ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাংলাদেশি দম্পতিকে রাস্তায় ফেলে পেটালেন ভারতীয় চিকিৎসক


বাংলাদেশি দম্পতিকে রাস্তায় ফেলে পেটালেন ভারতীয় চিকিৎসক

ভারতের বেঙ্গালুরুতে স্থানীয় এক চিকিৎসক দ্বারা মারধরের শিকার হয়েছেন বাংলাদেশি এক দম্পতি। এই ঘটনায় স্থানীয় সাই ক্লিনিকের চিকিৎসক ড. নাগেন্দ্রকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে, তিনি আদালতে হাজির হওয়ার পর জামিনে মুক্তি পেয়ে গেছেন।

শনিবার (২৫ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে এ ঘটনা নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, হামলার শিকার হচ্ছেন বাংলাদেশি দম্পতি নাসরিনা বিলাল এবং তার স্বামী মোহাম্মদ বিলাল। তারা বেঙ্গালুরুর হোয়াইটফিল্ডের কাছাকাছি বেত্তাদাসাপুরা এলাকায় বসবাস করছেন। তাদের ওপর এই হামলা তখন ঘটে, যখন চিকিৎসক নাগেন্দ্র সকালে রাস্তায় হঠাৎ তাদের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন করতে শুরু করেন এবং কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে হামলা করেন। নাসরিনা বিলাল অভিযোগ দায়ের করার পর পুলিশ মামলা রুজু করে এবং ডা. নাগেন্দ্রকে গ্রেপ্তার করে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

নিজের অভিযোগে নাসরিনা জানান, চিকিৎসক তাকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে মারধর করার পূর্বে তাদের বাংলাদেশি জাতীয়তা নিয়ে গালিগালাজ করেন। এরপর ডা. নাগেন্দ্র বিলালের মাথায় এবং পিঠে বারবার আঘাত করেন। তিনি বিলালকে মাটিতে ফেলে বেশ কয়েকটি লাথিও মারেন। কিছুই বললে মেরে ফেলার হুমকিও দেন ডা. নাগেন্দ্র।

জিজ্ঞাসাবাদের সময় চিকিৎসক নাগেন্দ্র বলেন যে, ওই এলাকায় অবৈধ বিদেশি নাগরিকদের বসবাসের কারণে তিনি সন্দেহবশত দম্পতিকে ‘অবৈধ অনুপ্রবেশকারী’ মনে করেছিলেন।

পুলিশ এ বিষয়ে সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে, নাগরিকত্ব বা অবৈধ অনুপ্রবেশের বিষয়ে সন্দেহ থাকলে তা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো উচিত। কাউকে নিজের হাতে আইন তুলে নেওয়া কিংবা শারীরিক আক্রমণে যাওয়া উচিত নয়। বর্তমানে ওই বাংলাদেশি দম্পতির ভারতে প্রবেশের কাগজপত্র এবং অভিবাসন সংক্রান্ত আইনি অবস্থার যাচাই করার জন্য তদন্ত চলছে। একই সঙ্গে মারধরের ঘটনায় দায়ের করা মামলাটির তদন্ত কার্যক্রমও চালানো হচ্ছে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রুসেলোসিসে গাভীর দুধের উৎপাদন কমছে, বছরে আড়াই কোটি টাকার ক্ষতি: বাকৃবির গবেষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:২২ পি.এম


ব্রুসেলোসিসে গাভীর দুধের উৎপাদন কমছে, বছরে আড়াই কোটি টাকার ক্ষতি: বাকৃবির গবেষণা

বাংলাদেশের দুগ্ধ খাতে ব্রুসেলোসিস এক নীরব কিন্তু বৃহৎ অর্থনৈতিক হুমকি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এ রোগে আক্রান্ত দুগ্ধবতী গাভীর দৈনিক গড়ে প্রায় এক লিটার দুধ উৎপাদন কমতে থাকে। প্রায় ২ হাজার ৭০০ গাভীর ওপর পরিচালিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, এর ফলস্বরূপ খামারিরা প্রতিবছর প্রায় আড়াই কোটি টাকার অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) একটি গবেষক দল দুই বছর ধরে এই গবেষণা পরিচালনা করেছেন।

সরকারের লাইভস্টক অ্যান্ড ডেইরি ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (এলডিডিপি)-এর অর্থায়ন এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সহযোগিতা নিয়ে এই গবেষণাটি সম্প্রতি আন্তর্জাতিক গবেষণা সাময়িকী অ্যানিমেল ডিজিজ-এ প্রকাশিত হয়েছে।

