ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চট্টগ্রাম ছাড়া সব শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে


চট্টগ্রাম ছাড়া সব শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে

চট্টগ্রাম ছাড়া সকল বোর্ডে পরীক্ষা চলবে বলে জানিয়েছেন আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যন অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল ১০টায় সকল শিক্ষা বোর্ড ও জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রীও ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।

দুপুর দেড়টার দিকে অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান কালবেলাকে বলেন, আপাতত যে অবস্থা আছে দেশের এই প্রান্ত থেকে ওই প্রান্ত পর্যন্ত সবার মতো নিয়ে পরীক্ষা অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে চট্টগ্রামের পাঁচ জেলার পরীক্ষা স্থগিত থাকবে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

এদিকে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যেও এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা নেওয়া এবং পরীক্ষার্থীদের ‘ফার্মের মুরগি’ সম্বোধন করার প্রতিবাদে রাজধানীতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন একদল শিক্ষার্থী।

মঙ্গলবার সায়েন্সল্যাব ও উত্তরার বিএনএস সেন্টারের সামনে শিক্ষার্থীরা শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগ দাবি করেন। এছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়ও শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেছেন।

নিউমার্কেট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আইয়ুব বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা কিছুক্ষণ আগে সায়েন্সল্যাবের সড়কে মিছিল নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করে। আমরা তাদের সঙ্গে আলোচনার চেষ্টা করেছি’।

উত্তরা পশ্চিম থানার ডিউটি অফিসার শাহীন আলম জানান, শিক্ষার্থীরা পৌনে বারোটার দিকে উত্তরা ডিএনএস সেন্টারের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন। এতে আব্দুল্লাহপুর পর্যন্ত সড়কে যানজট সৃষ্টি হয়।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

এদিন বেলা ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে ঢাকা কলেজসহ রাজধানীর বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা সায়েন্সল্যাব মোড়ে ধানমন্ডি থেকে নিউমার্কেটমুখী সড়ক অবরোধ করেন। ওই সড়কে যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায় এবং আশপাশের এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। অনেক যাত্রীকে হেঁটে গন্তব্যে যেতে দেখা যায়।

বিক্ষোভ কর্মসূচী কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আশপাশের বিভিন্ন সড়কে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে দেখা গেছে।

বিক্ষোভ চলাকালে শিক্ষার্থীরা ‘দফা এক, দাবি এক- মিলনের পদত্যাগ’; ‘ভোগান্তির দায় নিতে হবে’; ‘বন্যা-জলাবদ্ধতায় পরীক্ষা নয়’- এর মতো বিভিন্ন স্লোগান দেন। তাদের হাতে পরীক্ষা স্থগিত ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিসংবলিত প্ল্যাকার্ডও দৃশ্যমান ছিল।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বৈরী আবহাওয়া এবং বন্যা পরিস্থিতি বিবেচনায় না নিয়েই সোমবারের এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। এতে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পরীক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। কোথাও জলাবদ্ধতা, কোথাও দীর্ঘ যানজট, আবার কোথাও বিকল্প উপায়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছাতে হয়েছে। অনেক পরীক্ষার্থী নির্ধারিত সময়ের অনেক আগে বাসা থেকে বের হলেও নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে কেন্দ্রে পৌঁছাতে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী কাশেম শেখ বলেন, সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত না করে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকার অনেক শিক্ষার্থী স্বাভাবিকভাবে কেন্দ্রে যেতে পারেনি। তাই আমরা এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করছি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সিটি কলেজের আরেক শিক্ষার্থী বলেন, সোমবারের ভোগান্তির দায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় এড়াতে পারে না। আমরা চাই, শিক্ষার্থীদের কষ্টের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হোক এবং দায়িত্বশীলদের জবাবদিহির আওতায় আনা হোক।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ড. ইউনূসের ৬৬৬ কোটি টাকার কর মওকুফের খবর সম্পূর্ণ মিথ্যা: আইনজীবী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:২৪ পি.এম


ড. ইউনূসের ৬৬৬ কোটি টাকার কর মওকুফের খবর সম্পূর্ণ মিথ্যা: আইনজীবী

সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ৬৬৬ কোটি টাকার কর মওকুফ বা মামলা তুলে নেয়ার খবর সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছেন আইনজীবী ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন।

