প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
খুলনায় দুলাভাই-শ্যালক হত্যা মামলায় ৮ জনের জন্য আদালত যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন। পুনরায়, প্রত্যেক আসামীর জন্য ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ধার্য করা হয়েছে, এবং জরিমানা না প্রদান করলে এক বছর সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে, খুলনার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক নুসরাত জাবিন এ রায় ঘোষণা করেন।
এই আদালতের বেঞ্চ সহকারী শুভেন্দু রায় চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে কারাদণ্ড পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে থাকেন ফারুক শেখ ওরফে গাড়ি ফারুক, নুরুদ্দিন মো. রাজু ওরফে ইন্ডিয়ান রাজু, জাহাঙ্গীর হোসেন, সোহেল শিকদার, কালু শেখ ওরফে রাজিব, সিদ্দিক, ওয়াসিম ওরফে দাদা ওয়াসিম, এবং জব্বার। তাদের মধ্যে ফারুক আদালতে উপস্থিত ছিলেন, তবে বাকিরা পলাতক রয়েছেন।
আদালত সূত্রে জানা যায় যে, রূপসা উপজেলার খান মোহাম্মদপুর গ্রামের শেখ মহিউদ্দিনের ছেলে মো. হায়দার অনেকে জানেন কানা হায়দার, সোনাডাঙ্গা থানার বানরগাতি মাটিয়াপুল এলাকার ফারুকের মেয়ে মর্জিনা খাতুনের সঙ্গে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে হায়দার সেখানে বসবাস করতে থাকেন। তার সঙ্গে এজাহারভুক্ত আসামি রাজু, আবু বক্কর সিদ্দিক ওরফে কানা সিদ্দিক, সিদ্দিক, নাসির, মুক্তা ও বেটে রফিকের মধ্যে দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব ছিল।
২০১০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি দুপুর ৩টার সময়, আসামিরা রামদা, ছুরি এবং অন্যান্য ধারালো অস্ত্র নিয়ে হায়দারের ঘরে প্রবেশ করে। তারা হায়দারের বুকসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে তাকে জখম করে। সে সময়, তার আর্তচিৎকার শুনে শ্যালক তরিকুল ইসলাম পিকু এগিয়ে আসলে তাকেও কুপিয়ে জখম করা হয়। ঘটনার সময়, হায়দারের স্ত্রী মর্জিনা খাতুন বাধা দিলে দুর্বৃত্তরা তাকেও কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়। পরে, হাসপাতালে নেওয়ার পথে হায়দার এবং তার শ্যালক তরিকুল ইসলাম পিকু মারা যান।
এই ঘটনায়, নিহত হায়দারের ভাই তৈয়ব আলী নগরীর সোনাডাঙ্গা থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ২০১০ সালের ১৩ আগস্ট ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন। ২০১১ সালের ২৭ জানুয়ারি আদালতে চার্জ গঠন করা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন