মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৪৯ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য দুটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কর্মসূচি, খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি SNAP এবং স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচি Medicaid-এর নিয়মে বড় পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০২৫ সালের বাজেট আইনের আওতায় কিছু পরিবর্তন আগামী ১ অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
পরিবর্তনগুলোর মধ্যে SNAP পরিচালনার ব্যয়ের ক্ষেত্রে রাজ্যগুলোর ওপর বাড়তি আর্থিক দায়িত্ব এবং কিছু বৈধ অভিবাসীর Medicaid সুবিধার জন্য কেন্দ্রীয় অর্থায়নের নিয়মে পরিবর্তন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। Medicaid-এর নতুন কাজ বা সামাজিক অংশগ্রহণের শর্ত ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হওয়ার কথা, তবে কিছু রাজ্য চাইলে এর আগেও তা কার্যকর করতে পারবে।
এসব পরিবর্তনের ফলে কোটি কোটি মানুষের সরাসরি সুবিধা বন্ধ হয়ে যাবে না। তবে যোগ্যতা যাচাই, প্রশাসনিক প্রক্রিয়া এবং রাজ্যগুলোর অর্থায়নের দায়িত্বে পরিবর্তন আসায় সুবিধাভোগীদের ওপর এর প্রভাব পড়তে পারে।
SNAP পরিচালনার ব্যয়ে রাজ্যের দায়িত্ব বাড়ছে। আগামী ১ অক্টোবর ২০২৬ থেকে SNAP পরিচালনার প্রশাসনিক ব্যয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের অংশ ৫০ শতাংশ থেকে কমে ২৫ শতাংশ হওয়ার কথা। ফলে সাধারণ প্রশাসনিক ব্যয়ের বাকি ৭৫ শতাংশ রাজ্যগুলোকে বহন করতে হবে।
মার্কিন কৃষি বিভাগের খাদ্য ও পুষ্টি প্রশাসন জানিয়েছে, ২০২৫ সালের ‘ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিল অ্যাক্ট’-এর একটি ধারার মাধ্যমে এই পরিবর্তন আনা হচ্ছে। ২০২৭ অর্থবছর থেকে নতুন হার কার্যকর করার জন্য কৃষি বিভাগ নিয়ম পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে।
SNAP-এর প্রশাসনিক ব্যয়ের মধ্যে সুবিধাভোগীদের আবেদন ও হিসাব ব্যবস্থাপনা, কর্মীদের খরচ, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা এবং কিছু জালিয়াতি প্রতিরোধ কার্যক্রমের ব্যয় অন্তর্ভুক্ত থাকে। কেন্দ্রীয় সহায়তা কমে যাওয়ায় রাজ্যগুলোকে নিজেদের বাজেট থেকে বেশি অর্থ ব্যয় করতে হবে।
তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই পরিবর্তন নিজে থেকে SNAP সুবিধার অর্থের পরিমাণ কমিয়ে দিচ্ছে না। বরং কর্মসূচিটি পরিচালনার খরচ কে কতটা বহন করবে, সেই কাঠামোতে পরিবর্তন হচ্ছে। রাজ্যগুলো বাড়তি ব্যয়ের সঙ্গে কীভাবে মানিয়ে নেবে, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
পরবর্তী সময়ে SNAP সুবিধার খরচেও রাজ্যের অংশ আসতে পারে। SNAP-এর ক্ষেত্রে আরও একটি পরিবর্তন ২০২৭ সালের অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। যেসব রাজ্যে সুবিধা প্রদানের ক্ষেত্রে ভুলের হার নির্দিষ্ট ফেডারেল সীমার ওপরে থাকবে, সেসব রাজ্যকে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে SNAP সুবিধার অর্থের একটি অংশ বহন করতে হতে পারে।
এটি বর্তমান ব্যবস্থার তুলনায় বড় পরিবর্তন। এতদিন SNAP-এর সুবিধা দেওয়ার অর্থ মূলত কেন্দ্রীয় সরকারই বহন করে আসছিল। তবে এই পরিবর্তন ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকেই কার্যকর হচ্ছে না। তাই চলতি বছরের অক্টোবরের পরিবর্তনের সঙ্গে ২০২৭ সালের সম্ভাব্য ব্যয় ভাগাভাগির নিয়মকে আলাদা করে দেখা প্রয়োজন।
কিছু অভিবাসীর Medicaid সুবিধায় পরিবর্তন আসছে। ১ অক্টোবর থেকে Medicaid ও শিশুদের স্বাস্থ্যবিমা কর্মসূচি CHIP-এর ক্ষেত্রে কিছু বৈধ অভিবাসীর জন্য কেন্দ্রীয় অর্থায়নের নিয়মেও পরিবর্তন আসছে।
