বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০১:৩৪ এম
কুমিল্লার চান্দিনায় একটি লরি সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে ধাক্কা দিয়ে পুকুরে পড়ে গেছে। এই ঘটনায় অটোরিকশার চালক এবং একজন যাত্রী নিহত হয়েছেন। আরও একজন আহত হয়েছেন।
আজ বুধবার (৮ জুলাই) দুপুর আড়াইটার সময় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চান্দিনা উপজেলার নূরীতলা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতের তালিকায় রয়েছে, কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার নিমসার পাঁচকিত্তা গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে হানিফ মিয়া (৩৫) এবং দেবীদ্বার উপজেলার দাঁড়িয়াপুর গ্রামের মনির হোসেনের ছেলে লাবিব হোসেন (১৫)।
আহত সজীব হোসেন (২৪) ঠিক একই উপজেলার দাঁড়িয়াপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে। তিনি নিহত লাবিবের মামাতো ভাই।
স্থানীয় সূত্রে খবর পাওয়া গেছে, বৃষ্টির মধ্যে মাধাইয়া থেকে ছেড়ে আসা সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি নূরীতলা এলাকায় পৌঁছালে পেছন থেকে চট্টগ্রামগামী একটি লরি তাকে ধাক্কা দেয়। ফলে অটোরিকশা ও লরিটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশের একটি পুকুরে পড়ে যায়।
স্থানীয়রা অবশ্য আহতদের উদ্ধার করে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের অবস্থার অবনতি হলে বিভিন্ন হাসপাতালে কুমিল্লায় পাঠানো হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হানিফ মিয়া এবং লাবিব হোসেন মারা যান।
হাইওয়ে পুলিশ ইলিয়টগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন সিকদার জানান, দুর্ঘটনার পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তিনজন আহতকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া নিহতদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে দীর্ঘদিন ধরে পার্কিং করে রাখা এবং পরিত্যক্ত বাসগুলি অপসারণের উদ্দেশ্যে যৌথ অভিযান পরিচালনা করেছে ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগ এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন।
ট্রাফিক সূত্রে জানা যায় যে, বুধবার (০৮ জুলাই) এই অভিযানে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালের অভ্যন্তরে দীর্ঘ সময় ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা একটি বাস, যা টি আর ট্রাভেলসের, সেটি ক্রেনের মাধ্যমে উত্তরা বিআরটিএ ডাম্পিং স্টেশনে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ছাড়া, টার্মিনালের ভেতরে পার্কিং করে রাখা আরও ৪২টি বাস অপসারণ মাধমে টার্মিনালের মধ্যে যথেষ্ট জায়গা খালি করা হয়েছে। এর ফলে টার্মিনালের যান চলাচল এবং ব্যবস্থাপনা আরও সুশৃঙ্খল হয়েছে।
জনস্বার্থে রাজধানীর বিভিন্ন বাস টার্মিনাল এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থানে যান চলাচলে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে এই ধরনের যৌথ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের নিয়মিত অভিযানে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৩২ জন গ্রেফতার হয়েছে। একই সময়ে, ৫৪ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রমনা বিভাগ কর্তৃক ৫০ জন, লালবাগ বিভাগ কর্তৃক ৩৩ জন, ওয়ারী বিভাগের অধীনে ৫৯ জন, মতিঝিল বিভাগ কর্তৃক ৪৯ জন, তেজগাঁও বিভাগ কর্তৃক ৪৯ জন, মিরপুর বিভাগ কর্তৃক ১০৭ জন, গুলশান বিভাগ কর্তৃক ৪৫ জন, উত্তরা বিভাগ ৩৭ জন এবং গোয়েন্দা বিভাগ কর্তৃক ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এই পরিস্থিতিতে তাদের হেফাজত থেকে ১৬ কেজি ৫৪০ গ্রাম গাঁজা, ৪৪৬ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৩২ গ্রাম হেরোইন, একটি মোটরসাইকেল, একটি শুটার মেশিন, একটি কাঠ কাটার মেশিন, একটি গ্র্যান্ডিং মেশিন ও একটি স্ট্যান্ড ফ্যান উদ্ধার করা হয়।
রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে দেশীয় অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর শেরেবাংলা নগর, মোহাম্মদপুর এবং তুরাগ থানা এলাকার বিশেষ অভিযান চালিয়ে পুলিশ ৩৬ জনকে গ্রেফতার করেছে।
