ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সয়াবিন তেলভর্তি গাড়িতে ডাকাতি, দুই ডাকাত গ্রেপ্তার


সয়াবিন তেলভর্তি গাড়িতে ডাকাতি,  দুই ডাকাত গ্রেপ্তার

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলায় একটি চলন্ত কাভার্ডভ্যানকে থামিয়ে চালক ও হেলপারকে জিম্মি করে ডাকাতি চালানোর ঘটনা ঘটেছে। ডাকাতরা প্রায় ২৪ লাখ টাকার সয়াবিন তেল নিয়ে পালিয়ে যায়।

সংশ্লিষ্ট ঘটনায়, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পুলিশ দুই ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে। তবে, জড়িত অন্যান্য আসামিদের ধরার জন্য অভিযান চলমান রয়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশের কনফারেন্স রুমে সংবাদ সম্মেলন করে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়। ৯ জুলাই, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থেকে যশোরের উদ্দেশ্যে ৬৬৫ কার্টুনে থাকা ১১ হাজার ৯৭০ লিটার সয়াবিন তেল ভর্তি কাভার্ডভ্যান রওনা করে। সময়ে নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছানোর পর, ৭ থেকে ৮ সদস্যের একটি ডাকাতদল কাভার্ডভ্যানটির গতিরোধ করে।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

এ সময় ডাকাতরা চালক ও হেলপারকে হাত, মুখ ও চোখ বেঁধে জিম্মি করে ফেলে। পরে, তারা কাভার্ডভ্যানসহ প্রায় ২৪ লাখ টাকার সয়াবিন তেল নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযান শুরু করে এবং এক পর্যায়ে গাজীপুরের টঙ্গী এলাকা থেকে গনি মিয়া (২৮) ও অতি রহমান নামে দুই ডাকাতকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারকৃতদের কাছে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি পিকআপ, ছিনতাইকৃত কাভার্ডভ্যান এবং লুট হওয়া ১১ হাজার ৯৭০ লিটার সয়াবিন তেল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ড্রেন থেকে উঁকি দিচ্ছিল কুমির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৪৪ পি.এম


ড্রেন থেকে উঁকি দিচ্ছিল কুমির

ভেনিজুয়েলার রাজধানী কারাকাসের লা লাগুনিটা এলাকায় একটি আবাসিক এলাকার ড্রেন থেকে উদ্ধার করা হয়েছে প্রায় সাড়ে পাঁচ ফুট লম্বা একটি কাইম্যান (কুমিরজাতীয় প্রাণী)। অপ্রত্যাশিত এ ঘটনাটি এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সরু কংক্রিটের ড্রেনের মাঝে আটকে থাকা কাইম্যানটি একটি সড়কের পাশে পার্ক করা গাড়ির নিকটস্থ অবস্থান নিয়েছিল। বিষয়টি প্রায় নজরে আসার পর স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত পুলিশ ও উদ্ধারকারী কর্তৃপক্ষকে খবর দেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, কাইম্যানটির কাছে যাওয়ার প্রয়াস নিলে এটি আক্রমণাত্মক আচরণ শুরু করে এবং মুখ খুলে দাঁত বের করে আক্রমণের সতর্ক সংকেত দিতে থাকে। এতে কৌতুহলী মানুষের ভিড় জমে যায় এবং নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়।

প্রারম্ভিকভাবে জরুরি সেবাকর্মীরা ফোনে পাওয়া তথ্যকে বিশ্বাস করতে ব্যর্থ হন। কিন্তু যখন ঘটনাস্থলে পৌঁছান, তখন ড্রেনের ভেতরে বিশাল আকৃতির কাইম্যানটি দেখতে পান তারা। পরে বিশেষ জাল, দড়ি এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের সাহায্যে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়।

দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর প্রাণীটিকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয় এবং পরে এটি লোকালয় থেকে দূরে অবস্থিত একটি উপযুক্ত প্রাকৃতিক আবাসস্থলে অবমুক্ত করা হয়।

ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অবশ্য স্বস্তি প্রকাশ করলেও আবাসিক এলাকায় এ ধরনের একটি কুমিরজাতীয় প্রাণীর উপস্থিতি কিভাবে ঘটল, সে বিষয়ে আলোচনা চলমান রয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষও বিষয়টি যথাযথভাবে খতিয়ে দেখছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে মিলল যুবকের মরদেহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৪৮ পি.এম


রাজধানীতে পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে মিলল যুবকের মরদেহ

রাজধানীর শাহবাগ থানার বাংলামোটর এলাকায় সাইফুল ইসলাম নামের একজনের পরিত্যক্ত বাসা থেকে অজ্ঞাতপরিচয়ের (২৮) এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (১১ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ওই মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শহিদুল ইসলাম জানান, আমরা বেলা পৌনে ১১টার দিকে ৯৯৯ এর মাধ্যমে খবর পেয়ে একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে গাছের সঙ্গে অজ্ঞাতপরিচয়ের এক যুবককে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাই। এরপর মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। আইনি প্রক্রিয়ার পর, সেই মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে স্থানান্তরিত করা হয়।

তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি আত্মহত্যা করেছেন। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। আমরা সিআইডি ক্রাইমসিনকে খবর দিয়েছি।

প্রযুক্তির সহায়তায় তার নাম ও পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হবে বলেও তিনি জানান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চীনের বাঁধ নির্মাণে উদ্বেগ, ভারত-বাংলাদেশের জন্য বিপদের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৫২ পি.এম


চীনের বাঁধ নির্মাণে উদ্বেগ, ভারত-বাংলাদেশের জন্য বিপদের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের

চীনের একটি ভূতাত্ত্বিক গবেষণায় ধরা পড়েছে যে, তিব্বতের ইয়ারলুং সাংপো (ব্রহ্মপুত্র) নদীর ওপর নির্মাণাধীন বিশ্বের সর্ববৃহৎ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ঠিক তলদেশে একটি সক্রিয় ভূগর্ভস্থ চ্যুতি বা ফল্ট লাইনের অস্তিত্ব রয়েছে।

ভূতাত্ত্বিকরা জানান, হিমালয় অঞ্চলের এই ফল্ট লাইনটি নির্মাণাধীন মেগা বাঁধের কাঠামোগত নিরাপত্তার পাশাপাশি স্থায়িত্বকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।

হংকং-ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ‘চায়না জিওলজিক্যাল সার্ভে’-র তত্ত্বাবধানে মান্দারিন ভাষায় প্রকাশিত ‘সেডিমেন্টারি জিওলজি অ্যান্ড টেথিয়ান জিওলজি’ সাময়িকীতে গত মাসে এই গবেষণা পত্রটি প্রকাশিত হয়েছে।

চেংদু ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি, চায়না জিওলজিক্যাল সার্ভের সিভিল-মিলিটারি ইন্টিগ্রেশন সেন্টার এবং মিডল ইয়ারলুং সাংপো রিভার ন্যাচারাল রিসোর্সেস অবজারভেশন অ্যান্ড রিসার্চ স্টেশনের চীনা ভূতাত্ত্বিকদের একটি যৌথ দল গবেষণাটি পরিচালনা করেছে।

গবেষকরা তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন, ‘পাইঝেন ফল্ট’ নামের এই ভূগর্ভস্থ ফাটলটি প্লাইস্টোসিন বা বরফ যুগ থেকে আজ পর্যন্ত সক্রিয় রয়েছে। এই সক্রিয়তার ফলে, এটি মেদগ কাউন্টির এই মেগা বাঁধ, সংযোগকারী সড়ক, সেতু, টানেল এবং সামগ্রিক কৃত্রিম জলাধারের কাঠামোর ওপর বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।

দীর্ঘ সময় ধরে ভূগর্ভস্থ প্লেটের নড়াচড়ার কারণে এই চ্যুতিটি চারপাশের শিলাখণ্ডগুলোকে সম্পূর্ণভাবে ভেঙে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে ফেলেছে, যার ফলে মাটির ভেতরের স্তরগুলোর ধারণক্ষমতা এবং দৃঢ়তা নষ্ট হয়ে গেছে। এর ফলে এই ভঙ্গুর ভিত্তিটি ৬০ হাজার মেগাওয়াটের একটি দানবীয় বাঁধ এবং এর পেছনে জমা থাকা কোটি কোটি গ্যালন পানির অতিরিক্ত ওজন ধরে রাখতে গিয়ে যেকোনো মুহূর্তে ধসে পড়তে পারে।

গবেষণা প্রতিনিধি দলটি আরও সতর্ক করেছে যে, তিব্বতের পার্বত্য অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি আলগা এবং মাটির কণার ভেতরের বন্ধনও খুব দুর্বল। একবার যখন এই বিশাল জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের জলাধারে পানি পূর্ণ করা হবে, তখন দীর্ঘস্থায়ী জলীয় সম্পৃক্ততা, ফল্ট লাইনের অবিরত কম্পন এবং ভূমিকম্পের সম্মিলিত প্রভাবে জলাধারের দুই পাশে পাহাড়ে প্রলয়ংকরী ভূমিধস ঘটতে পারে। এই ধরনের ধস সরাসরি বাঁধের মূল পরিকাঠামো ও সেখানে কর্মরত কর্মীদের জীবনকে চরম বিপন্ন করে তুলবে।

গত বছর তিব্বতে এই মেগা বাঁধের নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে, যা বিদ্যুৎ উৎপাদনের দিক থেকে চীনের বর্তমান বিখ্যাত থ্রি গর্জেস বাঁধের তুলনায় তিন গুণ বড় এবং এর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৩০০ বিলিয়ন কিলোওয়াট-ঘণ্টা হিসেবে ধরা হয়েছে।

