ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইয়াবাসহ বিজিবির সিপাহী মো. তামিম রানা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার


ইয়াবাসহ বিজিবির সিপাহী মো. তামিম রানা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ৬০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মো. তামিম রানা (৩৫) নামের একজন সিপাহীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্য।

গ্রেপ্তারটি ঘটেছে রোববার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে। আখাউড়া পৌরসভার দেবগ্রাম নয়াবাজার এলাকায় মা জননী স্টোরের সামনে আখাউড়া-মোগড়া বাজারগামী সড়কে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আখাউড়া থানা পুলিশের একটি দল এই অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের নেতৃত্ব দেন থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সামছুল হক। অভিযানে সহায়তা করেন সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. ওমর ফারুক এবং বিল্লাল হোসেনসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

গ্রেপ্তার হওয়া তামিম রানা রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার বরকল বিওপিতে ৪৫ ব্যাটালিয়ন বিজিবির অধীনে সিপাহী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল থানার হরিরামপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নিকুরকান্দা গ্রামে।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে ৬০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, একটি বিজিবির পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) এবং ভেগা ভি৭ মডেলের একটি বাটন মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ উল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় তামিম রানার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশিদের জন্য সুখবর দিলো জাপান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৩৬ পি.এম


বাংলাদেশিদের জন্য সুখবর দিলো জাপান

জাপানে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। দুই দেশের মধ্যে একটি নতুন কর্মসংস্থান চুক্তি ইএসডিপি-এমওসি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তি অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ১ এপ্রিল থেকে জাপান বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ শুরু করবে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

মন্ত্রণালয় জানায়, প্রায় এক বছরের প্রচেষ্টার পর ১৭ অক্টোবর দুই দেশের মধ্যে চুক্তিটি চূড়ান্তভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির পূর্ণ নাম ‘মেমোরেন্ডাম অব কো-অপারেশন অন এমপ্লয়মেন্ট স্কিলস ডেভেলপমেন্ট’ (ইএসডিপি-এমওসি)।

বাংলাদেশের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব। অন্যদিকে, জাপানের পক্ষে দেশটির বিচার মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য, শ্রম ও কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং ন্যাশনাল পুলিশ এজেন্সির প্রতিনিধিরা স্বাক্ষর করেন।

মন্ত্রণালয়ের মতে, বৈদেশিক কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণে এই চুক্তি বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এর মাধ্যমে জাপানে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের দ্বার উন্মোচিত হবে। একই সঙ্গে, কর্মীদের সুযোগ-সুবিধা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে চুক্তিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

চুক্তিটির প্রাথমিক মেয়াদ পাঁচ বছর। মেয়াদ শেষ হলে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আরও পাঁচ বছরের জন্য নবায়ন হবে। ফলে চুক্তিটির মোট কার্যকর মেয়াদ দাঁড়াবে ১০ বছর।

এ বিষয়ে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, "কর্মীদের সর্বোচ্চ সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি কর্মী পাঠানো ও গ্রহণের ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার করা হবে।"

তিনি আরও বলেন, "জাপানে কর্মসংস্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশি নাগরিকদের দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ তৈরি হবে। এর ফলে কর্মীরা উচ্চ বেতন পাওয়ার পাশাপাশি জাপানে দীর্ঘমেয়াদে বসবাসের সুযোগও পেতে পারেন।"

নতুন এই চুক্তির ফলে জাপানের শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের অংশগ্রহণ বাড়বে এবং দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে তাদের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা আরও জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মালদ্বীপ থেকে আসা দুই যাত্রীর পায়ুপথে ৬ সোনার ডিম জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৩৬ পি.এম