মেডিকেয়ার ও মেডিকেইড সার্ভিসেস কেন্দ্রের নির্দেশনা অনুযায়ী, পূর্ণ Medicaid সুবিধার জন্য কেন্দ্রীয় অর্থায়ন সাধারণভাবে মার্কিন নাগরিক ও নাগরিকত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের পাশাপাশি বৈধ স্থায়ী বাসিন্দা বা গ্রিন কার্ডধারী, কিউবান-হাইতিয়ান প্রবেশকারী এবং কমপ্যাক্ট অব ফ্রি অ্যাসোসিয়েশনভুক্ত দেশগুলোর নির্দিষ্ট নাগরিকদের জন্য অব্যাহত থাকবে।
এর বাইরে আশ্রয়প্রার্থী, শরণার্থী, নির্দিষ্ট ধরনের প্যারোলপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং মানবপাচারের শিকার ব্যক্তিদের মতো কিছু শ্রেণির জন্য ১ অক্টোবর থেকে পূর্ণ Medicaid সুবিধায় কেন্দ্রীয় অর্থায়ন আর সাধারণভাবে পাওয়া যাবে না, যদি তারা অন্য কোনো যোগ্য শ্রেণির মধ্যে না পড়েন।
তবে এর অর্থ এই নয় যে প্রত্যেক আক্রান্ত ব্যক্তির স্বাস্থ্যসেবা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাবে। জরুরি চিকিৎসার জন্য Medicaid-এর বিশেষ সুবিধা বহাল থাকবে। পাশাপাশি কিছু রাজ্য নিজেদের অর্থ দিয়ে নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা চালিয়ে যেতে পারে। শিশু ও গর্ভবতী ব্যক্তিদের জন্য বিদ্যমান কিছু ফেডারেল বিধানের আওতায় বিশেষ সুযোগও থাকতে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন, বিএনপির সঙ্গে চাঁদাবাজির ‘বয়ান’ তৈরির প্রচেষ্টা অন্তর্বর্তী সরকারের সময় থেকেই শুরু হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ের সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
জাহেদ উর রহমান বিএনপির নাম চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়ানোর প্রসঙ্গে বলেন, আসলে বিএনপির সঙ্গে চাঁদাবাজির এক ধরনের ট্যাগিংয়ের চেষ্টা চলছে। এটি রাজনীতির অংশ। তিনি উল্লেখ করেন, “আমি এটা বলছি না এই সরকারের সময়ে, এই সরকারের সঙ্গে কানেক্টেড বা এই সরকারের দলের নাম নিয়ে কেউ এটা করছে না।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা ন্যারেটিভের কথা বলছি, এই চেষ্টা ইন্টেরিমের সময় থেকেই আসলে রয়েছে। এই চেষ্টা চলছে এবং এটা রাজনীতি। এই রাজনীতি করার চেষ্টা তারা করতেই পারেন।”
কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা প্রসঙ্গে জাহেদ উর রহমান জানান, হামলার শিকার হওয়ায় সালমানের প্রতি সরকারের সহানুভূতি রয়েছে। তবে ঘটনার পরপরই চাঁদাবাজি ও বিএনপির সংশ্লিষ্টতার যে অভিযোগ উঠেছিল, সেই বক্তব্যের কিছু অংশ পরবর্তীতে পরিবর্তিত হয়েছে।
তিনি বলেন, সালমান মুক্তাদির ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং তার প্রতিষ্ঠানে হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তবে জনপ্রিয় ও ব্যাপক অনুসারী থাকা কোনো ব্যক্তি অভিযোগ করলে তার সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রভাব অনেক বেশি হয়।
তথ্য উপদেষ্টা আরও জানান, সালমান পরবর্তী সময়ে সরাসরি তার কাছে চাঁদা চাওয়ার বিষয়ে দেওয়া বক্তব্য সংশোধন করেছেন। ফলে প্রাথমিক বক্তব্যের ভিত্তিতে যেসব রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ও প্রচার হয়েছে, সেগুলোর ক্ষেত্রেও সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন।
ব্রিফিংয়ে জামায়াতে ইসলামীর আমিরসহ বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রতিক্রিয়ার বিষয়টিও তুলে ধরেন তিনি।
জাহেদ উর রহমান বলেন, সালমানের প্রাথমিক বক্তব্যের ভিত্তিতে জামায়াতের আমির সরকার ও সরকারি দলকে দায়ী করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। পরে নতুন তথ্য সামনে এলেও সেই পোস্ট প্রত্যাহার বা সংশোধন করা হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।
তার ভাষ্য, প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে কেউ প্রতিক্রিয়া জানাতে পারেন। তবে পরে সেই তথ্য ভুল বা অসম্পূর্ণ বলে প্রতীয়মান হলে নিজের অবস্থান সংশোধন করাও দায়িত্বশীল আচরণের অংশ।
