ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটের পুনর্নির্ধারিনের সময়সূচি


বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটের পুনর্নির্ধারিনের সময়সূচি

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট পরিচালনা এবং বিমান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ সময় সোমবার (১২ অক্টোবর) ভোর ৩টা পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ কার্যকর থাকবে বলে জানা গেছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি৩৩৯ ও বিজি৩৪০।

ঢাকা-রিয়াদগামী বিজি৩৩৯ ফ্লাইটটি ১১ অক্টোবর রাত ২টা ৫ মিনিটে ঢাকা ছাড়ার কথা ছিল। ফ্লাইট এবং সময়সূচি সম্পর্কে সোমবার (১২ অক্টোবর) স্থানীয় সময় দুপুর ১২টায় সকলকে অবহিত করা হবে।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

ফ্লাইট স্থগিতের কারণে যাত্রীদের অসুবিধার জন্য বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এ বিষয়ে তারা যাত্রীদের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

এদিকে, রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ১০ অক্টোবরের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ। এ হামলায় দুই বাংলাদেশি নাগরিক নিহত এবং আরও অনেকে গুরুতর আহত হয়েছেন বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, নিহত ও আহত বাংলাদেশিদের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ এবং ক্ষতিগ্রস্তদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে রিয়াদস্থ বাংলাদেশ মিশন সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে। বাংলাদেশ নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে এবং আহতদের দ্রুত ও পূর্ণ সুস্থতা কামনা করেছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্যামিলি কার্ডের প্রচারণা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে চালানোর নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৪৬ পি.এম


ফ্যামিলি কার্ডের প্রচারণা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে চালানোর নির্দেশ

দেশব্যাপী ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় পরিবারভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সরকারের উদ্যোগে দেশের সব মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডা ও গির্জায় ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে বার্তা পৌঁছানোর প্রচারণা চালানো হচ্ছে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) ইসলামিক ফাউন্ডেশন এবং হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সমন্বয়ে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ১২ অক্টোবর থেকে দেশব্যাপী একযোগে সব এলাকার থানা ও পরিবারের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হবে। এ লক্ষ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড থানা তথ্যভাণ্ডারের তথ্য সংগ্রহ নির্দেশিকা, ২০২৬’ প্রণয়ন করা হয়েছে।

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরির জন্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে প্রচারণার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সমন্বয়ে মসজিদগুলোতে এবং হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে মন্দির, প্যাগোডা ও গির্জায় বার্তা পৌঁছানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রচারণার জন্য প্রস্তুত বার্তায় জানানো হয়েছে, সরকারের প্রশিক্ষিত ও পরিচয়পত্রধারী কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের অবস্থা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করবেন। এই তথ্যের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হবে কোন পরিবারের সহায়তা বেশি প্রয়োজন। তাই সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে যাতে তারা পরিবারগুলোর প্রকৃত আর্থ-সামাজিক অবস্থা তুলে ধরে সঠিক তথ্য প্রদান করেন।

মসজিদে জুমার নামাজের আগে তিন মিনিটের ঘোষণায় পরিবারের প্রকৃত তথ্য দেওয়ার পাশাপাশি আর্থিক লেনদেন থেকে সতর্ক থাকার বার্তা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ফ্যামিলি কার্ডের তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে কেউ টাকা চাইলে তা বিশ্বাস করা যাবে না। তথ্য প্রদানের জন্য কোনো অর্থের প্রয়োজন নেই।

অন্যদিকে, মন্দির, গির্জা ও বিহারে দুই মিনিটের ঘোষণায় প্রকৃত তথ্য দেওয়ার পাশাপাশি বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী প্রতিবেশীদের খোঁজ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে তথ্য সংগ্রহের সময় কেউ বাদ না পড়েন।

কেউ অর্থ দাবি করলে ১০৯৮ নম্বরে জানানোর কথাও প্রচারণার বার্তায় উল্লেখ রয়েছে।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের চিঠির অনুলিপি অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সচিব এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে উদযাপনে পুলিশ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে: আইজিপি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৫২ পি.এম


দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে উদযাপনে পুলিশ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে: আইজিপি

পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির জানিয়েছেন, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় অনুষ্ঠান দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের জন্য পুলিশ যথেষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে পুলিশ সদর হল অব প্রাইডে শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৬ উপলক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত সভায় সভাপতিত্ব করার সময় আইজিপি এই মন্তব্য করেন।

