বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৩৯ পি.এম
বার্সেলোনা মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি আর্থিক দিক থেকেও একটি সফল সময় পার করছে। ক্লাবটির ২০২৫-২৬ মৌসুমের রাজস্ব ১ দশমিক ০৬ বিলিয়ন ইউরোতে পৌঁছেছে। এর ফলে ইউরোপের দ্বিতীয় ক্লাব হিসেবে বার্ষিক রাজস্বে এক বিলিয়ন ইউরোর মাইলফলক স্পর্শ করেছে স্প্যানিশ জায়ান্টটি।
বার্সেলোনার সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, আগের অর্থবছরের তুলনায় তাদের রাজস্ব ৬৬ মিলিয়ন ইউরো বেড়েছে। যদিও আয় বৃদ্ধি পেয়েছে, তবুও পুরো মৌসুমে ক্লাবটির নিট ক্ষতি হয়েছে ১৮ মিলিয়ন ইউরো।
রাজস্বের এই মাইলফলক স্পর্শের মাধ্যমে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদের পর বার্সেলোনা দ্বিতীয় ক্লাব হিসেবে এক বিলিয়ন ইউরোর সীমা অতিক্রম করল। কনসাল্টিং প্রতিষ্ঠান ডেলয়েটের ফুটবল মানি লিগের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ মৌসুমে ১ দশমিক ০৪ বিলিয়ন ইউরো রাজস্ব নিয়ে প্রথমবারের মতো এই মাইলফলক স্পর্শ করেছিল রিয়াল।
পরে ২০২৪-২৫ মৌসুমে রিয়ালের রাজস্ব আরও বেড়ে দাঁড়ায় ১ দশমিক ১৬ বিলিয়ন ইউরোতে। ফলে ডেলয়েটের সর্বশেষ শীর্ষ পাঁচ রাজস্ব আয়ের ক্লাবের তালিকায় রিয়াল মাদ্রিদ সবার ওপরে অবস্থান করে। তালিকায় পরবর্তী ছিল বার্সেলোনা, বায়ার্ন মিউনিখ, প্যারিস সেন্ট জার্মেই এবং লিভারপুল।
বার্সেলোনা জানিয়েছে, তারা চলতি মৌসুমেও রাজস্ব বৃদ্ধির ধারাকে অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা করছে। পাশাপাশি গত মৌসুমের ক্ষতি কাটিয়ে অল্প হলেও নিট মুনাফায় ফিরে আসার আশা করছে কাতালান ক্লাবটি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতের উত্তর প্রদেশের গ্রেটার নয়ডায় যমুনা এক্সপ্রেসওয়ের একটি চলন্ত স্লিপার বাসে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ফলে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে রয়েছে একজন নারী এবং আটজন পুরুষ। আগুনের হাত থেকে রক্ষা পেতে কিছু যাত্রী চলন্ত বাস থেকে লাফিয়ে পড়তে বাধ্য হন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে জানায়, বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে দিল্লি থেকে মহোবা যাওয়ার সময় যমুনা এক্সপ্রেসওয়ের নোয়ডা-আগ্রা রুটের ৩৩ কিলোমিটার এলাকায় বাসটিতে আগুন লাগে। ওই সময় বাসের ভেতরে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ জন যাত্রী উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, আগুন লাগার পূর্বে বাসের চালকের কেবিন থেকে পোড়া গন্ধ অনুভব করেন কয়েকজন যাত্রী। তারা বিষয়টি চালক ও কনটাক্টরকে জানান, কিন্তু অভিযোগ রয়েছে যে তারা বিষয়টিকে গুরুত্ব দেননি। যাত্রীদের অভিযোগ, চালক বাস থামিয়ে বিষয়টি পরীক্ষা না করে কেবিনে বসে বিড়ি-সিগারেট পান করতে থাকেন।
কিছুক্ষণ পর চালকের আসনের কাছে আগুন জ্বলে ওঠে। যাত্রীরা বাস থামানোর জন্য চিৎকার করলেও প্রথমে চালক ও কনটাক্টর বাস থামাতে অস্বীকৃতি জানান এবং যাত্রীদের হুমকি দেন বলে এফআইআরে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরিস্থিতি দ্রুত ভয়াবহ হয়ে ওঠে এবং আগুন পুরো বাসে ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে কেবিন ঘন ধোঁয়ায় ভরে যায়। পরে অভিযোগ উঠেছে যে চালক ও কনটাক্টর বাস ছেড়ে পালিয়ে যান। স্থানীয় লোকজন ও যাত্রীরা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন এবং জানালা ভেঙে আটকে পড়াদের উদ্ধারের চেষ্টা চালান।
এক যাত্রী জানান, তিনি বাসে ঘুমিয়ে ছিলেন। আগুন লাগার খবর পেয়ে তাকে জাগানো হয়। বাসের ভেতর তখন প্রচণ্ড ধোঁয়া ছিল এবং বের হওয়ার পথ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে আতঙ্কের মধ্যে কোনোমতে বাস থেকে বেরিয়ে আসেন তিনি।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে আগুনের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও জানা যায়নি। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
