বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৯:১৩ পি.এম
ঢাকা, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. হাবিবুল গনিকে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার আইন মন্ত্রণালয়ের একটি প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি তাকে এই পদে নিয়োগ দিয়েছেন।
এছাড়া, প্রজ্ঞাপনে আরও জানানো হয় যে, তার নিয়োগ শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে কার্যকর হবে।
বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার অব সোশ্যাল সায়েন্স (এমএসএস) এবং আইন বিষয়ে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৮৯ সালের ৩ এপ্রিল তিনি জেলা আদালতে আইনজীবী হিসেবে যোগদান করেন এবং ১৯৯২ সালের ১১ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন।
এরপর, ২০১০ সালের ১৮ এপ্রিল তিনি হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে উন্নীত হন এবং ২০১২ সালের ১৫ এপ্রিল একই বিভাগে স্থায়ী বিচারক হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।
বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি তার দীর্ঘ বিচারিক জীবনে ওয়ার্ল্ড পিস ফোরাম আয়োজিত আইন ও বিচার সংক্রান্ত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেছেন।
পেশাগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সফরে তিনি কানাডা, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, চীন, হংকং ও ভারত ভ্রমণ করেছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জানিয়েছেন, নেপালে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের মোকাবিলায় বাংলাদেশ প্রয়োজন অনুযায়ী সকল প্রকার সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে। একইসাথে, সেখানে অবস্থানরত কোনো বাংলাদেশি নাগরিক যদি ক্ষতিগ্রস্ত হন, তাদের পাশে দাঁড়াতে বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে ড. খলিলুর রহমান বলেন, ‘আমরা তাদের সব ধরনের সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছি।’
এর আগে সকালে, নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানালের সাথে টেলিফোনে কথা বলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
ড. খলিলুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, ‘নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমাকে জানিয়েছেন যে, তারা এখনো ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং কী ধরনের সহায়তা প্রয়োজন তা মূল্যায়ন করছেন। তিনি বলেছেন, আজ সন্ধ্যা বা আগামীকালের মধ্যে তারা আমাদের জানাবেনÑ কী ধরনের সহায়তা প্রয়োজন।’
তিনি আরও বলেন, নেপাল তাদের নির্দিষ্ট প্রয়োজনের কথা জানালে, বাংলাদেশ সাড়া দিতে প্রস্তুত রয়েছে।
ফোনালাপে খলিলুর রহমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে এই ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে গভীর সহানুভূতি ও সমবেদনা প্রকাশ করেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই দুর্যোগকে একটি ‘ভয়াবহ ট্র্যাজেডি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, যারা তাদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, বাংলাদেশের মানুষের ভাবনা ও প্রার্থনা সেই পরিবারগুলোর সাথে রয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহর প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ব্যক্তিগত সমবেদনা বার্তাও পৌঁছে দেন। পাশাপাশি, নেপালের সরকার ও জনগণের প্রতি ঢাকার পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেন।
সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে ড. খলিলুর রহমান বলেন, এই দুর্যোগে কোনো বাংলাদেশি নাগরিক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার তথ্য এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে নেই। এখন পর্যন্ত আমরা কোনো বাংলাদেশির নাম পাইনি।
তিনি আরও জানান, দুর্যোগের সময় বেশ কয়েকজন বিদেশি পর্যটক মানস সরোবর এলাকার দিকে যাচ্ছিলেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই দুর্যোগে কোনো বাংলাদেশি নাগরিকের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া মাত্রই ঢাকাকে অবিলম্বে তা জানানোর জন্য নেপালি কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করা হয়েছে। ‘জীবিত বা মৃত, যেকোনো অবস্থায় কোনো বাংলাদেশির খোঁজ পাওয়া গেলে, আমরা আমাদের পূর্ণ সহযোগিতা প্রসারিত করব এবং তাদের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করব।’
