ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মাদক প্রতিরোধে কাউখালীতে আয়োজন করা হলো ফুটবল ম্যাচ


মাদক প্রতিরোধে কাউখালীতে আয়োজন করা হলো ফুটবল ম্যাচ

পিরোজপুরের কাউখালীতে মাদক প্রতিরোধের লক্ষ্যে ১নং সয়না-রগুনাথপুর ইউনিয়ন শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে হোগলা-বেতকা হাইস্কুল মাঠে, যেখানে হাজার-হাজার দর্শক উপস্থিত ছিলেন। এক্ষেত্রে ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন এবং অটো শ্রমিক ইউনিয়নের মধ্যে খেলা অনুষ্ঠিত হয় শুক্রবার বিকালে। ফলস্বরূপ, ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন ১-০ গোলে জয় লাভ করে।

ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের রাসেল সেরা খেলোয়াড় হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণের কাজ করেন প্রধান অতিথি হিসেবে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক এইচ, এম দ্বীন মোহাম্মদ। এ ছাড়া বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব শাফিউল আজম দুলাল, সমাজ সেবক ওসমান গনি, উপজেলা ক্রিয়া সংস্থার সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক লিয়াকত হোসেন, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক হুমাউন কবির সিকদার, উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক জাহিদুর রহমান ফিরোজ এবং ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি ও খেলার আয়োজক কমিটির আহবায়ক মোঃ মিন্টু উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আরিয়ানের পরিবারের পাশে দাঁড়ালো উপজেলা ছাত্রদল, কর্মসংস্থানের আশ্বাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১৯ পি.এম


আরিয়ানের পরিবারের পাশে দাঁড়ালো উপজেলা ছাত্রদল, কর্মসংস্থানের আশ্বাস

সংবাদমাধ্যমে অসহায় ছাত্রদল নেতা আরিয়ান আহমেদ সাগরের পারিবারিক দুর্দশার খবর প্রকাশের পর বাবুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদল তার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে। শুক্রবার (১৮ জুলাই) সকালে ১১টায় উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চর হোগলপাতিয়া গ্রামে উপজেলার ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ আরিয়ানের বাড়িতে গিয়ে উপস্থিত হয়। উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. আতিকুর রহমান আল আমিন-এর নেতৃত্বে নেতারা আরিয়ানের অসুস্থ বাবা-মায়ের খোঁজখবর নিয়েছেন। এই সময় তারা পরিবারের হাতে নগদ আর্থিক সহায়তা তুলে দিয়েছেন। একই সঙ্গে জরাজীর্ণ বসতঘরটি নিরাপদভাবে মেরামতের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন এবং ছাত্রদল নেতা আরিয়ান আহমেদ সাগরের জন্য একটি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার ঘোষণাও দিয়েছেন।

উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. আতিকুর রহমান আল আমিন এ সময় বলেন, “আরিয়ানের পরিবারের দুরবস্থার সংবাদ প্রকাশের পর আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেছি। একজন নিবেদিতপ্রাণ ছাত্রদল কর্মীর পরিবারকে এমন কষ্টে থাকতে দেওয়া যায় না। আমরা তার জন্য একটি স্থায়ী কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। পাশাপাশি বসতঘর মেরামতের বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হবে।” সহায়তা পেয়ে আবেগাপ্লুত আরিয়ান আহমেদ সাগর ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ ও সংবাদ প্রকাশে সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আমি কখনো কারও কাছে বিলাসী জীবনের দাবি করিনি। শুধু একটি কর্মসংস্থানের সুযোগ চেয়েছি, যাতে অসুস্থ বাবা-মা ও ছোট ভাইকে নিয়ে সম্মানের সঙ্গে বাঁচতে পারি। আজ নেতৃবৃন্দ আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন, এজন্য আমি তাদের কাছে কৃতজ্ঞ।” এ সময় উপস্থিত ছিলেন আগরপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল মালেক শিকদার, সাধারণ সম্পাদক মো. সিদ্দিকুর রহমান মামুন, বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি মো. আজিজুল হক, বাবুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মো. ইয়াসির আরাফাত, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নিয়াজ মোরশেদ, মো. ওয়াশিকুর রহমান বাপ্পি, বিপ্লব মিস্ত্রি, ছাত্রদল নেতা মো. সাগর আহমেদ, যুবদল নেতা মো. ফারুক আহমেদ এবং অন্যান্য নেতাকর্মীরা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভয়াবহ নদীভাঙনে অস্তিত্ব সংকটে মুলাদী উপজেলার ঘরবাড়ি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:২১ পি.এম