মালদ্বীপ থেকে আসা দুই যাত্রীর পায়ুপথে ৬ সোনার ডিম জব্দ

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মালদ্বীপ থেকে আসা দুই যাত্রীর পায়ুপথে পেস্ট আকারের ছয়টি ‘সোনার ডিম’ জব্দ করা হয়েছে। এই সোনার ডিমগুলোর প্রাথমিক ওজন ২ কেজি ৭৩৪ গ্রাম। আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৪ কোটি টাকা বলে জানা গেছে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আল-আমিন শেখ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মালদ্বীপ থেকে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের বিএস৩৩৮ ফ্লাইটে রোববার (১৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান মোহাম্মদ সোলাইমান ও জোবায়েদ আহমদ। পরে তাদের কাছ থেকে এসব বস্তু উদ্ধার করা হয়। প্রত্যেকের রেক্টামে (পায়ুপথে) তিনটি করে মোট ছয়টি ডিম্বাকৃতির সোনার পেস্টের বস্তু পাওয়া যায়।

এনবিআর কর্মকর্তা আল-আমিন বলেন, উদ্ধার হওয়া ছয়টি বস্তুর প্রাথমিক ওজন ২ দশমিক ৭৩৪ কেজি। এগুলোর আনুমানিক মূল্য প্রায় ৪ কোটি টাকা বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। কাস্টমস গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে তিনি জানান, উদ্ধার হওয়া সোনার পেস্টের মধ্যে প্রকৃত সোনার পরিমাণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা হওয়ায় এবং আলামতের যথাযথতা সংরক্ষণের স্বার্থে বস্তুগুলো অবিকৃত রাখা হয়েছে। উপযুক্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর এগুলো থেকে প্রাপ্ত বিশুদ্ধ সোনার ওজন ও প্রকৃত মূল্য নির্ধারণ করা সম্ভব হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌরশক্তিচালিত সেচে কৃষি খাতে ব্যয় কমছে, উৎপাদন বাড়ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৩৭ পি.এম


সৌরশক্তিচালিত সেচে কৃষি খাতে ব্যয় কমছে, উৎপাদন বাড়ছে

সরকারি উদ্যোগের মাধ্যমে সৌরশক্তিচালিত সেচ ব্যবস্থার ফলে দেশের কৃষি খাতের পরিবর্তন ঘটছে। এই পরিবর্তনের ফলে কৃষির উৎপাদন ব্যয় কমছে এবং ফসলের উৎপাদন বাড়ছে।

বিদ্যুতের ওপর চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। বিশেষ করে রাজশাহী বিভাগের ৮টি জেলায়। বিদ্যুৎহীন, খরা ও দুর্গম এলাকায় গত দুই বছরে ৩২টি সোলার সেচ পাম্প স্থাপন করার ফলে কৃষকদের সেচ খরচ প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। অন্যদিকে ফসলের নিবিড়তা প্রায় ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

‘রাজশাহী বিভাগ কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প’-এর আওতায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি, কৃষকদের সেচ ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো এবং পানির দক্ষ ও পরিমিত ব্যবহার নিশ্চিত করতে বরেন্দ্র অঞ্চলে এই সৌরশক্তিচালিত সেচ প্রযুক্তির ব্যাপক সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।

বরেন্দ্র অঞ্চলের বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই)-এর যৌথ প্রচেষ্টায় এই পরিবর্তন সাধিত হচ্ছে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে সরাসরি রাজশাহী বিভাগের ৬৭টি উপজেলার ৩ হাজার ২শ কৃষক উপকৃত হচ্ছেন। প্রকল্পের মেয়াদ আগামী ২০২৭ সালের জুন মাসে শেষ হবে বলে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

প্রচলিত জীবাশ্ম জ্বালানি বা ডিজেল এবং জাতীয় বিদ্যুৎ নেটওয়ার্কের ওপর কৃষকদের নির্ভরতা কাটিয়ে একটি স্বাবলম্বী কৃষি কাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদী এই পরিকল্পনার বাস্তবায়নের মাধ্যমে বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষিকে জলবায়ু সহনশীল ও আধুনিক রূপ দেওয়ার কাজ চলছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই প্রকল্পের সবচেয়ে ভালো দিক হলো, প্রান্তিক ও দরিদ্র কৃষকদের আর্থিক বোঝা লাঘব করতে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে তাদের হাতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি প্রদান করা হয়েছে।