আইজিপি বলেন, দুর্গাপূজা উপলক্ষে পুলিশ প্রাক-পূজা, পূজা চলাকালীন এবং প্রতিমা বিসর্জন ও পূজা পরবর্তী সময়ে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। ইতোমধ্যে পুলিশের পূজাকেন্দ্রিক নিরাপত্তা কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, পূজাকে কেন্দ্র করে কোনো মহল বা গোষ্ঠী যাতে সামাজিক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে না পারে, সেজন্য সকলকে সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে। এ ক্ষেত্রে কমিউনিটি ও বিট পুলিশিংয়ের মাধ্যমে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

আইজিপি দুর্গাপূজার আনন্দঘন পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য সকলের সজাগ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় প্রতি বছরের মতো এবারও দুর্গাপূজা নিরাপদে আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপিত হবে।

সভায় অতিরিক্ত আইজি (প্রশাসন) এ কে এম আওলাদ হোসেন, এসআরইউর অতিরিক্ত আইজি মো. রেজাউল করিম, ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ, নৌ পুলিশের অতিরিক্ত আইজি মো. রেজাউল করিম, এসআরবি মহাপরিচালক (অতিরিক্ত আইজি) মো. আহসান হাবীব পলাশ, ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত আইজি জি এম আজিজুর রহমান, অতিরিক্ত আইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. সায়েদুর রহমান, রেলওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজি (ভারপ্রাপ্ত) ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান, হাইওয়ে রেঞ্জের অতিরিক্ত আইজি ফারুক আহমেদ, এসবি প্রধান (অতিরিক্ত আইজি) মো. কামরুল আহসান, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান তপন মজুমদার, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি নির্মল রোজারিও ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মনীন্দ্র কুমার নাথ, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধর ও সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ শর্মা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রমেশ দত্ত, ট্রাস্টি ও ভাইস চেয়ারম্যান কল্যাণ ফ্রন্ট জয়দেব রায়, পূজা উদযাপন ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক রূপন চন্দ্র দাস, ঢাকা মহানগর উত্তর কৃষক দল পূজা ফ্রন্টের যুগ্ম আহ্বায়ক অলোক বসু, রমনা কালী মন্দিরের সদস্য সচিব মিঠুন কুমার দাস, রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশনের ম্যানেজার স্বামী দেবধ্যানানন্দ, মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি গোপাল চন্দ্র দেবনাথ ও সাধারণ সম্পাদক শুভাশীষ কুমার বিশ্বাস সাধন, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সচিব দেবেন্দ্র নাথ উরাঁও, কল্যাণ ফ্রন্টের যুগ্ম মহাসচিব সঞ্জয় গুপ্ত, পূজা উদযাপন ফ্রন্টের বিপ্লব কুমার পাল প্রমুখ এবং ঢাকায় পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের প্রধান ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এছাড়া মহানগর পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি, জেলার পুলিশ সুপার ও নৌ পুলিশের পুলিশ সুপারগণ ভার্চুয়ালি সভায় যুক্ত ছিলেন।

উল্লেখ্য, এ বছর প্রায় ৩৩ হাজার পূজামন্ডপে দুর্গাপূজা উদযাপিত হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

একসময় পোলট্রি বিপ্লবের কেন্দ্র, এখন জরাজীর্ণ জামালগঞ্জ খামার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৫৩ পি.এম


একসময় পোলট্রি বিপ্লবের কেন্দ্র, এখন জরাজীর্ণ জামালগঞ্জ খামার

একসময় জয়পুরহাটের জামালগঞ্জ সরকারি মুরগি প্রজনন ও উন্নয়ন খামার ছিল উত্তরাঞ্চলে পোলট্রি খাতের পথপ্রদর্শক। এটি জেলার একমাত্র সরকারি মুরগির খামার। এখানেই সোনালি জাতের মুরগির উদ্ভাবন ঘটেছিল, যা জয়পুরহাটসহ উত্তরাঞ্চলে শত শত বাণিজ্যিক খামার গড়ে তোলার ভিত্তি তৈরি করে। লাখো মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে দেশের পোলট্রি শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা এই সরকারি প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে জরাজীর্ণ অবকাঠামো ও জনবল সংকটে রুগ্ন হয়ে পড়েছে।

সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, খামারের বিভিন্ন শেডের ছাদের কংক্রিট খসে রড বেরিয়ে এসেছে। কোথাও ছাদ ধসে পড়া ঠেকাতে বাঁশের খুঁটি দিয়ে ঠেকনা দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে সীমানাপ্রাচীর ভেঙে গেছে এবং খামারের একাংশ আগাছায় ঢেকে গেছে।

খামার সূত্রে জানা গেছে, ১২টি শেডের মধ্যে চারটির ছাদ নষ্ট হয়ে দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। বর্তমানে কোনো মুরগি পালন করা হয় না এসব শেডে। ফলে কার্যক্রম চলছে মাত্র আটটি শেডে, যা উৎপাদন সক্ষমতা কমিয়ে দিয়েছে এবং কার্যক্রম পরিচালনাও ব্যাহত হচ্ছে।

জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ১৯৩৭ সালে ব্রিটিশ আমলে ৩০ বিঘা জমির ওপর ‘সরকারি হাঁস-মুরগির খামার’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়। পরে হাঁস পালন বন্ধ হলে নাম পরিবর্তন করে ‘জামালগঞ্জ সরকারি মুরগি প্রজনন ও উন্নয়ন খামার’ রাখা হয়। ২০০৮ সালে এখানে আধুনিক হ্যাচারি স্থাপন করা হয়। খামারে ২০ হাজার বাচ্চা ও দুই হাজার লেয়ার মুরগি লালন-পালনের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে, কিন্তু বর্তমানে দুই হাজার বাচ্চা ও এক হাজার ৮০০ লেয়ার মুরগি লালন-পালন করা হচ্ছে। এখানে বছরে দুই লাখ একদিন বয়সী বাচ্চা উৎপাদন করে দেশের বিভিন্ন জেলার খামারিদের কাছে সরবরাহ করা হয়।

দেশের পোলট্রি শিল্পে খামারটির সবচেয়ে বড় অবদান সোনালি জাতের মুরগির উদ্ভাবন। ২০০০ সালের পর খামারের তৎকালীন সহকারী পরিচালক মো. শাহ জামালের নেতৃত্বে নতুন এই জাতের মুরগির উন্নয়ন শুরু হয়। প্রথমে শাহাপুর গ্রামের ১০টি খামারে পরীক্ষামূলকভাবে সোনালি মুরগি পালন করা হয়। দেশি মুরগির স্বাদ ও আকর্ষণীয় রঙের কারণে অল্প সময়েই এটি সারা দেশে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

২০১০ সালের পর সোনালি মুরগিকে কেন্দ্র করে জয়পুরহাট, বগুড়া, নওগাঁসহ আশপাশের জেলায় বৃহৎ পোলট্রি শিল্প গড়ে ওঠে। বর্তমানে জয়পুরহাট অঞ্চলে রয়েছে ১১টি পোলট্রি ফিড মিল ও ৬৩টি হ্যাচারি। একসময় এ অঞ্চল থেকে প্রতিদিন প্রায় তিন লাখ একদিন বয়সী বাচ্চা উৎপাদিত হতো। বছরে প্রায় দুই লাখ মেট্রিক টন মুরগির মাংস ও প্রায় ৪০ কোটি ডিম উৎপাদিত হতো।

সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশের প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণে এ অঞ্চলের অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য।

স্থানীয় খামারি ও প্রাণিসম্পদ খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দাবি করেছেন, দেশের পোলট্রি শিল্পে ঐতিহাসিক অবদান রাখা এই সরকারি খামারটি দ্রুত সংস্কার ও আধুনিকায়ন করা প্রয়োজন। তাদের মতে, প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ ও জনবল নিশ্চিত করা গেলে জামালগঞ্জ সরকারি মুরগি প্রজনন ও উন্নয়ন খামার আবারও দেশের পোলট্রি খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।

খামারি আরিফ ইফতেখার আহম্মেদ রানা বলেন, "জামালগঞ্জ সরকারি মুরগি প্রজনন খামার একসময় আমাদের সবচেয়ে বড় ভরসা ছিল। এখান থেকে উন্নতমানের বাচ্চা ও কারিগরি পরামর্শ পেতাম। এখন অবকাঠামোর বেহাল অবস্থার কারণে আগের মতো সুবিধা পাওয়া যায় না। দ্রুত সংস্কার করা হলে খামারিরা আবারও উপকৃত হবেন।"

