মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:২৮ পি.এম
হাততালি সাধারণত আনন্দ প্রকাশের একটি মাধ্যম হিসেবে পরিচিত। তবে অনেকেই এটি একটি সহজ শরীরচর্চার পদ্ধতি হিসেবেও মনে করেন। হাতে থাকা বিভিন্ন স্নায়ু ও রক্তনালীর প্রান্তে চাপ পড়ার ফলে শরীরে কিছু ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে প্রচলিত ধারণা রয়েছে। নিয়ম মেনে হাততালি দেওয়ার মাধ্যমে শরীরে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি থেকে শুরু করে মন ভালো রাখার মতো কিছু উপকার পাওয়া যেতে পারে।
রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সহায়ক
ছন্দ মেনে হাততালি দেওয়ার ফলে হাতের তালু ও আঙুলের বিভিন্ন অংশে চাপ ও ঘর্ষণ সৃষ্টি হয়। এর ফলে শরীরে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পেতে পারে। শরীরের বিভিন্ন অংশ ও কোষে পর্যাপ্ত অক্সিজেন পৌঁছাতে রক্ত সঞ্চালন একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিয়মিত হাততালির অভ্যাস হৃদ্যন্ত্রের সুস্থতার জন্যও সহায়ক হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
মনমেজাজ ভালো রাখতে পারে
হাততালি দেওয়ার সময় শরীরে আনন্দ ও স্বস্তির অনুভূতি তৈরি হতে পারে। এর সঙ্গে শরীরে ‘এন্ডরফিন’ নামের এক ধরনের হরমোনের ক্ষরণের সম্পর্ক রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। ফলে মানসিক চাপ ও উদ্বেগ কমাতে এবং মনকে কিছুটা শান্ত রাখতে এই সহজ অভ্যাস সহায়ক হতে পারে।
শরীরের নমনীয়তা বাড়াতে সহায়ক
হাতের তালু ও আঙুল নিয়মিত নড়াচড়া করার ফলে অস্থিসন্ধির জড়তা কিছুটা কমতে পারে। পাশাপাশি পেশি সচল ও শিথিল রাখতে এটি সহায়তা করতে পারে। এতে অস্থিসন্ধির চলন স্বাভাবিক রাখা এবং শরীরের নমনীয়তা বজায় রাখতে উপকার পাওয়া যেতে পারে।
ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
হাততালি দেওয়াও একটি হালকা শারীরিক কর্মকাণ্ড। এতে অল্প পরিমাণে শক্তি ক্ষয় হয়। তাই নিয়মিত অন্যান্য শরীরচর্চার পাশাপাশি হাততালির মতো সহজ নড়াচড়ার অভ্যাস ওজন নিয়ন্ত্রণে সামান্য ভূমিকা রাখতে পারে।
শরীর ঝরঝরে রাখতে সাহায্য করতে পারে
হাততালির অভ্যাস শরীরের বিভিন্ন অংশের নড়াচড়া বাড়ায়। এর ফলে শরীরের তরল চলাচল বা লসিকাতন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রমে সহায়তা করতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। শরীরের অপ্রয়োজনীয় পদার্থ বের করে দেওয়ার প্রক্রিয়ায় লসিকাতন্ত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
কীভাবে হাততালি দেবেন
আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে সকালে হাততালির অভ্যাস করার কথা বলা হয়েছে। প্রথমে হাতের তালুতে নারকেল তেল বা পছন্দের কোনো তেল হালকা করে মালিশ করে নিতে পারেন। এরপর মেরুদণ্ড সোজা রেখে পদ্মাসন বা বজ্রাসনে বসে হাততালি দেওয়ার অভ্যাস করা যেতে পারে।
শুরুতে দুই থেকে তিন মিনিট হাততালি দেওয়ার পর ধীরে ধীরে সময় বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পরের সপ্তাহে পাঁচ মিনিট এবং পর্যায়ক্রমে ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর্যন্ত এই অভ্যাস করা যেতে পারে।
তবে হাততালিকে কোনো রোগের চিকিৎসা বা ওষুধের বিকল্প হিসেবে দেখা উচিত নয়। শরীরে কোনো রোগ বা শারীরিক সমস্যা থাকলে নিয়মিত শরীরচর্চা শুরু করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশের বাজারে সোনার দাম আবারও কমানো হয়েছে। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা কমানো হয়েছে। এর ফলে ভ্যাটসহ ভালো মানের এক ভরি সোনার নতুন দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে এই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।
বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির বৈঠকে এই দাম কমানোর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য প্রকাশ করেন। স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার দাম কমানোর কারণে এই দাম কমানো হয়েছে।
এর আগে, ২৬ সেপ্টেম্বর ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৬৯১ টাকা কমানো হয়। পরবর্তীতে ২৮ সেপ্টেম্বর দাম কমানো হয় ২ হাজার ১৫৮ টাকা। এখন আবার দাম কমানোর ফলে তিন দফায় ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম কমেছে ৬ হাজার ৬৫ টাকা।
বর্তমানে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৯৯ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ১৮ হাজার ২৯২ টাকা করা হয়েছে।
এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৮০৮ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৪৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ১০৮ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৫৩ হাজার ১৪৮ টাকা করা হয়েছে।
২৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা থেকে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭২ টাকা নির্ধারণ করা হয়। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ হাজার ১০০ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ২০ হাজার ৩৯১ টাকা করা হয়।
এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৮০৮ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৮৯ হাজার ২৪৮ টাকা করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৮০৮ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৫৪ হাজার ২৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ সকাল ৯টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত এই দামে সোনা বিক্রি হয়েছে।
সোনার দাম কমানোর পাশাপাশি রুপার দামও হ্রাস করা হয়েছে। ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা কমিয়ে ৪ হাজার ৩১৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা কমিয়ে ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১৭৪ টাকা কমিয়ে ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ১১৬ টাকা কমিয়ে ২ হাজার ৬৮৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ব্রাজিল দল বিকেলে মাঠে নামছে, তাদের লক্ষ্য হলো প্রথম ম্যাচের অস্বস্তিকর ফলের পর ঘুরে দাঁড়ানো। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই ম্যাচের আগে কোচ কার্লো আনচেলত্তি কৌশল ও একাদশে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন।
মঙ্গলবার ব(২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় বিকেল চারটায় জাকার্তার মাঠে এই দুই দলের মধ্যে লড়াই অনুষ্ঠিত হবে। ফুটবলপ্রেমীদের জন্য একটি স্বস্তির খবর রয়েছে—টেলিভিশনের সামনে না থেকেও যেকোনো স্থান থেকে স্মার্টফোনের মাধ্যমে ম্যাচটি সরাসরি দেখার সুযোগ থাকবে।
মোবাইলে ম্যাচটি দেখার জন্য জনপ্রিয় স্পোর্টস স্ট্রিমিং অ্যাপস ও বিভিন্ন ওটিটি প্ল্যাটফর্মে নজর রাখতে হবে। সাবস্ক্রিপশন থাকলে সহজেই এবং এইচডি কোয়ালিটিতে পুরো খেলাটি সরাসরি উপভোগ করা যাবে। এছাড়া বেশ কিছু অনলাইন প্ল্যাটফর্ম তাদের মোবাইল অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে খেলা সরাসরি সম্প্রচার করবে।
প্রথম ম্যাচে পয়েন্ট হারানোর কারণে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল বিশ্ব র্যাংকিংয়ে ষষ্ঠ স্থানে নেমে গেছে। তাই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে নিজেদের পারফরম্যান্সের আমূল উন্নতি ঘটাতে মরিয়া সেলেসাওরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মন্তব্য করেছেন যে, স্বাধীন গণমাধ্যমের দায়িত্ব হলো সত্য, ন্যায়বিচার ও আন্তর্জাতিক আইনের পক্ষে অবস্থান নেওয়া।
এই বক্তব্য তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত ‘পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ, বিশ্ব গণতন্ত্র, নৈতিক জবাবদিহি ও আত্মসমালোচনা’ শীর্ষক সেমিনারে তুলে ধরেন। ফারসি ভাষায় তার বক্তব্য প্রদান করা হয় এবং পরে ইংরেজিতে অনুবাদ করা হয়।
রাষ্ট্রদূত বক্তাদের ন্যায়বিচারের পক্ষে অবস্থান এবং ইরানের জনগণের প্রতি সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশের জনগণ ইরানের মানুষের হৃদয়ে একটি বিশেষ স্থান করে নিয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, দুই দেশের জনগণের বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক সহযোগিতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত বলেন, যুদ্ধ শুধুমাত্র সামরিক, নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বিষয় নয়; বরং গণমাধ্যমও এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তিনি উল্লেখ করেন, পশ্চিমা মূলধারার গণমাধ্যমে অনেক সময় যুদ্ধের ঘটনাগুলো একপেশেভাবে উপস্থাপন করা হয়।
স্বাধীন গণমাধ্যমের ভূমিকা তুলে ধরে রাষ্ট্রদূত বলেন, ইরান, যুক্তরাষ্ট্র কিংবা ইসরায়েল—কোনো পক্ষের হয়ে অবস্থান নেওয়া সাংবাদিকতার কাজ নয়। সত্য, ন্যায়বিচার ও আন্তর্জাতিক আইনের পক্ষে অবস্থান নেওয়াই স্বাধীন গণমাধ্যমের দায়িত্ব।
আন্তর্জাতিক আইনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি প্রশ্ন করেন, যুদ্ধের আইন অনুযায়ী হাসপাতাল, শিশু, স্কুল, নারী ও ঐতিহাসিক স্থাপনায় হামলা কতটা বৈধ। তিনি বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন।
জাতিসংঘ সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদের উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত জানান, আত্মরক্ষার অধিকার আন্তর্জাতিক আইনে স্বীকৃত। ইরান নিজেদের দেশ ও জনগণকে রক্ষায় সেই অধিকার প্রয়োগ করছে।
তিনি আরও বলেন, জাতিসংঘ সনদের ৪২ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য কোনো রাষ্ট্র হুমকি সৃষ্টি করলে নিরাপত্তা পরিষদ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারে, যার মধ্যে বলপ্রয়োগের অনুমোদনও থাকতে পারে। তবে ইরানে হামলার ক্ষেত্রে নিরাপত্তা পরিষদ এমন কোনো অনুমোদন দেয়নি।
বেসামরিক মানুষের ওপর হামলার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে রাষ্ট্রদূত বলেন, ধরে নিন, আমরা সবাই সন্ত্রাসী। ইরানের শিক্ষার্থীরাও সন্ত্রাসী। তারপরও কি যুদ্ধের কোনো আইন থাকবে না? বেসামরিক মানুষের ওপর হামলা করা কি বৈধ? হাসপাতাল কিংবা শিশুদের ওপর হামলা কি বৈধ?