তিনি মঙ্গলবার (১৪ ‍জুলাই) হাইকোর্টে এক ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান। আইনজীবী ব্যারিস্টার মামুন জানান, গ্রামীণ কল্যাণের কর সংক্রান্ত মামলাটি এখনও হাইকোর্টে বিচারাধীন রয়েছে।

ব্যারিস্টার মামুন আরও জানান, ২০০৪ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত চুক্তির ভিত্তিতে পাওয়া মুনাফার ওপর গ্রামীণ কল্যাণ ইতিমধ্যে ১৫ শতাংশ হারে উৎস কর বা ট্যাক্স অ্যাট সোর্স পরিশোধ করেছে। কিন্তু ২০১৭ সালে একজন জয়েন্ট কমিশনার বেআইনিভাবে পুনরায় এই ৬৬৬ কোটি টাকা কর আরোপ করেন, যা তার এখতিয়ারের বাইরে। এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গ্রামীণ কল্যাণের দায়ের করা দুটি রিট মামলা বর্তমানে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।

এছাড়া, তিনি বৃদ্ধি করেন যে, ড. ইউনূস অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে যোগ দেয়ার পর থেকেই তিনি গ্রামীণ প্রতিষ্ঠানগুলোর চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। উল্লেখ্য, এসব প্রতিষ্ঠান কোম্পানি আইনের ২৮ ধারায় পরিচালিত অলাভজনক সংস্থা এবং এর কোনো ব্যক্তিমালিকানা নেই। তাই কর ফাঁকি বা মওকুফের বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রচারিত খবরগুলো সম্পূর্ণ গুজব ও বিভ্রান্তিকর।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সীতেশ রঞ্জন দেব মারা গেছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:২৬ পি.এম


বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সীতেশ রঞ্জন দেব মারা গেছেন

বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এবং বন্যপ্রাণী প্রেমিক সীতেশ রঞ্জন দেব মৃত্যুবরণ করেছেন।

বার্ধক্যজনিত কারণে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল নয়টায় মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত তাঁর বাসায় তিনি মারা যান।

মৃত্যুকালে তাঁর বয়স ছিল ৮১ বছর। তিনটি ছেলে, চারটি মেয়ে, নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী তিনি পিছনে রেখে গেছেন। আজ মঙ্গলবার বেলা তিনটায় তাঁর গ্রামের বাড়ি নোয়াগাঁও শ্মশানঘাটে শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।

সীতেশ রঞ্জন দেবের বাবা, শ্রীমঙ্গল নোয়াগাঁও গ্রামের সিশচন্দ্র দেব, শখের বসে ১৯৬৫ সালের দিকে তাঁর বাড়িতে একটি মিনি চিড়িয়াখানা গড়ে তুলেছিলেন। তিনি বিভিন্ন স্থান থেকে বন্যপ্রাণী ধরে এনে সেবাযত্ন করতেন। বাবার এই মমত্ববোধ সীতেশ রঞ্জন দেবকে বন্যপ্রাণী সেবায় যুক্ত হতে প্রভাবিত করেছে। তিনি গড়ে তুলেছিলেন রামকৃষ্ণ মিশন রোডের বাসায় পশুপাখির জন্য একটি সেবাশ্রম।

এরপর ২০০৯ সালে শহরতলির হাইল-হাওড়পাড়ের রূপসপুর গ্রামে এই সেবাশ্রমটি স্থানান্তর করা হয়। ২০১১ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন গভর্নর ড. আতিউর রহমানের সহায়তা পেয়ে এই সেবাশ্রমটির নতুন নামকরণ করা হয়, 'বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন'। বর্তমানে এই ফাউন্ডেশনের পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন তাঁর ছেলে স্বপন দেব সজল।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাইবান্ধার শতাধিক শিশু শিক্ষা অন্ধকারে, স্কুলের অভাব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:২৯ পি.এম


