মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৫০ পি.এম
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন, বিএনপির সঙ্গে চাঁদাবাজির ‘বয়ান’ তৈরির প্রচেষ্টা অন্তর্বর্তী সরকারের সময় থেকেই শুরু হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ের সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
জাহেদ উর রহমান বিএনপির নাম চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়ানোর প্রসঙ্গে বলেন, আসলে বিএনপির সঙ্গে চাঁদাবাজির এক ধরনের ট্যাগিংয়ের চেষ্টা চলছে। এটি রাজনীতির অংশ। তিনি উল্লেখ করেন, “আমি এটা বলছি না এই সরকারের সময়ে, এই সরকারের সঙ্গে কানেক্টেড বা এই সরকারের দলের নাম নিয়ে কেউ এটা করছে না।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা ন্যারেটিভের কথা বলছি, এই চেষ্টা ইন্টেরিমের সময় থেকেই আসলে রয়েছে। এই চেষ্টা চলছে এবং এটা রাজনীতি। এই রাজনীতি করার চেষ্টা তারা করতেই পারেন।”
কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা প্রসঙ্গে জাহেদ উর রহমান জানান, হামলার শিকার হওয়ায় সালমানের প্রতি সরকারের সহানুভূতি রয়েছে। তবে ঘটনার পরপরই চাঁদাবাজি ও বিএনপির সংশ্লিষ্টতার যে অভিযোগ উঠেছিল, সেই বক্তব্যের কিছু অংশ পরবর্তীতে পরিবর্তিত হয়েছে।
তিনি বলেন, সালমান মুক্তাদির ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং তার প্রতিষ্ঠানে হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তবে জনপ্রিয় ও ব্যাপক অনুসারী থাকা কোনো ব্যক্তি অভিযোগ করলে তার সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রভাব অনেক বেশি হয়।
তথ্য উপদেষ্টা আরও জানান, সালমান পরবর্তী সময়ে সরাসরি তার কাছে চাঁদা চাওয়ার বিষয়ে দেওয়া বক্তব্য সংশোধন করেছেন। ফলে প্রাথমিক বক্তব্যের ভিত্তিতে যেসব রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ও প্রচার হয়েছে, সেগুলোর ক্ষেত্রেও সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন।
ব্রিফিংয়ে জামায়াতে ইসলামীর আমিরসহ বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রতিক্রিয়ার বিষয়টিও তুলে ধরেন তিনি।
জাহেদ উর রহমান বলেন, সালমানের প্রাথমিক বক্তব্যের ভিত্তিতে জামায়াতের আমির সরকার ও সরকারি দলকে দায়ী করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। পরে নতুন তথ্য সামনে এলেও সেই পোস্ট প্রত্যাহার বা সংশোধন করা হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।
তার ভাষ্য, প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে কেউ প্রতিক্রিয়া জানাতে পারেন। তবে পরে সেই তথ্য ভুল বা অসম্পূর্ণ বলে প্রতীয়মান হলে নিজের অবস্থান সংশোধন করাও দায়িত্বশীল আচরণের অংশ।
এনসিপির কয়েকজন নেতার বক্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে তথ্য উপদেষ্টা অভিযোগ করেন, ঘটনার পর বিএনপি, দলটির নেতৃত্ব এবং সরকারকে লক্ষ্য করে আক্রমণাত্মক বক্তব্য দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে নতুন তথ্য সামনে এলেও সেসব বক্তব্যের অনেকগুলো সংশোধন করা হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।
জাহেদ উর রহমান বলেন, সরকার ক্ষমতায় থাকলে তার কর্মকাণ্ড নিয়ে যৌক্তিক সমালোচনার অনেক ক্ষেত্র রয়েছে। এ জন্য অপতথ্যের প্রয়োজন নেই।
তবে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনাকে সরকার হালকাভাবে দেখছে না বলে তিনি জানান। তার বক্তব্য, কোনো নাগরিকের প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর বা তার ওপর হামলা হলে তা ঠেকানো রাষ্ট্রের দায়িত্ব। এমন ঘটনা ঘটলে সরকার বিব্রত ও দুঃখিত হবে।
হামলায় সরাসরি অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের পাশাপাশি নেপথ্যে থাকা ব্যক্তিদেরও তদন্তের আওতায় আনার কথা জানান তথ্য উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, তদন্তে ক্ষমতাসীন দলের কোনো ব্যক্তি, পুলিশ সদস্য বা অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাকেও আইনের আওতায় আনা হবে। দলীয় পরিচয়ের কারণে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
