বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:০৬ পি.এম
স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) দাবি করেছে, ময়মনসিংহের এক পরিবারের ৫ জনকে ইউরোপে পাঠানোর কথা বলে পাচারের ‘অন্যতম হোতা’ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা জানায়, এই পাচার চক্রটি এ পর্যন্ত ২ হাজারের বেশি মানুষকে বিভিন্ন দেশে পাচার করেছে বলে তথ্য মিলেছে।
জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে, সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) এসআরবি-৪ এই অভিযানে আরজুকে গ্রেপ্তার করে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসআরবি জানায়, রাজধানীর বনানীর সি ব্লক থেকে এসআরবি-৪ ও এসআরবি-১-এর যৌথ অভিযানে আরজুকে আটক করা হয়।
মানবপাচারকারী চক্রের শিকার হওয়া কামরুন নাহার গত ১৬ জুলাই এনএসআইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করলে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়। এই তদন্তের ধারাবাহিকতায় অভিযান পরিচালিত হয়।
এসআরবি জানায়, গ্রেপ্তার আরজু চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকা আদায় করতেন ইউরোপের বিভিন্ন দেশে নেওয়ার কথা বলে। কিছু ক্ষেত্রে এই অর্থের পরিমাণ ৪০ লাখ টাকাও হতে পারে।
এনএসআই ও এসআরবি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, কামরুন নাহার, ফাতেমা, আনজুমান আরা, পারভেজ, ফিরোজ এবং মেহেদী হাসান সম্প্রতি এই চক্রের শিকার হয়ে সার্বিয়া ও বেলারুশের মাধ্যমে ইতালি পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রায় ৮৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়।
এসআরবি জানায়, ভুক্তভোগীদের প্রথমে এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে পাঠানো হতো। নেপাল বা শ্রীলঙ্কা হয়ে তাদের মিশর কিংবা লিবিয়ায় নেওয়া হতো। সেখান থেকে ঝুঁকিপূর্ণ নৌপথ পাড়ি দিয়ে ইউরোপে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হতো। তিন ভুক্তভোগী বিদেশে কঠিন পরিস্থিতি থেকে পালিয়ে দেশে ফিরতে সক্ষম হলেও এখনো দুজন বিদেশে আটকা পড়ে আছেন। কামরুন নাহারকে মিশরে পাঠানো হয়েছিল এবং আনজুমান আরা শ্রীলঙ্কায় আটকে ছিলেন। পরে দুজনই সহায়তার জন্য এনএসআইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। আরজুর গ্রেপ্তারের পর থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় ৩০-৩৫ জন ভুক্তভোগী এসআরবির সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন।
এসআরবি জানায়, তাদের অনেকেই বিদেশে বিপজ্জনক পরিস্থিতি থেকে পালিয়ে দেশে ফিরতে সক্ষম হয়েছেন।
এসআরবি জানায়, তারা আরও প্রায় ৩০০ সম্ভাব্য ভুক্তভোগীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। বিভিন্ন ঘটনা, মামলা, অভিযোগ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাদের প্রাথমিক ধারণা—এই চক্রের হাতে পড়ে ২ হাজারের বেশি বাংলাদেশি প্রতারণা ও মানবপাচারের শিকার হয়েছেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আরজু স্বীকার করেছেন যে, তিনি প্রায় ১২ বছর ধরে অবৈধ মানবপাচার কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন।
অভিযোগ রয়েছে, তিনি বিদেশে লোক পাঠানোর জন্য বিভিন্ন অনুমোদনহীন এজেন্সির নাম ব্যবহার করতেন। তদন্তকারীরা 'আরজু ইমিগ্রেশন লিমিটেড' এবং 'নাফিস এয়ার ইমিগ্রেশন লিমিটেড'-এর নাম ব্যবহারের তথ্য পেয়েছেন।
চক্রটি মূলত দেশের বেকার যুবক ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের নারীদের উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে বড় অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিত।
