ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

তিস্তার ভাঙনে বিপর্যয়, নতুন বাঁধ ধসে পানিবন্দি দুই হাজার পরিবার


তিস্তার ভাঙনে বিপর্যয়, নতুন বাঁধ ধসে পানিবন্দি দুই হাজার পরিবার

তিস্তা নদীর তীব্র স্রোতে রংপুরের গঙ্গাচড়া ও লালমনিরহাট সদর উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় নতুন করে নির্মিত তীর সংরক্ষণ কাজের প্রায় ১৩০ মিটার অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এর ফলে প্রায় দুই হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে, অপরদিকে বিস্তীর্ণ এলাকার আমন ধানের বীজতলা তলিয়ে গেছে।

এছাড়া ভেঙে গেছে একাধিক বসতবাড়ি এবং নতুন করে ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি হারানোর আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে তিস্তাপাড়ের মানুষ।

স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, গত কিছু বছর ধরে তিস্তার ভয়াবহ ভাঙনে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার মর্ণেয়া ইউনিয়নের নরশিং ও তালপট্টি এবং লালমনিরহাট সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ ইউনিয়নের উত্তর হাজীপাড়া, পশ্চিম হাজীপাড়া, পূর্ব হাজীপাড়া ও হরিণচড়া এলাকার হাজারো মানুষ তাঁদের বসতভিটা, ফসলি জমি ও জীবিকার শেষ সম্বল হারিয়েছেন। দীর্ঘদিনের দাবির পর চলতি বছর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলুর উদ্যোগে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) দুই কিলোমিটার এলাকার তীর সংরক্ষণ কাজ বাস্তবায়ন করে। নতুন বাঁধ নির্মাণে নদীপাড়ের মানুষের মধ্যে যে স্বস্তি ফিরেছিল, সেটি খুব বেশী স্থায়ী হয়নি।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

সোমবার (১৩ জুলাই) রাতে ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলে নদীর তীব্র স্রোতে নতুন নির্মিত তীর সংরক্ষণ কাজের প্রায় ১৩০ মিটার অংশ নদীগর্ভে হারিয়ে যায়। একই সঙ্গে কয়েকটি বসতবাড়ি ভেঙে পড়ে, হাজারের বেশি বাড়িতে বন্যার পানি ঢুকে পড়ে এবং বিস্তীর্ণ এলাকায় আমন ধানের বীজতলা তলিয়ে যায়।

বুধবার (১৫ জুলাই) সরেজমিনে দেখা যায়, লালমনিরহাটের আদর্শপাড়া থেকে গঙ্গাচড়ার তালপট্টি হয়ে নরশিং পর্যন্ত নির্মিত তীর সংরক্ষণ বাঁধের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় ফাটল ও ধস দেখা দিয়েছে। প্রতিদিন নতুন নতুন স্থানে ভাঙন সৃষ্টি হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।

স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, গত কয়েক দিন ধরে তিস্তার পানি দ্রুত ওঠানামা করছে। আকস্মিক বন্যা, তীব্র স্রোত এবং হঠাৎ পানি নেমে যাওয়ার কারণে নদীর তীরজুড়ে ভয়াবহ ভাঙন শুরু হয়েছে। এতে প্রায় দুই হাজার পরিবারের বসতভিটা, বিস্তীর্ণ ফসলি জমি, দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক হুমকির মুখে পড়েছে।

তালপট্টির গ্রামের বাসিন্দা আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘অনেক আশা নিয়ে বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছিল। ভেবেছিলাম এবার আর ভাঙন হবে না। কিন্তু কয়েক মাসও টিকল না। চোখের সামনে নতুন বাঁধ নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এখন আবার আগের মতো ঘরবাড়ি হারানোর ভয় ফিরে এসেছে।’

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

নরশিং এলাকার কৃষক খয়বর আলী জানান, ‘আগে বাঁধ ছিল না, তখনও ভয় ছিল। এখন বাঁধ থাকার পরও ভয় হচ্ছে। সরকারের এত টাকার বাঁধ যদি স্বল্প মেয়াদের বন্যাতেই ভেঙে যায়, তাহলে আমাদের কী লাভ হলো? শুধু জিও ব্যাগ ফেললে হবে না, স্থায়ী ও টেকসই ব্যবস্থা নিতে হবে।’

