ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঢাকায় বিমানের ফ্লাইট জরুরি অবতরণ


ঢাকায় বিমানের ফ্লাইট জরুরি অবতরণ

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট, যা কক্সবাজার থেকে আসছিল। ফ্লাইটটির জরুরি অবতরণের কারণে ঢাকায় বিমান ওঠানামা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকেল ৩টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত রানওয়ে বন্ধ থাকবে বলে জানা গেছে।

বিমানবন্দর ও এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল (এটিসি) সূত্রে জানা গেছে, কক্সবাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিজি-৪৩৬-এর উড়োজাহাজের রেজিস্ট্রেশন নম্বর এস২-একেই। উড্ডয়নের পরপরই উড়োজাহাজটির একটি চাকা বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘটনা ঘটার পর পাইলট জরুরি বার্তা পাঠান ঢাকার টাওয়ারে।

আরও পড়ুন: সদরঘাটে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসানের আকস্মিক পরিদর্শন

জরুরি অবতরণের পূর্বে উড়োজাহাজটির জ্বালানি কমিয়ে ওজন হ্রাস করার পাশাপাশি বিমানবন্দরে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন করার জন্য পাইলটকে আকাশে চক্কর দিতে হয়।

ফ্লাইট ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, উড়োজাহাজটি টাঙ্গাইলের নাগরপুর ও দেলদুয়ার এলাকার আকাশে কয়েকবার চক্কর দেয়। এই সময় এটি প্রায় ৬ হাজার ১০০ ফুট উচ্চতায় ঘণ্টায় ১৮৮ নট গতিতে উড়ছিল।

এদিকে জরুরি অবতরণের প্রস্তুতি হিসেবে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়েতে সাময়িকভাবে উড়োজাহাজ ওঠানামা বন্ধ করে দেওয়া হয়।

ঢাকা টাওয়ারের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ সময় বিকাল ৩টা থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত রানওয়েটি বন্ধ ছিল। এই সময়ে সব ধরনের ফ্লাইটের উড্ডয়ন ও অবতরণ স্থগিত রাখা হয়।

আরও পড়ুন: ঢাকায় ২৪ ঘণ্টার অভিযানে পুলিশের হাতে ৪৮৪ জন গ্রেপ্তার

জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য রানওয়েতে ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্সসহ প্রয়োজনীয় উদ্ধার ও জরুরি সেবার দল প্রস্তুত রাখা হয়। পরে পাইলট উড়োজাহাজটি নিরাপদে অবতরণ করান।

বিমান কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এই ঘটনায় কোনো যাত্রী বা ক্রু আহত হননি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হামের উপসর্গে দেশে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১ হাজার ৮৬ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:১৮ পি.এম


হামের উপসর্গে দেশে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১ হাজার ৮৬ জন

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও আট শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। একই সময়ে নতুন করে সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত হামে আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ৮৬ জনে পৌঁছেছে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ১ হাজার ১২২ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ১০২ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে আটজনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৩ জন। ফলে চলতি বছর দেশে নিশ্চিত হামে আক্রান্তের মোট সংখ্যা ২১ হাজার ৬৬৬ জনে পৌঁছেছে।

এছাড়া, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ১০৯ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা গিয়েছে। এর ফলে চলতি বছর দেশে সন্দেহভাজন হাম সংক্রমণের মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৯৫ হাজার ১৯৭ জনে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রযুক্তিনির্ভর পর্যটনব্যবস্থার বিকল্প নেই: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:১৯ পি.এম


প্রযুক্তিনির্ভর পর্যটনব্যবস্থার বিকল্প নেই: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান জানিয়েছেন, প্রযুক্তিনির্ভর পর্যটনব্যবস্থার বিকল্প নেই।

শনিবার (১০ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সেমিনারে এ কথা বলেন তিনি। এবারের বিশ্ব পর্যটন দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল ‘Digital Agenda and Artificial Intelligence to Redesign Tourism’।

উপাচার্য উল্লেখ করেন, পর্যটন এখন আর শুধুমাত্র আনন্দ-বিনোদন কিংবা অবকাশযাপনের বিষয় নয়; বরং এটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উদ্যোক্তা তৈরি, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন এবং স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি। বাংলাদেশের সমুদ্রসৈকত, নদী, বন, পাহাড়, চা-বাগান, প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ও সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক-সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে। এসব সম্ভাবনাকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে পর্যটন দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।

তিনি বলেন, অপর্যাপ্ত অবকাঠামো, সেবার মানের ঘাটতি, যথাযথ ব্যবস্থাপনার অভাব এবং নিরাপত্তাব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কারণে বাংলাদেশের পর্যটন সম্ভাবনা পুরোপুরি কাজে লাগানো সম্ভব হচ্ছে না। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রযুক্তিনির্ভর পর্যটনব্যবস্থার বিকল্প নেই। বিশ্ব পর্যটন খাতে ইতোমধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার শুরু হয়েছে। উপাচার্য বলেন, স্মার্ট পরিকল্পনা, তথ্য-উপাত্তভিত্তিক ব্যবস্থাপনা, ডিজিটাল বিপণন এবং ব্যক্তিকেন্দ্রিক ভ্রমণ-অভিজ্ঞতার মাধ্যমে এআই পর্যটন খাতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনছে। প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার বাংলাদেশের পর্যটনসেবাকে আরও আধুনিক, পর্যটকবান্ধব ও বৈশ্বিক জনগণের জন্য সহজলভ্য করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে এআই-নির্ভর পর্যটন হবে আরও ব্যক্তিকেন্দ্রিক, কার্যকর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক। ছোট উদ্যোক্তা ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোও আন্তর্জাতিক পর্যটনবাজারে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। তবে প্রযুক্তির ব্যবহারের পাশাপাশি পরিবেশ সুরক্ষা, দায়িত্বশীল পর্যটন আচরণ এবং সাংস্কৃতিক ও মানবিক মূল্যবোধকে সমান গুরুত্ব দিতে হবে।

উপাচার্য ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ভূমিকার কথা তুলে ধরে বলেন, এআই, তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ, ডিজিটাল বিপণন ও স্মার্ট আতিথেয়তা ব্যবস্থাপনার সঙ্গে পর্যটনবিষয়ক গবেষণা ও বাস্তব অভিজ্ঞতার সমন্বয় ঘটাতে হবে। তাদের উদ্ভাবনী গবেষণা ও উদ্যোগ টেকসই পর্যটনের বিকাশ, প্রকৃতি সংরক্ষণ এবং স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

উপাচার্য বলেন, বিশ্ব পর্যটন দিবস কেবল উদ্‌যাপনের দিন নয়; বরং এটি পর্যটন খাতের উন্নয়নে নতুন করে অঙ্গীকার করার দিন। প্রযুক্তি, সৃজনশীলতা ও মানবিকতার সমন্বয়ে একটি আধুনিক, সেবামুখী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পর্যটনশিল্প গড়ে তুলতে সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। প্রযুক্তি যেন কখনো মানুষের বিকল্প হয়ে না ওঠে; বরং মানুষের সেবা, আতিথেয়তা ও মানবিকতাকে আরও কার্যকর করার মাধ্যম হিসেবে প্রযুক্তিকে ব্যবহার করা উচিত।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সভাপতি শরিফুল ইসলাম জুয়েল। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী এবং রহিমাফরোজ বাংলাদেশ লিমিটেডের গ্রুপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়াজ রহিম। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অরুণিমা রিসোর্ট গলফ ক্লাবের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশ ইন্টিগ্রেটেড রুরাল বেসড অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী পরিচালক ইরফান আহমেদ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আব্দুস শাহীদ মিয়া, ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের পরিচালক মো. মহিউদ্দিন সেলিম, এনজিও দিশার নির্বাহী পরিচালক মো. রবিউল ইসলাম এবং গোয়িংফ্লাইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমান।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপক ইরফান আহমেদ বলেন, পর্যটন খাতের সামগ্রিক রূপান্তর ও টেকসই উন্নয়নে প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার দিন দিন অপরিহার্য হয়ে উঠছে। আধুনিক বিশ্বব্যবস্থায় শিল্পবিপ্লব থেকে প্রযুক্তিগত বিপ্লবের দিকে অগ্রসর হতে ডিজিটাল কর্মপরিকল্পনা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে। এআইয়ের সঠিক প্রয়োগ একজন পর্যটকের গন্তব্য নির্বাচন, তথ্য অনুসন্ধান, ভ্রমণ পরিকল্পনা, সহজে বুকিং, ভাষান্তর এবং ভ্রমণ-অভিজ্ঞতাকে অনন্য করে তোলার পাশাপাশি ফিরতি যাত্রাও স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তুলতে পারে।