গবেষক দল ইউএনবিকে জানিয়েছেন, খামারিরা সাধারণত গাভীর গর্ভপাত হলে ব্রুসেলোসিসের বিষয়ে চিন্তা করেন। তবে লক্ষণহীন সুপ্ত সংক্রমণ থাকলেও গাভী প্রতি দৈনিক গড়ে প্রায় আধা লিটার এবং সক্রিয় সংক্রমণে প্রায় একটি লিটার বা তারও বেশি দুধ উৎপাদন কমতে পারে। ফলে খামারিরা সচেতন না হয়ে প্রতিদিন উল্লেখযোগ্য আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হন।

গবেষকরা সুপারিশ করেন যে, খামারে গর্ভপাত, গর্ভফুল আটকে যাওয়া, গাভী গরম না হওয়া অথবা বারবার প্রজননে ব্যর্থতা দেখা দিলে দ্রুত ভেটেরিনারিয়ানদের পরামর্শ নিতে হবে এবং পরীক্ষা করাতে হবে।

গবেষণার নেতৃত্ব দিয়েছেন বাকৃবির মেডিসিন বিভাগের ল্যাবরেটরি অব এপিডেমিওলজি অ্যান্ড প্রিভেন্টিভ মেডিসিনের অধ্যাপক ড. এ কে এম আনিসুর রহমান। গবেষক দলে ছিলেন একই বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সিদ্দিকুর রহমান, অধ্যাপক ড. এম আরিফুল ইসলাম, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ও পিএইচডি গবেষক ডা. মো. শফিউল আলম, মাস্টার্স শিক্ষার্থী মো. নাজমুল ইসলাম লিজান, বিশ্ব জ্যোতি অধিকারী, শান্তা ইসলাম, আর এস মাহমুদ হাসান এবং মিল্কভিটার ভেটেরিনারি কর্মকর্তা ও পিএইচডি গবেষক মুহাম্মদ আকতারুজ্জামান।

অধ্যাপক ড. এ কে এম আনিসুর রহমান বলেন, সক্রিয় ব্রুসেলোসিসে আক্রান্ত একটি গাভী সুস্থ গাভীর তুলনায় দৈনিক গড়ে ১ দশমিক ০১ লিটার এবং সুপ্ত সংক্রমণে আক্রান্ত গাভী ০ দশমিক ৫৩ লিটার কম দুধ উৎপন্ন করে।

গবেষণা পদ্ধতি সম্পর্কে তিনি জানান, ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের প্রধান দুধ উৎপাদনকারী অঞ্চলের ১৭টি বড় বাণিজ্যিক খামারের ২ হাজার ৬৯৬টি দুগ্ধবতী গাভীর তথ্য ও দুধের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। আধুনিক ল্যাব পরীক্ষার পাশাপাশি ‘বায়েসিয়ান মিক্সড-ইফেক্টস মাল্টিনোমিয়াল রিগ্রেশন’ পদ্ধতি মাধ্যমে গাভীগুলোকে সুস্থ, সুপ্ত সংক্রমণ এবং সক্রিয় ব্রুসেলোসিসে আক্রান্ত—এ তিন শ্রেনিতে ভাগ করা হয়েছে।

তিনি জানান, সাধারণত ব্রুসেলোসিসকে শুধুমাত্র ‘সুস্থ’ বা ‘আক্রান্ত’—এই দুটি মাত্রায় বিবেচনা করা হলেও এই গবেষণায় প্রথমবারের মতো সুপ্ত সংক্রমণকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। যদিও বাইর থেকে সুস্থ মনে হচ্ছে, তবুও এ ধরনের গাভীর দুধ উৎপাদন কমে যায় এবং ভবিষ্যতে রোগটি সক্রিয় হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

রোগ শনাক্তকরণের জন্য ব্যবহৃত আধুনিক গাণিতিক বিশ্লেষণে বাকৃবির গবেষকদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করেছেন গ্রিসের থেসালি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞ লেফটেরিস মেলেটিস ও পলিক্রোনিস কস্তুলাস।

গবেষণার অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বড় বাণিজ্যিক ডেইরি খামারগুলিতে শুধু ব্রুসেলোসিসের কারণে বছরে গড়ে প্রায় ২ কোটি ৪১ লক্ষ টাকার ক্ষতি হতে পারে, যার বড় অংশই দুধ উৎপাদন কমে যাওয়ার কারণে হয়।

