রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৪৪ পি.এম
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) নতুন উপাচার্য (ভিসি) হিসেবে নিয়োগ লাভ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. নূরুল ইসলাম।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যের অনুমোদনে এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য পদ থেকে অধ্যাপক নূরুল ইসলামকে অব্যাহতি প্রদান করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ, ১৯৭৩-এর ১১(১) ধারা অনুযায়ী তাকে উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, তিনি যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর অথবা অবসর গ্রহণের তারিখের মধ্যে যেটি আগে হবে, সেই সময় পর্যন্ত উপাচার্য পদে থাকবেন।
অধ্যাপক নূরুল ইসলাম এর আগে চলতি বছরের ১৬ মার্চ ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন। এছাড়া, তিনি ২০২৪ সালের ৩ নভেম্বর থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রো-ভিসি) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করবেন।
অধ্যাপক নূরুল ইসলাম ২০১১ সালে যুক্তরাজ্যের নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল বিভাগ থেকে ১৯৯২ ও ১৯৯৩ সালে যথাক্রমে বিএসসি (অনার্স) ও এমএসসি (থিসিস) সম্পন্ন করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীনে ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির সদস্যভুক্ত বিভিন্ন ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। মোট ২২০ জন কর্মকর্তা নিয়োগের জন্য ৬ থেকে ১০ গ্রেডের ১৭ ক্যাটাগরির পদ খালি রয়েছে।
আবেদন করা যাবে আগামী ১৮ অক্টোবর ২০২৬ রাত ১২টা পর্যন্ত।
এক নজরে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
১. পদের নাম: অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (ইলেকট্রিক্যাল)/সিনিয়র অফিসার (সহকারী প্রকৌশলী-ইলেকট্রিক্যাল)
পদসংখ্যা: ৬টি, (গ্রেড-৯)
শিক্ষাগত যোগ্যতা: ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে স্নাতক পাস।
বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
২. পদের নাম: অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (টেক্সটাইল)/সিনিয়র অফিসার (সহকারী প্রকৌশলী-টেক্সটাইল)
পদসংখ্যা: ৩টি, (গ্রেড-৯)
শিক্ষাগত যোগ্যতা: টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে স্নাতক পাস।
বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
৩. পদের নাম: সিনিয়র অফিসার (সহকারী প্রকৌশলী-লেদার)
পদসংখ্যা:২টি, (গ্রেড-৯)
শিক্ষাগত যোগ্যতা: লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে স্নাতক পাস।
বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
৪. পদের নাম: অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (আর্কিটেকচার)/সিনিয়র অফিসার (সহকারী প্রকৌশলী-আর্কিটেকচার)
পদসংখ্যা: ৪টি, (গ্রেড-৯)
শিক্ষাগত যোগ্যতা: আর্কিটেক্ট ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে স্নাতক পাস।
বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
৫. পদের নাম: অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (মেকানিক্যাল)/সিনিয়র অফিসার (সহকারী প্রকৌশলী-মেকানিক্যাল)/সহকারী প্রকৌশলী (মেকানিক্যাল)
পদসংখ্যা: ৭টি, (গ্রেড-৯)
শিক্ষাগত যোগ্যতা: মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে স্নাতক পাস।
বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
৬. পদের নাম: অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (সিভিল)/সিনিয়র অফিসার (সহকারী প্রকৌশলী-সিভিল)/সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল)
পদসংখ্যা: ২২টি, (গ্রেড-৯)
শিক্ষাগত যোগ্যতা: সিভিল ইঞ্জিনিয়ারি বিষয়ে স্নাতক পাস।
বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
৭. পদের নাম: সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (ইলেকট্রিক্যাল)/অফিসার (সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার-ইলেকট্রিক্যাল)/উপসহকারী প্রকৌশলী (ইলেকট্রিক্যাল)
পদসংখ্যা: ৮টি, (গ্রেড-১০)
শিক্ষাগত যোগ্যতা: ইলেকট্রিক্যাল বিষয়ে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি।
বেতন স্কেল: ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা।
৮. পদের নাম: সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (মেকানিক্যাল)/অফিসার (সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার-মেকানিক্যাল)/উপসহকারী প্রকৌশলী (মেকানিক্যাল)
পদসংখ্যা: ৯টি, (গ্রেড-১০)
শিক্ষাগত যোগ্যতা: মেকানিক্যাল বিষয়ে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি।
বেতন স্কেল: ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা।
৯. পদের নাম: সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (সিভিল)/অফিসার (সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার-সিভিল)/উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) ৩৬টি,
পদসংখ্যা: (গ্রেড-১০)
শিক্ষাগত যোগ্যতা: সিভিল বিষয়ে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিগ্রি।
বেতন স্কেল: ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা।
১০. পদের নাম: সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (আর্কিটেকচার)
পদসংখ্যা:১টি, (গ্রেড-১০)
শিক্ষাগত যোগ্যতা: আর্কিটেক্ট বিষয়ে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি।
বেতন স্কেল: ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা।
১১. পদের নাম: সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (টেক্সটাইল)
পদসংখ্যা: ৪টি, (গ্রেড-১০)
শিক্ষাগত যোগ্যতা: প্রকৌশল বা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ডিপ্লোমা পাস।
বেতন স্কেল: ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা।
১২. পদের নাম: সিনিয়র অফিসার (ল)/সিনিয়র অফিসার (আইন)/আইন অফিসার
পদসংখ্যা: ৮১টি, (গ্রেড-৯)
শিক্ষাগত যোগ্যতা: আইন বিষয়ে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি।
বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
১৩. পদের নাম: সিনিয়র অফিসার (ফিন্যান্সিয়াল অ্যানালিস্ট)
পদসংখ্যা: ১৪টি, (গ্রেড-৯)
শিক্ষাগত যোগ্যতা: ব্যাংকিং, অর্থনীতি, ব্যবস্থাপনা, ফিন্যান্স এবং হিসাববিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা সিএ/এফসিএ বা এমবিএ ডিগ্রি।
বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
১৪. পদের নাম: ফিন্যান্সিয়াল অ্যানালিস্ট
পদসংখ্যা: ১টি, (গ্রেড-৯)
শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিবিএসহ এমবিএ বা এমবিএম। অথবা অর্থনীতি, কৃষি অর্থনীতি, হিসাববিজ্ঞান বা ফাইন্যান্স ও ব্যাংকিংয়ে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি।
বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
১৫. পদের নাম: আইন কর্মকর্তা
পদসংখ্যা: ১টি, (গ্রেড-৬)
শিক্ষাগত যোগ্যতা: আইন বিষয়ে স্নাতক পাস।
বেতন স্কেল: ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা।
১৬. পদের নাম: সিনিয়র অফিসার (নিরীক্ষা)
পদসংখ্যা: ২০টি, (গ্রেড-৯)
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতকসহ চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট কোর্স কম্পিটেড (সিসি)।
বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
১৭. পদের নাম: প্রটোকল অফিসার
পদসংখ্যা: ১টি, (গ্রেড-১০)
শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো বিষয়ে স্নাতক পাস।