এই প্রকল্পের আওতায় তিনটি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে সোলার ইরিগেশন ব্যবস্থা বা সৌর সেচ পাম্প নির্মাণ ও স্থাপন করা হয়েছে।

ফিক্সড সোলার ইরিগেশন (২ অশ্বশক্তি) ক্যাটাগরির আওতায় বরেন্দ্র অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় মোট ২৪টি স্থায়ী সোলার ইরিগেশন প্ল্যান্ট স্থাপন করা হয়েছে।

এগুলোর মাধ্যমে নির্দিষ্ট জমিতে নিয়মিত ও ঝামেলাহীনভাবে সেচ কাজ পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে।

দ্বিতীয়ত, পোর্টেবল সোলার ইরিগেশনের মাধ্যমে কৃষকদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে সম্পূর্ণ সহজে স্থানান্তরযোগ্য আটটি পোর্টেবল সোলার ইউনিট প্রদান করা হয়েছে। এর ফলে কৃষকরা সহজেই এসব ইউনিট এক জমি থেকে অন্য জমিতে নিয়ে যেতে পারছেন। আর প্রিসিশন সোলার ইরিগেশন পদ্ধতিতে আধুনিক ফলবাগান ব্যবস্থাপনার ওপর জোর দিয়ে মোট ১০টি প্রিসিশন সোলার ইরিগেশন ইউনিট স্থাপন করা হয়েছে। এগুলোর প্রতিটি এক একর আয়তনের সুনির্দিষ্ট ফলবাগানের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা আরও জানিয়েছেন, এই প্রযুক্তির সুবিধা হলো— এর জন্য জাতীয় বিদ্যুৎ সংযোগের প্রয়োজন হয় না এবং ডিজেলের দাম বা সংকটের চিন্তা করতে হয় না। বিদ্যুৎবিহীন দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকাতেও এটি দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করা যাচ্ছে।

কৃষিবিদরা বলছেন, বরেন্দ্র অঞ্চল মূলত খরা ও পানি সংকট প্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত। বিগত কয়েক দশক ধরে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর দ্রুত নিচে নেমে যাওয়ায় পানির সাশ্রয়ী ব্যবহারের বিকল্প নেই। এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে কৃষি বিজ্ঞানীরা পানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তির ওপর জোর দিচ্ছেন। প্রকল্পের আওতাভুক্ত ‘প্রিসিশন সোলার ইরিগেশন’ প্রযুক্তিতে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে। এখানে সৌরচালিত পাম্পের সাথে ‘ড্রিপ ইরিগেশন’ পদ্ধতি যুক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে পাইপলাইনের সাহায্যে সরাসরি গাছের গোড়ায় পানি ফেলা হয়।

এই প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে পানির অপচয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। মাটির উপরিভাগের আর্দ্রতা দীর্ঘ সময় ধরে বজায় থাকছে। গাছের শিকড় প্রয়োজনীয় পরিমাণ আর্দ্রতা পেলেও আগাছার উপদ্রব কম হচ্ছে। ফলের উৎপাদন এবং গুণগত মান আগের তুলনায় বৃদ্ধি পাচ্ছে।

সংশ্লিষ্টদের দেওয়া তথ্যমতে, ‘ড্রিপ ইরিগেশন’ প্রযুক্তির সুফল সরাসরি পেতে শুরু করেছেন ওই অঞ্চলের কৃষকরা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার উপকারভোগী কৃষক মো. আলমগীর হোসেন জানান, আগে ডিজেলচালিত পাম্প দিয়ে জমিতে সেচ দিতে গিয়ে খরচ বেড়ে যেত। উৎপাদন খরচের বড় অংশ সেচ বাবদ চলে যেত। সেচ মৌসুমের ওই সময়ে ডিজেল পাওয়াও যেত না, যা দুশ্চিন্তার কারণ ছিল। এখন সৌরশক্তিতে খুব সহজে বাগানে পানি দিচ্ছি। এতে খরচ ও পানির অপচয় দুটোই কমেছে, আর গাছের পরিচর্যা আগের চেয়ে অনেক সহজ হয়েছে।

