বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৪:০০ পি.এম
বাংলাদেশ-ভারত ক্রিকেট সিরিজ নিয়ে টানাপোড়েনের পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে আজ ভারত যাচ্ছেন বিসিবির সভাপতি তামিম ইকবাল।এই সফরের সময়ে তার সঙ্গী হিসেবে থাকবেন বোর্ড পরিচালক শানিয়ান তানিম।বিসিবি সূত্র থেকে জানা গেছে, এই সফরের সঙ্গে আসন্ন সিরিজের কোনো সম্পর্কই নেই।বিসিসিআই'র পক্ষ থেকেও তামিম ইকবালকে কোনো আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।মূলত, তামিম ইকবাল ভারত সফর করছেন দেশের ক্রিকেট এক্সেলেন্স সেন্টারগুলো পরিদর্শন করার জন্য।তিনি ভারত থেকে আসা সেই অভিজ্ঞতা নিয়ে বাংলাদেশে এক্সেলেন্স সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনা করছেন বিসিবির হয়ে।তবে, আমন্ত্রণ না পেলেও, তামিম ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করার প্রত্যাশা করছেন।ভারতের বিপক্ষে দ্বিপাক্ষীক সিরিজ বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হতে পারে এই বৈঠকে।এছাড়া, আসন্ন ভারত সিরিজ নিয়ে দু'পক্ষের মধ্যে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।এর আগে, নাজমুল আবেদীন ফাহিমও এক্সেলেন্স সেন্টার পরিদর্শন করেছিলেন।কিন্তু সেই অভিজ্ঞতাটি তখন কোনো কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি।
এবার, বোর্ড সভায় বিসিবির ফান্ডে তিন বছরের মধ্যে এক্সেলেন্স সেন্টার নির্মাণের অনুমোদন দেয়ার এক দিনের মধ্যেই যাত্রা করছেন তামিম।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর, অবশেষে নিজের সাত মাস বয়সী শিশুসন্তানকে ফিরে পেয়েছেন ১৩ বছর বয়সী কিশোরী মা অনামিকা আক্তার জুঁই। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই), আদালতে দুই পক্ষের শুনানি শেষে আদালত নির্দেশ দেন যে শিশুটিকে আপাতত মায়ের জিম্মায় দেওয়া হবে।
শুনানির সময় বিচারক মন্তব্য করেন, শিশুটির সর্বোত্তম স্বার্থ ও মানবিক দিক বিবেচনায়, আপাতত সে তার মায়ের কাছেই থাকবে। মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী মঙ্গলবার দিন ধার্য করা হয়েছে।
আদালতে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ২২ বছর বয়সী শাকিল ওরফে শাকিব মিয়ার সঙ্গে পরিচয় হয় অনামিকা আক্তার জুঁইয়ের। এরপর তাদের মধ্যে গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। অভিযোগ রয়েছে, জুঁই অপ্রাপ্তবয়স্ক থাকা অবস্থায় তাকে বিয়ে করেন শাকিল। চলতি বছরের শুরুতে তাদের ঘরে একটি পুত্রসন্তান জন্মগ্রহণ করে।
জুঁইয়ের অভিযোগ, শিশুর জন্মের কয়েক মাস পর তাকে শিশুটিকে রেখে শ্বশুরবাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। এরপর, বিভিন্নভাবে সন্তানকে ফিরে পাওয়ার চেষ্টা চালিয়ে তিনি ব্যর্থ হয়ে গত ১ জুলাই ঢাকার চিফ লিগ্যাল এইড অফিসে অভিযোগ করেন।
অভিযোগের ভিত্তিতে, আদালত অভিযুক্ত শাকিল ও তার মাকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিলেও তারা আদালতে উপস্থিত হননি। পরে, আদালতের নির্দেশে চকবাজার থানার পুলিশ সোমবার শিশুটিকে উদ্ধার করে আদালতে হাজির করে। মঙ্গলবার শুনানি শেষে আদালত শিশুটিকে মায়ের জিম্মায় দেওয়ার আদেশ দেন।
শুনানিকালে বিচারক বলেন, প্রথম দিন জুঁইকে দেখে তিনি বিশ্বাসই করতে পারেননি যে তার একটি সন্তান রয়েছে কারণ বয়সের কারণে জুঁই নিজে একজন শিশু।
জুঁইয়ের আইনজীবী দাবি করেন, অপ্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় তাকে প্রলোভন দেখিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় এবং তিনি পরে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হন। সন্তানের জন্মের পর তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয় এবং শিশুকেও তার কাছ থেকে আলাদা রাখা হয়।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত শাকিলের দাবি, জুঁই স্বেচ্ছায় তার সঙ্গে গিয়েছিলেন এবং পরে তিনি সন্তানের জীবনে না থাকার সিদ্ধান্ত নিয়ে নিজে বাড়ি ছেড়ে চলে যান। তিনি সন্তানের অভিভাবকত্ব চেয়ে পারিবারিক আদালতেও একটি মামলা দায়ের করেছেন বলে শুনানিতে উল্লেখ করা হয়।
মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হবে। ওই শুনানিতে শিশুটির স্থায়ী অভিভাবকত্বসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে আদালত পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ থেকে তিন লাখ রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের সম্মতির ঘোষণা এসেছে। তবে, এই নিয়ে আশ্রিত রোহিঙ্গারা প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের দাবি, শুধু তিন লাখ নয়, বাংলাদেশে আশ্রিত ১৪ লাখের বেশি রোহিঙ্গার প্রত্যাবাসন পরিকল্পনা, সময়সূচি ও পুনর্বাসনের স্থান স্পষ্ট করতে হবে মিয়ানমারকে। অন্যদিকে, শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশন জানিয়েছে, স্বেচ্ছায়, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের জন্য বাংলাদেশের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। মিয়ানমারের কাছ থেকে সবুজ সংকেত পেলেই, বাংলাদেশ প্রত্যাবাসন কার্যক্রম শুরু করতে প্রস্তুত রয়েছে।
বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে ফিরিয়ে নিতে রাজি হয়েছে মিয়ানমার। বুধবার (২৯ জুলাই) এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময়, এ তথ্য জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। তিনি যোগ করেছেন, মালয়েশিয়া থেকেও ৫ হাজার রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নেবে মিয়ানমার।
আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, ‘মানুষ বলে ওদের ফেরত পাঠাও, ফেরত পাঠাও। কিন্তু পাঠাব কোথায়? মিয়ানমার তো ওদের নিতে চায়নি। এ কারণেই মিয়ানমারের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখাটা জরুরি। এখন তারা প্রথমে ৫ হাজার জনকে নিতে সম্মত হয়েছে।’
এছাড়া, আনোয়ার ইব্রাহিম আরও জানিয়েছেন, মিয়ানমার বর্তমানে বাংলাদেশে বসবাসকারী প্রায় ৩ লাখ রোহিঙ্গাকেও ফিরিয়ে নিতে রাজি হয়েছে। তবে, এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা উল্লেখ করেননি তিনি।
সম্প্রতি, পেনাং রাজ্যের একটি আবাসন ছেড়ে শতাধিক রোহিঙ্গা কুয়ালালামপুরে জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) অফিসের সামনে জড়ো হওয়ার কয়েক দিন পর প্রধানমন্ত্রী এ ঘোষণা দেন। পরবর্তীতে, রোহিঙ্গাদের ওই দলটিকে কুয়ালালামপুর, সেলানগোর ও পেনাংয়ের বিভিন্ন অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তরিত করে মালয়েশীয় কর্তৃপক্ষ।
আনোয়ার ইব্রাহিম জোর দিয়ে বলেন, এই আঞ্চলিক শরণার্থী সংকটের একটি দীর্ঘমেয়াদী সমাধানের লক্ষ্যে মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রাখবে মালয়েশিয়া।
এদিকে, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের ঘোষণা আসার পর, কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ৩৩ ক্যাম্পে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের মধ্যে নতুন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। রোহিঙ্গাদের দাবি, বাংলাদেশে এখনও ১৪ লাখের বেশি রোহিঙ্গা রয়েছে। তাই, শুধুমাত্র আংশিক নয়, সকল রোহিঙ্গার প্রত্যাবাসনের সুস্পষ্ট সময়সূচি, নিরাপত্তা, পুনর্বাসনের স্থান এবং বাস্তবায়ন পরিকল্পনা প্রকাশ করতে হবে। তারা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলছেন, আন্তর্জাতিক চাপের মুখে মিয়ানমার আবারও সময়ক্ষেপণের কৌশল নিতে পারে।
আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যানিটির চেয়ারম্যান মো. জুবায়ের বলেন, বাংলাদেশে তিন লাখ নয়, বর্তমানে ১৪ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে। তাই, মিয়ানমারকে স্পষ্ট করে জানাতে হবে, বাকি রোহিঙ্গাদের কবে এবং কীভাবে ফিরিয়ে নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, ‘মিয়ানমার যাদের ফিরিয়ে নেওয়ার কথা বলছে, তারা আদৌ রোহিঙ্গা নাকি অন্য কোনো গোষ্ঠীর মানুষ- সেটিও পরিষ্কার করতে হবে। পাশাপাশি, আরাকানের প্রায় ৮০ শতাংশ অঞ্চল এখন মিয়ানমার সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেই। অথচ আরাকানই রোহিঙ্গাদের আদি নিবাস। তাই, তাদের কোথায় পুনর্বাসন করা হবে, সেটিও মিয়ানমারকে স্পষ্টভাবে জানাতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কোন মাসে, কোন তারিখে এবং কী প্রক্রিয়ায় রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন শুরু হবে, সেই বিষয়ে সুস্পষ্ট রোডম্যাপ দিতে হবে। মনে হয়, আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) চলমান মামলার চাপ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপের মুখে মিয়ানমার নতুন করে নানা ধরনের তালবাহানা শুরু করেছে।’
রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদে ও মর্যাদার সঙ্গে নিজ দেশে ফিরিয়ে দেওয়াই বাংলাদেশ সরকারের একমাত্র লক্ষ্য বলে জানিয়েছে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশন। কমিশনের ভাষ্য, প্রত্যাবাসন ছাড়া এই সংকটের অন্য কোনো টেকসই সমাধান নেই। এ লক্ষ্যে, যে দেশ বা সংস্থাই উদ্যোগ নিক, বাংলাদেশ তাদের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত।
শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদে ও মর্যাদার সঙ্গে প্রত্যাবাসনই বাংলাদেশ সরকারের একমাত্র লক্ষ্য। প্রত্যাবাসন ছাড়া রোহিঙ্গা সংকটের অন্য কোনো সমাধান আমরা দেখি না। সে লক্ষ্যে যে দেশ বা সংস্থাই উদ্যোগ নিক, বাংলাদেশ তাদের সঙ্গে থাকবে এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে। প্রত্যাবাসনের জন্য আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। রোহিঙ্গাদের তথ্যভান্ডার (ডাটাবেস) আমরা আগেই মিয়ানমারের কাছে হস্তান্তর করেছি। যাচাই-বাছাই (ভেরিফিকেশন) শেষে তারা যে তথ্য দিচ্ছে, সেগুলোর হালনাগাদ প্রয়োজন হতে পারে, তবে আমাদের পক্ষ থেকে কোনো বাধা নেই।’
তিনি জানান, ‘২০১৮ সালে আমরা দুটি ট্রানজিট সেন্টার নির্মাণ করেছি। পরবর্তী সময়ে, সরকার আরও অর্থ ব্যয় করে আরও দুটি ট্রানজিট সেন্টার তৈরি করেছে। টেকনাফের যে ঘাটটি সংস্কারের প্রয়োজন ছিল, সেটিও এখন প্রস্তুত। মিয়ানমারের পক্ষ থেকে সবুজ সংকেত (গ্রিন সিগন্যাল) পেলেই আমরা তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাবাসন কার্যক্রম শুরু করতে প্রস্তুত।’
মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি প্রসঙ্গে কমিশনার মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘এটি সম্পূর্ণ মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তারা কীভাবে নিজেদের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি মোকাবিলা করবে, সেটা তাদের সিদ্ধান্ত। বাংলাদেশ সরকার-টু-সরকার ভিত্তিতে মিয়ানমার সরকারের সঙ্গেই কাজ করে। মিয়ানমার সরকার সম্মতি দিলে আমাদের কোনো আপত্তি নেই।’
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের অগ্রগতি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘এ মুহূর্তে নতুন কোনো তথ্য নেই। তবে এর আগে তৎকালীন রোহিঙ্গাবিষয়ক হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ জানিয়েছিলেন, মিয়ানমার সরকার প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নিতে সম্মতি দিয়েছে। সেই তথ্য আমাদের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।’
এছাড়া, এর আগে দুই লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নিতে সম্মতি দিয়েছিল মিয়ানমার। কিন্তু নতুন এই ঘোষণার বাস্তবায়ন কবে এবং কীভাবে হবে, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
১১ বছরের এক মক্তবপড়ুয়া শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক মিজানুর রহমান থানায় নেওয়ার পথে অবচেতন হয়ে পড়েন। পরবর্তীতে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলেও চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে বুধবার (২৯ জুলাই) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
এর আগে, সোমবার (২৭ জুলাই) সকালে উপজেলার পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের কড়ৈতলী গ্রামে এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী শিশুটির মা-বাবার বক্তব্যে জানা যায়, তাদের মেয়ে প্রতিদিনের মতো মিজানুর রহমান হুজুরের কাছে মক্তবে পড়তে যায়। ঐ সময়ে তাঁকে মক্তবের ঘর ঝাড়ু দেওয়ার কথা বলে অন্য শিশুদের চলে যেতে বলা হয় এবং পরে তাকে ধর্ষণ করা হয়। ঘটনার পর শিশুটি যখন বাড়িতে এসে তার মাকে গোপনাঙ্গে ব্যথার কথা জানালে গুরুতর বিষয়টি প্রকাশ পায়। এরপর, তারা স্থানীয় কড়ৈতলী বাজার ব্যবসায়ী কমিটির সভাপতি মাসুদুর রহমান, মেম্বার জিতু এবং চেয়ারম্যান রাজনের কাছে বিষয়টির বিচার চাইলে, এসবের পরিবর্তে শিশুর পরিবারকে থানায় জানাতে বলা হয় এবং বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পরে রাতেই অভিযুক্তের শ্যালক, সাবেক ইউপি সদস্য আলী হায়দার উজ্জ্বলের ঘরে সালিশি বৈঠক শেষে শিশুর দরিদ্র বাবাকে ১৫ হাজার টাকা দিয়ে হুমকি-ধমকি প্রদানের মাধ্যমে বিষয়টি চাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।
এ ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার বুধবার রাতে ফরিদগঞ্জ থানায় অভিযোগ করে। এরপর, রাতেই পুলিশ অভিযুক্ত মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে। কিন্তু থানায় নিয়ে আসার পথে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, তিনি মৃত অবস্থায় এসেছেন।
অভিযুক্তের শ্যালক সাবেক ইউপি সদস্য আলী হায়দার উজ্জ্বলকে একাধিকবার ফোন করে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ প্রসঙ্গে, ইউপি সদস্য সেলিম জিতু বলেন, যখন শিশুর বাবা-মা আমাদেরকে বিষয়টি জানায়, তখন আমরা জানি এটি শিশু নির্যাতনের ক্ষেত্রে পড়ে, Chairperson এবং আমি বলেছি তাদের থানাতে যাওয়ার জন্য। তবে পরে আর আমাদের জানানো হয়নি কি হয়েছে।
মৃত্যু বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান জুয়েল জানান, পুলিশ হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই তাঁের মৃত্যু ঘটেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হার্টঅ্যাটাকজনিত কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এরশাদ উল্যাহ বলেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর বিষয়ে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর একচেটিয়া ব্যবসা করার অভিযোগ তুলে প্রবাসী কল্যাণ ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেছেন, সরকার অভিবাসনে প্রতারণা ঠেকাতে তৎপর। তিনি উল্লেখ করেছেন, বিদেশে কর্মী পাঠানোর নামে যে প্রকারে এজেন্সিগুলো গলাকাটা ফি নিচ্ছে, সেটি নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন।
প্রতারিত অভিবাসী কর্মীদের অভিযোগের ওপর ভিত্তি করে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর একটি হোটেলে 'অনলাইন কমপ্লেইন্ট ম্যানেজমেন্ট মডিউল' উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
বিএমইটি ও বেসরকারি সংস্থা রামরুর উদ্যোগে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে প্রবাসী কল্যাণ সচিব আখতার আহমেদসহ মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী এ সময় বলেন, দেশে ৩ হাজার লাইসেন্সধারী রিক্রুটিং এজেন্সি রয়েছে। এগুলোর যাচাই বাছাই করে নিয়মের আওতায় আনা হলে, ৫০০ এর বেশী এজেন্সি কার্যক্রম চালানোর সুযোগ পাবে না। এর ফলে এজেন্সিগুলোকে নিয়ম-কানুন মেনে কর্মী পাঠানোর জন্য আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, চাহিদাপত্র নিষ্পত্তির জন্য দূতাবাসগুলোকেও একটি সময়সীমা বেঁধে দিতে হবে। যারা বিদেশে গিয়ে প্রতারণার শিকার হচ্ছেন, তাদের অভিযোগ পেলে সরকার সহযোগিতা করবে বলে জানান তিনি।
বিদেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে কঠোর নিয়ম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কর্মী পাঠানোর সুযোগ যাতে হারিয়ে না যায়, সে বিষয়েও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