বেতন স্কেল: ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা।
বয়সসীমা: ১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ১ থেকে ১৭ নম্বর পর্যন্ত সব পদের প্রার্থীদের বয়স ২১ থেকে ৩২ হতে হবে। তবে ১৫ নম্বর পদের ক্ষেত্রে প্রার্থীদের বয়স সর্বোচ্চ ৩৫ বছর।
আবেদন ফি: ২০০ টাকা।
নিয়োগ দেবে আগোরা, রয়েছে সপ্তাহে ২ দিন ছুটিসহ উৎসব বোনাস।
আবেদনের নিয়ম: বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগসংক্রান্ত ওয়েবসাইটে এর আগে প্রার্থী তার বিদ্যমান সিভি আইডি নম্বর এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে আবেদন করতে পারবেন।
অন্যদিকে, নতুন প্রার্থী তার পছন্দের পদের পাশে ‘Apply Online’ এ ক্লিক করলে যে পেজটি ওপেন হবে, তার নিচের অংশে Register Now লিংক পাবেন। উক্ত লিংকে গিয়ে সঠিক তথ্য দিয়ে নির্ধারিত ছক পূরণের পর ‘Submit Application’ এ ক্লিক করলে উক্ত পদে তার আবেদন দাখিল সম্পন্ন হবে এবং একটি সিভি আইডি নম্বর পাবেন। এই সিভি আইডি নম্বর এবং পাসওয়ার্ড ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য অবশ্যই সংরক্ষণ করতে হবে।
আবেদনের শেষ তারিখ ও সময়: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, রাত ১১টা ৫৯ মিনিট।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের সামুদ্রিক খাতকে আধুনিক, নিরাপদ, প্রতিযোগিতামূলক এবং পরিবেশগতভাবে টেকসই করার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি নীতিমালার কার্যকর বাস্তবায়ন এবং পরিচালনাগত উৎকর্ষ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন, যা জাতীয় উন্নয়নের চালিকাশক্তিতে রূপান্তর করবে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ব নৌ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন। আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা (আইএমও)-এর নির্ধারিত ‘নীতিকে বাস্তবে রূপ দিয়ে সামুদ্রিক খাতের উৎকর্ষ অর্জন’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশে দিবসটি পালিত হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাণীতে উল্লেখ করেন, শুধুমাত্র সুষ্ঠু নীতি ও বিধিবিধান প্রণয়ন যথেষ্ট নয়, বরং সামুদ্রিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে কার্যকর প্রয়োগের প্রয়োজন রয়েছে। তিনি জানান, বর্তমান সরকারের মূল অগ্রাধিকার হলো শক্তিশালী বাস্তবায়ন, আধুনিক অবকাঠামো, পরিবেশবান্ধব নৌপরিবহন, দক্ষ নাবিক এবং কার্যকর সামুদ্রিক সুশাসন।
বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারের প্রসঙ্গ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিজ্ঞানভিত্তিক ও টেকসই উপায়ে সামুদ্রিক সম্পদের ব্যবহার, গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণ, পরিবেশবান্ধব পর্যটন এবং উপকূলীয় শিল্পের মাধ্যমে ‘ব্লু ইকোনমি’ বা নীল অর্থনীতির উন্নয়নকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে জাতীয় ব্লু ইকোনমি কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা এবং ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টির পরিকল্পনাও রয়েছে।
বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের ভৌগোলিক গুরুত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, দেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ৯০ শতাংশেরও বেশি সমুদ্রপথে পরিচালিত হয়। বর্তমানে চট্টগ্রাম, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দর এবং বিস্তৃত নদীপথের মাধ্যমে দেশের প্রয়োজনীয় পণ্য ও সেবার পরিবহন সম্পন্ন হচ্ছে।
২০২৬ সালকে ‘বাস্তবায়নের বছর’ হিসেবে উল্লেখ করে তারেক রহমান চারটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার তুলে ধরেন। এগুলো হলো সবুজ নৌপরিবহন এগিয়ে নেওয়া ও বিশ্বমানের জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ সুবিধা গড়ে তোলা; স্বয়ংক্রিয় ও ডিজিটাল লজিস্টিক ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে বন্দর অবকাঠামো আধুনিকায়ন; হাইড্রোগ্রাফি কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং সামুদ্রিক প্লাস্টিক দূষণ রোধে পদক্ষেপের মাধ্যমে সামুদ্রিক সার্বভৌমত্ব ও প্রতিবেশ ব্যবস্থা সুরক্ষা; এবং নাবিকদের দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়াতে সামুদ্রিক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়ন।
তিনি বলেন, ‘সামুদ্রিক উৎকর্ষ আমাদের দৈনন্দিন কার্যক্রমে প্রতিফলিত হতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রী বন্দর কর্তৃপক্ষ, জাহাজ মালিক, নাবিক, সামুদ্রিক পেশাজীবী ও পরিবেশবিষয়ক সংস্থাগুলোকে বৈশ্বিক মানদণ্ড ও জাতীয় অগ্রাধিকারকে বাস্তব ফলাফলে রূপ দিতে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
তিনি বাংলাদেশের সামুদ্রিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে একটি শক্তিশালী নীল অর্থনীতি এবং আরও নিরাপদ, সবুজ ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সম্মিলিত প্রচেষ্টা চালানোর আহ্বান জানান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার শোলক ইউনিয়নের ধামুরা খাল একটি ঐতিহ্যবাহী এবং অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ শতবর্ষী প্রাকৃতিক জলাশয় হিসেবে পরিচিত। এই খালের মাধ্যমে উজিরপুর ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের পণ্যবাহী নৌকা এবং ট্রলার বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করছে। এটি একসময় অত্যন্ত খরস্রোতা খাল হিসেবে পরিচিত ছিল। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে ধামুরা বাজার গণহত্যার স্মৃতির সঙ্গে এই খালের উল্লেখ রয়েছে।
এখনও অব্যাহত রয়েছে খালের দুই পাশে সবুজের সমারোহ, যেখানে মাঝখানে খালের স্বচ্ছ জলের স্রোতধারা বয়ে চলেছে। তার ওপরে নির্মিত একটি দৃষ্টিনন্দন সেতু ধনুকের মতো বাঁক নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। দূর থেকে দেখলে মনে হয় এটি কোনো পর্যটন কেন্দ্রের নান্দনিক স্থাপনা। তবে এটি কেবল সৌন্দর্যের প্রতীক নয়; বরিশালের উজিরপুরে প্রায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই আর্চ সেতুটি যোগাযোগ ব্যবস্থার পাশাপাশি নতুন আকর্ষণে পরিণত হয়েছে। বিকেল নামলেই সেতুর পরিবেশ বদলে যায়।
স্থানীয় মানুষদের পাশাপাশি দূর-দূরান্ত থেকে দর্শনার্থীরা এখানে ছুটে আসছেন। কেউ পরিবার নিয়ে, কেউবা বন্ধুদের সঙ্গে। সেতুর ওপর দাঁড়িয়ে খালের সৌন্দর্য উপভোগ, ছবি তোলা কিংবা কিছুটা সময় প্রকৃতির সান্নিধ্যে কাটানো—সব মিলিয়ে ধামুরা খালের ওপর নির্মিত সেতুটি এখন উজিরপুরের মানুষের কাছে নতুন পরিচিতি লাভ করেছে।
স্থানীয়দের অনেকেই সেতুর নান্দনিক নকশাকে রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকার সেতুর সঙ্গে তুলনা করছেন। তাদের মতে, যোগাযোগের প্রয়োজন মেটানোর পাশাপাশি এমন দৃষ্টিনন্দন অবকাঠামো একটি এলাকার সৌন্দর্য ও পর্যটন সম্ভাবনাকে নতুন মাত্রা দিতে পারে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, ‘প্রোগ্রাম ফর সাপোর্টিং রুরাল ব্রিজেস’ প্রকল্পের আওতায় উজিরপুর উপজেলার সানুহার আরঅ্যান্ডএইচ-ধামুরা জিসি-জল্লা-সাতলা জিসি সড়কের ধামুরা খালের ওপর নির্মাণ করা হয়েছে ৫৫ দশমিক ৬ মিটার দীর্ঘ আরসিসি আর্চ সেতুটি। বাংলাদেশ সরকার (জিওবি) ও আইডিএ’র অর্থায়নে বাস্তবায়িত প্রকল্পটির ব্যয় ৯ কোটি ৯৪ লাখ ২৩ হাজার ৫৭৩ টাকা।
২০২৩ সালের ৪ মে সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ২০২৬ সালের ২৮ এপ্রিল কাজ শেষ করা হয়। এলজিইডি’র তত্ত্বাবধানে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এম/এস এমএই-শামস-উপকূল (জেভি) নির্মাণকাজটি বাস্তবায়ন করে। পরে উদ্বোধনের মাধ্যমে সেতুটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।
আর্চ সেতুটি চালু হওয়ার ফলে সানুহার-ধামুরা-জল্লা-সাতলা সড়কে যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন এসেছে। আগের মতো খাল পারাপারে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে না স্থানীয়দের। একইসঙ্গে কৃষিপণ্য পরিবহন ও মানুষের যাতায়াত সহজ হওয়ায় এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একসময় পুরোনো সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় সাতলা-বরিশাল সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হতো। ধামুরা খাল পারাপার ছিল স্থানীয় মানুষের জন্য বড় ভোগান্তির বিষয়। নতুন সেতুটি নির্মাণের ফলে সেই সমস্যা অনেকটাই দূর হয়েছে। এখন যোগাযোগের পাশাপাশি সেতুটি এলাকার সৌন্দর্যেরও বিশেষ অংশ হয়ে উঠেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ লিটন বলেন, ‘সেতু ভেঙে যাওয়ার কারণে আগে যাতায়াতে মানুষের অনেক কষ্ট হতো। যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যেত। এখন নতুন সেতু হওয়ায় সেই দুর্ভোগ আর নেই। সবচেয়ে ভালো লাগছে, সেতুটি দেখতে খুব সুন্দর। এখন এটি দেখতে অন্যান্য এলাকার মানুষও আসছেন।’
স্থানীয় বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আর্চ সেতুটি নির্মাণের পর এলাকার পরিবেশই যেন বদলে গেছে। বিকেল হলেই মানুষ এখানে ঘুরতে আসে। সেতুর পাশে যদি বসার জায়গা, আলোকসজ্জা ও কিছু সৌন্দর্যবর্ধনের ব্যবস্থা করা হয়, তাহলে এটি আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে।’
ঘুরতে আসা সরদার সোহেল বলেন, ‘সেতুটির নকশা খুবই সুন্দর। খাল, গাছপালা আর সেতু মিলিয়ে চমৎকার একটি পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ধামুরা খালের বুকে নির্মিত নান্দনিক আর্চ ব্রিজটি দেখতে পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসার মতো জায়গা। ভালোভাবে উন্নয়ন করা হলে এখানে আরও বেশি দর্শনার্থী আসবেন।’
বরিশাল এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আল ইমরান বলেন, ‘বরিশাল বিভাগের গৌরনদী ও উজিরপুর উপজেলায় দুটি নান্দনিক আর্চ ব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছে। আধুনিক প্রকৌশল নকশা, স্থায়িত্ব এবং দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্যশৈলীর সমন্বয়ে ব্রিজ দুটি নির্মাণ করা হয়েছে। হাতিরঝিলের আদলে নির্মিত ব্রিজ দুটি দেখতে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থী ভিড় করছেন।’
তবে স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সেতুর আশপাশে পরিকল্পিত সৌন্দর্যবর্ধন, আলোকসজ্জা, বসার ব্যবস্থা ও নিরাপদ দর্শনার্থীবান্ধব পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন। এতে ধামুরা আর্চ ব্রিজটি যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর পাশাপাশি উজিরপুরের অন্যতম দর্শনীয় স্থান হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
স্বাস্থ্যসেবায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে চিকিৎসাক্ষেত্রে প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন পেশার সুযোগও বৃদ্ধি পাচ্ছে। রেডিয়েশন থেরাপি ও রেডিওলজিক প্রযুক্তি এই দুইটি পেশাগত ক্ষেত্র বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। উভয় ক্ষেত্রেই আধুনিক চিকিৎসা যন্ত্রের ব্যবহার রয়েছে, তবে কাজের ধরন, রোগী এবং দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য।
একটি ক্ষেত্রে ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় বিকিরণ প্রয়োগ করা হয়। অন্যদিকে, রেডিওলজিক প্রযুক্তির মাধ্যমে রোগ নির্ণয়ের জন্য এক্স-রে এবং অন্যান্য ছবি তৈরি করা হয়।
রেডিয়েশন থেরাপি কী?
