শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৩৮ পি.এম
মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় একটি যাত্রীবাহী বাস ও প্রাইভেটকারের মধ্যে সংঘর্ষের ফলে চারজন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে প্রাইভেটকারের চালকও রয়েছেন। এই ঘটনায় আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের জামালদি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
মুন্সিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ফায়ার সার্ভিসের সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুর ২টা ৩৮ মিনিটে গজারিয়া ফায়ার স্টেশনে খবর আসে যে জামালদি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি প্রাইভেটকারের সঙ্গে যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষ ঘটেছে। খবর পাওয়ার পর গজারিয়া ফায়ার স্টেশনের দুটি উদ্ধারকারী ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে।
দুর্ঘটনার ফলে প্রাইভেটকারের চালক ঘটনাস্থলেই মারা যান। তাকে উদ্ধার করে হাইওয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক আরও তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন। অপর আহত ব্যক্তিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন—মজিবুর রহমান (৫৫), মোছা. শামীমা আক্তার (৪৫), সাবিহা চৌধুরী (৪৩) এবং প্রাইভেটকারের চালক সোহেল। জানা গেছে, চালক সোহেল ঢাকার গেন্ডারিয়া এলাকার বাসিন্দা।
এ বিষয়ে মুন্সিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম বলেন, নিউ বলেশ্বর নামের যাত্রীবাহী বাসটি চট্টগ্রামের দিকে যাচ্ছিল। অন্যদিকে, প্রাইভেটকারটি মায়ামি রেস্টুরেন্ট থেকে খাওয়া-দাওয়া শেষে ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। জামালদি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দুই যানবাহনের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। প্রাইভেটকারটিতে চালকসহ মোট পাঁচজন ছিলেন।
তিনি আরও বলেন, দুর্ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করে। দুর্ঘটনার কারণ ও বিস্তারিত পরিস্থিতি তদন্ত করা হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে নাসির উদ্দীন বাবুল নামে উপজেলা জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের এক নেতা গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের পণ্ডিতের হাটের দক্ষিণে নীড বাংলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
নাসির উদ্দীন বাবুল সন্দ্বীপ উপজেলা জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক। উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবু তাহের জানান, শুক্রবার রাতে হামলায় তিনি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। রাত ২টার দিকে তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নাসির উদ্দীন সন্দ্বীপ উপজেলার মুছাপুর এলাকার আব্দুল হাদী নতুন বাড়ির নুরুল হাদীর ছেলে। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ২ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনয়নকারীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মুছাপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড এলাকার বাসায় মোটরসাইকেলে যাওয়ার সময় কয়েকজন লোক নাসির উদ্দীন বাবুলকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে তিনি আহত হন।
সন্দ্বীপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন হালদার বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি। ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর, সরকার অবশেষে নতুন জাতীয় বেতনস্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এর ফলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ১৫ শতাংশ বিশেষ সুবিধা বাতিল হয়ে গেছে।
নতুন বেতনস্কেল কার্যকর হওয়ার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে চলতি বছরের ১ জুলাই। এই তারিখ থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ১৫ শতাংশ বিশেষ সুবিধা বিলুপ্ত বলে গণ্য হবে। এ সময় পর্যন্ত পাওয়া বিশেষ সুবিধা নতুন বেতনস্কেল অনুযায়ী প্রাপ্য বকেয়া অর্থের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।
এর আগে, বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ জারি করা হয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, জাতীয় বেতনস্কেল, ২০২৬ কার্যকর হওয়ার তারিখ থেকে বিশেষ সুবিধা বিলুপ্ত বলে গণ্য হবে। ১ জুলাই থেকে আদেশ জারির তারিখ পর্যন্ত আহরিত বিশেষ সুবিধা আদেশের সংশ্লিষ্ট ধারায় প্রাপ্য বকেয়ার সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে।
তবে, ১ জুলাই ২০২৬ তারিখে অবসরোত্তর ছুটিতে থাকা কর্মচারীরা অবসরোত্তর ছুটি শেষ না হওয়া পর্যন্ত ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে যে হারে বিশেষ সুবিধা পেতেন, সেই হারে সুবিধা পাবেন বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৬৫ হাজার ৫৬৫টি। এসব বিদ্যালয়ে বর্তমানে শিক্ষক রয়েছেন ৩ লাখ ৬২ হাজার ৭০৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ শিক্ষক ১ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন এবং নারী শিক্ষক ২ লাখ ৩৫ হাজার ৬৭০ জন।
