বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৫০ পি.এম
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীদের জন্য জরুরি প্রয়োজনে দ্রুত রক্তদাতা খুঁজে দেওয়ার উদ্দেশ্যে ‘JnURedDrop’ নামে একটি অ্যাপ চালু করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু)।
জকসুর সমাজসেবা সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমানের উদ্যোগে এই অ্যাপটি তৈরি করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী তুষার শেখও এতে সহযোগিতা করেছেন।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) জকসুর ভিপি মো. রিয়াজুল ইসলাম অ্যাপটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
‘JnURedDrop’ অ্যাপের মাধ্যমে রক্তের গ্রুপ ও অবস্থান অনুযায়ী রক্তদাতার তথ্য খোঁজার সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি বর্তমানে রক্তদানে প্রস্তুত দাতাদেরও শনাক্ত করা যাবে। জবি শিক্ষার্থীরা এই অ্যাপটিতে নিজেদের প্রোফাইল তৈরি করে রক্তের গ্রুপসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ করতে পারবেন।
নিবন্ধিত রক্তদাতাদের মধ্যে থেকে রক্তের গ্রুপ ও এলাকার ভিত্তিতে অনুসন্ধান করে প্রয়োজনীয় দাতার তথ্য পাওয়া যাবে। এছাড়া, কোনো দাতা বর্তমানে রক্তদানে প্রস্তুত আছেন কি না, সেটিও জানা যাবে।
জকসুর সমাজসেবা সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মন্তব্য করেন, "শিক্ষার্থীদের জরুরি সময়ে রক্তদাতা খোঁজার প্রক্রিয়া সহজ করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অ্যাপটিতে রক্তের গ্রুপ ও এলাকা অনুযায়ী দাতা খোঁজার সুবিধা রাখা হয়েছে। জরুরি রক্তের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের স্বেচ্ছায় রক্তদানে উৎসাহিত করা এবং ক্যাম্পাসে পারস্পরিক সহযোগিতার একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।"
অ্যাপ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জকসুর এজিএস মাসুদ রানা, শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ইব্রাহীম খলিল, আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক হাবিব মোহাম্মদ ফারুক, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক নুর মোহাম্মদ, কার্যনির্বাহী সদস্য আকিব হাসান ও আব্দুল্লাহ আল ফারুক উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মোশারফ হুছাইন, একজন ২৬ বছর বয়সী শিক্ষার্থী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) পড়াশোনা শেষ করার কথা ছিল। কিন্তু বর্তমানে তিনি ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করছেন, যা প্রায় এক বছর ধরে চলছে। মোশারফের চিকিৎসায় ইতোমধ্যে তার পরিবারের প্রায় আট লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। তিনি ছয় ডোজ কেমোথেরাপিও গ্রহণ করেছেন, তবে কাঙ্ক্ষিত সুফল এখনও মেলেনি। উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন হলেও অর্থসংকটের কারণে তা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই মোশারফ ও তার পরিবার সবার সহযোগিতা চেয়েছেন।
মোশারফ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ২০১৮–১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। বর্তমানে তিনি স্নাতকোত্তর (এমএ) পর্যায়ে অধ্যয়নরত আছেন। তার শিক্ষার্থী আইডি নম্বর ১৯১০৭০৩৯।
পরিবারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোশারফ সেকেন্ডারি লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত। গত ২২ এপ্রিল ২০২৬ থেকে তিনি ঢাকার মহাখালীতে অবস্থিত জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মোশারফ গত ২৭ এপ্রিল থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দুই ধাপে মোট ছয় ডোজ কেমোথেরাপি গ্রহণ করেছেন। দীর্ঘদিনের চিকিৎসায় প্রায় আট লাখ টাকা ব্যয় হলেও প্রত্যাশিত উন্নতি না হওয়ায় তার পরবর্তী চিকিৎসা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই এবং চিকিৎসার বিপুল ব্যয়, দুইয়ে মিলে মোশারফের পরিবার অসহায় হয়ে পড়েছে। আর্থিক সংকট এতটাই প্রকট হয়েছে যে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া এখন কঠিন হয়ে পড়েছে।
পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, মোশারফের উন্নত চিকিৎসা অব্যাহত রাখতে আরও অর্থ প্রয়োজন। তারা নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী এতদিন চিকিৎসার খরচ বহনের চেষ্টা করেছেন, কিন্তু এখন আর তাদের একার পক্ষে তা সম্ভব হচ্ছে না। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন তারা।
এর আগে, দীর্ঘ তিন বছর ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে মারা যান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইআর) ২০২১–২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী অনিক দাস (২৪)। তিনি গত ১৯ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে চাঁদপুরে নিজ বাড়িতে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন।
অর্থের অভাবে মোশারফের চিকিৎসা যেন থেমে না যায়, এ প্রত্যাশায় তার পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে পরিবার। সামর্থ্য অনুযায়ী সবার ছোট-বড় সহযোগিতাই তার চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার পথ সহজ করতে পারে।
আর্থিক সহযোগিতা তথ্য—
বিকাশ / নগদ: +880 1869-561939 (পার্সোনাল)— রোগী
A/N: 20507770232337809, Islami Bank, Ilishia Branch.