এ ঘটনায় সুনীল কুমার নামে এক যাত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।
এদিকে, এই মর্মান্তিক ঘটনায় নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তিনি আহতদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন। ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের সেরা সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় যৌথভাবে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে ক্যালিফোর্নিয়ার দুটি বিশ্ববিদ্যালয়। দেশের সেরা সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, লস অ্যাঞ্জেলেস এবং ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলে, যা ২০২৭ সালের সেরা কলেজের তালিকায় স্থান পেয়েছে।
সম্প্রতি প্রকাশিত এই তালিকা তৈরি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক মূল্যায়নকারী সংস্থা ইউএস নিউজ অ্যান্ড ওয়ার্ল্ড রিপোর্ট। শিক্ষার্থীদের স্নাতক সম্পন্নের হার, শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক ফলাফলের মতো বিভিন্ন বিষয়কে মূল্যায়নের ভিত্তি হিসেবে নেওয়া হয়েছে।
সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় মিলিয়ে তৈরি সামগ্রিক তালিকাতেও ক্যালিফোর্নিয়ার এই দুই বিশ্ববিদ্যালয় যৌথভাবে ২০তম অবস্থানে রয়েছে।
এবারের তালিকায় ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া ব্যবস্থার সাফল্য উল্লেখযোগ্য। সেরা ১০ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে এই ব্যবস্থার পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে। দেশজুড়ে মূল্যায়ন করা ১ হাজার ৭০০টির বেশি চার বছর মেয়াদি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার নয়টি স্নাতক পর্যায়ের ক্যাম্পাস সেরা ৫০ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় রয়েছে।
এছাড়া সামগ্রিকভাবে সেরা ১২৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকাতেও ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার প্রতিষ্ঠানগুলোর শক্ত অবস্থান রয়েছে।
ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, লস অ্যাঞ্জেলেসের উপাচার্য জুলিও ফ্রেঙ্ক বলেন, "তালিকায় শীর্ষস্থান পাওয়া তৃপ্তিদায়ক। তবে এই বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশেষ করে তুলেছে এর সঙ্গে যুক্ত শক্তিশালী শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মীদের সম্প্রদায়।" দেশের সেরা সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় প্রথম হওয়াকে তিনি বড় সম্মান হিসেবে উল্লেখ করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়টির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই স্বীকৃতি সুযোগ সম্প্রসারণ, জ্ঞান সৃষ্টি এবং সমাজের সেবায় তাদের দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
সামগ্রিক অবস্থানের পাশাপাশি সামাজিক অগ্রগতির ক্ষেত্রেও ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার প্রতিষ্ঠানগুলো ভালো করেছে। নিম্ন আয়ের শিক্ষার্থীদের স্নাতক সম্পন্ন করতে এবং পরবর্তী সময়ে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হতে সহায়তার মাপকাঠিতে ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, রিভারসাইড জাতীয়ভাবে প্রথম হয়েছে। একই তালিকায় ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, মার্সেড চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে।
তবে সামাজিক অগ্রগতির তালিকায় ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, সান্তা ক্রুজের অবস্থান ২১ ধাপ পিছিয়েছে। আগের ৮৮তম অবস্থান থেকে এবার প্রতিষ্ঠানটি ১০৯তম স্থানে রয়েছে।
ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার সভাপতি জেমস বি. মিলিকেন এক বিবৃতিতে বলেন, "ইউএস নিউজ অ্যান্ড ওয়ার্ল্ড রিপোর্টের সেরা কলেজের তালিকা আবারও দেখিয়েছে কেন ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়াকে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে বিবেচনা করা হয়।"
অন্যদিকে, সরকারি-বেসরকারি সব ধরনের বিশ্ববিদ্যালয় মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামগ্রিক জাতীয় তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছে ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি। এরপর রয়েছে প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়। ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি এবং স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় যৌথভাবে পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ক্লাস আজ (২৪ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হচ্ছে। ২৩ সেপ্টেম্বর ক্লাস শুরুর কথা থাকলেও পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি থাকায় ক্লাস শুরুর তারিখ এক দিন পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রথম ধাপের আবেদন ২ সেপ্টেম্বর শুরু হয়েছিল এবং ১০ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত চলেছিল। এই ধাপে মোট ৯ লাখ ৯৫ হাজার ২৩৪ জন শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য আবেদন করেন। তাদের মধ্যে ৯ লাখ ৮০ হাজার ৮১৫ জন শিক্ষার্থী কলেজে ভর্তির জন্য মনোনয়ন পান।
মনোনীত শিক্ষার্থীদের ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কলেজে সশরীরে উপস্থিত হয়ে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। প্রথম ধাপের ফল ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে প্রকাশিত হয়। একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির কেন্দ্রীয় ওয়েবসাইটের পাশাপাশি আবেদন করার সময় দেওয়া মোবাইল নম্বরেও খুদে বার্তার মাধ্যমে ফল জানানো হয়।
ভর্তির সময় শিক্ষার্থীদের এসএসসি পরীক্ষার অনলাইন নম্বরপত্রের কপি, প্রবেশপত্র, সদ্য তোলা দুই থেকে চার কপি রঙিন পাসপোর্ট আকারের ছবি, অনলাইন আবেদন নিশ্চায়নের কপি এবং শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের মোবাইল ফোন নম্বর দিতে হয়েছে।
এবার প্রতিষ্ঠানভেদে একাদশ শ্রেণির ভর্তি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে ঢাকা মহানগর এলাকায় বাংলা ও ইংরেজি উভয় মাধ্যমে সর্বোচ্চ ভর্তি ফি ৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ঢাকা ছাড়া অন্যান্য মহানগর ও বিভাগীয় শহরে সর্বোচ্চ ৩ হাজার টাকা, জেলা পর্যায়ে ২ হাজার টাকা এবং উপজেলা ও মফস্বল এলাকার কলেজে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়া যাবে।
নন-এমপিও ও আংশিক এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ঢাকা মহানগর এলাকায় বাংলা মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৭ হাজার ৫০০ টাকা এবং ইংরেজি মাধ্যমে ৮ হাজার ৫০০ টাকা ভর্তি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। জেলা সদর এলাকায় বাংলা মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৩ হাজার টাকা ও ইংরেজি মাধ্যমে ৪ হাজার টাকা এবং উপজেলা ও মফস্বল এলাকায় বাংলা মাধ্যমে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৫০০ টাকা ও ইংরেজি মাধ্যমে ৩ হাজার টাকা নেওয়া যাবে।
ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী, কলেজগুলোর মোট আসনের ৯৩ শতাংশ সবার জন্য মেধার ভিত্তিতে উন্মুক্ত থাকবে। এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে মেধাক্রম তৈরি করে এসব আসনে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হয়েছে।
বাকি ৭ শতাংশ আসনের মধ্যে ৫ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য এবং ২ শতাংশ শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দপ্তর-সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য সংরক্ষণের প্রস্তাব করা হয়েছে। এই কোটাপদ্ধতি শুধুমাত্র ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রযোজ্য।
