ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঋণ করে গড়া কলাবাগান রাতেই তছনছ, দিশেহারা জয়দার মিয়া


ঋণ করে গড়া কলাবাগান রাতেই তছনছ, দিশেহারা জয়দার মিয়া

এক রাতের মধ্যে একটি কৃষকের ঋণ করে গড়া বিশাল কলাবাগান সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। যখন গাছে গাছে ফলন্ত কলার ছড়া দেখা যাচ্ছিল, ঠিক তখনই শত্রুতাবশত রাতের অন্ধকারে প্রায় এক হাজার কলাগাছ কেটে ফেলা হয়। এই অমানবিক তাণ্ডবে কৃষক জয়দার মিয়া তার পরিবারসহ পথে বসার উপক্রম হয়ে পড়েছেন।

রোববার (১১ অক্টোবর) সকালে মাগুরার মহম্মদপুর থানায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক জয়দার মিয়া একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। শুক্রবার দিবাগত রাতে উপজেলার দীঘা ইউনিয়নের পাল্লা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তথ্য অনুযায়ী, কৃষক জয়দার মিয়া নিজের বাড়ির পূর্ব পাশে গোরস্থানসংলগ্ন ১০০ শতক জমি লিজ ও বর্গা নিয়ে দীর্ঘদিন পরিশ্রম করে কলাবাগানটি গড়ে তোলেন। বাগানটি তৈরি করতে এনজিও এবং বিভিন্ন উৎস থেকে ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন তিনি। ইতিমধ্যে গাছে গাছে কলার ছড়া আসতে শুরু করেছিল। কিন্তু দুর্বৃত্তরা রাতের অন্ধকারে পুরো বাগানটি ধ্বংস করে দেয়। এতে তার ৫ থেকে ৬ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক জয়দার মিয়া বলেন, ‘এনজিও থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে আর দিনরাত ঘাম ঝরিয়ে বাগানটি দাঁড় করিয়েছিলাম। আর কিছুদিন পরই কলা বিক্রি করে ঋণের টাকা শোধ করার কথা ছিল। কিন্তু শত্রুতাবশত রাতের আঁধারে আমার সব শেষ করে দিল। এখন কী দিয়ে এনজিওর কিস্তি দেব আর পরিবার নিয়ে কী খাব, তা বুঝতে পারছি না। আমি সরকারের কাছে বিচার ও ক্ষতিপূরণ চাই।’

স্থানীয় ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য আলম নবী বলেন, ‘জয়দার একজন অত্যন্ত পরিশ্রমী কৃষক। ঋণ করে বাগানটি করেছিল। ফলন্ত কলাগাছ এভাবে কেটে ফেলা জঘন্য অপরাধ। এতে তার ৫-৬ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। আমরা থানায় লিখিত অভিযোগ জানিয়ে পুলিশকে দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের অনুরোধ করেছি।’

প্রতিবেশী আকিদুল ইসলাম বলেন, ‘সকালে বাগানের এই অবস্থা দেখে আমরা স্তম্ভিত হয়ে গেছি। একজন কৃষকের সঙ্গে এমন শত্রুতা কোনো মানুষ করতে পারে না। যারা এই কাজ করেছে, তাদের কঠোর শাস্তি হওয়া দরকার।’

এ বিষয়ে মহম্মদপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইসরাত জাহান শিলু বলেন, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। খবর পেয়ে আমাদের মাঠপর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। প্রায় সাড়ে ৩০০ কলার কাঁদিসহ ১ হাজার গাছ কেটে ফেলায় কৃষক ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। আমরা ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করছি। সরকারি কোনো প্রণোদনা বা সহায়তা এলে তাকে অগ্রাধিকারভিত্তিতে দেওয়া হবে।’

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম শামীম আহমেদ জানান, কলাগাছ কাটার ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে ফেরাতে শিক্ষার্থীদের ব্যাকুলতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:২৫ পি.এম


অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে ফেরাতে শিক্ষার্থীদের ব্যাকুলতা

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ করিম উদ্দিন পাবলিক পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক খুরশীদুজ্জামান আহমেদকে পুনরায় দায়িত্ব দেওয়ার জন্য শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে।

শিক্ষার্থীরা রবিবার (১১ অক্টোবর) শিক্ষক খুরশীদুজ্জামান আহমেদের শেষ কর্মদিবসে তার বিদায় না জানিয়ে কর্মস্থলে রাখার জন্য আকুল আবেদন জানায়। ক্লাস শুরু হওয়ার পরপরই শিক্ষার্থীরা ক্লাস ছেড়ে প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে অবস্থান নেয়। সেখানে তারা প্রধান শিক্ষককে পুনরায় দায়িত্ব দেওয়ার জন্য জোর দাবি জানায়।

পরে প্রধান শিক্ষক খুরশীদুজ্জামান আহমেদ বিষয়টি জানতে পেরে নিজে গিয়ে শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে শান্ত করেন এবং তাদের পুনরায় ক্লাসে ফিরিয়ে নেন।

খুরশীদুজ্জামান আহমেদ দীর্ঘ সময় ধরে নিষ্ঠা ও দক্ষতার সঙ্গে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তার সুচিন্তিত দিকনির্দেশনা ও প্রচেষ্টার ফলে বিদ্যালয়টি পড়াশোনাসহ বিভিন্ন ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে দেশ ও বিদেশে সুনাম ও পরিচিতি অর্জন করেছে।

এটি উল্লেখযোগ্য যে, সরকারের নিয়ম অনুযায়ী বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্ত এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষাবোর্ডের অনুমোদন সাপেক্ষে কোনো অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক পুনরায় দায়িত্ব পালন করতে পারেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারীর সঙ্গে অশ্লীল ভিডিও বানিয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ছেলের পাত্রী দেখতে বিপাকে আনোয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:২৫ পি.এম


নারীর সঙ্গে অশ্লীল ভিডিও বানিয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ছেলের পাত্রী দেখতে বিপাকে আনোয়ার

নওগাঁর মান্দা এলাকায় এক বৃদ্ধকে ছেলের জন্য পাত্রী দেখানোর কথা বলে ডেকে নিয়ে জোরপূর্বক অশ্লীল ছবি ও ভিডিও ধারণ করে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার পর মান্দা থানা পুলিশ মো. জাকারিয়া নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে।

গ্রেপ্তার অভিযানটি রোববার (১১ অক্টোবর) ভোররাতে পরিচালিত হয়। পুলিশ জানায়, জাকারিয়ার বিরুদ্ধে এর আগে মান্দা ও মোহনপুর থানায় তিনটি মামলা রয়েছে।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ভুক্তভোগী মীর মো. আনোয়ার হোসেন (৬২) রাজশাহী মহানগরের বোয়ালিয়া থানার বালিয়াপুকুর এলাকার বাসিন্দা। গত ৭ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে, তার পূর্বপরিচিত এক নারী তাকে নওগাঁর মান্দা উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামের একটি বাড়িতে নিয়ে যান, যেখানে ছেলের জন্য পাত্রী দেখানোর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগের ভিত্তিতে, গ্রেপ্তার জাকারিয়ার পরিকল্পনায় ওই নারীসহ অন্যান্য আসামিরা একত্রিত হয়ে এই ঘটনা ঘটান।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ওই বাড়িতে কথাবার্তার এক পর্যায়ে অভিযুক্তরা আনোয়ার হোসেনকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন, কিল-ঘুষি ও চড়-থাপ্পড় মারেন। এরপর, এক নারী আসামির সঙ্গে জোরপূর্বক তার অশ্লীল ও নগ্ন ছবি এবং ভিডিও ধারণ করা হয়। এসব ছবি ও ভিডিওর মাধ্যমে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও যোগাযোগ করেন।

পরে, চাঁদার টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভুক্তভোগীর স্বজনেরা একই দিন দুপুর আড়াইটার দিকে তাকে উদ্ধার করেন। এরপর তাকে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ১১ অক্টোবর মান্দা থানায় মামলা করা হয়। মামলায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ৮(১) ও ৮(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ৩৪২, ৩২৩, ৩৮৫, ৫০৬ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আফজাল হোসেন জানান, অভিযানের মাধ্যমে মামলার প্রধান আসামি মো. জাকারিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে পূর্বে মান্দা ও মোহনপুর থানায় তিনটি মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পোশাকের ট্যাবু ভাঙতে যশোরে ‘সংস্কৃতির সমতার’ লুঙ্গি প্যারেড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪২ পি.এম


পোশাকের ট্যাবু ভাঙতে যশোরে ‘সংস্কৃতির সমতার’ লুঙ্গি প্যারেড

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’, যা পোশাকের ভিত্তিতে মানুষকে বিচার করার সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের এবং বাঙালির লোকজ ঐতিহ্যের প্রতি সম্মান জানানোর বার্তা নিয়ে এসেছে। ‘সংস্কৃতির সমতা’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এই শোভাযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা লুঙ্গি, শাড়ি, ফতুয়া ও গামছা পরে অংশগ্রহণ করেন। আয়োজকদের মতে, পোশাকের বৈচিত্র্য নয়, বরং সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধা ও মানুষের সমমর্যাদাই এই আয়োজনের মূল বার্তা।

রোববার (১১ অক্টোবর) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইকেল মধুসূদন দত্ত কাম একাডেমিক ভবনের সামনে একটি সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা হয়। ইংরেজি বিভাগের ‘লার্নিং ল্যাঙ্গুয়েজ থ্রু লিটারেচার’ কোর্সের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত প্যারেডটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সড়ক ধরে স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সামনে দিয়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম একাডেমিক ভবন প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শুরুর স্থানে ফিরে এসে শেষ হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফারুক হাসান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, "পোশাক নয়, মানুষের মানবিকতা, দায়িত্ববোধ ও শৃঙ্খলাবোধ দিয়েই তার প্রকৃত মর্যাদা নির্ধারিত হয়।" তিনি আরও বলেন, পোশাক সংস্কৃতির পরিচয় বহন করলেও তা কখনো একজন মানুষের একমাত্র পরিচয় হতে পারে না। এ ধরনের ব্যতিক্রমী আয়োজনের প্রশংসা করে তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আয়োজনটির পরিচালক ও ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা ইয়াসমিন বলেন, "লুঙ্গি শুধু এক টুকরো কাপড় নয়, এটি বাংলার মাঠ-ঘাট ও পূর্বপুরুষদের ঐতিহ্যের প্রতীক।" তিনি উল্লেখ করেন, সাহিত্য কেবল বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ নয়; তা মানুষের সংস্কৃতি ও পোশাকেও প্রকাশ পায়। স্কটল্যান্ডের কিল্ট কিংবা জাপানের কিমোনোর মতো লুঙ্গিও বাঙালির পরিচয়ের গর্বিত অংশ। তিনি মন্তব্য করেন, প্যান্ট-শার্টকেই স্মার্টনেসের একমাত্র মাপকাঠি না ভেবে নিজের শিকড় ও ঐতিহ্যকে ধারণ করা জরুরি।

আয়োজকদের মতে, সমাজে কিছু পোশাককে অভিজাত এবং সাধারণ মানুষের পরিধেয় পোশাককে তুলনামূলক নিম্নমানের হিসেবে দেখার প্রবণতা রয়েছে। পোশাককেন্দ্রিক এ ধরনের মানসিকতা ও সামাজিক বিভাজন দূর করতেই ‘সংস্কৃতির সমতা’ প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। কোনো সংস্কৃতি বা পোশাকই ছোট নয়; সব ঐতিহ্যের প্রতি সমান সম্মান প্রদর্শনই এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।