যুদ্ধের বাস্তবতা তুলে ধরতে বিশ্বের স্বাধীন গণমাধ্যমগুলোকে ইরান সফরের আহ্বান জানান তিনি। সাংবাদিকদের সরেজমিনে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ এবং নিজেদের মতো করে যুদ্ধের পরিস্থিতি তুলে ধরার আহ্বান জানান ইরানি রাষ্ট্রদূত।
উল্লেখ্য, সেমিনারে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, গবেষক, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু মন্তব্য করেছেন যে, বিএনপি হচ্ছে জনগণের দল এবং এটি জনবান্ধব একটি সংগঠন। তিনি উল্লেখ করেছেন, "বিএনপি যখন ক্ষমতায় আসে জনগণ ভালো থাকে, ভালো রাখার চেষ্টা করি আমরা।" প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, "বিগত একটি সরকার ছিল- ফ্যাসিস্ট সরকার। যারা খুন করেছে, গুম করেছে, হত্যা করেছে। শিশু বাচ্চাদের হত্যা করেছে, আলেমদেরকেও হত্যা করেছে।"
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলা পরিষদের হল রুমে বকনা ও পশুখাদ্য বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, "জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে তাদেরকে বিতাড়িত করেছে। আজকে তারাও আবার বিভিন্ন রকম কথাবার্তা বলে, আসতে চায়। আরে ভাই আসবেন কেন? আপনার যে ফাঁসির রায় হয়েছে। ফাঁসি বাংলাদেশের জনগণ কার্যকর করতে চায়।" প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, "ফ্যাসিস্টরা যে পরিমাণ খুন করেছে, গুম করেছে, হত্যা করেছে তবুও কোনো অনুশোচনা নাই। কথায় কথায় বলে এর চাইতে ভয়ংকর হবে। তাহলে তো এবার বাংলাদেশের মানুষ ছেড়ে দেবে না। অনুশোচনা তো করবে- যে ভুল হয়েছে মাফ করে দেন। এই কথা না বলে, হুমকি-ধামকি দেয়। হুমকি ধামকি দিয়ে কি বাংলাদেশের জনগণকে রোধ করা যায়?"
তিনি আরও বলেন, "যতবার গণতন্ত্র হোঁচট খেয়েছে ততবার গণতন্ত্র রক্ষার জন্য বিএনপি আন্দোলন করেছে, সংগ্রাম করেছে। দেশরত্ন বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে স্বৈরাচারের পতন হয়েছে। আবার এই ফ্যাসিবাদের বিদায় আমাদের প্রিয় প্রধানমন্ত্রী দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের সকল জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে ফ্যাসিস্টদের বিতাড়িত করেছে। কাজেই আজকে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আপনারা ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন আমাদের।"
প্রতিমন্ত্রী বলেন, "সেই জনগণের সরকারকে এত সহজে কি ষড়যন্ত্র করে কোনো ক্ষতি কি করতে পারবে? আমাদেরকে সজাগ থাকতে হবে। আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। কোনো ষড়যন্ত্র যাতে এদেশে কেউ করতে না পারে। আমরা যদি সজাগ থাকি ষড়যন্ত্র করে কোনো লাভ হবে না।"
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, "প্রান্তিক জনগোষ্ঠী যদি স্বাবলম্বী হয় তাহলে দেশ অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হবে।" তিনি প্রধানমন্ত্রীর সব কাজে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান এবং সকল ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন।
এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন মানিকগঞ্জ ১ আসনের সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবীর, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খানসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