বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৪৭ পি.এম
নিউ ইয়র্কে সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বিশ্বনেতাদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। এ সময় বিশ্বরাজনীতি, যুদ্ধ, সংঘাত ও কূটনীতির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, পাশাপাশি অতীতের স্মরণীয় ঘটনাগুলোও পুনরায় আলোচনায় উঠে আসছে।
জাতিসংঘের ইতিহাসের কিছু স্মরণীয় ও আলোচিত মুহূর্ত নিচে উপস্থাপন করা হলো—
ফিদেল কাস্ত্রোর সাড়ে ৪ ঘণ্টার ম্যারাথন ভাষণ (১৯৬০)
জাতিসংঘের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ ভাষণের রেকর্ডটি কিউবার নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর দখলে রয়েছে। ১৯৬০ সালে তিনি নিজের প্রথম ভাষণে টানা ৪ ঘণ্টা ২৯ মিনিট বক্তব্য দেন। এই সময় তিনি মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের তীব্র সমালোচনা করেন এবং কিউবান বিপ্লবের আদর্শ তুলে ধরেন। Politics
নিকিতা ক্রুশ্চেভের টেবিল চাপড়ানো (১৯৬০)
১৯৬০ সালের অধিবেশনে পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত সাম্রাজ্যবাদের সমালোচনা করায় ক্ষুব্ধ হয়ে সোভিয়েত নেতা নিকিতা ক্রুশ্চেভ টেবিলে সজোরে ঘুষি মারতে শুরু করেন। এই অধিবেশন ঘিরেই তার জুতা খুলে টেবিলে আঘাত করার ঐতিহাসিক কিংবদন্তি সৃষ্টি হয়।
হুগো চ্যাভেজ ও ‘শয়তানের গন্ধ’ (২০০৬)
২০০৬ সালে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হুগো চ্যাভেজ পডিয়ামে উঠে বুকে ক্রস আঁকেন এবং তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘গতকাল এখানে শয়তান এসেছিল। আজও এখানে গন্ধকের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।’
গাদ্দাফির সনদ ছিঁড়ে ফেলা (২০০৯)
লিবিয়ার নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফি ২০০৯ সালে ১৫ মিনিটের সময়সীমা ভেঙে টানা ১০০ মিনিট বক্তব্য দেন। তিনি নিরাপত্তা পরিষদকে ‘সন্ত্রাস পরিষদ’ আখ্যা দিয়ে প্রকাশ্যে জাতিসংঘ সনদের একটি পাতা ছিঁড়ে কাঁধের ওপর দিয়ে ছুঁড়ে ফেলেন।
নেতানিয়াহুর কার্টুন বোমা (২০১২)
ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির অগ্রগতি বোঝাতে অধিবেশনে একটি বড় বোমার কার্টুন চিত্র প্রদর্শন করেন এবং সেখানে একটি লাল কালি দিয়ে সীমারেখা টানেন।
ট্রাম্পের ‘রকেট ম্যান’ মন্তব্য (২০১৭)
২০১৭ সালে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে পারমাণবিক উত্তেজনার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উত্তর কোরিয়াকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি দেন এবং দেশটির নেতা কিম জং উনকে ‘রকেট ম্যান’ বলে উপহাস করেন। Politics(Right)
গিলাদ এরদানের সনদ শ্রেড করা (২০২৪)
ফিলিস্তিনের পূর্ণ সদস্যপদের একটি প্রস্তাবের প্রতিবাদে ইসরাইলি রাষ্ট্রদূত গিলাদ এরদান অধিবেশনের সামনেই একটি ছোট পেপার শ্রেডার মেশিন দিয়ে জাতিসংঘ সনদের প্রচ্ছদ পাতা কেটে টুকরো টুকরো করে ফেলেন।
ট্রাম্পের ‘এস্কেলেটরগেট’
সম্প্রতি জাতিসংঘের মূল ভবনে প্রবেশের সময় এস্কেলেটর হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পকে হেঁটে সিঁড়ি বেয়ে উঠতে হয়। ট্রাম্প এই ঘটনাকে ‘নাশকতা’ বলে অভিযোগ করলেও জাতিসংঘ জানায়, ট্রাম্পের সঙ্গে থাকা একজন ভিডিওগ্রাফার ভুলবশত এস্কেলেটরের ইমার্জেন্সি স্টপ বোতামে চাপ দেওয়ায় এটি বন্ধ হয়ে যায়।
এসব নাটকীয় ঘটনা ছাড়াও দীর্ঘ ভাষণ ও ক্লান্তিকর সূচির কারণে জাতিসংঘ অধিবেশনে বিভিন্ন সময়ে বিশ্ব নেতাদের ঘুমিয়ে পড়ার দৃশ্যও ভাইরাল হয়েছে। ২০১৭ সালে জিম্বাবুয়ের সাবেক প্রেসিডেন্ট রবার্ট মুগাবের ঘুমিয়ে পড়ার ঘটনা ব্যাপক আলোচিত হয়েছিল।
সূত্র: ওয়াননিউজ
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি মোকাবিলায় জাতিসংঘে চারটি প্রস্তাব তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতাবৃদ্ধি বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি এই প্রস্তাবগুলো উপস্থাপন করেন।