ভয়াবহ নদীভাঙনে অস্তিত্ব সংকটে মুলাদী উপজেলার  ঘরবাড়ি

বরিশালের নদীবেষ্টিত মুলাদী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ভয়াবহ নদীভাঙন ও বন্যার পানি বৃদ্ধিতে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ।

উপজেলার চরকালেখা, সফিপুর, নাজিরপুর, বাটামারা, কাজিরচরসহ নদীতীরবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ প্রতিদিন আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। অব্যাহত নদীভাঙনে একের পর এক বসতভিটা, কৃষিজমি ও গাছপালা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। অনেক পরিবার তাদের শেষ সম্বলটুকু হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে কিংবা আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কয়েকদিন ধরে বন্যার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নদীর তীব্র স্রোতে ভাঙনের গতি আরও বেড়ে গেছে। প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে। অনেকেই বছরের পর বছর ধরে ভাঙনের সঙ্গে লড়াই করলেও এখন তাদের আর টিকে থাকার মতো কোনো উপায় নেই। বসতভিটা হারিয়ে শিশু, নারী ও বৃদ্ধসহ অসংখ্য মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, নাজিরপুর এলাকার নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত কিছু পরিবার সরকারি সহায়তা হিসেবে চাল পেয়েছেন। তবে এই সাময়িক সহায়তা তাদের দীর্ঘমেয়াদী দুর্ভোগ লাঘবের জন্য যথেষ্ট নয়। তাদের দাবি, দ্রুত পর্যাপ্ত ত্রাণ, পুনর্বাসন এবং সর্বোপরি স্থায়ী নদীশাসনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, প্রতিবছরই নদীভাঙনে মুলাদীর বিস্তীর্ণ এলাকা বিলীন হচ্ছে। ভাঙন রোধে কার্যকর ও স্থায়ী ব্যবস্থা না নেওয়ায় পরিস্থিতি দিন দিন আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে। তারা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এভাবে নদীভাঙন চলতে থাকলে ভবিষ্যতে বরিশালের মানচিত্র থেকেই মুলাদী উপজেলার বড় একটি অংশ হারিয়ে যেতে পারে।

স্থানীয় সমাজসেবক মো. নুরুল হক খান বলেন, নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। মানুষ তাদের ঘরবাড়ি, জমিজমা ও জীবিকার উৎস হারিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তিনি দ্রুত নদীশাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন, ভাঙনকবলিত এলাকার মানুষের পুনর্বাসন এবং পর্যাপ্ত সরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছেন।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সরকারের প্রতি আকুল আবেদন জানিয়ে বলেন, "আমরা ত্রাণ নয়, বাঁচার নিশ্চয়তা চাই। আমাদের ঘরবাড়ি ও বসতভিটা রক্ষায় স্থায়ী ব্যবস্থা নিন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আমাদের মুলাদী উপজেলাকে রক্ষা করুন। নদীভাঙনের ভয়াল থাবা থেকে আমাদের বাঁচান।"

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ক্ষয়ক্ষতির সঠিক হিসাব নিয়ে জরুরি ভিত্তিতে নদীভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে, যাতে মুলাদীর হাজারো পরিবার নিরাপদে বসবাস করতে পারে এবং তাদের জীবিকা ও ভবিষ্যৎ রক্ষা পায়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কলাপাড়ায় জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকি ক্রমশই বাড়ছে, রাতের ঘুম আসছে হারানো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:২২ পি.এম


কলাপাড়ায় জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকি ক্রমশই বাড়ছে, রাতের ঘুম আসছে হারানো

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বেড়িবাঁধের বাইরের অন্তত ছয় হাজার পরিবারের জলোচ্ছ্বাস ঝুঁকি বহুগুণে বেড়েছে। বর্ষা শুরু হলেই এই উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের মনে এক অজানা আতঙ্ক ভর করে। আকাশে মেঘ জমা হওয়া, সাগরে নিম্নচাপ অথবা পূর্ণিমার জোয়ারের খবর এলেই বেড়িবাঁধের বাইরের গ্রামের মানুষ রাতের ঘুম হারায়। কারণ, যে কোনো মুহূর্তে জলোচ্ছ্বাসের পানি তাদের বসতভিটায় হামলে পড়তে পারে। ২০২৫ সালের বর্ষা মৌসুমে এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। অস্বাভাবিক জোয়ার, নিম্নচাপজনিত জলোচ্ছ্বাস এবং টানা বর্ষণে কলাপাড়ার অন্তত ছয়টি ইউনিয়নের উপকূলীয় জনপদে ভয়াবহ মানবিক সংকট সৃষ্টি হয়। কিন্তু এবছর বর্ষা মৌসুমে স্বাভাবিক জোয়ারেও পানির উচ্চতা ক্রমশ বাড়ছে। তিন নম্বর সতর্ক সংকেতকালীন সময় জলোচ্ছ্বাসে বাড়িঘর ডুবে যায়। রান্নার চুলা পর্যন্ত ডুবছে। বাস উপযোগিতা হারানোর শঙ্কায় পড়েছেন এসব মানুষ। অনেকে বলছেন তারা ৫০ বছর ধরে এখানে বসবাস করছেন। কিন্তু এখন পানির চাপ ক্রমশ বাড়ছে এবং ঘরের ভিটি উচু করেও শেষ রক্ষা হয় না।

টিয়াখালী পশ্চিম লোন্দা সেতুর পূর্বপাশে ধানখালীর লোন্দায় বেড়িবাঁধের বাইরে প্রায় ২৫০ পরিবারের বসবাস। তারা জানিয়েছেন, এবছর পানির চাপ এত বেশি যে বাড়িঘরে তারা থাকতে পারছেন না। সেখানে বাসিন্দা হালিমা আয়শা জানান, অমাবস্যা-পুর্ণিমার সময় তারা পানিবন্দী থাকেন। এখন নরমাল জোয়ারেও পানির উচ্চতা বাড়ছে। বাড়িঘর ডুবে যায়। আর তিন নম্বর সংকেত থাকলে তো সবই ডুবে যায়। তাদের প্রটেকশনের নিজস্ব রিং বেড়িবাঁধও ভেঙে গেছে। আজ শনিবার দুপুরেও অস্বাভাবিক জোয়ার বইছে। জোয়ারের সময় পানিতে সব থৈ থৈ করে। বাস উপযোগিতা থাকছে না। রাতের বেলায় জলোচ্ছ্বাসের ভয়ে জেগে থাকতে হচ্ছে। নীলগঞ্জের সলিমপুর গ্রামে বেড়িবাঁধের বাইরের বাসিন্দা শিক্ষার্থী নুরুল করিম জানান, এখন পূর্ণিমা ও অমাবস্যার সময় জোয়ার জলোচ্ছ্বাসে পরিণত হয়। এটি গত তিন বছর ধরে একইভাবে চলছে। ক্রমশ পানির চাপ বাড়ছে। নরমাল সময়ে আগে এমন আর দেখেননি। সমস্যার যেন শেষ নেই।

