ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জেলেদের ট্রলারে মাছের বদলে উদ্ধার সাড়ে ৭ কোটি টাকার শাড়ি-পাঞ্জাবি


জেলেদের ট্রলারে মাছের বদলে উদ্ধার সাড়ে ৭ কোটি টাকার শাড়ি-পাঞ্জাবি

বরগুনার পাথরঘাটায় মাছ ধরার ট্রলারে চোরাচালানের সময় কোস্টগার্ড পাঁচজনকে আটক করেছে। একই সঙ্গে, ট্রলার ও একটি কাভার্ডভ্যান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে প্রায় সাড়ে ৭ কোটি টাকা মূল্যের ভারতীয় শাড়ি ও পাঞ্জাবি।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন স্বাক্ষরিত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

আটক ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন- পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার বড় বাইশদিয়া এলাকার সোহাগ সরদার (৩২), মৌডুবি এলাকার সাগর হাওলাদার (৩৮), কুয়াকাটার মহিপুর এলাকার মঞ্জু মোল্লা (৩২), কলাপাড়া উপজেলার খলিলপুর এলাকার রেজাউল গাজী (৩৭) এবং বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার নবানখালী এলাকার বিল্লাল হাওলাদার (৪৫)।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

গোপন তথ্যের ভিত্তিতে, পাথরঘাটা কোস্টগার্ড স্টেশনের সদস্যরা বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত ২ টার দিকে পাথরঘাটার কাকচিরা ইউনিয়নের বিষখালী নদী সংলগ্ন এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করেন। সন্দেহভাজন একটি মাছ ধরার ট্রলার ও কাভার্ড ভ্যানে তল্লাশি চালানোর সময় শুল্ক ফাঁকি দিয়ে ভারত থেকে অবৈধভাবে আনা ১৩ হাজার ৫০৭টি শাড়ি ও ১ হাজার ৪৬৬টি পাঞ্জাবি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য ৭ কোটি ৪ লাখ ৬৭ হাজার টাকা।

পরবর্তীতে, উদ্ধারকৃত শাড়ি ও পাঞ্জাবিসহ চোরাচালান কাজে ব্যবহৃত ট্রলার এবং কাভার্ড ভ্যানটিকে জব্দ করা হয় এবং জড়িত পাঁচজনকে আটক করা হয়।

কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানিয়েছেন, জব্দ করা সব আলামত ও আটক চোরাকারবারিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থার জন্য পাথরঘাটা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, চোরাচালান রোধে ভবিষ্যতেও কোস্টগার্ডের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার কী ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৫৭ পি.এম


মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার কী ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে?

ফ্রিজ থেকে পাউরুটির প্যাকেট বের করে দেখা গেল, গায়ে লেখা ‘বেস্ট বাই’ তারিখটি দুই দিন আগে পার হয়ে গেছে। তবে পাউরুটির চেহারা স্বাভাবিক, এবং কোনো বাজে গন্ধও নেই। তাহলে কি নিশ্চিন্তে এটি খাওয়া যাবে?

প্যাকেটজাত খাবার খাওয়ার আগে অনেকেই তারিখের দিকে নজর দেন না। আবার কিছু মানুষ মনে করেন, তারিখ পার হলেও খাবারের গন্ধ বা রঙের পরিবর্তন না হলে তা খাওয়া নিরাপদ। কিন্তু খাবারের মেয়াদের তারিখ এবং খাবার নষ্ট হওয়ার বিষয়টি সবসময় এক নয়।

ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল অ্যান্ড কার্ডিয়াক সেন্টারের সিনিয়র ডায়েটিশিয়ান ও নিউট্রিশনিস্ট শরীফা আক্তার শাম্মী গণমাধ্যমকে জানান, খাবারের প্যাকেটে দেওয়া তারিখ ও সংরক্ষণবিধি সম্পর্কে সচেতন থাকা অত্যন্ত জরুরি।