ক্ষতি কমানোর উপায় সম্পর্কে অধ্যাপক আনিসুর রহমান বলেন, অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে পরিকল্পিত গণটিকাদানকে সবচেয়ে লাভজনক পদ্ধতি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এতে প্রতি ১ টাকার বিনিয়োগে গড়ে ৮ টাকা ১৪ পয়সা পর্যন্ত ক্ষতি এড়ানো সম্ভব। তবে আক্রান্ত গরু শনাক্ত করে খামার থেকে বাদ দেওয়ার পদ্ধতি সরকারি ভর্তুকি ছাড়া সাধারণ খামারিদের জন্য ব্যয়বহুল।

গবেষক দলের সদস্য ও জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. শফিউল আলম বলেন, ব্রুসেলোসিস মানুষের জন্যও একটি বিপজ্জনক জুনোটিক রোগ। আক্রান্ত গরুর কাঁচা দুধ পান করা বা সংক্রমিত প্রাণীর সংস্পর্শে এসে মানুষও এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে ব্রুসেলোসিস নিয়ন্ত্রণের জন্য উচ্চ ঝুঁকির গাভী দ্রুত শনাক্তকরণ, নিয়মিত রোগ নজরদারি, প্রজনন স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা জোরদার এবং বড় খামারের পাশাপাশি ছোট খামারগুলোতে এ বিষয়ে আরও বিস্তৃত গবেষণার প্রয়োজন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুনামগঞ্জে শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:২৬ পি.এম


সুনামগঞ্জে শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ

সুনামগঞ্জে একটি শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে তিন সন্তানের জনক সাইফুল হককে স্থানীয় লোকজন গণধোলাই দেন।

রোববার (২৬ জুলাই) বিকেলে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার পুলিশ সাইফুল হককে আটক করেন।

আটককৃত যুবকের নাম সাইফুল হক (২৫), তিনি সুনামগঞ্জ শহরের নতুনহাছন নগরে বাসিন্দা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র থেকে জানা গেছে, সাইফুল হক বিবাহিত এবং তার তিন সন্তান রয়েছে। রবিবার দুপুরে, সাইফুল ওই শিশু শিক্ষার্থীকে প্রতিবেশী হিসেবে তার নিজের ঘরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে।

শিশুটির কান্না ও চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এলে সাইফুল হক পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

এ সময় গ্রামের লোকজন তাকে ধরে গণধোলাই দেয় এবং ঘটনাটি থানায় জানায়।

পরে পুলিশ সাইফুল হককে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। অন্যদিকে, ধর্ষণের শিকার ওই শিশুটিকে তাৎক্ষণিকভাবে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ বলেন, প্রতিবেশী এক শিশুকে ধর্ষণ করার অভিযোগে সাইফুল হককে গ্রামের লোকজন আটক রেখে মারধর করে এবং পুলিশকে খবর দেয়।

পরে তাকে আটক করে থানায় আনা হয়। আহত শিশুটিকে তার পরিবারের লোকজন হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। আটককৃত সাইফুলের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আগামীকাল সোমবার তাঁকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশে স্বৈরাচার ফিরে আসার সুযোগ নেই: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:২৮ পি.এম


দেশে স্বৈরাচার ফিরে আসার সুযোগ নেই: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, মনে রাখতে হবে, যারা পালিয়ে গেছে তারা বসে নেই। তাদের সাঙ্গপাঙ্গরা আশপাশেই আছে। তবে কোনো অবস্থাতেই স্বৈরাচারের পুনরুত্থানের সুযোগ নেই।

রোববার (২৬ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহিদদের স্মরণে জাতীয়তাবাদী টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (জেটেব) আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, জনগণের অধিকার নিয়ে কেউ যেন ছিনিমিনি খেলতে না পারে, সেদিকে লক্ষ্য রাখার দায়িত্ব সবার। যারা মনে করেছিলেন ষড়যন্ত্র করে ২০০৯ সালের মতো ক্ষমতায় চলে যাবেন, তাদেরও অনেক কষ্ট হচ্ছে। কারণ, জনগণ তাদের ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দিয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।

ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, আজকে আমাদের চিন্তা করার সময় এসেছে। কিছু মানুষ ভেতর থেকে, আর কিছু মানুষ বাইরে থেকে বিভিন্ন ধরনের বক্তব্য দিচ্ছেন, হুংকার দিচ্ছেন। বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের কথাও পত্রপত্রিকায় শোনা যায়।

তিনি বলেন, আমাদের মনে রাখতে হবে, বিগত ১৯ বছর গণতন্ত্রহীন থাকার পর ১২ ফেব্রুয়ারি একজন জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে মানুষ দীর্ঘদিন পর ভোট দিয়েছে। ২০০৮ সালেও মানুষ নিশ্চিন্তে ভোট দিতে পারেনি। তখনো প্রকৃত ভোটের প্রতিফলন মানুষ দেখেনি। এবারই প্রথম জনগণের ভোট, জনগণের অংশগ্রহণের ভোট হয়েছে। মানুষ নিশ্চিন্তে, নির্বিঘ্নে ও নির্ভয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে।