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মাদ্রাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া দুই কিশোরীকে কক্সবাজার থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
উদ্ধার হওয়া দুই কিশোরী হলেন— চৌদ্দগ্রামের কাশিনগর এলাকার বসন্তপুর গ্রামের মহিন উদ্দিনের কন্যা মাহিমা ইসলাম মাহি (১২) এবং যুগিরকান্দি গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের কন্যা তানিসা আক্তার (১৪)।
এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এডমিন) লুৎফর রহমান।
পুলিশ জানায়, ২৪ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মাহিমা ও তানিসা কাশিনগর এলাকার আল-আমিন মহিলা মাদরাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে নিজ নিজ বাড়ি থেকে বের হন। কিন্তু তারা মাদরাসায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হন এবং বাড়িতে ফিরে না আসায় তাদের পরিবার বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। পরে সন্ধান না পেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে চৌদ্দগ্রাম থানায় পৃথক দুটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।
এ বিষয়ে জানার পর কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের নির্দেশনায় নিখোঁজ দুই কিশোরীর সন্ধানে কার্যক্রম শুরু করে পুলিশ। চৌদ্দগ্রাম মডেল থানা পুলিশ ও কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) যৌথভাবে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে অনুসন্ধান চালায়।
অনুসন্ধানের এক পর্যায়ে কিশোরী দুটির অবস্থান কক্সবাজারে শনাক্ত করা হয়। পরে কক্সবাজার ডিবি পুলিশের সহায়তায় সমুদ্রসৈকত এলাকার গ্রিন প্যারাডাইজ হোটেলের ১০১ নম্বর কক্ষ থেকে তাদের অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কিশোরী দুজন জানায়, পরিবারের সদস্যদের ওপর অভিমান করে তারা স্বেচ্ছায় বাড়ি থেকে বের হয়ে কক্সবাজারে চলে যায়।
প্রয়োজনীয় আইনানুগ কার্যক্রম সম্পন্ন করার পর উদ্ধার হওয়া দুই কিশোরীকে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) অস্ট্রেলিয়া সফরের জন্য ১৬ সদস্যের বাংলাদেশ নারী দল ঘোষণা করেছে। সফরের অংশ হিসেবে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তিনটি ওয়ানডে ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ।
বিসিবি বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দলটি প্রকাশ করে। বাংলাদেশ দল ৩ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে রওনা দেবে। এটি বাংলাদেশের নারী দলের জন্য অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম দ্বিপক্ষীয় সিরিজ।
সিরিজের তিনটি ওয়ানডে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ব্রিসবেনের অ্যালান বোর্ডার ফিল্ডে। ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে ৯, ১১ ও ১৪ অক্টোবর। সিরিজের সূচি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সময় অনুযায়ী, প্রতিটি ম্যাচ শুরু হবে দুপুর ১টা ৫০ মিনিটে। সফরে বাংলাদেশ দলের নেতৃত্ব দেবেন নিগার সুলতানা জ্যোতি এবং সহ-অধিনায়ক হিসেবে থাকবেন নাহিদা আক্তার।