ধানখালীর সাবেক চেয়ারম্যান রিয়াজউদ্দিন তালুকদার জানিয়েছেন, লোন্দা থেকে নমরহাট বাজার পর্যন্ত বেড়িবাঁধের বাইরের ঝুঁকিপূর্ণ বসবাস করছে প্রায় এক হাজার পরিবার। পুরো ইউনিয়নে রয়েছে আরও অন্তত পাঁচশত পরিবার। তিনি জানিয়েছেন, ঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে এই পরিবারগুলোতে প্রাণহানির ঝুঁকি থাকছে। তবুও ঝুঁকি নিয়ে মানুষগুলো বসবাস করছেন। তারা আগে বেড়িবাঁধের স্লোপে থাকতেন, এখন বাঁধের উন্নয়নসহ ওইসব এলাকা অধিগ্রহণ করা হয়েছে। রাস্তাগুলো সম্প্রসারণ করা হয়েছে। বাঁধের স্লোপ থেকে এসব মানুষ উচ্ছেদ হয়ে গেছে। চম্পাপুর ইউনিয়নে বেড়িবাঁধের বাইরে ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছে অন্তত ৬০টি পরিবার। তাদের বসবাস চরম ঝুকিপূর্ণ।

বালিয়াতলীর চেয়ারম্যান এবিএম হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, তার ইউনিয়ন বালিয়াতলীর চরনজীব থেকে বাবলাতলা বাজার পর্যন্ত প্রায় দুইশত পরিবার বেড়িবাঁধের বাইরে অবস্থান করছে। তাছাড়া পক্ষিয়াপাড়া বাজার থেকে শনিবারের বাজার পর্যন্ত আরও সাত আটটি পরিবার বাঁধের বাইরে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে। ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাওলানা হেদায়েত উল্লাহ জেহাদী জানিয়েছেন, ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব ডালবুগঞ্জে ৪১টি ঘর আছে। গাববাড়িয়া বাঁধ থেকে মেহেরপুর পর্যন্ত ৪৫টি পরিবার। ডালবুগঞ্জ, থানখোলাস্লুইস, রসুলপুর, পেয়ারপুর, ফুলবুনিয়ায় ৪০টি এবং মনষাতলী, খাপড়াভাঙ্গা ও বরকুতিয়ায় আরও ৩০টি পরিবার বেড়িবাঁধের বাইরে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাস করছে। মিঠাগঞ্জের চেয়ারম্যান মেজবাহ উদ্দিন খান দুলাল জানিয়েছেন, ইউনিয়নের তেগাছিয়া বাজারের আশপাশে ২৫টি পরিবার, মিঠাগঞ্জে তিনটি, মেলাপাড়া ৪০টি, উত্তর চরপাড়া ৬৮টি, দক্ষিণ চরপাড়া প্রায় ১০টি এবং মধুখালীর লেকের দুই পাড়ে অন্তত ৬০টি পরিবার ঝুঁকিপূর্ণ বসবাস করছে। লতাচাপলীর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, এই ইউনিয়নের সহস্রাধিক পরিবার অস্বাভাবিক জোয়ারের সময় পানিবন্দী থাকে। এসব পরিবার বেড়িবাঁধের বাইরের ঝুঁকিপূর্ণ বসবাস করছে। মম্বিপাড়া, দক্ষিন মুসুল্লিয়াবাদ, নাইয়রিপাড়া, গোড়া আমখোলা পাড়া, লক্ষীর বাজার এলাকা এসব পরিবারের বসবাসের ক্ষেত্র।

