডেনের প্রশাসন পরে তা প্রত্যাহার করেছিল। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ট্রাম্প আবার ক্ষমতায় ফেরার কয়েক দিনের মধ্যেই আদালতের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা আসে।

সূত্র: রয়টার্স

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ড. ইউনূসের অভিনন্দন, শান্তিতে নোবেল জয়ী নাভি পিল্লাই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:০৩ পি.এম


ড. ইউনূসের অভিনন্দন, শান্তিতে নোবেল জয়ী নাভি পিল্লাই

সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ও শান্তিতে নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস দক্ষিণ আফ্রিকার আইনবিদ নাভানেথেম ‘নাভি’ পিল্লাইকে ২০২৬ সালের শান্তিতে নোবেল পুরস্কার জয়ের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) একটি অভিনন্দন বার্তায় অধ্যাপক ইউনূস পিল্লাইয়ের ন্যায়বিচার, মানবাধিকার ও জবাবদিহিতার প্রতি আজীবন অঙ্গীকারের প্রশংসা করেন।

তিনি উল্লেখ করেন, "বিচারপতি নাভি পিল্লাইকে ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করায় আমি তাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।"

অধ্যাপক ইউনূস পিল্লাইয়ের দীর্ঘ ও গৌরবময় কর্মজীবনের প্রশংসা করে বলেন, বিচারপতি পিল্লাই তার জীবন ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে উৎসর্গ করেছেন।

তিনি আরও বলেন, "বর্ণবৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে, জাতিসংঘে এবং আন্তর্জাতিক বিচারাঙ্গনে তার কাজ প্রমাণ করেছে যে আইনের শাসন ছাড়া শান্তি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না।" অধ্যাপক ইউনূস উল্লেখ করেন যে, তিনি ক্ষমতাবানদের জবাবদিহির আওতায় এনেছেন এবং যাঁদের কোনো কণ্ঠস্বর নেই, তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, "মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কার বিচারপতি পিল্লাইয়ের অসাধারণ সাহস ও অবিচল সততার স্বীকৃতি।"

তিনি আরও যোগ করেন, "এটি একই সঙ্গে আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে ন্যায়বিচার ও শান্তি একে অপরের পরিপূরক। আমি তার প্রতি আমার আন্তরিক শুভকামনা জানাই।"

শুক্রবার নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি আন্তর্জাতিক আইন, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় অবদানের জন্য বিচারপতি নাভি পিল্লাইকে ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কিডনি ক্যানসারে আক্রান্ত ইবরার টিপু জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:০৪ পি.এম


কিডনি ক্যানসারে আক্রান্ত ইবরার টিপু জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে

দেশের জনপ্রিয় সুরকার ও সংগীত পরিচালক ইবরার টিপু দীর্ঘ সময় ধরে কিডনি ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছেন। প্রায় দুই বছর ধরে তিনি এই মরণব্যাধির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছেন। বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন এবং তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে গভীর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

সম্প্রতি ইবরার টিপু মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের পর দীর্ঘ সময় হাসপাতালে ছিলেন। যদিও পরে তাকে বাসায় নিয়ে আসা হয়েছে, তবে তার শারীরিক অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক বলে জানা যাচ্ছে।

এদিকে, জনপ্রিয় গীতিকার কবির বকুল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি আবেগঘন পোস্টে ইবরার টিপুর বর্তমান শারীরিক অবস্থার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ‘ইবরার টিপু এখন ‘জীবন-মৃত্যুর’ সন্ধিক্ষণে লড়াই করছেন’। কবির বকুল আরও লেখেন, ‘আমার ভাই, আমাদের সবার প্রিয় সংগীত পরিচালক ইবরার টিপু খুব অসুস্থ। গত প্রায় দুই বছর ধরে কিডনি ক্যানসারের সঙ্গে লড়ছেন, যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসা চলছে। কিছুদিন আগে তার ব্রেইন সার্জারিও হয়েছে। বেশ অনেক দিন হাসপাতালে থাকার পর এখন তিনি বাসায় ফিরেছেন।’

ইবরার টিপুর স্ত্রী সংগীতশিল্পী বিন্দু কণার বরাত দিয়ে কবির বকুল জানান, হাসপাতাল থেকে অনেকটা জোর করেই তাকে বাসায় নিয়ে আসা হয়েছে। পরিবারের ধারণা, হাসপাতালে তার যথাযথ চিকিৎসা হচ্ছিল না।

কবির বকুল লেখেন, ‘তার স্ত্রী বিন্দু কণা জানালেন হাসপাতাল থেকে অনেকটা জোর করেই বাসায় নিয়ে এসেছেন টিপুকে। কারণ সেখানে তার সঠিক চিকিৎসাটা হচ্ছিল না বলেই পরিবার মনে করেছেন। একটু আগে ভিডিও কলে আমার সহধর্মিণী দিনাত জাহান মুন্নী কথা বলিয়ে দিলেন টিপুর সঙ্গে। তার সঙ্গে শেষ দেখা হয়েছিল এ বছর রোজার ঈদে।’

স্মৃতিচারণা করে কবির বকুল জানান, এ বছরের রোজার ঈদের সময় অসুস্থ শরীর নিয়েই নিউইয়র্কে তাদের বাসায় এসেছিলেন ইবরার টিপু।