এনসিপির কয়েকজন নেতার বক্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে তথ্য উপদেষ্টা অভিযোগ করেন, ঘটনার পর বিএনপি, দলটির নেতৃত্ব এবং সরকারকে লক্ষ্য করে আক্রমণাত্মক বক্তব্য দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে নতুন তথ্য সামনে এলেও সেসব বক্তব্যের অনেকগুলো সংশোধন করা হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।
জাহেদ উর রহমান বলেন, সরকার ক্ষমতায় থাকলে তার কর্মকাণ্ড নিয়ে যৌক্তিক সমালোচনার অনেক ক্ষেত্র রয়েছে। এ জন্য অপতথ্যের প্রয়োজন নেই।
তবে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনাকে সরকার হালকাভাবে দেখছে না বলে তিনি জানান। তার বক্তব্য, কোনো নাগরিকের প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর বা তার ওপর হামলা হলে তা ঠেকানো রাষ্ট্রের দায়িত্ব। এমন ঘটনা ঘটলে সরকার বিব্রত ও দুঃখিত হবে।
হামলায় সরাসরি অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের পাশাপাশি নেপথ্যে থাকা ব্যক্তিদেরও তদন্তের আওতায় আনার কথা জানান তথ্য উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, তদন্তে ক্ষমতাসীন দলের কোনো ব্যক্তি, পুলিশ সদস্য বা অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাকেও আইনের আওতায় আনা হবে। দলীয় পরিচয়ের কারণে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
তিনি আরও বলেন, সরাসরি ভাঙচুরে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করাই তদন্তের শেষ নয়। তদন্তে অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চলতি বছর সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা টানা পাঁচদিনের ছুটি পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। পূজার দুই দিনের ছুটির পাশাপাশি সাপ্তাহিক ছুটির মধ্যবর্তী দিনটিতে নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে ছুটি ঘোষণার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
এদিকে, ২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, আগামী ২০ অক্টোবর (মঙ্গলবার) মহানবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে ছুটি থাকবে এবং ২১ অক্টোবর (বুধবার) বিজয়া দশমী উপলক্ষে সাধারণ ছুটির দিন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
পরবর্তী দিন ২২ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) কর্মদিবস হিসেবে অফিস খোলা থাকার কথা থাকলেও, সরকার ওই দিনটিতেও নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করার পরিকল্পনা করছে। এরপর ২৩ ও ২৪ অক্টোবর (শুক্রবার ও শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি রয়েছে। ফলে ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত সরকারি চাকরিজীবীরা টানা পাঁচদিনের ছুটির সুবিধা পাবেন।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, ২২ অক্টোবর নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে ছুটি ঘোষণা করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আসন্ন মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব উপস্থাপন করা হবে এবং সেখানে অনুমোদন পেলে আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।
একই সঙ্গে তিনি আরও জানিয়েছেন, ২২ অক্টোবরের অর্জিত ছুটির সমন্বয় হিসেবে পরবর্তী যেকোনো একটি ছুটির দিনে (শনিবার) সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিসে কাজ করতে হবে। এই শর্ত যুক্ত করেই প্রস্তাবটি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভায় পাঠানো হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সুন্নি ঘরানার বক্তা মাওলানা আতাউল বারী আলকাদেরী মন্তব্য করেছেন যে, "চট্টগ্রামের মানুষ আগে জান্নাতে যাবে।" তার এই বক্তব্যের কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
