০৯:২০ পি.এম
ভারতের বেঙ্গালুরুতে স্থানীয় এক চিকিৎসক দ্বারা মারধরের শিকার হয়েছেন বাংলাদেশি এক দম্পতি। এই ঘটনায় স্থানীয় সাই ক্লিনিকের চিকিৎসক ড. নাগেন্দ্রকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে, তিনি আদালতে হাজির হওয়ার পর জামিনে মুক্তি পেয়ে গেছেন।
শনিবার (২৫ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে এ ঘটনা নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, হামলার শিকার হচ্ছেন বাংলাদেশি দম্পতি নাসরিনা বিলাল এবং তার স্বামী মোহাম্মদ বিলাল। তারা বেঙ্গালুরুর হোয়াইটফিল্ডের কাছাকাছি বেত্তাদাসাপুরা এলাকায় বসবাস করছেন। তাদের ওপর এই হামলা তখন ঘটে, যখন চিকিৎসক নাগেন্দ্র সকালে রাস্তায় হঠাৎ তাদের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন করতে শুরু করেন এবং কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে হামলা করেন। নাসরিনা বিলাল অভিযোগ দায়ের করার পর পুলিশ মামলা রুজু করে এবং ডা. নাগেন্দ্রকে গ্রেপ্তার করে।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
নিজের অভিযোগে নাসরিনা জানান, চিকিৎসক তাকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে মারধর করার পূর্বে তাদের বাংলাদেশি জাতীয়তা নিয়ে গালিগালাজ করেন। এরপর ডা. নাগেন্দ্র বিলালের মাথায় এবং পিঠে বারবার আঘাত করেন। তিনি বিলালকে মাটিতে ফেলে বেশ কয়েকটি লাথিও মারেন। কিছুই বললে মেরে ফেলার হুমকিও দেন ডা. নাগেন্দ্র।
জিজ্ঞাসাবাদের সময় চিকিৎসক নাগেন্দ্র বলেন যে, ওই এলাকায় অবৈধ বিদেশি নাগরিকদের বসবাসের কারণে তিনি সন্দেহবশত দম্পতিকে ‘অবৈধ অনুপ্রবেশকারী’ মনে করেছিলেন।
পুলিশ এ বিষয়ে সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে, নাগরিকত্ব বা অবৈধ অনুপ্রবেশের বিষয়ে সন্দেহ থাকলে তা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো উচিত। কাউকে নিজের হাতে আইন তুলে নেওয়া কিংবা শারীরিক আক্রমণে যাওয়া উচিত নয়। বর্তমানে ওই বাংলাদেশি দম্পতির ভারতে প্রবেশের কাগজপত্র এবং অভিবাসন সংক্রান্ত আইনি অবস্থার যাচাই করার জন্য তদন্ত চলছে। একই সঙ্গে মারধরের ঘটনায় দায়ের করা মামলাটির তদন্ত কার্যক্রমও চালানো হচ্ছে।
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন