বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৩৭ পি.এম
ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নেওয়ার চিন্তা করেছিলেন। তবে, ৪১ বছর বয়সী এই তারকা পর্তুগাল ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি পেদ্রো প্রোয়েনসা এবং জাতীয় দলের কোচের সঙ্গে আলোচনা করার পর সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন।
গত বিশ্বকাপে পর্তুগালের শেষ ষোলোতে বিদায়ের পর রোনালদোর জাতীয় দল ছাড়ার চিন্তা মাথায় আসে। স্পেনের কাছে হারের পর আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানানোর বিষয়টি নিয়ে ভাবলেও, শেষ পর্যন্ত তিনি খেলা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
জাতীয় দল ছাড়ার চিন্তা ছিল কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে রোনালদো বলেন, "হ্যাঁ, ভেবেছিলাম। আমি সব সময় নিজের সিদ্ধান্ত, ভবিষ্যৎ, এমনকি বর্তমান নিয়েও ভাবি। আমাকে এখন এখানে দেখছেন, এর মানে আমি চালিয়ে যাব।"
আল নাসরের এই ফরোয়ার্ড বিশ্বাস করেন, পর্তুগালকে এখনো অনেক কিছু দেওয়ার আছে। তিনি বলেন, "আমি আমাদের সভাপতি ও কোচের সঙ্গে কথা বলেছি। এখনো বিশ্বাস করি, জাতীয় দলকে তাদের লক্ষ্যে পৌঁছাতে সাহায্য করতে পারব। শুধু গোল করেই নয়, মাঠের বাইরেও দলকে সমর্থন দিতে পারি।"
রোনালদো তরুণ প্রজন্মের ফুটবলারদের সঙ্গে কাজ করার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। তবে, তার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো মাঠে নেমে গোল করা এবং দলকে জেতাতে সাহায্য করা। তিনি জানান, জাতীয় দল যদি মনে করে তাকে আর প্রয়োজন নেই, তাহলে সবার আগে নিজেই সরে দাঁড়াবেন।
সম্প্রতি পর্তুগালের সংবাদমাধ্যমে রোনালদোর পারফরম্যান্স এবং জাতীয় দলে তার জায়গা নিয়ে সমালোচনা হয়েছে। একটি পাঠক জরিপে অনেকেই তাকে পছন্দের একাদশে রাখেননি। তবে, পাঁচবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই তারকাকে এসব সমালোচনা খুব একটা ভাবাচ্ছে না।
সমালোচনা প্রসঙ্গে রোনালদো বলেন, পর্তুগালের সমর্থকেরা তাকে ভালোবাসেন বলেই তিনি বিশ্বাস করেন। একই সঙ্গে কিছু টেলিভিশন চ্যানেল যে তার সমালোচনা করতে পছন্দ করে, সেটিও তিনি জানেন। দুই দশকের বেশি সময় ধরে এমন পরিস্থিতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ায় বিষয়টি এখন তার কাছে অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে গেছে।
বর্তমানে, পর্তুগালের হয়ে খেলা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রোনালদো। মাঠে গোল করে কিংবা সতীর্থদের পাশে থেকে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী জাতীয় দলকে সাহায্য করাই এখন তার লক্ষ্য।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার দেবিদ্বারে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনায় দেখা গেছে, এক তরুণী গর্ভবতী হয়ে হাসপাতালে নবজাতক জন্ম দেওয়ার পর তাকে প্রেমিকের হাতে তুলে দিয়ে অদৃশ্য হয়ে গেছেন। নবজাতকের বাবা হিসেবে পরিচিত মো. মমিনকে (২৪) পুলিশ পরে আটক করেছে।
গত ১৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে লিজা আক্তার নামে ওই তরুণী দেবিদ্বারের ‘দি-দেবিদ্বার স্কোয়ার হাসপাতালে’ ভর্তি হন। সেখানে তিনি স্বাভাবিক প্রসবের মাধ্যমে একটি পুত্রসন্তানের জন্ম দেন। এরপর বিকেলে নবজাতককে মমিনের হাতে তুলে দিয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেন তিনি।
সূত্রে জানা গেছে, লিজা আক্তার দেবিদ্বার পৌর এলাকার ভিংলাবাড়ি গ্রামের কবির হোসেনের মেয়ে এবং একই এলাকার সাজু মিয়ার ছেলে মো. মমিনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। যদিও বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়নি, তাদের সম্পর্কের ফলে লিজা গর্ভবতী হয়ে পড়েন। উভয় পরিবার প্রাথমিকভাবে এই সম্পর্ক ও নবজাতককে মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানায়। ঘটনার পর রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে মো. মমিনকে পুলিশ আটক করে। বর্তমানে শিশুটিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়েছে।
দেবিদ্বার উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নোমান হোসাইন গণমাধ্যমকে জানান, ‘শিশু আইন, ২০১৩ অনুযায়ী যদি পরিবারের কেউ শিশুটিকে গ্রহণ করতে চান, তবে আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। অন্যথায় শিশুটিকে সরকারি হেফাজতে নেওয়া হবে।’
দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘আমরা নবজাতকের বাবাকে থানা হেফাজতে রেখেছি এবং সমাজসেবা কর্মকর্তাসহ উভয় পরিবারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। দুই পরিবারের সম্মতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের বিয়ে সম্পন্ন করে নবজাতককে বাবা-মায়ের যৌথ জিম্মায় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবর ব্যক্তিগত অর্থায়নে নেত্রকোণা-৪ (মদন-মোহনগঞ্জ-খালিয়াজুরী) আসনের বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ৪৭ নেতাকর্মীকে ওমরাহ পালনের জন্য সৌদি আরবে পাঠিয়েছেন।