হরিণচড়া গ্রামে সাইদুল ইসলাম বলেন, ‘কয়েক দিনের ভাঙনে এখন দেখি বাঁধও বিলীন হতে চলেছে। রাতে ঘুমাতে পারি না। মনে হয় কখন ঘরটাও নদীতে চলে যায়। শুরুতেই দ্রুত ব্যবস্থা নিলে হয়তো এত ক্ষতি হতো না। এখন জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ও কংক্রিট ব্লক না ফেললে পুরো বাঁধ নদীতে চলে যাবে।’

রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম জানান, ‘নদীতে পানির ওঠানামার কারণে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে জরুরি ভিত্তিতে ছয় হাজার জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধের কাজ চলছে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে আরো জিও ব্যাগ ও অন্যান্য প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টায় তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে পানির প্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ০৫ মিটার, যা বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার নিচে। একই সময়ে কাউনিয়ার তিস্তা সেতু পয়েন্টে পানির প্রবাহ ছিল বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার নিচে। তবে পানি কিছুটা কমলেও তীব্র স্রোত ও অব্যাহত ভাঙনে নদীপাড়ের মানুষের উদ্বেগ কাটেনি। স্থানীয়দের দাবি হচ্ছে, জিও ব্যাগের সাময়িক ব্যবস্থা নয়, তিস্তার তীর রক্ষায় দ্রুত স্থায়ী ও টেকসই প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে, যাতে প্রতি বর্ষায় ঘরবাড়ি হারানোর শঙ্কায় তাঁদের দিন কাটাতে না হয়।

আরও পড়ুন: ধামরাইয়ে পরিত্যক্ত গোডাউনে আগুন, ৫ লাখ টাকার সম্পদ উদ্ধার

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাপের দংশনের পর কবিরাজের শরণাপন্ন, বাঁচানো গেল না বৃদ্ধকে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪৬ পি.এম


সাপের দংশনের পর কবিরাজের শরণাপন্ন, বাঁচানো গেল না বৃদ্ধকে

কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলায় বিষধর সাপের কামড়ে আব্দুল মোতালেব (৬৭) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু ঘটেছে। বিষধর সাপে কামড়ানোর পর তাঁকে প্রথমে গ্রাম্য কবিরাজ দিয়ে ঝাড়ফুঁক করানো হয়। কিন্তু পরে যখন তাঁর অবস্থার অবনতি ঘটে, তখন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে, উপজেলার সদর ইউনিয়নের মরিচাকান্দি জালচিরা বাঁধ এলাকায়। নিহতের পরিচয় জানা গেছে, তিনি ওই এলাকার মৃত কেতু শেখের পুত্র।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, রাতে বাড়ি ফেরার সময় নিজ বাড়ির নিকট অন্ধকার রাস্তায় হাঁটার সময় এক বিষধর সাপ তাঁকে কামড় দেয়। প্রথমত তিনি বিষয়টি গুরুত্ব দিতে চাননি এবং বাড়িতে ফিরে যান। কিছু সময় পরে যখন তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে, তখন তিনি পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানান। এরপর তাঁকে একটি স্থানীয় কবিরাজের কাছে নিয়ে গিয়ে ঝাড়ফুঁক করানো হয়। কিন্তু তাঁর অবস্থার আরও অবনতি হলে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু ঘটে।

রাজিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিরন মো. ইলিয়াস ঘটনা সম্পর্কে নিশ্চিত করেন এবং বলেন, ‘সাপে কাটার পর ওই ব্যক্তিকে প্রথমে গ্রাম্য কবিরাজ দিয়ে ঝাড়ফুঁক করানো হয়। পরে হাসপাতাল নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রৌমারীতে সেতু পড়ে আছে, নেই চলাচলের পথ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫০ পি.এম


রৌমারীতে সেতু পড়ে আছে, নেই চলাচলের পথ

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের কাশিয়াবাড়ি গ্রাম সংলগ্ন খালের ওপর নির্মিত একটি সেতুর বিষয়ে অবস্থা অতি দুঃখজনক। সেতুটি প্রায় ১১ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে, কিন্তু এটিতে ওঠার জন্য কোনো সংযোগ সড়ক নেই। ফলে, স্থানীয়দের জন্য এটি কোনো উপকারে আসছে না। বর্ষাকালে সেতুর দুই পাশ কাদায় পরিণত হয়ে গেছে, যার কারণে যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে।

এদিকে, পথচারীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছেন। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ৯৬ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতুটি নির্মাণ করেছে। এই কাজটি লটারির মাধ্যমে জামালপুরের এমইএম এন্টারপ্রাইজ পেয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী মো. সামসুদ্দিন দিলিপ। প্রকল্পটির মোট ব্যয় প্রায় ১১ কোটি টাকা ধরা হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সেতুর মূল নির্মাণকাজ শেষ হলেও সংযোগ সড়কে প্রয়োজনীয় মাটি ভরাট করা হয়নি। একই সঙ্গে, সেতুর দুই প্রান্তে রিটার্নিং ওয়াল নির্মাণ না করাই সমস্যার একটি বড় কারণ। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ শেষ দেখিয়ে চলে যাওয়ার পর বৃষ্টিতে সংযোগ সড়ক ভেঙে গিয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. এমদাদ হোসেন বলেন, ‘সেতুর কাজ শেষ হলেও সড়কের কাজ এখনও বাকি রয়েছে। বৃষ্টির পানিতে সড়ক ভেঙে যাওয়ায় এখন কোনো যানবাহন চলতে পারছে না। আর তাই, পথচারীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন। দ্রুত মাটি ভরাটের কাজ শেষ হলে সমস্যার সমাধান হবে।’ অন্য একজন বাসিন্দা রাশিদুল ইসলাম বলেন, ‘প্রায় ১১ কোটি টাকা খরচ করে সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু আমরা যদি সেটি ব্যবহার করতে না পারি, তাহলে এত টাকা খরচ করে লাভ কী? গত সপ্তাহে এখানে এক বৃদ্ধ গর্তে পড়ে পা ও কোমরে গুরুতর আঘাত পেয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে।’

রৌমারী উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম জানান, ‘জমির মালিকদের সঙ্গে জটিলতার কারণে সেতুর দুই পাশে রিটার্নিং ওয়ালের কাজ করা সম্ভব হয়নি। এই বিষয়টি আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে রেখেছি।’ রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন বলেন, ‘সমস্যার বিষয়টি আমি জেনেছি। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১ কোটি ৭৬ লাখ টাকার সোনা উদ্ধার, চুয়াডাঙ্গায় পাচারকারী গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫৫ পি.এম


১ কোটি ৭৬ লাখ টাকার সোনা উদ্ধার, চুয়াডাঙ্গায় পাচারকারী গ্রেপ্তার

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা সীমান্তের মাধ্যমে ভারতে পাচারের সময় ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা মূল্যের ৮টি সোনার বারসহ মো. মিজানুর রহমান (৬১) নামের এক পাচারকারীকে আটক করেছে বিজিবি। আজ (১৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টার সময় পরিচালিত এক অভিযানে তাকে আটক করা হয়।

বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়নের (৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হাসানের কাছে গোপন তথ্য আসে যে দামুড়হুদা উপজেলার মুন্সিপুর সীমান্তের মাধ্যমে সোনার একটি চালান ভারতে পাচারের চেষ্টা হতে পারে। এই তথ্যের ভিত্তিতে মুন্সিপুর বিওপিকে সতর্ক করা হয় এবং সীমান্ত এলাকায় একটি বিশেষ টহলদল মোতায়েন করা হয়।

বিজিবি আরো জানায়, আনুমানিক সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কার্পাসডাঙ্গা বাজার থেকে যখন এক ব্যক্তি মোটরসাইকেলযোগে মুন্সিপুর বিওপির সামনের সড়কে প্রবেশ করে, তখন বিজিবি টহলদল সন্দেহজনকভাবে তাকে থামায়। পরে স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে তার দেহ তল্লাশি করা হয়।

এ সময় তার কোমরের লুঙ্গির ভাঁজে টেপ দিয়ে মোড়ানো একটি প্যাকেট থেকে ৮টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া স্বর্ণের আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৭৬ লাখ ১ হাজার ২৩০ টাকা। এ ছাড়া তার কাছে একটি ঘড়ি মোবাইল ফোন এবং তার ব্যবহৃত ডিওয়াই-৫০ মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়।

আটক মো. মিজানুর রহমান চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার পিরপুরকুল্লা গ্রামের মৃত সোলেমান মোল্লার ছেলে। তাকে দামুড়হুদা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং জব্দকৃত সোনা সরকারি বিধি অনুযায়ী চুয়াডাঙ্গা ট্রেজারি অফিসে জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনায় জোড়া হত্যা মামলায় ৮ জনকে যাবজ্জীবন সাজা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫৯ পি.এম


খুলনায় জোড়া হত্যা মামলায় ৮ জনকে যাবজ্জীবন সাজা

খুলনায় দুলাভাই-শ্যালক হত্যা মামলায় ৮ জনের জন্য আদালত যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন। পুনরায়, প্রত্যেক আসামীর জন্য ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ধার্য করা হয়েছে, এবং জরিমানা না প্রদান করলে এক বছর সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে, খুলনার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক নুসরাত জাবিন এ রায় ঘোষণা করেন।

এই আদালতের বেঞ্চ সহকারী শুভেন্দু রায় চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে কারাদণ্ড পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে থাকেন ফারুক শেখ ওরফে গাড়ি ফারুক, নুরুদ্দিন মো. রাজু ওরফে ইন্ডিয়ান রাজু, জাহাঙ্গীর হোসেন, সোহেল শিকদার, কালু শেখ ওরফে রাজিব, সিদ্দিক, ওয়াসিম ওরফে দাদা ওয়াসিম, এবং জব্বার। তাদের মধ্যে ফারুক আদালতে উপস্থিত ছিলেন, তবে বাকিরা পলাতক রয়েছেন।

আদালত সূত্রে জানা যায় যে, রূপসা উপজেলার খান মোহাম্মদপুর গ্রামের শেখ মহিউদ্দিনের ছেলে মো. হায়দার অনেকে জানেন কানা হায়দার, সোনাডাঙ্গা থানার বানরগাতি মাটিয়াপুল এলাকার ফারুকের মেয়ে মর্জিনা খাতুনের সঙ্গে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে হায়দার সেখানে বসবাস করতে থাকেন। তার সঙ্গে এজাহারভুক্ত আসামি রাজু, আবু বক্কর সিদ্দিক ওরফে কানা সিদ্দিক, সিদ্দিক, নাসির, মুক্তা ও বেটে রফিকের মধ্যে দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব ছিল।

২০১০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি দুপুর ৩টার সময়, আসামিরা রামদা, ছুরি এবং অন্যান্য ধারালো অস্ত্র নিয়ে হায়দারের ঘরে প্রবেশ করে। তারা হায়দারের বুকসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে তাকে জখম করে। সে সময়, তার আর্তচিৎকার শুনে শ্যালক তরিকুল ইসলাম পিকু এগিয়ে আসলে তাকেও কুপিয়ে জখম করা হয়। ঘটনার সময়, হায়দারের স্ত্রী মর্জিনা খাতুন বাধা দিলে দুর্বৃত্তরা তাকেও কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়। পরে, হাসপাতালে নেওয়ার পথে হায়দার এবং তার শ্যালক তরিকুল ইসলাম পিকু মারা যান।

এই ঘটনায়, নিহত হায়দারের ভাই তৈয়ব আলী নগরীর সোনাডাঙ্গা থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ২০১০ সালের ১৩ আগস্ট ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন। ২০১১ সালের ২৭ জানুয়ারি আদালতে চার্জ গঠন করা হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%