প্রথম ধাপে কোনো কলেজে মনোনয়ন না পাওয়া, আবেদন না করা, নির্বাচিত হয়েও নিশ্চায়ন না করা কিংবা ভর্তি সম্পন্ন করতে না পারা শিক্ষার্থীদের জন্য দ্বিতীয় ধাপে আবেদনের সুযোগ রাখা হয়েছে। দ্বিতীয় ধাপের অনলাইন আবেদন ২৭ সেপ্টেম্বর শুরু হবে এবং চলবে ২৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত।
দ্বিতীয় ধাপের ফল ১ অক্টোবর রাত ৮টায় প্রকাশ করা হবে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ১ থেকে ৩ অক্টোবরের মধ্যে নিশ্চায়ন করতে হবে। দ্বিতীয় দফা স্থানান্তরের ফল ৪ অক্টোবর রাত ৮টায় প্রকাশ হবে। এরপর ৫ থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত কলেজে চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম চলবে।
প্রথম ধাপে আবেদন করেও কোনো কলেজে মনোনয়ন না পাওয়া শিক্ষার্থীদের দ্বিতীয় ধাপে নতুন করে আবেদন ফি দিতে হবে না। তারা অনলাইনে প্রবেশ করে পছন্দক্রম পরিবর্তন করতে পারবেন অথবা নতুন কলেজ যুক্ত করতে পারবেন। এ ধাপে একজন শিক্ষার্থী সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ পছন্দক্রমে রাখতে পারবেন।
দ্বিতীয় ধাপে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদেরও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিশ্চায়ন করতে হবে। সময়ের মধ্যে নিশ্চায়ন না করলে তাদের নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হয়ে যাবে।
আজ (২৪ সেপ্টেম্বর) থেকে প্রথম ধাপে ভর্তি সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীদের কলেজে নিয়মিত পাঠদান শুরু হচ্ছে। দ্বিতীয় ধাপে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরা পরবর্তী সময়ে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ক্লাসে যোগ দেওয়ার সুযোগ পাবেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
১৯৭৯ সালের ২২ নভেম্বর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহের শান্তিডাঙ্গা-দুলালপুরে স্বাধীনতার পরবর্তী প্রথম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ‘ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পরবর্তীতে মানসম্মত উচ্চশিক্ষার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে জ্ঞান সঞ্চারণ ও নতুন জ্ঞানের উদ্ভাবন এবং দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার অভীষ্ট লক্ষ্যকে সামনে রেখে ধর্মতত্ত্ব ও ইসলামী শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা-গবেষণার ক্ষেত্র সম্প্রসারিত করা হয়েছে। দ্রুত অগ্রসরমান বিশ্বের সঙ্গে পরিচিতি ঘটানো এবং জাতীয় জীবনের সর্বক্ষেত্রে নেতৃত্বদানের উপযোগী সৎ, নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন, বিজ্ঞানমনস্ক, সৃজনশীল, অসাম্প্রদায়িক, উদারনৈতিক, মানবমুখী, দূরদর্শী ও প্রগতিশীল নাগরিক সৃষ্টি করার লক্ষ্যে জাতীয় শিক্ষানীতির আলোকে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার উদ্দেশ্যে পাঠদান করে যাচ্ছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি)।
‘গবেষণাধর্মী, বাস্তবানুগ উচ্চশিক্ষাই হোক টেকসই উন্নয়নের হাতিয়ার’ স্লোগানকে সামনে রেখে ১৭৫ একর জুড়ে সবুজ ঘেরা বিশ্ববিদ্যালয়টির লক্ষ্য পূরণে নানামুখী পদক্ষেপ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান কার্যক্রম, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, অ্যাকাডেমিক মানোন্নয়ন, গবেষণা, আসন্ন সমাবর্তন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতাসহ নানা বিষয় নিয়ে আরটিভি’র ইবি সংবাদদাতা রবিউল আলমের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে কথা বলেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান।
আরটিভি: আপনি দায়িত্ব নেওয়ার পরে কী কী দৃশ্যমান উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন?