তারা মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাতে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে রওনা হন। ওমরাহ পালন শেষে তাদের দেশে ফেরার কথা আগামী ৪ অক্টোবর।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে বাবরের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) মির্জা মো. হায়দার আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি উল্লেখ করেন, লুৎফুজ্জামান বাবর চান যে তার নির্বাচনী এলাকার নেতাকর্মীরা ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলুন। এই উদ্দেশ্যেই তিনি নিজস্ব অর্থায়নে ৪৭ জনকে ওমরাহ পালনের সুযোগ প্রদান করেছেন।
হায়দার আলী জানান, ওমরাহ পালনে যাওয়া ৪৭ জনের মধ্যে মোহনগঞ্জের ১৮ জন, মদনের ১৭ জন এবং খালিয়াজুরীর ১১ জন রয়েছেন। তাদের সঙ্গে তিনিও সৌদি আরবে গেছেন। তবে লুৎফুজ্জামান বাবর নিজে এই কাফেলার সঙ্গে সৌদি আরব যাননি।
ওমরাহ পালনে যাওয়া নেতাকর্মীদের মধ্যে রয়েছেন মদন উপজেলা বিএনপির সভাপতি নূরুল আলম তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম আকন্দ, পৌর বিএনপির সভাপতি কামরুজ্জামান চন্দন এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির।
এছাড়া মোহনগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি সেলিম কার্ণায়েন, সাধারণ সম্পাদক গোলাম এরশাদুর রহমান, পৌর বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানী পুতুলও রয়েছেন। খালিয়াজুরী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুর রউফ স্বাধীন এবং সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমানও এই দলে অন্তর্ভুক্ত।
মোহনগঞ্জ পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানী পুতুল বলেন, ‘আমাদের এমপি নিজে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলেন। তিনি চান আমরাও ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলি। সেই উদ্দেশ্যেই তিনি আমাদের ওমরাহ পালনের জন্য পাঠাচ্ছেন। আল্লাহ যেন তার নিয়ত কবুল করেন এবং আমাদের ওমরাহ কবুল করেন। আমরা তার প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞ।’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশের বাজারে বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সোনার বিক্রি হচ্ছে সর্বশেষ নির্ধারিত দামেই। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সোনার দাম ভরিতে ১ হাজার ৬৯১ টাকা বৃদ্ধির ঘোষণা দেয়। এর আগে সোনার দাম আরও এক দফা বৃদ্ধি করা হয়েছিল।
বাজুসের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৯২ হাজার ৩৯৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫৭ হাজার ১৭২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুস জানিয়েছে, নির্ধারিত সোনার দামের সঙ্গে ৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) এবং ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যুক্ত হবে। তবে গহনার নকশা ও মানের ওপর ভিত্তি করে মজুরির পরিমাণ কম-বেশি হতে পারে।
এদিকে, দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ১৩২ টাকায়। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ২৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ২০৮ টাকা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বার্সেলোনা মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি আর্থিক দিক থেকেও একটি সফল সময় পার করছে। ক্লাবটির ২০২৫-২৬ মৌসুমের রাজস্ব ১ দশমিক ০৬ বিলিয়ন ইউরোতে পৌঁছেছে। এর ফলে ইউরোপের দ্বিতীয় ক্লাব হিসেবে বার্ষিক রাজস্বে এক বিলিয়ন ইউরোর মাইলফলক স্পর্শ করেছে স্প্যানিশ জায়ান্টটি।
বার্সেলোনার সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, আগের অর্থবছরের তুলনায় তাদের রাজস্ব ৬৬ মিলিয়ন ইউরো বেড়েছে। যদিও আয় বৃদ্ধি পেয়েছে, তবুও পুরো মৌসুমে ক্লাবটির নিট ক্ষতি হয়েছে ১৮ মিলিয়ন ইউরো।
রাজস্বের এই মাইলফলক স্পর্শের মাধ্যমে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদের পর বার্সেলোনা দ্বিতীয় ক্লাব হিসেবে এক বিলিয়ন ইউরোর সীমা অতিক্রম করল। কনসাল্টিং প্রতিষ্ঠান ডেলয়েটের ফুটবল মানি লিগের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ মৌসুমে ১ দশমিক ০৪ বিলিয়ন ইউরো রাজস্ব নিয়ে প্রথমবারের মতো এই মাইলফলক স্পর্শ করেছিল রিয়াল।
পরে ২০২৪-২৫ মৌসুমে রিয়ালের রাজস্ব আরও বেড়ে দাঁড়ায় ১ দশমিক ১৬ বিলিয়ন ইউরোতে। ফলে ডেলয়েটের সর্বশেষ শীর্ষ পাঁচ রাজস্ব আয়ের ক্লাবের তালিকায় রিয়াল মাদ্রিদ সবার ওপরে অবস্থান করে। তালিকায় পরবর্তী ছিল বার্সেলোনা, বায়ার্ন মিউনিখ, প্যারিস সেন্ট জার্মেই এবং লিভারপুল।
বার্সেলোনা জানিয়েছে, তারা চলতি মৌসুমেও রাজস্ব বৃদ্ধির ধারাকে অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা করছে। পাশাপাশি গত মৌসুমের ক্ষতি কাটিয়ে অল্প হলেও নিট মুনাফায় ফিরে আসার আশা করছে কাতালান ক্লাবটি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