খাবারের মেয়াদের তারিখ বলতে কী বোঝায়

খাবারের মোড়কে যে তারিখ লেখা থাকে, সাধারণত তা পর্যন্ত খাবারের নির্দিষ্ট গুণগত মান বজায় থাকবে বলে প্রস্তুতকারক আশা করেন।

তবে প্যাকেটের গায়ে লেখা বিভিন্ন তারিখের অর্থ এক নয়। তাই শুধুমাত্র তারিখ পার হয়েছে দেখেই সব খাবারকে একইভাবে অনিরাপদ বলা যায় না।

‘বেস্ট বাই’ বা ‘বিফোর’ তারিখ

এই তারিখ সাধারণত খাবারের স্বাদ, গন্ধ ও গুণগত মান সবচেয়ে ভালো থাকার সময় নির্দেশ করে। তারিখ পার হয়ে গেলে খাবারের সতেজতা বা মান কমে যেতে পারে।

তবে খাবারে নষ্ট হওয়ার কোনো লক্ষণ না থাকলে শুধু এই তারিখ পার হওয়ার কারণে খাবারটি অবশ্যই অনিরাপদ হয়ে গেছে—এমন নয়। খাবার কীভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।

‘সেল বাই’ তারিখ

এই তারিখ মূলত বিক্রেতাদের জন্য দেওয়া হয়। অর্থাৎ ওই তারিখ পর্যন্ত পণ্যটি বিক্রির জন্য প্রদর্শন করা উচিত।

এই তারিখ পার হলেই খাবারটি অনিরাপদ হয়ে গেছে—এমন অর্থ নয়।

‘ইউজ বাই’ তারিখ

এই তারিখ সাধারণত খাবার ব্যবহারের সময়সীমা বোঝায়। তবে কোন খাবারে কীভাবে এই তারিখ ব্যবহার করা হবে, তা দেশ ও প্রস্তুতকারকভেদে আলাদা হতে পারে।

তাহলে খাবারের প্যাকেটের নির্দেশনা এবং সংরক্ষণের নিয়ম মেনে চলা জরুরি।

নষ্ট খাবার খেলে কী হতে পারে

খাবার মেয়াদ পেরিয়ে নষ্ট হয়ে গেলে তা খাওয়ার কারণে বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

খাদ্যে বিষক্রিয়া: নষ্ট খাবারে সালমোনেলা, লিস্টেরিয়া ও ই-কোলাইয়ের মতো ক্ষতিকর জীবাণু থাকতে পারে। এমন খাবার খেলে বমি বমি ভাব, বমি, পাতলা পায়খানা, জ্বর ও পানিশূন্যতার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

হজমের সমস্যা: খাবার নষ্ট হয়ে গেলে বদহজম, পেট ফাঁপা ও পেটে ব্যথার মতো সমস্যা হতে পারে। খাবারের সতেজতা নষ্ট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্ষতিকর জীবাণু তৈরি হওয়ার ঝুঁকিও বাড়তে পারে।

হতে পারে গুরুতর অসুস্থতাও

সঠিকভাবে সংরক্ষণ না করা বা নষ্ট হয়ে যাওয়া কিছু খাবার গুরুতর অসুস্থতার কারণ হতে পারে।

বিশেষ করে কৌটাজাত খাবার সঠিকভাবে সংরক্ষণ না করলে তাতে ক্ষতিকর বিষাক্ত পদার্থ তৈরি হওয়ার ঝুঁকি থাকে। এর ফলে বটুলিজমের মতো গুরুতর অসুস্থতা হতে পারে, যা কখনো জীবনহানির কারণও হতে পারে।

আবার ছত্রাকের সংক্রমণ হওয়া খাবারে মাইকোটক্সিন তৈরি হতে পারে। এসব বিষাক্ত পদার্থ লিভার ও স্নায়ুতন্ত্রের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।

শিশু ও বয়স্কদের বাড়তি সতর্কতা

শিশু, গর্ভবতী নারী ও বয়স্কদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা তুলনামূলকভাবে দুর্বল হতে পারে। তাই তাদের ক্ষেত্রে নষ্ট বা সন্দেহজনক খাবার খাওয়ার ঝুঁকি আরও বেশি।

সামান্য সংক্রমণও তাদের ক্ষেত্রে গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই এ ধরনের ব্যক্তিদের খাবার নির্বাচনের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

গন্ধ ঠিক থাকলেই খাবার নিরাপদ নয়

খাবারের গন্ধ বা রঙে পরিবর্তন না থাকলে অনেকেই সেটিকে নিরাপদ মনে করেন। কিন্তু ক্ষতিকর জীবাণু বা বিষাক্ত পদার্থ সবসময় চোখে দেখা যায় না কিংবা গন্ধের মাধ্যমে বোঝা যায় না।

তাহলে শুধু গন্ধ, রং বা দেখতে স্বাভাবিক লাগছে কি না—এগুলো দেখে খাবার নিরাপদ বলে ধরে নেওয়া ঠিক নয়।

খাবার কেনার আগে যা দেখবেন

প্যাকেটজাত খাবার কেনা বা খাওয়ার আগে প্যাকেটের গায়ে লেখা তারিখ ও সংরক্ষণের নির্দেশনা দেখে নিন। খাবার নির্ধারিত তাপমাত্রায় এবং সঠিকভাবে সংরক্ষণ করাও জরুরি।

কোনো খাবারের গন্ধ, রং, প্যাকেট বা চেহারায় অস্বাভাবিকতা দেখা গেলে সেটি না খাওয়াই নিরাপদ। বিশেষ করে খাবার কীভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে, সে বিষয়ে সন্দেহ থাকলে ঝুঁকি না নেওয়াই ভালো।

খাবারের গায়ে লেখা তারিখকে তাই শুধু একটি সংখ্যা হিসেবে না দেখে এর অর্থ বোঝা জরুরি। একই সঙ্গে খাবারের সংরক্ষণ পদ্ধতি ও অবস্থাও বিবেচনায় রাখতে হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিএনসিসির বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় চালু হলো ৫ নতুন কনটেইনার ক্যারিয়ার ট্রাক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৫৭ পি.এম


ডিএনসিসির বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় চালু হলো ৫ নতুন কনটেইনার ক্যারিয়ার ট্রাক

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিক ও গতিশীল করার লক্ষ্যে পাঁচটি নতুন কনটেইনার ক্যারিয়ার ট্রাক উদ্বোধন করেছেন প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) গাবতলীর প্রস্তাবিত কাঁচাবাজারে ডিএনসিসির পরিবহন ডিপোতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি এই ট্রাকগুলোর উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানে ডিএনসিসি প্রশাসক উল্লেখ করেন, অতি বৃষ্টিপাতের কারণে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের কোথাও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে না। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সংস্কার কার্যক্রম এবং কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে এই সমস্যা সমাধান হয়েছে। এ বিষয়ে আমরা প্রায় সফলতা অর্জন করেছি।

তিনি আরও জানান, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বাসাবাড়ির বর্জ্য দ্রুত অপসারণের জন্য এসটিএস এর মাধ্যমে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আধুনিকীকরণের উদ্দেশ্যে ৫টি ক্যারিয়ার ট্রাক উদ্বোধন করা হয়েছে। আগামীতে আরও ১০টি কনটেইনার ক্যারিয়ার ট্রাক যুক্ত করা হবে বলেও তিনি জানান।

শফিকুল ইসলাম খান বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে সহজ এবং দ্রুততর করার মাধ্যমে নগরবাসীকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন শহর উপহার দেওয়ার জন্য ডিএনসিসি সর্বদা সচেষ্ট এবং দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। প্রতিদিন ১৮০-২০০টি গাড়ির মাধ্যমে ঢাকা শহরের চার হাজার টন বর্জ্য অপসারণ করছে ডিএনসিসি।

তিনি বলেন, নগরবাসীকে উন্নত সেবা প্রদানের লক্ষ্যে গৃহীত পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আজ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগে নতুন পাঁচটি কনটেইনার ক্যারিয়ার ট্রাক যুক্ত করা হলো। এই গাড়িগুলোর মাধ্যমে সহজে ও দ্রুত সময়ের মধ্যে ময়লা-আবর্জনা অপসারণ করে নগরবাসীকে স্বস্তি দেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আলমারিতে লুকিয়েও রক্ষা পেলেন না মাদক কারবারি, ধরিয়ে দিল ওয়াই-ফাই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৫৮ পি.এম