জাহিদ হোসেন বলেন, যখনই গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত হয়েছে, গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কিংবা দেশ ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে, তখনই বিএনপি মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের মার্চে যখন কেউ কেউ পালিয়ে গিয়েছিলেন, কেউ কেউ আত্মসমর্পণ করেছিলেন, তখন চট্টগ্রাম থেকে অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা ও বিদ্রোহের সূচনা করেছিলেন এবং অস্ত্র হাতে রণাঙ্গনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। দেশ যখন অন্ধকার অমানিশার দিকে যাচ্ছিল, তখন জিয়াউর রহমান হাল ধরেছিলেন।

জাহিদ হোসেন বলেন, আমরা তখন কানে শুনেছি কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে সেই ঘোষণা। কিন্তু আজ সেই ইতিহাসও মুছে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর যখন আবারও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা হয়েছিল এবং দেশের স্বাধীনতা বিপন্ন হওয়ার উপক্রম হয়েছিল, তখন সিপাহি-জনতা আস্থা রেখেছিল সেই মানুষটির ওপর, যিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন এবং যার কোনো পিছুটান ছিল না।

মন্ত্রী বলেন, তখন বিএনপি নামের কোনো দল ছিল না। কিন্তু জনগণ ও সিপাহি-জনতার আস্থা ছিল মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানের প্রতি। বন্দিদশা থেকে তাকে মুক্ত করে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।

তিনি বলেন, বিএনপি দলগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, কিন্তু কখনো ক্ষমতাকে আঁকড়ে ধরে রাখার চেষ্টা করেনি। বিএনপির মধ্যে জনমতের প্রতি শ্রদ্ধা ছিল, কোনো স্বৈরাচারী মানসিকতা ছিল না।

তিনি বলেন, জনগণের পাশে না থাকলে, জনগণের ভালোবাসা অর্জন করতে না পারলে, যত প্রশাসন বা বাহিনীর ওপর নির্ভর করা হোক না কেন, শেষ পর্যন্ত কাচের ঘরের মতো সব ভেঙে যায়। জনগণের ভালোবাসা না থাকলে ক্ষমতায় থাকাও অনিশ্চিত হয়ে যায়, জীবন রক্ষাও অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।

জেটেব কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মো. ফখরুল আলমের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার এ বি এম রুহুল আমীন আকন্দের সঞ্চালনায় সভায় সংগঠনটির নেতাকর্মী ও জুলাই শহিদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাঙ্গামাটিতে হেডম্যান কারবারীদের সম্মেলন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৩১ পি.এম


রাঙ্গামাটিতে হেডম্যান কারবারীদের সম্মেলন

রাঙ্গামাটি, ২৬ জুলাই ২০২৬ : জেলার রাজস্থলী উপজেলায় আজ সেনাবাহিনীর কাপ্তাই জোনের উদ্যোগে হেডম্যান-কারবারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় রাজস্থলী আর্মি ক্যাম্পে অনুষ্ঠিত হেডম্যান-কারবারী সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন রাজস্থলী সাব-জোন কমান্ডার মেজর হাফিজ আহম্মদ সৈকত।

সম্মেলনে রাজস্থলী সাব-জোনের জেসিও মিজানুর রহমান, ১নং ঘিলাছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবার্ট ত্রিপুরা, ২নং গাইন্দ্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পুচিংমং মারমা, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান উথিনসিন মারমা সহ বিভিন্ন মৌজা থেকে আগত ৯ জন মেম্বার, ৮ জন হেডম্যান এবং ১০২ জন কারবারী সহ গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সম্মেলনে স্থানীয় হেডম্যান ও কারবারীরা বক্তব্য রাখেন এবং তারা বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা সম্পর্কে অবহিত করেন।

সম্মেলনে সভাপতির বক্তব্যে সাব-জোন অধিনায়ক মেজর হাফিজ বলেন, সেনাবাহিনী আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি জনসাধারণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নসহ পার্বত্য এলাকায় বসবাসরত সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় সেনাবাহিনী নিরলসভাবে কাজ করেছে এবং দুস্থদের সহযোগিতা প্রদান অব্যাহত রয়েছে।

মেজর হাফিজ উল্লেখ করেন, পার্বত্য এলাকায় মাদকের আগ্রাসন বন্ধ করতে হবে। মাদককে নিমূল করার জন্য তিনি সকলের প্রতি সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহবান জানান।

তিনি এলাকার শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%