এই প্রযুক্তির কার্যকারিতা সম্পর্কে ইতিবাচক মূল্যায়ন কৃষি কর্মকর্তাদেরও।

রাজশাহীর পবা উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুল মান্নান বলেন, এই প্রযুক্তির সুফল ও কার্যকারিতা মাঠপর্যায়ে সফলভাবে প্রমাণিত হয়েছে। বরেন্দ্র অঞ্চলের মতো খরা প্রবণ এলাকায় জাতীয় গ্রিড বা আমদানিনির্ভর ডিজেলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে কৃষকদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে এই প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

‘রাজশাহী বিভাগ কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প’—এর পরিচালক ও কৃষিবিদ এস এম হাসানুজ্জামান বলেন, গত দুই বছরে রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন জেলায় ৩২টি সোলার সেচ পাম্প স্থাপন করা হয়েছে। এর ফলে কৃষকদের সেচ খরচ প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। খরাপ্রবণ বরেন্দ্র অঞ্চলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নেমে যাওয়ায় গভীর নলকূপগুলোর কার্যক্ষমতা কমে গিয়েছিল। সোলার পাম্প চালুর ফলে অনাবাদি জমিতে বছরে তিনটি ধানসহ অন্যান্য ফসল ফলানো সম্ভব হচ্ছে। ফলে ফসলের নিবিড়তা প্রায় ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ করলে এসব পাম্প ২০ থেকে ২৫ বছর পর্যন্ত টেকসই হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

কৃষি বিশেষজ্ঞ ও পরিবেশবিদদের মতে, প্রচলিত ডিজেলচালিত পাম্পের পরিবর্তে নবায়নযোগ্য সৌরশক্তির এই ব্যাপক ব্যবহার জীবাশ্ম জ্বালানি আমদানির ওপর দেশের চাপ কমাচ্ছে। বৈশ্বিক উষ্ণায়নজনিত পানির সংকট, জলবায়ুর পরিবর্তন ও কৃষিপণ্যের উৎপাদন ব্যয়ের এই কঠিন সময়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক আধুনিক সেচ প্রযুক্তি বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষি খাতকে টেকসই, লাভজনক ও জনবান্ধব করে তোলার ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। সূত্র: বাসস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশকে এগিয়ে নিতে বাংলাদেশি আদর্শের গুরুত্ব তুলে ধরলেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৩৭ পি.এম


দেশকে এগিয়ে নিতে বাংলাদেশি আদর্শের গুরুত্ব তুলে ধরলেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান মন্তব্য করেছেন যে, সরকার দেশে জাতি, ধর্ম ও বর্ণের মধ্যে কোনো ধরনের বিভেদ সৃষ্টি হতে দেবে না। তিনি উল্লেখ করেন, "সবাই বাংলাদেশি আর বাংলাদেশি আদর্শ নিয়ে এই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।"

শারদীয় দূর্গা উৎসবের প্রেক্ষাপটে রোববার (১৮ অক্টোবর) রাতে নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় পলাশ বাজার সর্বজনীন দুর্গা মন্দিরে হিন্দু সম্প্রদায়ের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এই বক্তব্য প্রদান করেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, "সব অন্যায়, অনিয়ম ও দু:শাসন দূর করতে পৃথিবীতে মা দুর্গার যেভাবে আগমন ঘটে।" তিনি সকলকে আহ্বান জানান যে, সেই শিক্ষা গ্রহণ করে সমাজ থেকে সব অন্যায় ও অনিয়ম দূর করে একটি শান্তিপূর্ণ আবাসন গড়ে তুলতে হবে।

পরে, তিনি শারদীয় দুর্গা উৎসব উপলক্ষে মন্দির কমিটির কাছে নগদ অর্থ বিতরণ করেন।

এ সময় পলাশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ (ইউএনও) স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%