রেডিয়েশন থেরাপি প্রধানত ক্যানসারের চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত হয়। এই পেশায় নিয়োজিত ব্যক্তিরা ক্যানসার চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী রোগীর শরীরে নির্ধারিত মাত্রায় বিকিরণ প্রয়োগ করেন।
চিকিৎসার সময় রোগীকে সঠিক অবস্থানে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ শরীরের নির্দিষ্ট অংশে বিকিরণ প্রয়োগ করা হয়। রোগীর অবস্থানে সামান্য পরিবর্তন হলেও চিকিৎসার নির্ভুলতায় প্রভাব পড়তে পারে।
উন্নত চিকিৎসা যন্ত্র ও ছবি তৈরির প্রযুক্তি এই কাজে ব্যবহার করা হয়। রেডিয়েশন থেরাপির সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা সাধারণত হাসপাতালের ক্যানসার চিকিৎসা বিভাগ, ক্যানসার চিকিৎসাকেন্দ্র এবং বহির্বিভাগীয় চিকিৎসাকেন্দ্রে কর্মরত থাকেন।
এই পেশার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো রোগীর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ। ক্যানসারের চিকিৎসায় অনেক রোগীকে কয়েক সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন বা নির্ধারিত সময় অনুযায়ী চিকিৎসা নিতে হয়। ফলে একই রোগীর সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাজ করার সুযোগ থাকে। রোগীর প্রশ্নের উত্তর দেওয়া, চিকিৎসার সময় স্বস্তি দেওয়া এবং মানসিকভাবে পাশে থাকা এই কাজের অংশ।
রেডিয়েশন থেরাপির কর্মীদের ক্যানসার চিকিৎসক, চিকিৎসা পদার্থবিদ, চিকিৎসার মাত্রা নির্ধারণকারী বিশেষজ্ঞ, নার্সসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে হয়।
রেডিওলজিক প্রযুক্তিতে কী কাজ করতে হয়?
রেডিওলজিক প্রযুক্তির প্রধান কাজ হলো রোগ নির্ণয়ের জন্য চিকিৎসকদের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ছবি তৈরি করা। এক্স-রে এবং বিশেষ ধরনের ছবি তৈরির পরীক্ষার মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন অংশের তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
এই পেশায় কাজের বৈচিত্র্য অনেক। একই দিনে বিভিন্ন বয়সের রোগীর বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা করতে হতে পারে। রোগীকে সঠিক অবস্থানে রাখা, যন্ত্র সঠিকভাবে পরিচালনা করা, অপ্রয়োজনীয় বিকিরণ কমানো এবং চিকিৎসকের প্রয়োজন অনুযায়ী মানসম্মত ছবি তৈরি করা এই পেশার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।
রেডিওলজিক প্রযুক্তিবিদরা হাসপাতাল, রোগ নির্ণয়কেন্দ্র, চিকিৎসকের ব্যক্তিগত চেম্বার, জরুরি বিভাগ, অস্ত্রোপচারকক্ষ এবং জরুরি চিকিৎসাকেন্দ্রে কাজ করতে পারেন।
দুই পেশার মূল পার্থক্য
রেডিয়েশন থেরাপির মূল লক্ষ্য ক্যানসারের চিকিৎসা দেওয়া। এ ক্ষেত্রে রোগীর শরীরে নির্ধারিত মাত্রায় বিকিরণ প্রয়োগ করা হয়।
অন্যদিকে, রেডিওলজিক প্রযুক্তির মূল লক্ষ্য রোগ নির্ণয়ে সহায়তা করা। এ ক্ষেত্রে এক্স-রে ও অন্যান্য ছবি তৈরি করে চিকিৎসকদের রোগ শনাক্ত ও মূল্যায়নে সহায়তা করা হয়।
রেডিয়েশন থেরাপিতে সাধারণত ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাজ করতে হয়। আর রেডিওলজিক প্রযুক্তিতে শিশু, তরুণ, বয়স্কসহ বিভিন্ন ধরনের রোগীর সঙ্গে কাজ করার সুযোগ থাকে।
কোন পেশা কার জন্য?
যারা ক্যানসারের চিকিৎসা, রোগীর সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাজ করা এবং অত্যন্ত নিখুঁতভাবে চিকিৎসা দেওয়ার কাজে আগ্রহী, তাদের জন্য রেডিয়েশন থেরাপি উপযুক্ত একটি পেশার পথ হতে পারে।
অন্যদিকে, যারা রোগ নির্ণয়ের জন্য ছবি তৈরি, বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চিকিৎসা পরিবেশে কাজ করতে আগ্রহী, তাদের জন্য রেডিওলজিক প্রযুক্তি আকর্ষণীয় পেশা হতে পারে।
দুটি ক্ষেত্রেই আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হয়। তবে রেডিয়েশন থেরাপি মূলত চিকিৎসা দেওয়ার সঙ্গে যুক্ত, আর রেডিওলজিক প্রযুক্তি মূলত রোগ নির্ণয়ের কাজে সহায়তা করে।
পড়াশোনা ও প্রশিক্ষণ
কেমব্রিজ কলেজ অব হেলথকেয়ার অ্যান্ড টেকনোলজির তথ্য অনুযায়ী, রেডিয়েশন থেরাপি ও রেডিওলজিক প্রযুক্তি—দুই ক্ষেত্রেই দুই বছরের সহযোগী বিজ্ঞান বিষয়ে ডিগ্রি নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
রেডিয়েশন থেরাপির পড়াশোনায় শ্রেণিকক্ষ ও অনলাইনভিত্তিক শিক্ষার পাশাপাশি হাসপাতাল ও ক্যানসার চিকিৎসাকেন্দ্রে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম ব্যবহারের সঙ্গে পরিচিত করা হয়।
অন্যদিকে, রেডিওলজিক প্রযুক্তির শিক্ষার্থীদের আধুনিক ছবি তৈরির যন্ত্রে ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ থাকে।
দুই ক্ষেত্রেই সংশ্লিষ্ট পেশাগত সনদের জন্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষার প্রস্তুতি দেওয়া হয়। পড়াশোনা শেষে শিক্ষার্থীরা সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে কাজের জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জন করতে পারেন।
কোথায় পড়ার সুযোগ?
প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, রেডিয়েশন থেরাপির পড়াশোনা ডেলরে বিচ, মিয়ামি ও আটলান্টার ক্যাম্পাসে চালু রয়েছে। আর রেডিওলজিক প্রযুক্তির পড়াশোনা ডেলরে বিচ, মিয়ামি, অরল্যান্ডো ও আটলান্টার ক্যাম্পাসে রয়েছে।
দুই ক্ষেত্রেই ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ, বাস্তব কর্মক্ষেত্রের অভিজ্ঞতা এবং পেশাগতভাবে প্রস্তুত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পড়াশোনা শেষে চাকরির প্রস্তুতি, জীবনবৃত্তান্ত তৈরি, সাক্ষাৎকারের প্রস্তুতি এবং নিয়োগদাতাদের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রেও সহায়তা দেওয়ার কথা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
দেশে রেডিয়েশন থেরাপি ও রেডিওলজিক প্রযুক্তিতে ডিপ্লোমা, বিএসসি ও উচ্চশিক্ষার সুযোগ রয়েছে। সরকারি পর্যায়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, বরিশাল, রংপুরসহ বিভিন্ন ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজিতে এসব বিষয়ে পড়ানো হয়। বেসরকারি পর্যায়ে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্সেস, বাংলাদেশ হেলথ প্রফেশনস ইনস্টিটিউট, ট্রমা ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, স্টেট কলেজ অব হেলথ সায়েন্স ও সাইক কলেজ অব মেডিকেল সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে রেডিওলজি, ইমেজিং ও রেডিওথেরাপি বিষয়ে পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে।
এক কথায়
রেডিয়েশন থেরাপি—ক্যানসারের চিকিৎসায় বিকিরণ প্রয়োগ।
রেডিওলজিক প্রযুক্তি—রোগ নির্ণয়ের জন্য এক্স-রে ও অন্যান্য ছবি তৈরি।
দুটি পেশাই আধুনিক চিকিৎসাব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ। তবে কোনটি বেছে নেওয়া হবে, তা নির্ভর করে একজন শিক্ষার্থীর আগ্রহ—তিনি চিকিৎসা দেওয়ার কাজে যুক্ত হতে চান, নাকি রোগ নির্ণয়ে প্রযুক্তির ব্যবহার করতে চান।
সূত্র: ক্যামব্রিজ কলেজ অফ হেলথকেয়ার এন্ড টেকনোলজি
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