এদিকে, নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সুপারিশপ্রাপ্ত আরও ১৪ হাজার ৩৮৪ জন সহকারী শিক্ষকের আগামী ১ অক্টোবর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার ফার্মগেটের তেজগাঁও কলেজ জামে মসজিদে গোপন বৈঠক চলাকালীন জঙ্গি কার্যক্রমের সন্দেহে ১২ জনকে গ্রেপ্তার করে আদালত তিন দিনের রিমান্ডে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের আদালত এই আদেশ প্রদান করেন।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন— মো. শিহাব উদ্দিন (৩২), মারজুক আহমেদ (২৬), সাইফুর রহমান খান (৩২), মো. রাস্মি মিয়া (২৯), মো. কামিছুল ইসলাম (৩৬), মো. সাজ্জাদ হোসেন (২২), আফিফ আহমেদ (২০), মো. মোহাইমিনুল হক (২৭), জাওজি চৌধুরী (১৯), শাহাদাত হোসেন (২৫), সাকিব আহমেদ (২৬) ও জুনায়েদ আহমেদ (২১)।
এর আগে, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিটিটিসির পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. আখতার মোর্শেদ আসামিদের জন্য সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন।
রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী আজিজুল হক দিদার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
শুনানিতে রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী উল্লেখ করেন, আসামিরা দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির পরিকল্পনা করছেন এবং জিহাদ করার জন্য লোক সংগ্রহ করছেন। তাদের সঙ্গে আরও কারা জড়িত রয়েছে, এই তথ্য উদঘাটনের জন্য রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন।
আসামি পক্ষের আইনজীবী মাসদ-উর রহমান রিমান্ডের বিরোধিতা করে জামিনের আবেদন করেন।
রিমান্ড আবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে জানতে পারে, দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্ট, উগ্রবাদ ছড়ানো এবং বড় ধরনের সহিংস ঘটনা ঘটানোর উদ্দেশ্যে কয়েকজন যুবক তেজগাঁওয়ের কোকাকোলা মোড় এলাকায় সমবেত হয়েছেন। পরে ১৮ মে অভিযান চালিয়ে তেজগাঁও ও শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশের সহায়তায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃতরা ‘মিটআপ’ নামে একটি গোপন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের সদস্য। ওই গ্রুপের মাধ্যমে তারা উগ্রবাদী কথাবার্তা ও বিভিন্ন বিষয়ে যোগাযোগ করতেন এবং নাশকতার উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়েছিলেন বলে অভিযোগ তদন্তকারী সংস্থার।
সিটিটিসি জানিয়েছে, গ্রেপ্তার শিহাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে আগেও উগ্রবাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে নরসিংদীর পলাশ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এছাড়া মারজুক আহমেদের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় দ্রুত বিচার আইনে একটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটনের জন্য আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন, সিমকার্ড ও অন্যান্য ডিজিটাল আলামত উদ্ধার এবং সাইবার তথ্য বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।
এছাড়া হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক, টেলিগ্রাম, মেসেঞ্জারসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের কথোপকথন ও যোগাযোগের তথ্য যাচাই, ঘটনার পেছনের পরিকল্পনাকারী ও সহযোগীদের শনাক্ত এবং উগ্রবাদী কার্যক্রমের অর্থের উৎস ও অর্থদাতাদের বিষয়ে তথ্য জানতে আসামিদের রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
আদালত শুনানি শেষে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে প্রত্যেক আসামির ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
লোডশেডিং এবং বিদ্যুতের খরচ কমানোর উদ্দেশ্যে অনেকেই তাদের বাড়ি বা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে সোলার প্যানেল স্থাপনের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠছেন। বাজারে ৪০০, ৫৫০, ৬০০ ওয়াট বা তারও বেশি ক্ষমতার বিভিন্ন ধরনের প্যানেল উপলব্ধ রয়েছে। তাই শুধুমাত্র বেশি ওয়াটের প্যানেল দেখে কেনা উচিত নয়। বরং, বাড়িতে বিদ্যুতের প্রয়োজন, দৈনিক ব্যবহারের সময় এবং কী ধরনের যন্ত্র চালানো হবে, এসব বিষয় বিবেচনা করেই সোলার সিস্টেম নির্বাচন করা উচিত।
১. আগে হিসাব করুন কত বিদ্যুৎ প্রয়োজন
সোলার প্যানেল কেনার প্রাথমিক পদক্ষেপ হল নিজের বিদ্যুতের চাহিদা নির্ধারণ করা। দিনে কত ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হয় এবং কোন কোন যন্ত্র কত সময় ব্যবহৃত হয়, তার একটি হিসাব তৈরি করুন। ফ্যান, লাইট, টিভি, ফ্রিজ, পানির পাম্প, কম্পিউটার বা এসির মতো যন্ত্রের ব্যবহারের সময় আলাদা করে হিসাব করা প্রয়োজন। এই হিসাব ছাড়া ৫৫০ বা ৬০০ ওয়াটের প্যানেল কিনলে প্রয়োজনের তুলনায় কম বা বেশি ক্ষমতার সিস্টেম হয়ে যেতে পারে।
২. কত ওয়াটের প্যানেল লাগবে?