দীর্ঘ দিন পর ভিডিও কলে কথা বলার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি লেখেন, মারাত্মক অসুস্থ অবস্থাতেও মানুষটির চোখে-মুখে সেই চিরপরিচিত মায়া লেপ্টে আছে। বহু দূরে অবস্থান করায় তার জন্য বিশেষ কিছু করতে না পারার আক্ষেপ প্রকাশ করে তিনি জানান, ভেতরের অনুভূতিতে তার বুক ভেঙে আসছে।

ইবরার টিপুর সংগীতজীবনের অবদানের কথা উল্লেখ করে কবির বকুল বলেন, তার সুর ও সংগীতায়োজনে তৈরি হয়েছে বহু জনপ্রিয় গান। এর মধ্যে রয়েছে ‘তুমি আমার ঘুম, তবু তোমায় নিয়ে স্বপ্ন দেখি না’, ‘ও পৃথিবী এবার এসে বাংলাদেশ নাও চিনে’ এবং ‘বেশ বেশ বেশ, সাবাস বাংলাদেশ’।

নিজের সংগীতজীবনে তার সঙ্গে কাজ করার সুযোগ হয়েছিল বলেও জানান প্রখ্যাত এই গীতিকার।

প্রিয় সহকর্মীর বর্তমান শারীরিক অবস্থা তাকে ব্যথিত করেছে উল্লেখ করে কবির বকুল পোস্টের শেষাংশে লেখেন, ‘আমার সংগীত জীবনে তার সঙ্গে অনেক কাজ করার সৌভাগ্য হয়েছে। আমার দেখা একজন মৃদুভাষী, সদাহাস্য সজ্জন মানুষ- হঠাৎ যেন তার পৃথিবী উলটে গেল। সবাই আমার ভাইটার জন্য দোয়া করবেন, আল্লাহ যেন তাকে দ্রুত সুস্থ করে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দেন। আল্লাহ ভরসা।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পরা স্যুট বাংলাদেশে তৈরি কি না?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:০৪ পি.এম


মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পরা স্যুট বাংলাদেশে তৈরি কি না?

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরনের স্যুট নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে বাংলাদেশসহ যুক্তরাষ্ট্রে। সম্প্রতি এক সমাবেশে তার পরা স্যুটটি একটি তুলনামূলক কম দামি ব্র্যান্ডের বলে জানা গেছে। তবে বাংলাদেশের মানুষের আগ্রহের কারণ ভিন্ন।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, স্যুটটি সম্ভবত চীন অথবা বাংলাদেশে তৈরি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেব্রাস্কা অঙ্গরাজ্যের গ্র্যান্ড আইল্যান্ডে ‘আমেরিকাকে আবার মহান করো’ শীর্ষক সমাবেশে নেভি ব্লু রঙের একটি স্যুট পরে হাজির হয়েছিলেন ট্রাম্প। সেখানে তোলা ছবিতে দেখা যায়, তার স্যুটটি ‘জস. এ. ব্যাংক’ ব্র্যান্ডের। এই ব্র্যান্ডটি তুলনামূলক কম দামের পোশাকের জন্য পরিচিত এবং অধিকাংশ পোশাকই চীন ও বাংলাদেশের মতো এশীয় দেশে তৈরি হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ট্রাম্পের মতো একজন ধনকুবেরের পরনে এমন স্যুট দেখে অনেকেই বিস্মিত হয়েছেন। ফ্লোরিডার মার-এ-লাগোতে তার বিলাসবহুল ব্যক্তিগত ক্লাব রয়েছে। তিনি নিজের নামে এক লাখ ডলারের ঘড়িও বিক্রি করেন। ফোর্বসের ধনকুবেরদের তালিকায় নিজের অবস্থান নিয়ে তার সম্পদের পরিমাণ বাড়িয়ে দেখানোর অভিযোগও রয়েছে। এসব কারণে অনেকের মতে, ট্রাম্পের কাছে পোশাকের দাম ও আভিজাত্য গুরুত্বপূর্ণ।

রাজনৈতিক দিক থেকেও বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ট্রাম্পের রাজনৈতিক প্রচারণার অন্যতম প্রধান বক্তব্য ‘আমেরিকা ফার্স্ট’, অর্থাৎ মার্কিন অর্থনীতি ও দেশের তৈরি পণ্যকে অগ্রাধিকার দেওয়া। অথচ তিনি যে ব্র্যান্ডের স্যুট পরেছেন, সেই ব্র্যান্ডের অধিকাংশ পোশাকই তৈরি হয় যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে।

অন্যদিকে, ট্রাম্পের নিজস্ব অনলাইন দোকানে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি একটি টাই বিক্রি হয় ১২৫ ডলারে। এমন পরিস্থিতিতে দেশের প্রেসিডেন্টের পরনে আমদানি করা তুলনামূলক কম দামের স্যুট তার নিজের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বক্তব্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কি না, তা নিয়ে আলোচনা করছেন বিশ্লেষকেরা।

তবে ট্রাম্পের এই পোশাক বেছে নেওয়ার পেছনে কোনো পরিকল্পনা ছিল কি না, নাকি বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তার পোশাকের পছন্দে পরিবর্তন এসেছে—তা এখনো স্পষ্ট নয়। স্যুটটি বাংলাদেশে তৈরি কি না, সে বিষয়েও নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

সূত্র: সিএনএন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%