অনুষ্ঠানে এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মরিয়ম জামিলা, ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান ড. ফারজানা নাসরিন, প্রক্টর ড. মো. হামিদুর রহমান, সহযোগী অধ্যাপক ড. মুনিবুর রহমান, ড. ফারহানা ইয়াসমিন, ড. আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইবির ৩৬ শিক্ষার্থী পাচ্ছেন ডিন’স অ্যাওয়ার্ড ২০২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৩ পি.এম


ইবির ৩৬ শিক্ষার্থী পাচ্ছেন ডিন’স অ্যাওয়ার্ড ২০২৫

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ২০১৯–২০ শিক্ষাবর্ষের ৩৬ শিক্ষার্থী ‘ডিন’স অ্যাওয়ার্ড ২০২৫’-এর জন্য মনোনীত হয়েছেন, যা অনুষদভিত্তিক অবস্থানের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়েছে। এই পুরস্কার আগামী ১৪ অক্টোবর তাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে প্রকাশিত তালিকায় আটটি অনুষদের ৩৬ শিক্ষার্থীর নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের নয় শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের মোহাম্মদ আল-ফাইদ ও আলি আহসান মোহাম্মদ জুবায়ের। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম এবং দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের নাজমুল ইসলাম। তৃতীয় স্থানে আছেন আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের আব্দুল্লাহ ইহসান ভুঁইয়া, আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের মো. দেলওয়ার হোসেন, মো. শরিফুল ইসলাম ও নাইমুর রহমান এবং দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের নোমান আল হাদি।

কলা অনুষদের তিন শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের মোসা. তানজিলা খাতুন। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন একই বিভাগের মো. হাফিজুল ইসলাম এবং তৃতীয় স্থানে আছেন জেবা রহমান।

সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের চার শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন লোকপ্রশাসন বিভাগের মো. মুনতাকিম রহমান। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন অর্থনীতি বিভাগের মো. টগর আলী ও জেসিয়া খাতুন এবং তৃতীয় স্থানে আছেন মোসা. সিরাজুম মুনিরা।

আইন অনুষদের তিন শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগের সাদিয়া। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন একই বিভাগের রাফিয়া খাতুন এবং তৃতীয় স্থানে আছেন মোসা. হাফসা খানম সন্ধানী।

ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ছয় শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সুমি খাতুন। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের প্রত্যয় সানা। তৃতীয় স্থানে আছেন ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের মো. সিরাজুল ইসলাম ও অনিন্দ সাহা, হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ফয়সাল আহমেদ ফাহিম এবং অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের মেহেদী হাসান শিকদার।

বিজ্ঞান অনুষদের তিন শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন পরিসংখ্যান বিভাগের মো. মেহেদী হাসান লিমন। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন একই বিভাগের মো. মাহমুদুল হাসান এবং তৃতীয় স্থানে আছেন গণিত বিভাগের আরিফুল ইসলাম।

প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের পাঁচ শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন অ্যাপ্লাইড কেমিস্ট্রি অ্যান্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মোসা. মহুয়া রহমান নাইস ও জান্নাতুন নাইম এবং ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মো. আহসান হাবিব। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিভাগের মো. মাহফুজুর রহমান এবং তৃতীয় স্থানে আছেন নাফিজ রহমান সায়িম।

জীববিজ্ঞান অনুষদের তিন শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন ফার্মেসি বিভাগের আব্দুল্লাহ আল মামুন। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন একই বিভাগের মো. আব্দুল বাশার এবং তৃতীয় স্থানে আছেন বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মো. মেহেদী হাসান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান বলেন, "ডিন’স অ্যাওয়ার্ডে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন এবং তাদের আগামীর জন্য শুভকামনা জানাচ্ছি। এ পুরস্কার জুনিয়রদের কাছে অনুপ্রেরণা জোগায়। যথাসময়ে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পুরস্কার প্রদান করা হবে।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%