আলমারিতে লুকিয়েও রক্ষা পেলেন না মাদক কারবারি, ধরিয়ে দিল ওয়াই-ফাই

এক মাদক কারবারির গ্রেপ্তার এড়ানোর চেষ্টা শেষ পর্যন্ত সফল হয়নি। তিনি নিজের বাড়ির আলমারিতে লুকিয়ে ছিলেন, কিন্তু প্রযুক্তির সাহায্যে পুলিশ তার অবস্থান চিহ্নিত করে তাকে গ্রেপ্তার করে।

যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম দ্য মেট্রো-এর প্রতিবেদনে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া মাদক কারবারির নাম জোয়েল লুইস।

৩৪ বছর বয়সী লুইস উত্তর-পশ্চিম লন্ডনের ওয়েম্বলিতে বসবাস করতেন। তার বিরুদ্ধে ‘ববি’ নামে একটি মাদক সিন্ডিকেট পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে। নর্থ কিলবার্ন এলাকায় তার চক্র কোকেন ও হেরোইন সরবরাহ করত।

মাদক সরবরাহের সন্দেহে কয়েকজন শিশুকে আটক করে তাদের মোবাইল ফোন পরীক্ষা করার পর লুইসের চক্রের সন্ধান পায় পুলিশ। এরপর তদন্তের অংশ হিসেবে গত ৭ জুলাই ওয়েম্বলিতে লুইসের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়।

পুলিশের অভিযান টের পেয়ে লুইস একটি আলমারির ভেতর লুকিয়ে পড়েন। তবে পুলিশ তাকে দ্রুত খুঁজে বের করে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পর বিস্মিত লুইস পুলিশকে প্রশ্ন করেন, "আপনারা আমাকে কীভাবে খুঁজে পেলেন?"

তদন্তকারীরা জানান, লুইস তার ডিভাইসে ভিপিএন ব্যবহার করে নিজের অবস্থান গোপন রাখতে চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু যে ঠিকানায় তিনি অবস্থান করছিলেন, সেখানে একটি পাবলিক ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের সঙ্গে তার ডিভাইস সংযুক্ত হয়ে যায়। সেই সংযোগের সূত্র ধরেই পুলিশ তার অবস্থান শনাক্ত করতে সক্ষম হয়।

অভিযানের সময় লুইসের বাড়ি থেকে আনুমানিক ৮ হাজার ৮০০ পাউন্ড মূল্যের ‘এ’ শ্রেণির মাদক কোকেন ও হেরোইন উদ্ধার করা হয়। এছাড়া প্রায় ৮ হাজার পাউন্ড নগদ অর্থ, ছয়টি মোবাইল ফোন, একটি গুলিসহ আগ্নেয়াস্ত্র, ১৩ রাউন্ড ৯ মিমি গুলি, একটি মাচেতে ও একটি ফ্লিপ নাইফ জব্দ করা হয়।

জব্দ করা মোবাইল ফোনগুলোর একটি সরাসরি ‘ববি’ মাদক সিন্ডিকেটের কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত ছিল। লুইসের ফোনের তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রায় ২৫০ জন মাদকসেবীর একটি কন্টাক্ট তালিকা পাওয়া যায়। এসব নম্বর থেকে প্রতিদিন তার ফোনে শতাধিক কল আসত বলে তদন্তে জানা গেছে।

তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা কনস্টেবল লরেন গ্রেস্টি বলেন, "নর্থ কিলবার্ন এলাকায় মাদক সরবরাহের কাজে তরুণদের ব্যবহার করতেন লুইস। এর ফলে তারা সহিংসতা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ত।"