এসআরবি আরও জানায়, আরজুর একটি ব্যাংক হিসাবে গত এক বছরে ১ কোটি ৭০ লাখ টাকার লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। ভুয়া ভিসা ও কাগজপত্র ব্যবহার করে নারীদের বিদেশে পাচার করা এবং প্রলোভন দেখিয়ে নেওয়ার পর তাদের নিপীড়নের শিকার হতে বাধ্য করার অভিযোগ রয়েছে এই চক্রের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, অনেক নারীকে বন্দি করে রাখা হতো, শারীরিক নির্যাতন চালানো হতো এবং সিগারেটের ছ্যাঁকাসহ বিভিন্ন ধরনের নির্যাতন করা হতো।
লিখিত অভিযোগ ও ভুক্তভোগীদের বক্তব্য অনুযায়ী, মিশরে থেকে কামরুন নাহার ও আনজুমান আক্তার পালিয়ে যেতে সক্ষম হন এবং পরে ভিডিওবার্তার মাধ্যমে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের কথা পরিবারকে জানান।
বেশ কয়েকজন নারী এখনো মিশরে আটকা পড়েছেন বা বন্দি অবস্থায় আছেন জানিয়ে এসআরবি বলছে, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।
এসআরবির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সাল থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মানবপাচার মামলায় সারা দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মোট ২২৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আরজু রহমানকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তার সহযোগী ও পাচার চক্রের অন্যান্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্রী, বয়স ২১, অষ্টম তলার জানালা থেকে পড়ে গুরুতর আহত হলেও বেঁচে গেছেন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন। তার বাবা জানিয়েছেন, তার শরীরে একাধিক হাড় ভেঙেছে।
ঘটনাটি ঘটে ২৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টা ৫৭ মিনিটে। জর্জিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ক্রিস্টিন সার্জেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন একটি ছাত্রাবাসের অষ্টম তলার কক্ষে খোলা জানালার পাশে একটি সোফার ওপর নাচছিলেন। একপর্যায়ে তিনি জানালার বাইরে পড়ে যান এবং নিচে ভবনের উঠান ও সুইমিং পুলের অংশে গিয়ে পড়েন।
অ্যাথেন্স-ক্লার্ক কাউন্টি পুলিশ জানায়, জরুরি সেবাকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর ক্রিস্টিনকে সচেতন ও সজাগ অবস্থায় পান। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
ক্রিস্টিনের বাবা রিচার্ড সার্জেন্ট স্থানীয় একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে জানিয়েছেন, তার মেয়ে এখনো নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তিনি কথা বলতে পারছেন এবং তার শরীরে একাধিক আঘাতের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি হাড় ভেঙেছে। পরিবার তার সুস্থতার দিকে পুরোপুরি মনোযোগ দিচ্ছে।
পুলিশের বরাতে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, পড়ে যাওয়ার আগে ক্রিস্টিন কক্ষে লাফাচ্ছিলেন ও গান গাইছিলেন। একপর্যায়ে তিনি জানালার দিকে গিয়ে পর্দা ভেদ করে নিচে পড়ে যান। ছাত্রাবাসের অন্যান্য বাসিন্দারাও ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করেছেন।
পুলিশের তদন্তের পর জানানো হয়েছে, ঘটনাটি দুর্ঘটনাজনিত। এ ঘটনায় কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ আনার সম্ভাবনা নেই।
ঘটনার পর ছাত্রাবাসটির জানালার নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভবনের সব জানালায় এমন নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে, যা জানালা কতটা খোলা যাবে তা সীমিত করে। বাসিন্দাদের এসব নিরাপত্তা ব্যবস্থা নষ্ট, খুলে ফেলা বা অকার্যকর না করার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।
তবে ক্রিস্টিন যেই জানালা দিয়ে পড়ে গেছেন, সেখানে থাকা ওই নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঘটনাটিতে কোনো ভূমিকা রেখেছিল কি না, তা কর্তৃপক্ষ জানায়নি।
