মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৪৯ পি.এম
এমপি গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনকে ন্যাম ভবনের সংসদ সদস্যের শয়নকক্ষের বারান্দায়ও ঘুমাতে হতো, এমন তথ্য পাওয়া গেছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের তেজগাঁও জোনের পরিদর্শক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন আদালতে জানান, প্রথমে মৌখিকভাবে বিয়ে করা হয়েছিল।
মরিয়মকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় দুই দফায় ৮ দিনের রিমান্ড শেষে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গাজী নজরুলকে হাজির করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তা কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। ওই আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, মরিয়ম মাঝে মাঝে বারান্দায় ঘুমাতেন। শুনানি শেষে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালত গাজী নজরুলকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আদালতে জমা দেওয়া আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, গাজী নজরুল ইসলাম রিমান্ডে জানায় যে, মামলার বাদী (মরিয়মের বাবা) তার আত্মীয় এবং সম্পর্কের দিক থেকে ভাগনে। মরিয়ম আসামির নাতনি। ঢাকায় আসলে নজরুল ইসলাম বাদীর বাসায় রাত্রিযাপন করতেন এবং সংসদের কাজকর্ম পরিচালনা করতেন। এভাবে মরিয়মের সঙ্গে সখ্য গড়ে ওঠে এবং তিনি মরিয়মকে বিয়ে করেন।
তদন্ত কর্মকর্তা আরও জানান, গত ১৭ জুন গাজী নজরুল ইসলাম মরিয়মকে ধর্মীয় নিয়মে বিয়ে করেন। পরে নিজ এলাকায় কাবিন রেজিস্ট্রি করেন। আবেদনে বলা হয়, দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম এবং মামলার ২ নম্বর আসামি মোছা. মাকছুদা ইসলামের সঙ্গে গাজী নজরুল ন্যাম ভবনে বসবাস করতেন। মোছা. মাকছুদা ইসলাম তার প্রথম স্ত্রী।
‘প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামকে নিয়ে ন্যাম ভবনে বসবাসের সময় মরিয়ম মাঝে মাঝে নজরুলের শয়নকক্ষের পাশে ব্যালকনিতে ঘুমাতেন,’ উল্লেখ করেন তদন্ত কর্মকর্তা। তিনি আরও জানান, জিজ্ঞাসাবাদে নজরুল ইসলামের কাছ থেকে মামলার ঘটনার বিষয়ে ‘আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ পাওয়া গেছে।
২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সংসদ ভবনের উল্টো দিকের ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুল ইসলামের (৭৫) দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের (১৯) ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর রাতে গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। রাতেই আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে গাজী নজরুল, মাকছুদা ইসলাম এবং নিহত মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে আসামি করে মামলা করেন মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ।
পরদিন শেরেবাংলা নগর থানার এসআই মো. শামসুজ্জোহা সরকারের আবেদনে গাজী নজরুল ইসলামের চার দিন ও মাকছুদা বেগমের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। সেদিন রাতেই মামলার তদন্তভার গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। রিমান্ড শেষে মাকছুদা বেগমকে ২২ সেপ্টেম্বর কারাগারে পাঠানো হয়। গত বুধবার এ মামলার তৃতীয় আসামি ভুক্তভোগীর মামা ওবায়দুর রহমানকে ঢাকার বাইরে থেকে গ্রেপ্তার করে এসআরবি–২। এরপর তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যশোরে হামলার অভিযোগ উঠেছে এক ছাত্রদল নেতা এবং তার দাদার বিরুদ্ধে। এই ঘটনার পর ওই ছাত্রনেতার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে শহরতলির উপশহর তেলপাম্পের সামনে ট্রাকস্ট্যান্ড বস্তি এলাকায় হামলার ঘটনা ঘটে।
আহত মোহাম্মদ জুবায়ের ইসলাম (২২) যশোর শহরের সেন্ট্রাল রোড এলাকার টিপুর ছেলে এবং সরকারি সিটি কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।
অভিযোগের সূত্র অনুযায়ী, হামলাকারীদের মধ্যে মোহাম্মদ শাকিল (৩২), মোহাম্মদ রিদয় (৩০), মোহাম্মদ রিজভী (২৬), মোহাম্মদ বাবলুসহ (২৮) অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জুবায়ের এবং তার দাদা মুক্তার শিকদারের ওপর হামলা চালান।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে যে, হামলাকারীরা তাদের এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর জখম করেন।
ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি, হামলাকারীরা দীর্ঘদিন ধরে জুবায়েরকে তার ব্যবসায়িক দোকান ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ দিয়ে আসছিলেন। দোকান না ছাড়ায় পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুম খান গণমাধ্যমকে জানান, মারামারির ঘটনায় ভুক্তভোগীরা থানায় একটি অভিযোগ করেছেন। তদন্তের জন্য ইতোমধ্যে একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, তদন্ত শেষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের চকরিয়ায় মোহাম্মদ ইসফাতুল ইসলাম জিসান নামে এক ছাত্রদল নেতাকে অপহরণের প্রায় চার ঘণ্টা পর পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করেছে। এর আগে, তার বড় ভাইকে ফোন করে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মিজানুর রহমান নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে, যিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি অডিওতে ওই ব্যক্তিকে বলতে শোনা যায়, "আপনার ভাইকে ১৪ টুকরা করার ক্ষমতা আছে।"
জিসানকে দুই দিন পর একটি মাইক্রোবাসে তুলে নেওয়া হয়। কয়েক ঘণ্টা পর চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের কচ্ছপিয়া ঢালা এলাকা থেকে তার হাত-পা বাঁধা অবস্থায় লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তবে, হত্যার হুমকির সঙ্গে জিসানের মৃত্যুর সরাসরি সম্পর্ক এখনও নিশ্চিত করা যায়নি। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে।
নিহত জিসান চকরিয়া উপজেলার কাকারা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং দক্ষিণ লোটনী এলাকার নাজম উদ্দিনের ছেলে। পরিবারের অভিযোগ, কেয়ারবিল এলাকার বাসিন্দা মিজানুর রহমান ওই হুমকি দিয়েছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অডিওতে জিসানের বড় ভাইকে উদ্দেশ্য করে মিজানকে বলতে শোনা যায়, "আমি আওয়ামী লীগ করা মানুষ। আমার ক্ষমতাও আছে, টাকাও আছে। আপনার ভাইকে ১৪ টুকরা করার ক্ষমতা আছে। তাকে ৫০ জন খুঁজছে।"
পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রোববার রাতে কাকারা মাইজপাড়া এলাকার একটি দোকানের সামনে ছিলেন জিসান। এ সময় একটি সাদা নোয়াহ মাইক্রোবাস সেখানে আসে। গাড়ি থেকে কয়েকজন নেমে তাকে জোর করে তুলে নিয়ে যায়। পরে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মহাসড়কের কচ্ছপিয়া ঢালা এলাকা থেকে তার হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজে জিসানকে তুলে নেওয়া গাড়িটি শনাক্ত করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ঘটনাস্থলে ৮ থেকে ১০ জনের উপস্থিতির কথা জানা গেছে। মাইক্রোবাসটি কোথা থেকে এসেছিল, জিসানকে তুলে নেওয়ার পর কোন পথে গিয়েছিল এবং তাকে কোথায় নেওয়া হয়েছিল—এসব তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এ বিষয়ে চকরিয়া থানার ওসি আরিফুর রহমান বলেন, জিসানের মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল। গুলির আঘাত কি না, তা ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে। আওয়ামী লীগের এক ব্যক্তির হুমকির বিষয়টিও তদন্ত করা হচ্ছে। খুনিদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
লাশের সুরতহাল প্রতিবেদনে মাথা ও কপালে আঘাতের চিহ্ন পাওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ। তবে এসব আঘাত গুলির কারণে হয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
চকরিয়া উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক রেজাউল করিম বাপ্পি বলেন, "আমরা ধারণা করছি, আওয়ামী লীগের ওই মিজানই আমাদের ভাইকে হত্যা করেছে। আমরা এ বিষয়ে দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চাই।"
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) অহিদুল রহমান বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করে খুনিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুষ্টিয়া জেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদে ৪৭ জনকে অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কেবল কুষ্টিয়া জেলার স্থায়ী বাসিন্দারাই অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, কুষ্টিয়ার স্থানীয় সরকার শাখা থেকে প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীদের জন্য আবেদন করার সময়সীমা ১ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।
পদের বিবরণ
পদের নাম: হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর
পদসংখ্যা: ৪৭টি
গ্রেড: ১৬
বেতন স্কেল: ২১,৯০০–৫২,৯০০ টাকা
শিক্ষাগত যোগ্যতা
স্বীকৃত শিক্ষা বোর্ড থেকে বাণিজ্য বিভাগে অন্যূন দ্বিতীয় বিভাগ বা সমমানের জিপিএতে এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। প্রার্থীদের জন্য কম্পিউটার ব্যবহারে দক্ষতা অপরিহার্য।
এছাড়া, কম্পিউটার টাইপিংয়ে প্রতি মিনিটে বাংলায় কমপক্ষে ২০ শব্দ এবং ইংরেজিতে ২০ শব্দ লেখার গতি থাকতে হবে।
বয়সসীমা
২৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে প্রার্থীর বয়স ১৮ থেকে ৩২ বছরের মধ্যে হতে হবে। শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্রের ভিত্তিতে বয়স নির্ধারণ করা হবে। বয়স প্রমাণের ক্ষেত্রে কোনো এফিডেভিট গ্রহণযোগ্য হবে না।
যেভাবে আবেদন
সরকার নির্ধারিত চাকরির আবেদন ফরমে স্বহস্তে আবেদন পূরণ করে জেলা প্রশাসক, কুষ্টিয়া বরাবর আবেদন করতে হবে। আবেদনপত্র আগামী ১ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত অফিস চলাকালীন সময়ের মধ্যে ডাকযোগে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, কুষ্টিয়ায় পৌঁছাতে হবে।
সরাসরি বা কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে আবেদন করা যাবে না। আবেদন ফরম ও প্রবেশপত্র জেলা প্রশাসক, কুষ্টিয়ার ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা যাবে।
খামের ওপর মোটা অক্ষরে পদের নাম, বিশেষ কোটা থাকলে তা এবং বাম পাশে আবেদনকারীর পূর্ণ নাম ও ঠিকানা লিখতে হবে।
আবেদন ফি
আবেদন ফি হিসেবে ১০০ টাকার ব্যাংক ড্রাফট বা পে-অর্ডার করতে হবে। যেকোনো তফসিলি ব্যাংক থেকে জেলা প্রশাসক, কুষ্টিয়ার অনুকূলে এ টাকা জমা দিয়ে ব্যাংক ড্রাফট বা পে-অর্ডার আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে।
আবেদন ফি অফেরতযোগ্য। পোস্টাল অর্ডার গ্রহণযোগ্য নয়।
নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জেলা প্রশাসক, কুষ্টিয়ার ওয়েবসাইটে দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মেয়েকে দংশন করেছে রাসেলস ভাইপার (চন্দ্রবোড়া)। সাপটিকে মেরে ফেলার বা পালিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে, বুদ্ধি করে সাপটিকে বোতলে বন্দী করে হাসপাতালে ছুটলেন বাবা। কোলে সাপে কাটা শিশু এবং এক হাতে প্লাস্টিকের বোতলে জ্যান্ত রাসেলস ভাইপার—এমন দৃশ্য দেখে উপস্থিত সবাই চমকে যান সরকারি জেনারেল হাসপাতালে।
এই ঘটনা ঘটে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সরকারি জেনারেল হাসপাতালে।
মরিয়ম, হাইমচর উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চল নীলকমল ইউনিয়নের শেখকান্দি গ্রামের বাসিন্দা মনির হোসেনের ছোট মেয়ে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, বর্ষা মৌসুমে চাঁদপুরের মেঘনার চরাঞ্চল ও নদীতীরবর্তী এলাকায় রাসেলস ভাইপারসহ বিভিন্ন ধরনের সাপের উপদ্রব বেড়ে গেছে। তবে আগের মতো ওঝা বা সাপুড়ের কাছে না গিয়ে, গ্রামের মানুষ এখন সচেতন হয়ে সরাসরি হাসপাতালে ছুটছেন।
মনির হোসেন জানান, বাড়ির সামনে খেলাধুলা শেষে ঘরে ফেরার পথে হঠাৎ একটি রাসেল ভাইপারের বাচ্চা মরিয়মের পায়ে ছোবল দেয়। এরপর তিনি এক মুহূর্ত সময় নষ্ট না করে রাস্তার পাশের জঙ্গল থেকে সাপটিকে খুঁজে বের করে একটি বোতলে বন্দী করেন।
এরপর, এক হাতে মেয়ে ও অন্য হাতে বোতলবন্দি সাপ নিয়ে তিনি প্রথমে হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান। সেখান থেকে শিশুটিকে নেওয়া হয় চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে।
হাসপাতালে পৌঁছানোর পরপরই দায়িত্বরত চিকিৎসকেরা মরিয়মের চিকিৎসা শুরু করেন। তাকে অ্যান্টিভেনমসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়।
হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. এনামুল হক বলেন, "সঠিক সময়ে শিশুটিকে হাসপাতালে আনা হয়েছে এবং ওঝার কাছে গিয়ে সময় নষ্ট করা হয়নি। এ কারণেই তার জীবন রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে।" বর্তমানে মরিয়মকে অন্তত ২৪ ঘণ্টা নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