উপাচার্য: আমি দায়িত্ব গ্রহণের পর ইউরোপ কান্ট্রি যথা ফিনল্যান্ড, ডেনমার্ক, সুইডেনে গিয়েছি। সেখানে চারটি ইউনিভার্সিটিতে কাজ করেছি। সফরের মূল উদ্দেশ্য ছিল— শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম আরও কীভাবে গতিশীল করা যায় তা নিয়ে কাজ করা। ধারাবাহিকতায় ওখান থেকে ফিরে এসে আমি কিছু ইনিশিয়েটিভ নিয়েছি; তন্মধ্যে নতুন শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বড় ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম আয়োজন, জাপানিজ শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি, বিশেষ করে ২+২ প্রোগামের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরপর তৃতীয় ভাষা হিসেবে চাইনিজ ভাষা শিক্ষা কোর্স চালুকরণ অর্থাৎ কনফুসিয়াস সোসাইটি নামে তৃতীয় ভাষা চালুর ব্যাপারে আমরা উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। ক্যারিয়ার সম্পর্কিত ব্র্যাকের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি হয়েছে। যেখানে ‘ক্যারিয়ার হাব’ প্রতিষ্ঠা লাভ করবে। এটি একটি বড় ধরনের অ্যাচিভমেন্ট বলে আমি মনে করি। যেখানে শিক্ষার্থীরা দক্ষতা, কর্মস্পৃহা ও স্বপ্নপূরণে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। আরেকটা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে যেটি আগামী মাসের ৩ তারিখ অনুষ্ঠিত হবে— ‘বিশ্ববিদ্যালয় ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল কোলাবোরেশান’। যেখানে মাননীয় অর্থ উপদেষ্টা উপস্থিত থাকবেন। বাংলাদেশের প্রায় ২০টি সুনামধন্য কোম্পানি অংশ নেবেন। এতে তিনটি উদ্দেশ্য— প্রথমত কোম্পানির সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ইন্টার্ন সহজকরণ, দ্বিতীয়ত ইন্ডাস্ট্রি রিলেটেড কিছু কোর্সে কারিকুলাম অনুপ্রবেশ করানো এবং তৃতীয় কোম্পানিগুলো ডিমান্ড অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের তৈরি করা। আগামী অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলে এগুলো উত্থাপন করা হচ্ছে। ইন্টারনাল পজিটিভ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছি। যেমন- পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান, রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে কিছু বৃক্ষরোপণও করেছি। আগামী ২৯ তারিখ ডেঙ্গু সচেতনতা ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারে আরেকটি কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।
আরটিভি: দায়িত্ব গ্রহণের পর কোন কোন চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছেন?
উপাচার্য: আমি যোগদান গ্রহণের পর অনেকগুলো চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছি। প্রথম চ্যালেঞ্জ ছিল বড় ধরনের আর্থিক সংকটের মধ্যে দায়িত্ব নেওয়া। শুরুতে এতটাই খারাপ অবস্থা ছিল যে বেতনভাতা দেওয়ার মতো সামর্থ্য ছিল না। জাস্ট আমার আগের প্রশাসন কোনো কিছু যাচাই-বাছাই ছাড়া ডেইলি লেবার হিসেবে ১৬৭ জনকে নিয়োগ দেয়। এর আগেও থোক (চুক্তিভিত্তিক কর্মী)-এ নিয়োগ দিয়েছে। সব মিলে ৩৭০-৭৫ জন মতো। যাদের প্রতিমাসে বেতন দিতে হয় ২০ লাখ টাকা যা ইউজিসি আমাদেরকে অনুমোদন দেয়নি। আরেকটি সংকট হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ে এক শিক্ষার্থী ও একজন শিক্ষিকা হত্যাকাণ্ড। এই ঘটনা মূলত শিক্ষার্থীদের মধ্যে একজন শিক্ষকের মৃত্যু যেরকম, তার সহপাঠীও সেইম। আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করছি যাতে ঘটনাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি হয়। শিক্ষিকা হত্যাকাণ্ডটার ইন্টারনাল তদন্ত কমিটির রিপোর্ট সিন্ডিকেটে আসলে আমরা উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি গঠন করে দিয়েছি। এটিও আমাদের কাছে চলে আসছে। আগামী সিন্ডিকেটে উঠবে। অলমোস্ট শেষ পর্যায়ে। শিক্ষিকার মৃত্যুর সঙ্গে পুলিশকেও তাগাদা দিয়েছি, যাতে দ্রুত চার্জশিট জমা দেয়। শিক্ষার্থী সাজিদ হত্যার বিষয়ও সার্বক্ষণিক খোঁজ খবর নিচ্ছি। এগুলো আমার জন্য চ্যালেঞ্জ। যে-কোনো সংকট মোকাবিলায় প্রস্তুত, বরং আমি চ্যালেঞ্জ নিতে অভ্যস্ত।
আরটিভি: শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট নিরসন ও খাবারের মান বৃদ্ধি নিয়ে আপনার পরিকল্পনা কী?
উপাচার্য: এই মুহূর্তে আটটি বিদ্যমান হল রয়েছে। এর মধ্যে আরেকটি উদ্বোধন হবে আগামী মাসে। পাশাপাশি তিনটি হল নির্মাণাধীন (একটি ছাত্রী হল এবং দুটি ছাত্র হল)। আশা করি এই প্রকল্প আগামী ২৭ সালের জুনে মেয়াদ শেষ হচ্ছে। ভিজিলেন্স টিম নিয়মিত তদারকি করছে। আমাদের আবাসিক এলাকায় শিক্ষকরা বা কর্মকর্তারা বসবাস করছেন না, কারণ ক্যাম্পাসে যে পরিমাণে বাড়ি ভাড়া কর্তন করা হয় সরকারি রুলস অনুযায়ী, তারা হিসেব করে দেখে যে এর চেয়ে অর্ধেক টাকায় তারা কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহে বসবাস করতে পারে। ফলে এই ভবনগুলো ফাঁকা থাকে। আগামী সিন্ডিকেটে এই ইস্যুটা আমি তুলব। আমরা এই ভবনগুলো কোনো একটা কাজে ব্যবহার করতে চাই যাতে নিরাপত্তার ঝুঁকি থেকে আমরা রক্ষা পেতে পারি, ভবনগুলো যেন সুরক্ষায় থাকে। আবাসিক হল ঘোষণা করলে তো অনেকাংশ চাপ কমে যাবে।
এদিকে হলগুলোর প্রভোস্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করে দুটি বিষয়ে গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে— হলের ডাইনিংয়ের খাবারের মানোন্নয়ন এবং সিট বরাদ্দ। সিট বরাদ্দের ক্ষেত্রে সবসময় মেধাকে প্রাধান্য দিতে হবে। একই সঙ্গে বিভাগভিত্তিক মেধাক্রম অনুসরণ করে প্রত্যেক বিভাগের শিক্ষার্থীরা যাতে সিট বরাদ্দ পান, তা নিশ্চিত করতে হবে। আমরা ইতোমধ্যে নীতিমালা তৈরি করেছি।
আরটিভি: আসন্ন সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রাক্তন শিক্ষার্থী হিসেবে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কর্মীরা উপস্থিত হতে পারবে কিনা, নিরাপত্তার ইস্যু নিয়ে কী ভাবছেন?
উপাচার্য: আমরা পঞ্চম সমাবর্তন অনুষ্ঠানের তারিখ ঘোষণা করে ইতোমধ্যে একটা কমিটি গঠন করে দিয়েছি। সমাবর্তন শুধু ক্যাম্পাসের নিরাপত্তার ইস্যু না, বরং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার বিষয়ও জড়িত। যেহেতু কমিটি গঠন করা হয়েছে, তারা একটা সুপারিশ করবে। আমরা রাষ্ট্রীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে আলোচনা করব। এখন তো বলা যাচ্ছে না, কমিটির সুপারিশ মোতাবেক পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
আরটিভি: বিদেশি শিক্ষার্থী শূন্যের কোটায়, আন্তর্জাতিক মান বাড়ানোর ক্ষেত্রে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে?