সরকারি মুরগি প্রজনন ও উন্নয়ন খামারের উপপরিচালক ডা. মো. ওয়ালী-উল-ইসলাম বলেন, "চারটি শেড দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত থাকায় উৎপাদন সক্ষমতা কমেছে। খামারে অনুমোদিত ২০ টি পদের বিপরীতে বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র সাত জন। বর্তমানে শেডে কাজ করার মতো কোনো শ্রমিক নেই। অবকাঠামো ও জনবল দুই সংকট নিয়েই কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে। জরাজীর্ণ শেড সংস্কার এবং জনবল নিয়োগের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে একাধিকবার চাহিদা পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ পাওয়া গেলে সংস্কারকাজ শুরু করা হবে।"

‎

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্গাপূজায় চলবে ৩ জোড়া বিশেষ ট্রেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৫৩ পি.এম


দুর্গাপূজায় চলবে ৩ জোড়া বিশেষ ট্রেন

বাংলাদেশ রেলওয়ে আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঘরমুখী যাত্রীদের সুবিধার্থে তিন জোড়া বিশেষ ট্রেন পরিচালনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। একই সঙ্গে যাত্রীদের চাপ মোকাবেলার জন্য ৫টি ট্রেনের অফ ডে (সাপ্তাহিক বন্ধ) প্রত্যাহার করা হয়েছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) রেলপথ মন্ত্রণালয়ের একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা রেজাউল করিম সিদ্দিকী উল্লেখ করেছেন, আগামী ২০ অক্টোবর চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটে ঢাকা স্পেশাল-৩ ট্রেন চলাচল করবে। তাছাড়া ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা রুটে ট্যুরিস্ট স্পেশাল-১ ও ২ আগামী ২০, ২৩ ও ২৪ অক্টোবর চলবে। ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ২৪ অক্টোবর চট্টগ্রাম স্পেশাল-৪ ট্রেন চলাচল করবে।

যাত্রীদের চাপ সামলানোর জন্য পূর্বাঞ্চলের কক্সবাজার এক্সপ্রেসের ১৯ ও ২০ অক্টোবরের অফ ডে প্রত্যাহার করা হয়েছে। পশ্চিমাঞ্চলের জাহানাবাদ এক্সপ্রেস ও রূপসী বাংলা এক্সপ্রেসের ১৯ অক্টোবর, পদ্মা এক্সপ্রেসের ২০ অক্টোবর এবং মধুমতি এক্সপ্রেসের ২৪ অক্টোবরের অফ ডেও প্রত্যাহার করা হয়েছে।

পূজা উপলক্ষে অতিরিক্ত যাত্রী চাহিদা মেটানোর জন্য পূর্বাঞ্চলে ২৩টি মিটারগেজ কোচ এবং পশ্চিমাঞ্চলে ছয়টি ব্রডগেজ কোচ যাত্রীবাহী ট্রেনে যুক্ত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ট্রেনের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ইঞ্জিনের সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।

ট্রেনের সময়ানুবর্তিতা বজায় রাখার জন্য এবং সিডিউল বিপর্যয় এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ জংশন স্টেশন ও সিগন্যাল কেবিনে কর্মকর্তা ও পরিদর্শকদের নিবিড় তদারকিতে ট্রেন পরিচালনা করা হবে। এছাড়া ট্র্যাক ও সেতুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রেলপথে পেট্রোলিংয়ের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

সিগন্যালিং ব্যবস্থা, কোচ ও ইঞ্জিনের নিবিড় পরিচর্যার পাশাপাশি জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য দুর্ঘটনাস্থলে দ্রুত পাঠানোর জন্য রিলিফ ট্রেন প্রস্তুত রাখা হবে।

নিরাপত্তা নিশ্চিতে ঢাকা, ঢাকা বিমানবন্দর, জয়দেবপুর, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, সিলেট, রাজশাহী ও খুলনাসহ প্রধান স্টেশনগুলোতে রেলওয়ে পুলিশ (জিআরপি) ও রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর (আরএনবি) সহযোগিতায় পাহারা জোরদার করা হয়েছে। ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন (কমলাপুর) ও বিমানবন্দর রেলস্টেশনে ১৯ ও ২০ অক্টোবর ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্ব পালন নিশ্চিত করা হবে।

চলন্ত ট্রেন, স্টেশন ও রেললাইনে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে আরএনবি, জিআরপি ও রেলওয়ের কর্মচারীদের নজরদারি ও কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে বলে রেলপথ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%