সম্প্রতি একটি ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি মসজিদের মিম্বারে দাঁড়িয়ে এই মন্তব্য করছেন। ভিডিওতে আতাউল বারী উল্লেখ করেন, "রাউজানের মানুষ আগে জান্নাতে যাবে। কারণ এই রাউজানের মধ্যে শতকরা ৯০ জন সুন্নি এবং শতকরা ৯০ জন আশেকে রাসুল।" এরপর তিনি বলেন, "রাউজানের পরে রাঙ্গুনিয়া যাবে। তারপরে হাটহাজারী যাবে। তারপর বাঁশখালী যাবে। তারপরে আনোয়ারা যাবে। তারপর পটিয়া যাবে।"
তিনি আরও বলেন, "এভাবে যেতে যেতে পুরো চট্টগ্রামবাসীকে আল্লাহ জান্নাত দেওয়ার পরে তারপর অন্য জেলার মানুষ যাবে। কারণ চট্টগ্রাম হচ্ছে সুন্নিয়তের ক্যান্টনমেন্ট। যেখানে শতকরা ৯০ জন সুন্নি এবং আশেকে রাসুল।"
নিজের দাবির ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি ৭৩ দলের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, "হাদিসে পাকের মধ্যে আছে, আমার নবী বলেন, কেয়ামতের আগে ৭৩টা দল হবে। এই ৭৩টা দলের মধ্যে ৭২ দল জাহান্নামে যাবে। একদল জান্নাতে যাবে। সেটা হচ্ছে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত।"
বক্তব্যের শেষে তিনি বলেন, "সুতরাং জান্নাতে যেতে চাইলে সুন্নি হয়ে যান। নামের আগে সুন্নি লাগায়ে দেন।"
এদিকে, আতাউল বারীর এই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিভিন্ন আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই তার বক্তব্যকে মনগড়া ও ভিত্তিহীন দাবি হিসেবে উল্লেখ করেছেন, আবার কেউ কেউ এই বক্তব্য নিয়ে হাস্যরস করছেন।
মাওলানা আতাউল বারী আলকাদেরী স্থানীয়ভাবে সুন্নি বা রেজভী ধারার বক্তা ও শায়ের হিসেবে পরিচিত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন বক্তব্যের কারণে তিনি এর আগেও আলোচনায় এসেছেন।
স্থানীয়দের তথ্য ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে থাকা বিভিন্ন তথ্য অনুযায়ী, তার বাড়ি চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার গণ্ডামারা এলাকায়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের মেঘনা টোল প্লাজা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে, যারা স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) হিসেবে পরিচয় দিচ্ছিলেন। তাদের হেফাজতে পাওয়া যায় পোশাক (কটি), ওয়াকিটকি, হ্যান্ডকাফ এবং একটি মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম।
গ্রেপ্তারটি ঘটে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটের সময়, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকা ইনকামিং লেন থেকে।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একজন হলেন ঝালকাঠির নলছিটি পৌরসভার রাজারবাগ গ্রামের মো. সোহেল (৩৫) এবং অপরজন গাজীপুরের জয়দেবপুর থানার আমনা আমতলী গ্রামের মো. সাজ্জাদ হোসেন সোহাগ (৩০)। বর্তমানে তারা যথাক্রমে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও দক্ষিণখান এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নারায়ণগঞ্জ জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদার করার লক্ষ্যে জেলা পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় সোনারগাঁ থানা পুলিশ মেঘনা টোল প্লাজার পশ্চিম পাশে একটি চেকপোস্ট স্থাপন করে। চেকপোস্টে তল্লাশির সময় তাদের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে পুলিশ তাদের আটক করে। পরে তল্লাশি চালিয়ে সামনে ও পিছনে ‘RAB’ লেখা ৪টি কালো রঙের কটি, ২টি ওয়াকিটকি, ১টি হ্যান্ডকাফ, ১টি পিস্তলের কভার, ৯০টি প্লাস্টিক ওয়ার টাই, ১টি ভুয়া র্যাব আইডি কার্ড, ১টি FZ-1 ভার্সন মোটরসাইকেল (ঢাকা মেট্রো-ল-২৫-৮৬০৫), ১টি ওয়ালটন এবং ১টি রেডমি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল সেট উদ্ধার করা হয়।
সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল বারিক এ বিষয়ে জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