তিনি আরও বলেন, সরাসরি ভাঙচুরে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করাই তদন্তের শেষ নয়। তদন্তে অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চলতি বছর সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা টানা পাঁচদিনের ছুটি পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। পূজার দুই দিনের ছুটির পাশাপাশি সাপ্তাহিক ছুটির মধ্যবর্তী দিনটিতে নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে ছুটি ঘোষণার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
এদিকে, ২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, আগামী ২০ অক্টোবর (মঙ্গলবার) মহানবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে ছুটি থাকবে এবং ২১ অক্টোবর (বুধবার) বিজয়া দশমী উপলক্ষে সাধারণ ছুটির দিন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
পরবর্তী দিন ২২ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) কর্মদিবস হিসেবে অফিস খোলা থাকার কথা থাকলেও, সরকার ওই দিনটিতেও নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করার পরিকল্পনা করছে। এরপর ২৩ ও ২৪ অক্টোবর (শুক্রবার ও শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি রয়েছে। ফলে ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত সরকারি চাকরিজীবীরা টানা পাঁচদিনের ছুটির সুবিধা পাবেন।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, ২২ অক্টোবর নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে ছুটি ঘোষণা করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আসন্ন মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব উপস্থাপন করা হবে এবং সেখানে অনুমোদন পেলে আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।
একই সঙ্গে তিনি আরও জানিয়েছেন, ২২ অক্টোবরের অর্জিত ছুটির সমন্বয় হিসেবে পরবর্তী যেকোনো একটি ছুটির দিনে (শনিবার) সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিসে কাজ করতে হবে। এই শর্ত যুক্ত করেই প্রস্তাবটি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভায় পাঠানো হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সুন্নি ঘরানার বক্তা মাওলানা আতাউল বারী আলকাদেরী মন্তব্য করেছেন যে, "চট্টগ্রামের মানুষ আগে জান্নাতে যাবে।" তার এই বক্তব্যের কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
সম্প্রতি একটি ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি মসজিদের মিম্বারে দাঁড়িয়ে এই মন্তব্য করছেন। ভিডিওতে আতাউল বারী উল্লেখ করেন, "রাউজানের মানুষ আগে জান্নাতে যাবে। কারণ এই রাউজানের মধ্যে শতকরা ৯০ জন সুন্নি এবং শতকরা ৯০ জন আশেকে রাসুল।" এরপর তিনি বলেন, "রাউজানের পরে রাঙ্গুনিয়া যাবে। তারপরে হাটহাজারী যাবে। তারপর বাঁশখালী যাবে। তারপরে আনোয়ারা যাবে। তারপর পটিয়া যাবে।"
তিনি আরও বলেন, "এভাবে যেতে যেতে পুরো চট্টগ্রামবাসীকে আল্লাহ জান্নাত দেওয়ার পরে তারপর অন্য জেলার মানুষ যাবে। কারণ চট্টগ্রাম হচ্ছে সুন্নিয়তের ক্যান্টনমেন্ট। যেখানে শতকরা ৯০ জন সুন্নি এবং আশেকে রাসুল।"
নিজের দাবির ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি ৭৩ দলের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, "হাদিসে পাকের মধ্যে আছে, আমার নবী বলেন, কেয়ামতের আগে ৭৩টা দল হবে। এই ৭৩টা দলের মধ্যে ৭২ দল জাহান্নামে যাবে। একদল জান্নাতে যাবে। সেটা হচ্ছে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত।"
বক্তব্যের শেষে তিনি বলেন, "সুতরাং জান্নাতে যেতে চাইলে সুন্নি হয়ে যান। নামের আগে সুন্নি লাগায়ে দেন।"
এদিকে, আতাউল বারীর এই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিভিন্ন আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই তার বক্তব্যকে মনগড়া ও ভিত্তিহীন দাবি হিসেবে উল্লেখ করেছেন, আবার কেউ কেউ এই বক্তব্য নিয়ে হাস্যরস করছেন।
মাওলানা আতাউল বারী আলকাদেরী স্থানীয়ভাবে সুন্নি বা রেজভী ধারার বক্তা ও শায়ের হিসেবে পরিচিত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন বক্তব্যের কারণে তিনি এর আগেও আলোচনায় এসেছেন।
স্থানীয়দের তথ্য ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে থাকা বিভিন্ন তথ্য অনুযায়ী, তার বাড়ি চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার গণ্ডামারা এলাকায়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের মেঘনা টোল প্লাজা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে, যারা স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) হিসেবে পরিচয় দিচ্ছিলেন। তাদের হেফাজতে পাওয়া যায় পোশাক (কটি), ওয়াকিটকি, হ্যান্ডকাফ এবং একটি মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম।