প্রধানমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের স্বল্প সামর্থ্য নিয়ে দুর্যোগপূর্ণ ভবিষ্যৎ মোকাবিলায় কাজ চলছে। তিনি উল্লেখ করেন, আগামী ৫ বছরের মধ্যে জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি করতে বর্তমান সরকার উচ্চাভিলাষী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ একটি সক্রিয় বদ্বীপ। আমাদের দেশে শতশত নদী প্রবাহিত হয়ে সমুদ্রে মিলিত হয়। দেশের মানুষ পানির খুব কাছাকাছি বসবাস করে। আমাদের উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ উপকূলের সঙ্গে সম্পর্কিত। বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে আমাদের ৪ শতাংশ ভূখণ্ড সমুদ্রে বিলীন হবে। এর ফলে প্রায় এক কোটি মানুষ ঘরবাড়ি ও জীবিকা হারাবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা স্বল্প সামর্থ্য দিয়েই দুর্যোগপূর্ণ ভবিষ্যৎ মোকাবিলায় কাজ করে যাচ্ছি। আমরা আগাম সতর্কতা ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন করেছি এবং ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলার প্রস্তুতি বাড়িয়েছি। আমরা ৫ বছরের মধ্যে জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে উচ্চাভিলাষী পদক্ষেপ নিচ্ছি। ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল খননের উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। পানি সংরক্ষণের জন্য পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প এগিয়ে নিচ্ছি। তিস্তা ব্যারাজ প্রকল্পের আধুনিকায়নে একটি মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে কাজ করছি। এ ছাড়া ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের উদ্যোগও নেয়া হয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ গ্রিন গ্রোথের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ২০৩০ সালের মধ্যে অন্তত ২০ ভাগ নবায়নযোগ্য জ্বালানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছি। আমরা সৌরবিদ্যুৎ, সবুজ শিল্পায়ন এবং পরিবেশবান্ধব যানবাহনের ওপর জোর দিচ্ছি। একই সঙ্গে সংকটপূর্ণ ইকোসিস্টেমকে রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছি।’
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং এর ফলে সৃষ্ট সংকট মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রস্তাবগুলো হলো:
১. দ্রুত ও ন্যায্যভাবে কার্বন নিঃসরণ কমাতে হবে।
২. জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য যথাযথ তহবিল নিশ্চিত করতে হবে।
৩. জলবায়ু প্রযুক্তি এবং আগাম সতর্কতা ব্যবস্থায় ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর অ্যাকসেস নিশ্চিত করতে হবে।
৪. জলবায়ু-উদ্বাস্তুদের যথাযথ প্রক্রিয়ায় পুনর্বাসনের জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে আত্মীয়ের বিয়েতে আসার পথে ১৪ জন যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলার ডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় রায়েশা বেগম (৫৫) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একই পরিবারের চার সদস্য, যার মধ্যে বাবা, দুই ছেলে ও একটি মেয়ে রয়েছে, এখনো নিখোঁজ রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের সোনামই এলাকায় আমান সিমেন্ট কারখানাসংলগ্ন মেঘনা নদীতে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান দিগন্ত রায়েশা বেগমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন হেলাল উদ্দিন (৫৫), তার ছেলে সজীব (২৪) ও সামিন (৫) এবং মেয়ে সামিয়া (১৭)।
এ সময় আরেক পরিবারের শিরিন বেগম (৪৫) ও তার আরেক মেয়ে লামিয়া আক্তারকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের হারিয়া এলাকার সাজিয়া আক্তার ও শিশিরের বিয়েতে অংশ নিতে স্বজনেরা হোমনা থেকে একটি ট্রলারে করে সোনারগাঁয়ের হারিয়া এলাকায় আসছিলেন। মেঘনা নদী পার হওয়ার সময় ট্রলারটি ডুবে যায় এবং যাত্রীরা পানিতে পড়ে যান।
পরে স্থানীয় লোকজন অন্য একটি ট্রলার নিয়ে কয়েকজনকে উদ্ধার করেন। আহত কয়েকজনকে উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছে এবং সেখানে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