তিনি বলেন, হোটেল-রিসোর্ট ব্যবস্থাপনা, স্বল্প সময়ে উদ্ভাবনী ভ্রমণ প্যাকেজ তৈরি এবং সরকারি পর্যায়ে পর্যটকদের জন্য সঠিক তথ্য শ্রেণিবিন্যাসের ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কার্যকর ভূমিকা রাখছে। এ ছাড়া পরিবেশ সুরক্ষার পাশাপাশি সঠিক পরিকল্পনা ও গবেষণাভিত্তিক তথ্য সরবরাহের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণ ও ব্যবসায়িক খাতকে সমৃদ্ধ করে টেকসই পর্যটন নিশ্চিত করতেও এআই ও ডিজিটাল কর্মপরিকল্পনা যুগান্তকারী পরিবর্তন আনছে।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রুয়েটে কোডিং পদ্ধতি চালুর প্রতিশ্রুতি, বাস্তবে নেই কার্যক্রম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:১৯ পি.এম


রুয়েটে কোডিং পদ্ধতি চালুর প্রতিশ্রুতি, বাস্তবে নেই কার্যক্রম

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) বহুল প্রতীক্ষিত ‘ইউনিক কোডিং পদ্ধতি’ চালুর নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার পাঁচ মাস পেরিয়ে গেলেও এর বাস্তবায়ন এখনো দেখা যায়নি। পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ পদ্ধতি চালুর কথা বলা হয়েছিল। তিনটি বিভাগে পরীক্ষামূলকভাবে এই পদ্ধতি চালুর পরিকল্পনা থাকলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে শিক্ষার্থীদের কাছে প্রতিশ্রুতিটি অধরাই রয়ে গেছে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে শিক্ষার্থীদের উত্থাপিত ১২ দফা দাবির মধ্যে একটি প্রধান বিষয় ছিল উত্তরপত্রে রোল নম্বরের পরিবর্তে কোড প্রবর্তন। বিভিন্ন আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের ২ মে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের (২৫ সিরিজ) তিনটি বিভাগ—কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, বিল্ডিং ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন ম্যানেজমেন্ট (বিইসিএম) এবং ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং (ইসিই)—এ পরীক্ষামূলকভাবে কোডিং পদ্ধতি চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল যে, নির্ধারিত তিনটি বিভাগে সফলভাবে এ পদ্ধতি বাস্তবায়নের পর পর্যায়ক্রমে সব বর্ষ ও বিভাগে তা সম্প্রসারণ করা হবে। কিন্তু তিনটি বিভাগের প্রথম বর্ষের প্রথম সেমিস্টারের পরীক্ষায় এ পদ্ধতির প্রয়োগ ঘটেনি বলে জানা গেছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সূত্রে এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে কোডিং পদ্ধতির প্রাথমিক বাস্তবায়ন না হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এদিকে, দেশের অন্যান্য উচ্চশিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কয়েকটিতে ইতোমধ্যে কোডিং পদ্ধতি চালুর দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যমতে, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) এবং চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) পরীক্ষার উত্তরপত্রে কোডিং পদ্ধতি চালু রয়েছে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) গত ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে প্রাথমিকভাবে ছয়টি বিভাগে এবং পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ইতিহাস ও ইংরেজি বিভাগে এ পদ্ধতির আওতায় পরীক্ষা নেওয়া শুরু হয়েছে। যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) সব পরীক্ষায় কোডিং পদ্ধতি চালুর নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় এ ক্ষেত্রে এগিয়ে গেলেও রুয়েটের মতো একটি শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে স্থবিরতা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে।

কোডিং পদ্ধতি বাস্তবায়নে অগ্রগতি না হওয়ার বিষয়ে রুয়েটের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. তৌহিদ আরিফ খান চৌধুরী জানিয়েছেন, কোডিং পদ্ধতি বাস্তবায়নের দায়িত্ব বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সংশ্লিষ্ট কমিটির চেয়ারম্যানকে দিয়েছে। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ দপ্তর থেকে প্রয়োজনীয় প্রতিবেদন ইতোমধ্যে কমিটির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে পরীক্ষামূলকভাবে এ পদ্ধতি চালুর বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা ও নির্ধারিত ফরম্যাট পেলে টপশিট প্রস্তুত, কোডিং-ডিকোডিং এবং ফলাফল প্রক্রিয়াকরণের প্রস্তুতি নেওয়া হবে।

সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে এ প্রসঙ্গে রুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রাজ্জাক জানিয়েছেন, ‘কোডিং পদ্ধতি বাস্তবায়নের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। কোথাও জটিলতা থাকলে তা ডিনদের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধান করা হবে।’ তিনি পরীক্ষা ও উত্তরপত্র মূল্যায়নের বিষয়ে উল্লেখ করেন, বর্তমান পরীক্ষা পদ্ধতিতে প্রশ্ন প্রণয়ন, মডারেশন ও উত্তরপত্র মূল্যায়নের সঙ্গে একাধিক শিক্ষক যুক্ত থাকেন। এ ছাড়া উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের (রিভিউ) সুযোগ থাকায় কোনো শিক্ষার্থীর উত্তরপত্র এককভাবে অবমূল্যায়িত হওয়ার আশঙ্কা অনেকাংশেই কম।

প্রশাসনের বক্তব্যের বিপরীতে শিক্ষার্থীরা জানান, উত্তরপত্র মূল্যায়নে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা প্রতিষ্ঠা এবং নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে কোডিং পদ্ধতির বিকল্প নেই। তারা দীর্ঘসূত্রতা পরিহার করে দ্রুত আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা জারি এবং সব বিভাগে কোডিং পদ্ধতি কার্যকর করার সুনির্দিষ্ট সময়সীমা ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশে ‘আইফোন ১৮ প্রো’ উন্মোচনে বিশেষ আয়োজন এক্সিকিউটিভ মেশিনসের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:২০ পি.এম


বাংলাদেশে ‘আইফোন ১৮ প্রো’ উন্মোচনে বিশেষ আয়োজন এক্সিকিউটিভ মেশিনসের

বাংলাদেশে ‘আইফোন ১৮ প্রো’ উন্মোচনের জন্য বিশেষ একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা করছে অ্যাপলের অনুমোদিত রিসেলার ও সার্ভিস প্রোভাইডার এক্সিকিউটিভ মেশিনস লিমিটেড। এই দিনব্যাপী আয়োজনে অংশগ্রহণ করবেন গ্রাহক, প্রযুক্তিপ্রেমী, কনটেন্ট ক্রিয়েটর, গণমাধ্যম প্রতিনিধি এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা।

অংশগ্রহণকারীরা এক্সিকিউটিভ মেশিনসের আয়োজনের মাধ্যমে আইফোন ১৮ প্রো সরাসরি দেখার এবং ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। এ ছাড়া, বিশেষ কেনাকাটার অফার, আকর্ষণীয় উপহার, ‘ক্রিয়েটরস লাউঞ্জ’ এবং ‘আইফোন ১৮ প্রো ফটোবুথ’ এর মতো বিভিন্ন আয়োজনও থাকবে।

২০০৮ সাল থেকে বাংলাদেশে অ্যাপলের অনুমোদিত রিসেলার হিসেবে কাজ করছে এক্সিকিউটিভ মেশিনস। প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘ সময় ধরে দেশের গ্রাহকদের কাছে অ্যাপলের সর্বশেষ পণ্য ও অনুমোদিত সেবা পৌঁছে দিয়ে আসছে।

এ বিষয়ে এক্সিকিউটিভ মেশিনসের জেনারেল ম্যানেজার মাহমুদ হাসান মাশফিক মন্তব্য করেন, "আইফোন ১৮ প্রো-এর আগমন আমাদের গ্রাহক এবং বাংলাদেশের অ্যাপল কমিউনিটির জন্য একটি অত্যন্ত আনন্দদায়ক মুহূর্ত। এই আয়োজনের মাধ্যমে আমরা গ্রাহকদের আইফোন ১৮ প্রো সরাসরি ব্যবহারের সুযোগ করে দিতে চাই এবং একই সঙ্গে এক্সিকিউটিভ মেশিনসের সঙ্গে একটি স্মরণীয় অভিজ্ঞতা উপহার দিতে চাই।"

আয়োজকেরা জানান, দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা আইফোন ১৮ প্রো ব্যবহারের অভিজ্ঞতা নেওয়ার পাশাপাশি অ্যাপলের সর্বশেষ উদ্ভাবন সম্পর্কে জানার সুযোগ পাবেন। নতুন প্রো সিরিজের পণ্যকে ঘিরে গ্রাহকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ তৈরি করা এবং প্রযুক্তিপ্রেমীদের জন্য বিশেষ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করাই এ আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%