তিনি বলেন, পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে ক্ষতিগ্রস্ত নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্যও বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে। এজন্য প্রয়োজনীয় ফ্লাইট বা বিমান চলাচলের ব্যবস্থা প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন, দুর্যোগে কোনো বাংলাদেশি নাগরিক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেলে তার সরকার এ বিষয়ে পূর্ণ সহযোগিতা করবে।
এর আগে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, সংহতি প্রকাশের জন্য বাংলাদেশের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল। তিনি ড. খলিলুর রহমানকে অবহিত করেছেন যে, সামগ্রিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন শেষ করার পর নেপাল তাদের নির্দিষ্ট প্রয়োজনের কথা বাংলাদেশকে জানাবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সংসদ ভবন, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের অধিষ্ঠান গ্রহণের পর, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদ নেতার পাশের আসনে বসেছেন।
আজ (বৃহস্পতিবার) বিকেল ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শুরু হয়।
নতুন আসন বণ্টনের ফলে দেখা যায়, সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পাশের আসনে পূর্বে বসতেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার কারণে, বর্তমানে ওই আসনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ অবস্থান করছেন।
সরকারি দলের প্রথম সারির নয়টি আসনে পর্যায়ক্রমে স্থান পেয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আবদুল মঈন খান এবং সেলিমা রহমান।
এছাড়া, প্রথম সারিতে আসন পেয়েছেন আমান উল্লাহ আমানও।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনকে আহ্বান জানিয়েছেন যে, আসন্ন সকল নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার মাধ্যমে তাদের প্রাতিষ্ঠানিক ভাবমূর্তি এবং জনআস্থা সমুন্নত রাখতে হবে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সাথে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের চার সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এই আহ্বান জানান।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে এই প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সাথে সাক্ষাৎ করে। প্রতিনিধিদলে ছিলেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, নির্বাচন কমিশনার মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম সরকার এবং নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মোঃ সানাউল্লাহ।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক, শক্তিশালী ও সুসংহত করার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষতা, সততা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। তিনি কমিশনের সার্বিক কার্যক্রম, বিশেষ করে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি, এনআইডি সংশোধন এবং বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশীদের এনআইডি সেবাসহ বিভিন্ন বিষয়ের অগ্রগতি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করায় নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানান।
রাষ্ট্রপতি বর্তমান নির্বাচন কমিশনের নেতৃত্বে আসন্ন স্থানীয় সরকারসহ অন্যান্য সকল নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার আহ্বান জানান এবং এ ব্যাপারে তাঁর সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস প্রদান করেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সংসদ ভবন, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ মন্তব্য করেছেন যে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হওয়ায় দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি দৃশ্যমান।
আজ সংসদে এনসিপির সদস্য মো. আবুল হাসনাত (কুমিল্লা-৪)-এর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সংসদ সদস্যের উদ্বেগের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুততার সঙ্গে অপরাধীদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে। জনমনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করা মামলাগুলোর ক্ষেত্রেও দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘রামিসা মামলা থেকে শুরু করে রংপুরে সাম্প্রতিক চারটি হত্যাকাণ্ড পর্যন্ত পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী স্বল্পতম সময়ে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হয়েছে।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিচার বিভাগের দায়িত্ব অপরাধের বিচার করা। অপরদিকে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব হলো— অপরাধ তদন্ত করা, সন্দেহভাজনদের গ্রেফতার করা এবং তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা।
তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্যাপকভাবে ব্যর্থ হয়েছে— এমন অভিযোগ নাকচ করে তিনি বলেন, এ ধরনের অভিযোগ নির্দিষ্ট ঘটনা ও যাচাইযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো নির্দিষ্ট ঘটনায় ব্যর্থ হয়েছে— এমন কোনো ঘটনা আপনারা উল্লেখ করতে পারলে ওই নির্দিষ্ট ঘটনা সম্পর্কে আমরা বিস্তারিত জবাব দিতে পারি।’
সংসদ সদস্যের উদ্ধৃত অপরাধ সংক্রান্ত পরিসংখ্যানের ভিত্তি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, সংসদে কোনো পরিসংখ্যান উপস্থাপনের ক্ষেত্রে এর উৎস ও তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতিও উল্লেখ করা উচিত।
তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, সরকার এর আগে বিভিন্ন ধরনের অপরাধ সংক্রান্ত বিস্তারিত পরিসংখ্যান সংসদে উপস্থাপন করেছে। কার্যপ্রণালি বিধির ৩০০ বিধির আওতায় দেওয়া বিবৃতির মাধ্যমেও বিভিন্ন ধরনের অপরাধের পরিসংখ্যান সংসদকে জানানো হয়েছে।
পুলিশ সদস্যদের নৈতিক প্রশিক্ষণ বিষয়ে অপর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বর্তমানে নৈতিক প্রশিক্ষণের জন্য পৃথক কোনো কর্মপরিকল্পনা নেই।
একজন সংসদ সদস্য উল্লেখ করেন, কয়েকজন বিপথগামী পুলিশ সদস্যের অসদাচরণের কারণে পুরো পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়া উচিত নয়। কারণ, বাহিনীতে অনেক দক্ষ ও নিষ্ঠাবান কর্মকর্তা-কর্মচারী দায়িত্ব পালন করছেন।
জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশ একাডেমিগুলোতে নিয়মিত প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবেই নৈতিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
তিনি বলেন, ‘বিষয়টি অনেক বিস্তৃত। পুলিশ বাহিনীর সব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিজ নিজ একাডেমিতে নিয়মিত প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এসব প্রশিক্ষণে নৈতিক প্রশিক্ষণ, শারীরিক প্রশিক্ষণ এবং একাডেমিক বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।’
তিনি আবারও বলেন, ‘বর্তমানে নৈতিক প্রশিক্ষণের জন্য আলাদা কোনো কর্মপরিকল্পনা নেই।’
বিভিন্ন স্থান থেকে লুট হওয়া আগ্নেয়াস্ত্রের সংখ্যা এবং এসব অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়ে অপর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট সব বাহিনীর সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়মিতভাবে লুট হওয়া আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিভিন্ন অস্ত্র উদ্ধার করছে। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের সিরিয়াল নম্বর মিলিয়ে সেগুলো শনাক্ত করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা লুট হওয়া কিছু আগ্নেয়াস্ত্রসহ নিয়মিত অস্ত্র উদ্ধার করছি। উদ্ধার করা অস্ত্রের নম্বর মিলিয়ে দেখা হচ্ছে এবং এ ধরনের অস্ত্র উদ্ধার হলে গণমাধ্যমকে জানানো হচ্ছে।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, কারাগারসহ বিভিন্ন স্থান থেকে লুট হওয়া সব অস্ত্রই শেষ পর্যন্ত উদ্ধার করা সম্ভব হবে।
আগের সরকারের সময়ে রাজনৈতিক বা দলীয় বিবেচনায় পুলিশে নিয়োগের অভিযোগের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, এ বিষয়ে তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
তিনি বলেন, তদন্তে বিভিন্ন জেলায় হাজার হাজার পুলিশ কনস্টেবল ও অন্যান্য পদমর্যাদার সদস্য নিয়োগে অনিয়মের তথ্য পাওয়া গেছে।
কিছু ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট জেলার নিয়োগে যোগ্যতা অর্জনের জন্য আবেদনকারীরা ঠিকানা পরিবর্তন করেছিলেন বলেও জানান তিনি। এমনকি কেউ কেউ ছোট জমি কিনে সেই ঠিকানাকে স্থায়ী বা গ্রামের ঠিকানা হিসেবে ব্যবহার করে নিয়োগের জন্য আবেদন করেছিলেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
তিনি বলেন, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর ও কিশোরগঞ্জসহ কয়েকটি জেলায় এ ধরনের অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তদন্ত আমরা অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছি। তদন্ত শেষ হলে এর ফলাফল জাতির সামনে প্রকাশ করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