সোনারগাঁ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ জাহেদ চৌধুরী জানিয়েছেন, আনুমানিক দেড়টার দিকে দুর্ঘটনাটি ঘটে। তবে তারা খবর পান বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটে। খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। নিখোঁজদের সন্ধানে নদীতে উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ক্ষুধার তাড়নায় খাবারের প্যাকেট মনে করে এক ব্যক্তির কাছ থেকে প্যাকেটটি কেড়ে নিয়েছিলেন নুর মোহাম্মদ। পরে প্যাকেটটি খুলে দেখেন, সেখানে ভাত নয় বরং মিষ্টি রয়েছে। প্রচণ্ড ক্ষুধার কারণে তিনি সেখান থেকে কয়েকটি মিষ্টি খেয়ে ফেলেন। শেষ পর্যন্ত আদালতে ৫০ টাকা জরিমানা দিয়ে মুক্তি পান নুর মোহাম্মদ।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) যশোর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সদর আমলি) আদালতে শুনানি শেষে বিচারক সঞ্জয় পাল তাকে ৫০ টাকা জরিমানা করেন।
এ সময় আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত এক ব্যক্তি তাকে ১০০ টাকা সহায়তা করেন। সেই অর্থ থেকে জরিমানার ৫০ টাকা পরিশোধ করে তিনি মুক্ত হন।
এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় যশোর রেলস্টেশনে এই ঘটনাটি ঘটে। নড়াইলের বাসিন্দা নুর মোহাম্মদ যশোরের ঝিকরগাছার একটি কাঁচামালের আড়তে শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। কাজ শেষে তিনি যশোর রেলস্টেশনে অবস্থান করছিলেন।
একপর্যায়ে প্রচণ্ড ক্ষুধার্ত হয়ে পড়লেও তার কাছে খাবার কেনার জন্য টাকা ছিল না। এ সময় খাবারের প্যাকেট মনে করে এক ব্যক্তির কাছ থেকে একটি প্যাকেট কেড়ে নেন তিনি। পরে প্যাকেট খুলে মিষ্টি দেখতে পান এবং কয়েকটি মিষ্টি খেয়ে ফেলেন। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা তাকে মারধর করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।
পরদিন আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার জিআরও এসআই হেলালুজ্জামান জানান, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী জরিমানার অর্থ পরিশোধের পর নুর মোহাম্মদকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস জানিয়েছেন, ফিলিস্তিনি জনগণ বর্তমানে তাদের ইতিহাসের অন্যতম বিপজ্জনক ও সংকটময় সময় পার করছে। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের জীবনের সব ধরনের মৌলিক অধিকার ও প্রয়োজনীয় উপাদানকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে সম্প্রচারিত এক পূর্ব-রেকর্ডকৃত ভিডিও ভাষণে তিনি এই মন্তব্য করেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমসের এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
যুক্তরাষ্ট্র টানা দ্বিতীয়বারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশনে যোগ দেওয়ার জন্য প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস ও তার প্রতিনিধিদলকে ভিসা দেয়নি। ফলে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদরদপ্তরে সরাসরি উপস্থিত হয়ে বক্তব্য দিতে না পেরে ভিডিও বার্তার মাধ্যমেই নিজের ভাষণ পাঠাতে বাধ্য হন ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের (পিএ) এই শীর্ষ নেতা।
ভাষণে তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কার্যকর ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। আব্বাস প্রশ্ন তোলেন, গাজা ও পশ্চিম তীরে ভয়াবহ মানববিপর্যয় দেখার পরও বিশ্ব সম্প্রদায় আর কতদিন নীরব থাকবে এবং ইসরায়েলকে অস্ত্র সরবরাহ করে যাবে। তিনি জানতে চান, ফিলিস্তিনিদের রক্ষায় জাতিসংঘসহ বিশ্বনেতারা কিসের জন্য অপেক্ষা করছেন।
সংঘাত নিরসনে দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের ওপর জোর দিয়ে আব্বাস বলেন, দীর্ঘমেয়াদে গাজা উপত্যকাকে পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেম থেকে রাজনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন রাখা যাবে না। গাজা, পূর্ব জেরুজালেম এবং পশ্চিম তীরকে একক রাষ্ট্র, একক সরকার ও একই আইনের অধীনে পরিচালিত হতে হবে, যেখানে কেবল একটিই বৈধ সশস্ত্র বাহিনী থাকবে।
উল্লেখ্য, ২০০৫ সাল থেকে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের নেতৃত্বে রয়েছেন ৯০ বছর বয়সী মাহমুদ আব্বাস। তবে দীর্ঘদিনের দুর্নীতি এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা বন্ধে ব্যর্থতার কারণে স্থানীয় ফিলিস্তিনিদের বড় অংশের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা ও আস্থা এখন তলানিতে এসে ঠেকেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