গ্রেপ্তারটি ঘটে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটের সময়, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকা ইনকামিং লেন থেকে।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একজন হলেন ঝালকাঠির নলছিটি পৌরসভার রাজারবাগ গ্রামের মো. সোহেল (৩৫) এবং অপরজন গাজীপুরের জয়দেবপুর থানার আমনা আমতলী গ্রামের মো. সাজ্জাদ হোসেন সোহাগ (৩০)। বর্তমানে তারা যথাক্রমে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও দক্ষিণখান এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নারায়ণগঞ্জ জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদার করার লক্ষ্যে জেলা পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় সোনারগাঁ থানা পুলিশ মেঘনা টোল প্লাজার পশ্চিম পাশে একটি চেকপোস্ট স্থাপন করে। চেকপোস্টে তল্লাশির সময় তাদের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে পুলিশ তাদের আটক করে। পরে তল্লাশি চালিয়ে সামনে ও পিছনে ‘RAB’ লেখা ৪টি কালো রঙের কটি, ২টি ওয়াকিটকি, ১টি হ্যান্ডকাফ, ১টি পিস্তলের কভার, ৯০টি প্লাস্টিক ওয়ার টাই, ১টি ভুয়া র্যাব আইডি কার্ড, ১টি FZ-1 ভার্সন মোটরসাইকেল (ঢাকা মেট্রো-ল-২৫-৮৬০৫), ১টি ওয়ালটন এবং ১টি রেডমি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল সেট উদ্ধার করা হয়।
সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল বারিক এ বিষয়ে জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবং ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের জন্য থানার নিকটবর্তী স্থানে একটি কেক রেখে গেছেন নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ঘটনার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। তবে সদর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে বানানো ভুয়া তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।
ভিডিওতে দেখা যায়, সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে জেলা শহরের টিএরোড ফকিরাপুলের ওপর কেকটি রেখে যান নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। পরে সংগঠনটির নেতাকর্মীদের পরিচালিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন পেজে এ সংক্রান্ত ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।
ভিডিওতে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির কণ্ঠে শোনা যায়, শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগ ও জেলা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে সদর মডেল থানার সম্মানিত ওসির জন্য কেকটি পাঠানো হয়েছে।
এছাড়া ভিডিওতে সদর মডেল থানার ওসিকে কেকটি সহকর্মী এবং বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে খাওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়।
কেকটির ওপর লেখা ছিল, ‘শুভ জন্মদিন শেখ হাসিনা’। এর নিচে লেখা ছিল, ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগ ও জেলা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ওসির জন্য।’ কেকটিতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ছবিও আঁকা ছিল।
এ বিষয়ে জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সমীর চক্রবর্তী গণমাধ্যমকে বলেন, বাস্তবে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের এই শহরে কোনো অস্তিত্ব কিংবা ভিত্তি নেই। তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রল করার জন্য এসব করছে। আমরা মনে করি, এসব কিছু করে তারা কোনোভাবে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে পারবে না। এদের বিষয়ে বরাবরের মতো সতর্ক এবং সোচ্চার আছি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ওসি খাইরুল আলম বলেন, কেক রেখে যাওয়ার ঘটনার বাস্তবে কোনো ভিত্তি নেই। এটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। আমরা তাদের বিষয়ে সতর্ক আছি। সার্বিক আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে পুলিশ দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