ইয়ারলুং সাংপো নদীটি তিব্বত ছেড়ে ভারতের অরুণাচল ও আসামের ওপর দিয়ে ব্রহ্মপুত্র নামে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশে যমুনা নদী নামে প্রবেশ করছে। এ কারণে ব্রহ্মপুত্রের নীচে অবস্থানরত ভারত এবং বাংলাদেশের জন্য এই মেগা বাঁধটি এখন একটি ‘ভূতাত্ত্বিক টাইম বোমা’ হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে।

চীনা গবেষকদের এই গবেষণা উদ্বেগ আরও অনেক বেশি করে তুলেছে। তারা বলছেন যে, এই বাঁধটি নির্মাণ করা হচ্ছে যেখানে, সেই এলাকটি মূলত হিমালয় সিসমিক বেল্ট বা ভূমিকম্প-প্রবণ অঞ্চলের ভেতরে যোগাযোগ করছে। এখানে চীন এবং তার আশপাশের অঞ্চলে সবচেয়ে শক্তিশালী ও ঘন ঘন ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটে। ভূগর্ভস্থ টেকটোনিক প্লেটের সংঘর্ষের কারণে এই অঞ্চলে একটি স্থায়ী এবং শক্তিশালী ভূমিকম্পের বলয় তৈরি হয়েছে।

গবেষকরা কোয়াটারনারি যুগের (২৫.৮ লাখ বছর আগে থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত বিস্তৃত) টেকটোনিক নড়াচড়ার ইতিহাস বিশ্লেষণ করে দেখেছেন যে, এই পাইঝেন চ্যুতিটি প্লাইস্টোসিন যুগের শুরুতে সৃষ্টি হলেও বর্তমানে হলোসিন যুগে এটি তার সক্রিয়তা বজায় রেখেছে।

এ ছাড়া প্রাচীন হ্রদের তলানির কার্বন ডেটিং পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে, মাত্র ৯ হাজার ৫০০ বছর আগেও ফাটলটি সক্রিয় ছিল।

গবেষকরা আধুনিক ভূকম্পন সম্ভাবনার প্রমাণ হিসেবে ২০১৭ সালে তিব্বতের মিলিনে সংঘটিত ৬.৯ মাত্রার ভূমিকম্পের কথাও উল্লেখ করেছেন, যা ফল্ট লাইনের উত্তর প্রান্তে ঘটেছিল।

তারা বলেন যে, ‘আঞ্চলিক ভূমিকম্পের প্রভাবে সহজেই ভূমিধস ও ধস ঘটতে পারে, যা প্রকৌশল স্থাপনা এবং কর্মীদের নিরাপত্তার জন্য একটি হুমকি’।

সুতরাং বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে বলেছেন যে, যেকোনো সময় এই অঞ্চলে মাঝারি বা বড় মাত্রার ভূমিকম্প ঘটলে তা তাসের ঘরের মতো বাঁধটিকে গুঁড়িয়ে দিতে সক্ষম এবং এই ফলে সৃষ্ট কৃত্রিম বন্যা ও ভূমিধস পুরো হিমালয় অঞ্চলসহ নীচের বিস্তীর্ণ জনপদকে মাটির নিচে চিরতরে চাপা দিয়ে দিতে পারে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরীক্ষা চলাকালে বইয়ের পৃষ্ঠাসহ ধরা পড়লেন এইচএসসি পরীক্ষার্থী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৫৫ পি.এম


পরীক্ষা চলাকালে বইয়ের পৃষ্ঠাসহ ধরা পড়লেন এইচএসসি পরীক্ষার্থী

এইচএসসি পরীক্ষা চলাকালে কক্ষের ভেতরে বইয়ের পৃষ্ঠা রেখেছিল এক পরীক্ষার্থী, যার কারণে ফেনীতে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) ফেনী শহরের সরকারি জিয়া মহিলা কলেজ কেন্দ্রে যখন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ের পরীক্ষা চলছিল, তখন এ ঘটনা ঘটে।

যিনি বহিষ্কৃত হয়েছেন, তার নাম মৌসুমী রানী দাস। তিনি একটি অনিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে ফেনী সরকারি কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

কেন্দ্রের সূত্রে জানানো হয়েছে, শনিবার যখন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ের পরীক্ষা চলছিল, তখন দায়িত্বে থাকা পরিদর্শকরা ওই নারী শিক্ষার্থীর কাছে পরীক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত বইয়ের কিছু ছেঁড়া পৃষ্ঠা দেখতে পান। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হলে, পরীক্ষার শৃঙ্খলা ও বিধিমালা অনুযায়ী তাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

ঘটনাস্থলে দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইকবাল হোসেন, যিনি ফেনী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার, ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পরীক্ষা চলাকালে পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে বইয়ের কয়েকটি পৃষ্ঠা উদ্ধার করা হয়েছে। কেন্দ্র কর্তৃপক্ষের নজরে আসার পর, বিধিমালা মেনে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, বহিষ্কৃত এই পরীক্ষার্থীর কাছে কোনো মোবাইল ফোন কিংবা অন্য কোনো ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস পাওয়া যায়নি। শুধুমাত্র পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কাগজের পৃষ্ঠা রাখার অপরাধেই পরীক্ষা আইন অনুসারে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%