অ্যাথেন্স শহরের পশ্চিম ব্রড স্ট্রিটে অবস্থিত ছাত্রাবাসটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে প্রায় তিন ব্লক দূরে। ভবনটিতে ৩৪২টি আবাসিক ইউনিট ও আটটি আবাসিক তলা রয়েছে। সেখানে ব্যায়ামাগার, বড় সুইমিং পুল, কফি বারসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা রয়েছে।
ক্রিস্টিন জর্জিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী। তার পরিবার ঘটনাটি জানার পর ভার্জিনিয়া থেকে জর্জিয়ার অ্যাথেন্সে ছুটে আসে।
ক্রিস্টিনের বাবা জানিয়েছেন, জর্জিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুটবল দল ওকলাহোমা বিশ্ববিদ্যালয়ের দলকে হারানোর পরই ঘটনাটি ঘটে। তবে ঘটনার ঠিক আগে কী হয়েছিল, সে বিষয়ে পরিবার বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
মেয়ের শারীরিক অবস্থার দিকে মনোযোগ দেওয়ার কথা জানিয়ে রিচার্ড সার্জেন্ট বলেন, তার মেয়ে লড়াই করে সুস্থ হয়ে উঠবেন বলে তিনি আশাবাদী।
সূত্র: ইউএসএ টুডে
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
পদের নাম: জুনিয়র ফায়ারম্যান
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি পাস
অন্যান্য যোগ্যতা হিসেবে অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে অগ্নি নির্বাপণ ও জরুরি উদ্ধারকাজ পরিচালনায় দক্ষতা থাকতে হবে।
অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে প্রার্থীদের কমপক্ষে ১ থেকে ৩ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে, তবে অভিজ্ঞতা না থাকলেও আবেদন করার সুযোগ রয়েছে আগ্রহীদের জন্য।
চাকরির ধরন: ফুলটাইম
কর্মক্ষেত্র: কারখানায়
প্রার্থীর ধরন: শুধু পুরুষ
কর্মস্থল হবে ঢাকা, বিশেষ করে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা।
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে
অন্যান্য সুবিধার মধ্যে রয়েছে প্রভিডেন্ট ফান্ড, মোবাইল বিল, কর্মক্ষমতা বোনাস, মুনাফার অংশ, প্রতি বছর ইনক্রিমেন্ট, দুপুরের খাবার সুবিধা এবং বছরে ২টি উৎসব বোনাস।
আবেদন যেভাবে: আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘ দুই দশকের উপস্থিতির পর ইরাকের সব সামরিক ঘাঁটি গুটিয়ে নিয়ে চূড়ান্তভাবে সেনা প্রত্যাহার সম্পন্ন করেছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সেনা সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শেষ হয়।
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মার্কিন সেনা চলে যাওয়ার ফলে দেশটিতে চরম নিরাপত্তা শূন্যতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এদিকে, ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো আরও শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে এবং উগ্রপন্থী সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস) পুনরায় সংগঠিত হওয়ার সুযোগ পেতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
তেহরান এবং তাদের আঞ্চলিক মিত্ররা যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘ সামরিক উপস্থিতির সমাপ্তিকে একটি বড় রাজনৈতিক ও কৌশলগত বিজয় হিসেবে দেখছেন। ২০২৪ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আমলে এই সেনা প্রত্যাহারের চুক্তি হলেও, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে চূড়ান্তভাবে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করেছে। ইরাকে বিভিন্ন প্রক্সি সশস্ত্র গোষ্ঠীর মাধ্যমে ইরানের প্রভাব ইতিমধ্যেই ব্যাপক।
২০০৩ সালে মার্কিন বাহিনী অভিযানের মাধ্যমে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনকে ক্ষমতাচ্যুত করে এবং শিয়া নেতৃত্বাধীন সরকার প্রতিষ্ঠা করে। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্রোহ দমন অভিযান চলে—প্রথমে সাদ্দাম-সমর্থক এবং পরে আল-কায়েদার বিরুদ্ধে। কিন্তু একপর্যায়ে দেশটিতে রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়, যা আইএসের উত্থানের পথ তৈরি করে।