প্যানেলের ক্ষমতা আপনার বিদ্যুতের প্রয়োজন এবং আপনার এলাকার সূর্যের আলো পাওয়ার ওপর নির্ভর করবে। বাংলাদেশে ভালো রোদ পেলে একটি সোলার প্যানেল দিনে তার রেটেড ক্ষমতার কয়েক ঘণ্টা সমপরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম। তবে আবহাওয়া, ছায়া, প্যানেলের অবস্থান, তাপমাত্রা এবং সিস্টেমের ক্ষতির কারণে বাস্তব উৎপাদন কম হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, ৫৫০ ওয়াটের কয়েকটি প্যানেল দিয়ে একটি সিস্টেম তৈরি করা সম্ভব। তবে কতটি প্যানেল প্রয়োজন হবে, তা নির্ধারণ করতে দৈনিক বিদ্যুতের চাহিদার পাশাপাশি স্থানীয় সূর্যালোকের হিসাব করতে হবে। সুতরাং, শুধুমাত্র ‘কত ওয়াটের প্যানেল’ নয়, বরং পুরো সিস্টেমের মোট উৎপাদন ক্ষমতা দেখা জরুরি।
৩. প্যানেলের ধরন বুঝে নিন
সোলার প্যানেলের মধ্যে মনোক্রিস্টালাইন, পলিক্রিস্টালাইন এবং আধুনিক প্রযুক্তির বিভিন্ন ধরনের প্যানেল রয়েছে। মনোক্রিস্টালাইন প্যানেল সাধারণত জায়গার তুলনায় ভালো উৎপাদন প্রদান করে। আবার এন-টাইপ বা দ্বিমুখী প্রযুক্তির প্যানেল নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে আরও ভালো পারফরম্যান্স দিতে পারে। তাই শুধুমাত্র ‘সবচেয়ে নতুন’ প্রযুক্তি না দেখে নিজের ছাদ, বাজেট এবং প্রয়োজন অনুযায়ী প্যানেল নির্বাচন করা উচিত।
৪. ব্যাটারি লাগবে কি?
এখানে প্রয়োজন বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি। যদি দিনের বেলায় মূলত সোলার বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন এবং গ্রিডের সঙ্গে সংযোগ থাকে, তাহলে অন-গ্রিড সিস্টেম বিবেচনা করা যেতে পারে। এতে সাধারণত বড় ব্যাটারি ব্যবস্থার প্রয়োজন হয় না। অন্যদিকে, বিদ্যুৎ চলে গেলে রাতে ফ্যান, লাইট, রাউটার বা অন্যান্য যন্ত্র চালাতে চাইলে ব্যাটারিসহ অফ-গ্রিড বা হাইব্রিড সিস্টেম প্রয়োজন হতে পারে। তখন শুধু প্যানেল নয়, ব্যাটারির ক্ষমতাও হিসাব করতে হবে।
৫. ইনভার্টারকে অবহেলা করবেন না
প্যানেল বিদ্যুৎ উৎপন্ন করলেও বাড়ির বিভিন্ন যন্ত্রে সেটি ব্যবহার করার জন্য উপযুক্ত ইনভার্টারের প্রয়োজন রয়েছে। ইনভার্টারের ক্ষমতা যেন সোলার অ্যারে এবং আপনার লোডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। অন-গ্রিড, অফ-গ্রিড এবং হাইব্রিড কোন ধরনের সিস্টেম আপনার জন্য উপযুক্ত, সেটি নির্ভর করবে বিদ্যুৎ ব্যবহারের ধরন এবং ব্যাকআপের প্রয়োজনের ওপর।
৬. ওয়ারেন্টি ও বিক্রয়োত্তর পরিষেবা দেখুন
সোলার সিস্টেম দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারের জন্য কেনা হয়। তাই প্যানেল, ইনভার্টার এবং ব্যাটারির আলাদা ওয়ারেন্টি কতদিন, কোনো সমস্যা হলে কে পরিষেবা দেবে এবং যন্ত্রাংশ পাওয়া যাবে কি না, এসব বিষয় কেনার আগে লিখিতভাবে জেনে নেওয়া উচিত। অস্বাভাবিক কম দামের অফারে আকৃষ্ট হওয়ার পরিবর্তে পণ্যের মান ও পরিষেবার বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
সুতরাং, বাড়ির জন্য সোলার প্যানেল নির্বাচন করার সময় শুধুমাত্র প্যানেলের দাম বা ওয়াট দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া সঠিক নয়। দৈনিক বিদ্যুতের চাহিদা, প্যানেলের মোট ক্ষমতা, ইনভার্টার, ব্যাটারি, ছাদের জায়গা এবং ভবিষ্যতে বিদ্যুতের ব্যবহারের পরিকল্পনা সবকিছু মিলিয়ে সিস্টেম নির্বাচন করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