শেরেবাংলা নগর থানার সূত্রে জানা যায়, সোমবার (০৬ জুলাই) অভিযানে শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ০৯ জনকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছে- ১। শ্রাবণী আক্তার (২২) ২। মোঃ কামাল হোসেন (৪৮) ৩। মোঃ ফয়সাল (২৭) ৪। মোঃ সাগর (২৫) ৫। মোহাম্মদ আলী ওরফে হযরত আলী ওরফে সুমন (২৭) ৬। মোঃ মাহমুদ (২৪) ৭। মোঃ নুরুজ্জামান মিয়া (৪৫) ৮। মোঃ সাইফুল ইসলাম (২৬) এবং ৯। শাহ জালাল (৩৬)।
অন্যদিকে, মোহাম্মদপুর থানার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (০৭ জুলাই) মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১৬ জনকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- ১। মোঃ সাগর হোসেন ওরফে মতি (৩১) ২। মোঃ সুমন হাওলাদার ওরফে সুমন (২৯) ৩। নিলিমা চৌধুরী বিউটি খাতুন (৪৫) ৪। মোঃ নয়ন (২২) ৫। মোঃ শাহ আলম (২৮) ৬। মোঃ সুমন (৩৮) ৭। খাজা নোমান (২৬) ৮। লিমন (২২) ৯। মোঃ রাকিব (২৪) ১০। মোঃ আশিক (২২) ১১। মোঃ রাসেল (৩০) ১২। মোঃ আশিক (২১) ১৩। মোঃ আলম মিয়া (২৫) ১৪। মোঃ জাকারিয়া (২৫) ১৫। মোঃ জাবেদ ও মটু (৩৪) এবং ১৬। মোঃ রুবেল মিয়া (৩২)।
এছাড়া, তুরাগ থানার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (০৭ জুলাই) তুরাগ থানা পুলিশও বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতরা হলো- ১। আল-আমিন (৩২) ২। বাবু (৩৬) ৩। সম্রাট (২৫) ৪। মাহমুদুল (২২) ৫। আলাউদ্দিন ওরফে কামরুল (৩২) ৬। সাকিব মিয়া (২৬) ৭। শফিকুল ইসলাম (৩৮) ৮। দুলাল মিয়া (৩৮) ৯। মোঃ মুকুল (৩৮) ১০। মোঃ সবুজ (৩০) এবং ১১। মোঃ বিল্লাল হোসেন (৩১)।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে নিয়মিত এবং পরোয়ানাভুক্ত মামলার আসামি রয়েছে এবং তারা বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত। এই গ্রেফতারকৃতদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানী ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ মোট ১৪৯২ টি মামলা করেছে।
ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ৬ টি বাস, ১০ টি সিএনজি ও ২২ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৭৩ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। অন্যদিকে, ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ৬ টি বাস, ১০ টি ট্রাক, ১ টি কাভার্ডভ্যান, ১১ টি সিএনজি এবং ৪৭ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৯৫ টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ৭ টি বাস, ৩ টি ট্রাক, ১১ টি কাভার্ডভ্যান, ৩৮ টি সিএনজি ও ৬২ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৫৬ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এছাড়া ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ৯৯ টি বাস, ৩৮ টি ট্রাক, ৪৪ টি কাভার্ডভ্যান, ৭৩ টি সিএনজি ও ১৩০ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৪৮৪ টি মামলা দায়ের করা হয়। অপরদিকে, ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ১০ টি বাস, ১৫ টি কাভার্ডভ্যান, ২৪ টি সিএনজি ও ৩৮ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৪৭ টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ৮ টি বাস, ৯ টি ট্রাক, ৭ টি কাভার্ডভ্যান, ২০ টি সিএনজি ও ৫৪ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১২০ টি মামলা তৈরি হয়েছে। ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ২৮ টি বাস, ৯ টি ট্রাক, ২২ টি কাভার্ডভ্যান, ৩৩ টি সিএনজি ও ৫৯ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২২০ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ১৫ টি বাস, ৯ টি কাভার্ডভ্যান, ৪০ টি সিএনজি ও ৬৪ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৯৭ টি মামলা হয়েছে।
এছাড়া অভিযানের সময় মোট ৩০১ টি গাড়ি ডাম্পিং ও ৩১৩ টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ কর্তৃক রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করে এসব মামলা তৈরি করা হয়।
ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