কোকেন ও হেরোইন সরবরাহের অপরাধে হ্যারো ক্রাউন কোর্ট জোয়েল লুইসকে ১২ বছর ৯ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পান্থকুঞ্জের আপ-র‍্যাম্প চালুর জন্য নতুন নির্দেশনা দিলেন সেতু সচিব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৫৮ পি.এম


পান্থকুঞ্জের আপ-র‍্যাম্প চালুর জন্য নতুন নির্দেশনা দিলেন সেতু সচিব

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের পান্থকুঞ্জ পার্কের সংলগ্ন আপ-র‍্যাম্পের নির্মাণকাজ আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করে যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার নির্দেশনা দিয়েছেন সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সেতু ভবনে অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে, যেখানে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রকল্পের অগ্রগতি, অর্থায়ন এবং চলমান নির্মাণকাজের দ্রুত সমাপ্তির লক্ষ্যে ফার্স্ট ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে কোম্পানি লিমিটেডের চীনা প্রতিনিধিদল উপস্থিত ছিল, তিনি এই নির্দেশনা প্রদান করেন। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন মোহাম্মদ আবদুর রউফ।

এ সময় প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। প্রকল্পের নতুন অর্থায়ন, নির্মাণকাজের বর্তমান অবস্থা এবং অবশিষ্ট কাজ দ্রুত শেষ করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

সেতু সচিব পান্থকুঞ্জ পার্কের আপ-র‍্যাম্পের নির্মাণকাজ আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করার বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করতে চীনা প্রতিনিধিদলসহ সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

আবদুর রউফ প্রকল্পের অন্যান্য অবশিষ্ট কাজও দ্রুত শেষ করার তাগিদ দেন। তিনি উল্লেখ করেন, "প্রকল্পের পূর্ণাঙ্গ সুফল ঢাকাবাসীর কাছে দ্রুত পৌঁছে দিতে হলে নির্মাণকাজের গতি আরও বাড়াতে হবে।" এ লক্ষ্যে অতিরিক্ত জনবল মোতায়েনের নির্দেশও দেন তিনি।

বৈঠকে প্রকল্পের অর্থায়ন পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়। চীনা প্রতিনিধিদল জানায়, তারা অর্থায়ন কার্যক্রম দ্রুত নিষ্পত্তির বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে এবং এ প্রক্রিয়া বেগবান করতে তাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

তারা আরও জানায়, বিকল্প ঋণদাতা হিসেবে চীনের শ্যানডং প্রদেশের শীর্ষস্থানীয় দুটি ব্যাংক ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়।

এদিকে, এক্সপ্রেসওয়ের টোল প্লাজাগুলোতে যানবাহনের নিরবচ্ছিন্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে আরএফআইডি-ভিত্তিক ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন ব্যবস্থা দ্রুত বাস্তবায়নের বিষয়টি বৈঠকে উঠে আসে। চীনা প্রতিনিধিদলকে এ ব্যবস্থা দ্রুত চালু করতে প্রয়োজনীয় সমন্বয়ের জন্য অনুরোধ করা হয়।

সেতু সচিব প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে সব ধরনের নীতিগত ও পরিচালনাগত সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) প্রকল্পের অবশিষ্ট কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ করতে একটি সুস্পষ্ট ও সময়ভিত্তিক পূর্ণাঙ্গ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের ওপর গুরুত্ব দেন।

নির্মাণকাজ চলাকালে প্রকল্প এলাকায় সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করার তাগিদও দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রকল্পটি দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগত পিপিপি প্রকল্প। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (কাওলা) থেকে শুরু হয়ে কুড়িল, বনানী, মহাখালী, তেজগাঁও, মগবাজার, কমলাপুর, সায়েদাবাদ ও যাত্রাবাড়ী হয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী পর্যন্ত প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।

মূল উড়ালসড়কের দৈর্ঘ্য ১৯ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার এবং ওঠানামার সংযোগকারী র‌্যাম্পসহ প্রকল্পটির মোট দৈর্ঘ্য ৪৬ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার। রাজধানীর সড়কপথের ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি ও যানজট নিরসনের লক্ষ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

বৈঠকে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক এবং বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ও এফডিইইর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র: বাসস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%