ধুলাসার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুর রহিম জানিয়েছেন, এখানকার গঙ্গামতি, চরগঙ্গামতি ও কাউয়ারচরে অন্তত দুই হাজার পরিবার খুব ঝুকিপূর্ন অবস্থায় বসবাস করছে। এদের বর্ষা মৌসুমে অস্বাভাবিক জোয়ারে বাড়িঘর ছাড়তে হয়। সিডরের সময় এখানে প্রাণহানি ঘটে চার জনের। লালুয়ার চেয়ারম্যান শওকত হোসেন তপন বিশ্বাস জানিয়েছেন, বেড়িবাঁধের বাইরের ঝুঁকিপুর্ণ সহস্রাধিক পরিবার বসবাস করছে। এক যুগ ধরে বেড়িবাঁধ না থাকায় এসব পরিবারে এখন জীবিকার দুর্ভোগ পরিণত হয়েছে পানির সঙ্গে যুদ্ধ করে। তাদের ভোগান্তি যেন অন্তহীন। একই দৃশ্য ১২টি ইউনিয়নের সর্বত্র। এইভাবে অন্তত ছয় হাজার পরিবার বেড়িবাঁধের বাইরের চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় বসবাস করছে। এসব পরিবারের কমপক্ষে ৩০ হাজার মানুষ জীবন ও সম্পদের ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করে। তাদের অমাবস্যা ও পূর্ণিমার সময় বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে কাটে বিনিদ্র রাত। জলোচ্ছ্বাস আতঙ্কে রয়েছে এসব হাজার হাজার পরিবারের মানুষ। আর এখন এই ঝুঁকি আরও বাড়ছে। এসব পরিবারের পুনর্বাসনে এখনই পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন বলে ভুক্তভোগীরা জানান।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আরিফুজ্জামান জানিয়েছেন, বেড়িবাঁধের বাইরের বাসিন্দাদের জলোচ্ছ্বাসের কবল থেকে রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলীদের সঙ্গে আলোচনা করে স্থায়ী একটি পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনার কাজ শুরু করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রবাসীর নির্মাণাধীন স্বপ্নের ভবন ধসে পড়েছে কচুয়ায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:২৮ পি.এম


প্রবাসীর নির্মাণাধীন স্বপ্নের ভবন ধসে পড়েছে কচুয়ায়

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার তেতৈয়া গ্রামে একটি পুকুরে মাছ বিক্রির উদ্দেশ্যে পানি কমানোর ফলে এক প্রবাসীর নির্মাণাধীন ভবন সম্পূর্ণভাবে ধসে পড়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার কারণে প্রবাসী ভবন মালিক ও পুলিশের এএসআই মহিউদ্দিন মানিকের প্রায় ৪০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে, বলছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার।

অভিযোগ সূত্রে জানা যাচ্ছে যে, কচুয়া উপজেলার তেতৈয়া গ্রামের মজুমদার বাড়ীর একটি পুকুরে পুনরায় মাছ চাষের জন্য পানি কমাতে গিয়ে মাছ বিক্রির কাজ চলছিল। এ সময় পুকুরের পূর্ব পাশের নির্মাণাধীন ভবনটি ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যায় এবং এক পর্যায়ে ভবনের একটি বড় অংশ ধসের ঘটনায় পতিত হয়। এই ধসের কারণে ভবনটি এখন বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এবং পরিবারটির সদস্যরা বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে জীবন যাপন করছেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের অভিযোগ, সাবেক ইউপি সদস্য সোহরাব হোসেন মজুমদার এবং আবুল হাসানাত মজুমদারকে একাধিকবার সতর্ক করা হলেও তারা তা উপেক্ষা করে পুকুরের পানি কমিয়ে মাছ বিক্রির কার্যক্রম চালিয়ে যান। এর ফলে ভবনের ভিত্তি দুর্বল হয়ে ধসের ঘটনাটি ঘটে।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা আরো জানান, এই ঘটনায় তাঁদের প্রায় ৪০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। অভিযুক্ত সাবেক ইউপি সদস্য সোহরাব হোসেন মজুমদার ও হাসানাত মজুমদারের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। এছাড়া, এলাকাবাসীর দাবি, অপরিকল্পিতভাবে পুকুরের পানি নিষ্কাশনের কারণে ভবন ধসের মতো ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তারা দ্রুত ঘটনাটি তদন্ত করার পাশাপাশি দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে আহ্বান জানিয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%