গাইবান্ধার শতাধিক শিশু শিক্ষা অন্ধকারে, স্কুলের অভাব

গাইবান্ধার ব্রহ্মপুত্র নদের খারজানির চরের বাসিন্দা শিশুদের প্রায় দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। এখানে শতাধিক পরিবারের শিশুরা জন্ম থেকেই সম্পূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছাড়া বড় হয়ে ওঠে, ফলে তারা চরম নিরক্ষরতার অন্ধকারে থাকে। সম্প্রতি, শিশু সুরক্ষা কার্যক্রমের সদস্যরা এই বিষয়টি নজরে আনেন। বর্তমানে সেখানে একটি অস্থায়ী তাবু টাঙিয়ে শিশুরা বর্ণমালা শেখার চেষ্টা করছে, কিন্তু অবকাঠামোগত অভাব এবং নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে এই উদ্যোগ থমকে রয়েছে।

গাইবান্ধা সদর ও ফুলছড়ি উপজেলার সীমানা ঘেঁষা কামারজানি ইউনিয়নে খারজানির চর একটি বিচ্ছিন্ন জনপদ। সেখানে শতাধিক পরিবার দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করে বসবাস করে আসছে। মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে নৌকা, যার মাধ্যমে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হয়। এই চরম ভৌগোলিক দূরত্বের কারণে আজ পর্যন্ত এই চরের শিশুদের জন্য কোনো ধরনের প্রাথমিক শিক্ষার ব্যবস্থা গড়ে উঠেনি। ফলে, বছরের পর বছর ধরে এখানে একটি সম্পূর্ণ নিরক্ষর প্রজন্ম তৈরি হচ্ছে।

স্থানীয় অভিভাবকদের বক্তব্য হলো, সরকারি কিংবা বেসরকারি কোনো উদ্যোগ না থাকায় এই এলাকায় সচরাচর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেনি। যদিও তাদের সন্তানদের পড়াশোনার ইচ্ছা রয়েছে, কিন্তু তারা দীর্ঘ নদীপথে কোমলমতি শিশুদের নৌকায় পাঠাতে ভয় পান। এই ভয়ের কারণেই চরের শিশুরা শিক্ষার সুযোগ থেকে বর্তমানে বঞ্চিত রয়েছে।

জিল্লুর রহমান, একজন স্থানীয় বাসিন্দা, এই ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, 'চরের ওপারে যাদের আত্মীয়-স্বজন আছে, তাদের মধ্যে দু-একজনের সন্তানের পড়াশোনা হচ্ছে। বাকিরা সবাই শিক্ষা থেকে বঞ্চিত। এভাবেই এখানকার শতাধিক পরিবারের শিশু নিরক্ষর থেকে যাচ্ছে।'

সম্প্রতি সমাজসেবা অধিদপ্তর ও ইউনিসেফের শিশু সুরক্ষা কার্যক্রমের জেলা সদস্যরা ওই চরের দীর্ঘ সময়ের বঞ্চনার বিষয়টি নজরে আনেন। স্থানীয় একটি বেসরকারি সংস্থার সহযোগিতায় এখানে একটি অস্থায়ী তাবু টাঙিয়ে বিভিন্ন বয়সের শিশুদের বর্ণমালা শেখানো হচ্ছে। এই কার্যক্রম চলতে রয়েছে স্থানীয় দুজন শিক্ষকের স্বেচ্ছাশ্রমে।

তবে, খোলা আকাশের নিচে তীব্র রোদ, ধুলাবালি ও ঝড়-বাদলের বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে মাটির ওপর বসে এই শিক্ষার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। দীর্ঘদিন পর শিক্ষার সুযোগ পেয়ে সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা খুবই খুশি।

স্বেচ্ছাসেবী শিক্ষক মো. জাহাঙ্গীর আলম জানিয়েছেন, তাবু টাঙিয়েও খোলা মাঠে বিভিন্ন বয়সী শিশুদের একসঙ্গে বসিয়ে বর্ণমালা শেখানোর কাজ চলছে।

গাইবান্ধা শিশু সুরক্ষা কার্যক্রমের সিপিএসডব্লিউ মো. সফিকুর রহমান খান বলেছেন, 'সম্প্রতি অফিসের একটি কাজে গিয়ে ওই চরের শিশুদের শিক্ষা বঞ্চিত থাকার বিষয়টি আমাদের নজরে আসে। এরপর স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী একটি সংগঠন এবং প্রশাসনের সহযোগিতায় আমরা বর্তমানে বর্ণমালা শেখানোর চেষ্টা করছি।'