২০১১ সালের শেষ দিকে প্রথম দফায় ওয়াশিংটন ইরাক থেকে সেনা প্রত্যাহার করে। তবে আইএসের তাণ্ডবে তিন বছরেরও কম সময়ের মধ্যে ২০১৪ সালে মার্কিন সামরিক বাহিনী পুনরায় দেশে ফিরে আসে। ২০১৪ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত আইএসের বিরুদ্ধে বড় ধরনের যুদ্ধে তারা ইরাকি বাহিনীকে সরাসরি সহায়তা করে। তবে এই দীর্ঘ সময়ে আমেরিকাও বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। এই যুদ্ধে আফগানিস্তান যুদ্ধের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ মার্কিন নাগরিক প্রাণ হারান। সব মিলিয়ে ইরাক যুদ্ধ ও অভিযানে অন্তত ৪ হাজার ৫০০ মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন।
সাধারণ ইরাকিদের মধ্যে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত জনপ্রিয় হলেও, দেশটির সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে গভীর উদ্বেগ রয়ে গেছে। মার্কিন প্রশিক্ষণ ও আর্থিক সহায়তা পাওয়া স্থানীয় নিরাপত্তা বাহিনী কতটা প্রস্তুত, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। কারণ গত দুই দশকের ইতিহাস স্পষ্ট শিক্ষা দিয়েছে যে—যেকোনো আকস্মিক নিরাপত্তা শূন্যতা চরম বিপজ্জনক পরিণতি ডেকে আনতে পারে।
চলতি বছরে ইরানের সঙ্গে উত্তেজনাকর সংঘাতের সময় ১৮ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে সাতজনই ইরাকে প্রাণ হারিয়েছেন। সর্বশেষ ঘটনাটি ঘটে গত জুলাইয়ে, যখন এরবিলের কাছে একটি ঘাঁটিতে শত্রুভাবাপন্ন ড্রোন ধ্বংস করতে গিয়ে এক মার্কিন সেনা সার্জেন্ট মারা যান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আন্তর্জাতিক ফুটবলে নিজের শেষ ম্যাচ খেলতে যাচ্ছেন আর্জেন্টাইন ফুটবলার লিওনেল মেসি, যা বেনিনের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত হবে। বিদায়ের আগে, লিওনেল স্কালোনির নেতৃত্বাধীন দলটি আরও দুটি প্রীতি ম্যাচে অংশগ্রহণ করবে। তবে, বিশ্বকাপজয়ী এই কোচ নিশ্চিত করেছেন যে, মেসির আইকনিক ১০ নম্বর জার্সিটি আপাতত অন্য কেউ পরিধান করবেন না।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) কর্দোবার কেম্পেস স্টেডিয়ামে সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা বলিভিয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামবে। এরপর, তারা বুরকিনা ফাসো এবং আগামী ৭ অক্টোবর বুয়েন্স আয়ার্সে বেনিনের বিপক্ষে খেলবে। ৩৯ বছর বয়সী এই মহাতারকা বেনিনের বিপক্ষে জাতীয় দলের জার্সিতে শেষবারের মতো দেখা দেবেন। তবে, আন্তর্জাতিক বিরতির প্রথম দুই ম্যাচে তিনি বিশ্রামে থাকবেন।
পরবর্তী ম্যাচগুলোর পরিকল্পনা সম্পর্কে কোচ স্কালোনি বলেন, এটি মূলত নতুন ফুটবলারদের পরীক্ষা করার সুযোগ। মেসি-পরবর্তী সময়ে দলের কৌশল নিয়ে বাস্তববাদী স্কালোনি মন্তব্য করেন, "আমরা অন্যভাবে খেলার নতুন পথ খুঁজে নেব।" আক্রমণভাগে এবার হুলিয়ান আলভারেজ ও লাউতারো মার্টিনেজকে একসঙ্গে খেলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
মেসির আইকনিক ১০ নম্বর জার্সি প্রসঙ্গে কোচ বলেন, "লিওর বিদায়ী ম্যাচ পর্যন্ত এই জার্সি কাউকে দেওয়া হচ্ছে না।" তবে, ভবিষ্যতে অবশ্যই অন্য কেউ এটি পরিধান করবে, কারণ এটি পরিধান করা বিশেষ সম্মানের বিষয়। ২০২২ বিশ্বকাপ জয় এবং দীর্ঘ ২০৭ ম্যাচের জাতীয় দলের ক্যারিয়ারে বেশিরভাগ সময় এই নম্বরটি পরেই খেলেছেন মেসি।
এদিকে, চলতি বছরের ডিসেম্বরে চুক্তির মেয়াদ শেষ হতে যাওয়া স্কালোনি আর্জেন্টিনার কোচের পদে থাকার ইঙ্গিত দিয়েছেন। এএফএ সভাপতি ক্ল Claudio তাপিয়ার সঙ্গে বৈঠকে ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত চুক্তি বৃদ্ধির ব্যাপারে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।
স্কালোনি জানান, নতুন প্রতিভাদের উঠে আসা এবং দলের ক্ষুধা দেখেই তিনি পদে বহাল থাকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