উপাচার্য: বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। শাহ আজিজুর রহমান হলে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথক ‘ইন্টারন্যাশনাল ব্লক’ রয়েছে। সেখানে যেন শুধু বিদেশি শিক্ষার্থীরাই সিট পান, সে বিষয়ে হল প্রভোস্টদের নজর দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স দপ্তরটাকে শক্তিশালী করা হচ্ছে। কিছুটা সময় নিয়ে সব কিছু ঢেলে সাজানো হবে।
আরটিভি: অ্যাকাডেমিক মান উন্নয়নসহ সেশনজট নিরসনে কী কী পরিকল্পনা নিয়েছেন?
উপাচার্য: আগামী অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলে পরীক্ষার খাতায় রোল নম্বরের পরিবর্তে কোডিং ব্যবস্থা চালুর বিষয়ে পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া পরীক্ষায় অসদুপায় বা নকল রোধে পরীক্ষা কেন্দ্রে কড়াভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার কক্ষে প্রবেশের সময় ডিভাইস নিয়ে যেতে পারবে না। চেক করে প্রবেশ করানো হবে। সেশনজট নিরসনে প্রতিটি বিভাগে অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যথাযথ ক্লাস নেওয়া হচ্ছে কিনা তাও নজরদারিতে রাখা হবে।
আমাদের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে স্টুডেন্টদের সবচেয়ে বেশি অ্যাট্রাকশনের জায়গাটা হচ্ছে জব কর্নার, যেটি অলরেডি একটা স্পেস আমরা বৃদ্ধি করেছি। আমি প্ল্যান করেছি যে আমাদের এই দ্বিতীয় প্রশাসন ভবনে ফাইনালি যখন কাজ শুরু হবে। খুব শীঘ্রই আমরা লাইব্রেরির দ্বিতীয় তলায় আরও বড় জব কর্নার স্পেস করব। আর ডিজিটাল সিস্টেম গভর্নমেন্টের একটি পরিকল্পনা হচ্ছে প্রতিটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অটোমেশন সিস্টেম বা ইউনিক আইডি চালুর, আমরা সার্বক্ষণিকভাবে এ ব্যাপারে কানেক্টেড আছি।
আরটিভি: ইবির গবেষণাখাত কিছুটা নিম্নমানের, এনিয়ে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কিনা?
উপাচার্য: গবেষণা ক্ষেত্রে যে ফান্ড আসে, আমরা চাই যে গবেষণার কার্যক্রমটি প্রকৃত অর্থেই গবেষণামূলক কাজের সাথে ইনভলভ থাকুক এবং এটি যেন একটা স্বচ্ছ এবং জবাবদিহিতার মধ্যে থাকে। গবেষণার শুধুমাত্র একটি পেপার সাবমিট করা নয়, এর মধ্য দিয়ে ইনোভেটিভ কিছু ক্রিয়েশন থাকবে। আর যেহেতু শিক্ষা খাতে ২% জিডিপি বরাদ্দ করা হচ্ছে, এটি অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাদের জায়গা থেকে সর্বোচ্চ পরিমাণে এর সৎ ব্যবহার, অর্থের যথোপযুক্ত প্রয়োগ এবং অর্থের অপপ্রয়োগ যাতে না হয় সে ব্যাপারে আমরা যথেষ্ট সতর্ক থাকব। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এটিকে সামনে ৫ শতাংশে নিয়ে যাবে। যদি সঠিকভাবে ব্যবহার করি তাহলে শিক্ষাখাত ব্যাপক পরিবর্তন ঘটবে।
আরটিভি: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের লক্ষ্য উদ্দেশ্য পূরণে কী কী উদ্যোগ নিয়েছেন?
উপাচার্য: শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আধুনিক শিক্ষা ও ইসলামি শিক্ষার সমন্বয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য এটি প্রতিষ্ঠা করেছেন। আমরা সেই লক্ষ্য পূরণে কাজ করে যাচ্ছি। আগামী অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেটে বড় ধরনের কিছু দৃশ্যমান পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে। তবে ভালো কিছু আসছে সেটা বলতে পারি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