বর্তমানে কামারজানি ইউনিয়নের খারজানির চরে প্রায় শতাধিকেরও বেশি শিশু প্রাথমিক শিক্ষার উপযোগী রয়েছে, যাদের জন্য একটি স্থায়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রয়োজন এখন সময়ের দাবি।

গাইবান্ধা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সবুজ কুমার বসাক জানিয়েছেন, তিনি সম্প্রতি এখানে যোগদান করার কারণে বিষয়টি আগে থেকে অবগত ছিলেন না। তবে শিক্ষার অধিকার সবার এবং এই কোমলমতি শিশুদের শিক্ষার আলো ছড়ানোর জন্য দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইইউ অবৈধ ইসরাইলি বসতিগুলোর সঙ্গে বাণিজ্য সীমিত করার উপায় খুঁজছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৩২ পি.এম


ইইউ অবৈধ ইসরাইলি বসতিগুলোর সঙ্গে বাণিজ্য সীমিত করার উপায় খুঁজছে

ইউরোপীয় ইউনিয়ন অধিকৃত পশ্চিম তীরের ইসরাইলি বসতিগুলোর সঙ্গে বাণিজ্য সীমিত করার নতুন পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। এই পদক্ষেপটি কার্যকর করার জন্য যথেষ্ট সমর্থন আছে কিনা, এই বিষয়ে আলোচনা করতে ইইউ পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা সোমবার ব্রাসেলসে একত্রিত হয়েছিলেন।

‘পশ্চিম তীরের পরিস্থিতি যে সত্যিই অসহনীয়, সে বিষয়ে সকলেই একমত,’ কায়া কাল্লাস একটি বৈঠকের শুরুতে বলেন, যিনি ইইউ-এর পররাষ্ট্র নীতি প্রধান।

পশ্চিম তীরে চলমান ঘটনাবলি প্রকৃতপক্ষে দ্বি-রাষ্ট্র (ইসরাইল-ফিলিস্তিনি সমস্যা) সমাধানকে কার্যকর হওয়া ক্রমশ অসম্ভব করে তুলছে।

রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ঊর্ধ্বতন ইইউ কূটনীতিক এবং একজন ইউরোপীয় কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আলোচনাগুলো ইউরোপীয় কমিশনের একটি গোপন নথির ভিত্তিতে হচ্ছে, যেখানে তিনটি ভিন্ন বিকল্প প্রস্তাব করা হয়েছে – আমদানি লাইসেন্সিং কার্যক্রম, প্রতিরোধমূলক শুল্ক অথবা নিষেধাজ্ঞা।

এদিকে, ইইউ-এর ২৭টি সদস্য দেশের মধ্যে বিভাজনের কারণে, বিশেষ করে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরাইলি দখলদারিত্বের বিষয়ে, দীর্ঘদিন ধরে ইইউ মধ্যপ্রাচ্য নীতি সংক্রান্ত বড় সিদ্ধান্ত গ্রহণে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে।

অন্যদিকে, অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের ক্রমবর্ধমান সহিংসতা এবং বসতি সম্প্রসারণকারী ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কট্টর-ডানপন্থি সরকারকে কেন্দ্র করে হতাশার কারণে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সদস্য সরকারগুলো অবৈধ বসতিগুলোর বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের চাপ বাড়িয়ে তুলেছে।

২০২৩ সালের মে মাসে, অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে গুরুতর ও পদ্ধতিগত মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ইইউ চারটি সংস্থা ও তিনজন ব্যক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

২০২৪ সালের জুলাই মাসের একটি পরামর্শমূলক মতামতে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত উল্লেখ করেছে যে, পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড ও বসতিগুলোর ওপর ইসরাইলের দখল অবৈধ এবং রাষ্ট্রগুলোর উচিত এমন বাণিজ্য বা বিনিয়োগ সম্পর্ক মানা না করা যা এই পরিস্থিতি সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করে।

সূত্র: আল জাজিরা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%