বাংলাদেশ নারী দলের সদস্যরা হলেন: নিগার সুলতানা জ্যোতি (অধিনায়ক), নাহিদা আক্তার (সহ-অধিনায়ক), স্বর্ণা আক্তার, মারুফা আক্তার, রাবেয়া খান, রিতু মনি, সোবহানা মোস্তারি, শারমিন সুলতানা, শারমিন আক্তার সুপ্তা, শানজিদা আক্তার মেঘলা, সুলতানা খাতুন, দিলারা আক্তার, ফারজানা হক, দিশা বিশ্বাস, মোর্শিদা খাতুন ও হাবিবা ইসলাম পিংকি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের নেছারাবাদে একটি স্কুল ফিডিং কার্যক্রমের জন্য বরাদ্দকৃত ৩০ প্যাকেট দুধ চুরির ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর অভিযুক্ত তিন যুবক ২৭ প্যাকেট দুধ ফেরত দিয়েছেন। তবে, এই ঘটনায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ প্রদান করা হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে অভিযুক্তরা দুধগুলো ফেরত দেন। বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানিয়েছেন, তিন বন্ধু ৩০ প্যাকেট দুধের মধ্যে তিন প্যাকেট খেয়ে ফেলেছে। বাকি দুধ তারা ভাগ করে নিয়ে যায়। পরে খবরটি ছড়িয়ে পড়লে বুধবার সকালে সেই দুধ ফেরত দেয় তারা।
এদিকে, বিদ্যালয় থেকে দুধ চুরি হলেও বিষয়টি শিক্ষা অফিসকে অবগত না করায় প্রধান শিক্ষককে শোকজ করা হয়েছে। নেছারাবাদ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মাইনুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
শোকজে প্রধান শিক্ষক মো. নুরুল ইসলামকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। এর আগে, শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ১৪৮ নম্বর দক্ষিণ বিন্না কাইলান্তরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুধ চুরির ঘটনা ঘটে। অভিযুক্তরা হলেন স্থানীয় ‘বিন্না ইয়ংমেন্স ক্লাব’ এর সাংস্কৃতিক সম্পাদক নাদিম মাহমুদ ও তার দুই বন্ধু। অভিযুক্ত নাদিম দাবি করেছেন, তিনি ও তার বন্ধুরা মাত্র তিন প্যাকেট দুধ নিয়েছেন। তারা জানতেন না যে দুধগুলো শিশু শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ ছিল।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা মোসাম্মৎ আশা বলেন, শুক্রবার বিদ্যালয়ে স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতা-কর্মী আসেন। তাদের আপ্যায়নে শিক্ষকরা ব্যস্ত থাকার সুযোগে লাইব্রেরিতে রাখা শিশুদের স্কুল ফিডিংয়ের দুধ নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে।
তার দাবি, নাদিমসহ স্থানীয় তিন যুবক ৩০ প্যাকেট দুধ নিয়ে যান। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুধ চুরির বিষয়টি ধরা পড়ে। বুধবার খবরটি ছড়িয়ে পড়লে নাদিম ও তার সহযোগীরা ২৭ প্যাকেট দুধ ফেরত দেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নুরুল ইসলাম জানান, শুক্রবার বিন্নায় নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষে পুলিশ ও স্থানীয় বিএনপি নেতারা বিদ্যালয়ে আসায় অতিথিদের বসার ব্যবস্থা করতে স্কুল খুলে দেওয়া হয়। শিক্ষকরা তাদের আপ্যায়নে ব্যস্ত থাকার সময় তিনি ওয়াশরুমে যান। এ সুযোগে লাইব্রেরিতে রাখা ৭৯ প্যাকেট দুধের মধ্যে ৩০ প্যাকেট নাদিম ও তার দুই বন্ধু গোপনে নিয়ে যান।
তিনি আরও বলেন, বুধবার সকালে ২৭ প্যাকেট দুধ তারা ফেরত দিয়ে গেছে। মাঝখান থেকে আমাকে শোকজ খেতে হলো।
নেছারাবাদ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মাইনুল ইসলাম বলেন, ঘটনা ঘটেছে শুক্রবার। অথচ, এই কয়দিনে আমাদের অফিসে বিষয়টি জানানো হয়নি। এ কারণে প্রধান শিক্ষককে শোকজ করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